২য় মুদ্রণ, জুলাই ২০২৩
লাশকাটা ঘর
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | লাশকাটা ঘর |
| Author | রুহুল আমিন |
| Publisher | প্রিয় বাংলা প্রকাশন |
| Edition | ২য় মুদ্রণ, জুলাই ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 111 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Mystery, Detective, Horror, Thriller and Adventure |
| Weight | 0.27 Kg |
| ISBN | 9789849734390 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Israt Sharmin Trina , Mar 25, 2024
"লাশকাটা_ঘর_রিভিউ 🟡 বই পরিচিতিঃ বইঃ ❝লা’শকা’টা ঘর❞ লেখক: রুহুল আমিন প্রকাশনী: প্রিয় বাংলা প্রকাশন জনরা: থ্রিলার প্রকাশকাল: বইমেলা ২০২৩ প্রকাশক: এস এম জসিম ভূঁইয়া প্রচ্ছদ মূল্য: ৩০০ টাকা (হার্ডকভার) পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১১ রিভিউদাতা: Israt Sharmin Trina এখানকার দুর্বাঘাস গুলো মলিন, দেয়ালগুলো রংচটা, গাছগুলো ধূসর, মানুষগুলো নীরস, আগত দেহগুলো নিথর! এখানকার স্ট্রেচারগুলো কখনও তাজা লাশ, কখনও অর্ধগলিত, কখনওবা পচেগলে যাওয়া নাম-পরিচয়হীন দেহগুলোকে বয়ে বেড়ায়। কখনও লাশের পেছনে আত্মীয়স্বজনের ভিড় আবার কখনওবা কেউ-ই থাকে না দুয়েকজন পুলিশ ছাড়া। হতভাগা এই লাশগুলো বেওয়ারিশ। এদের পরিচয় এরা অজ্ঞাত! চারপাশে কেমন যেন একটি গুমোট ভাব থাকে সব সময়। এ যেন বাইরের বাতাস এখানে কিংবা এখানকার বাতাস বাইরে না যাওয়ার এক অলিখিত চুক্তির ফল। যার এতটুকু হেরফের হচ্ছে না!এখানে কেউ হাসতে জানে না, কেউ হাসে না- হাসতে পারে না। এখানে সুখের ছিটেফোঁটাও নেই, কেবলই শোকের মাতম। এটি মর্গ- লাশকাটা ঘর! দেখেছেন কখনো লাশকাটা ঘর? দেখা হয়নি তাই না? 📖 এবার চলুন তবে মূল আলোচনায় ডুব দেই, " মিলি হাঁটতে হাঁটতে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ দেখতে পেল রাস্তায়, একটা ফেস্টুন পড়ে আছে। মিলি ফেস্টুনটি তুলে দেখল, তাতে লেখা আছে- ' মিলি রহমান হত্যার বিচার চাই। ' মিলি মৃদু হেসে মনে মনে বলল, বিচার তো মাত্রই শেষ হয়েছে।" কি লাগলো তো খটকা ? কৌতুহলী ইচ্ছেরা তোড়জোড় শুরু করে দিলো তো সবটা রহস্যের কিনারা খুঁজে পেতে ? চলুন তবে ইচ্ছেদের আর দমিয়ে না রেখে কিছুটা কৌতুহল মেটাই বাকীটা উদীয়মান লেখক রুহুল আমিন ভাইয়ার লাশকাটা ঘর বইটা পড়ে না হয় জেনে নিবেন। জি ঠিক ধরেছেন উপরে উদ্ধৃত লাইন গুলো লাশকাটা ঘর উপন্যাসের। যেটা মূলত থ্রিলার জনরার। উপন্যাসটা পড়ে আমার অনুভূতির ডাল পালা ভালো বা মন্দ ঠিক কোন পর্যন্ত এর বিচরণ ঘটাল এবার তবে তার খোলাসা করি। 📖 লাশকাটা ঘরের ফ্ল্যাপটা লেখক সাহেব ঠিক এভাবে সাজিয়েছেন, "মানুষের দুই ধরনের জীবন। জীবিত জীবন এবং মৃত জীবন। জীবিত জীবনে থাকে কোলাহল,প্রেম, সংঘাত এবং বড় হওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা। এখানে কেউ কেউ রহস্যের জট খুলতে ব্যস্ত। আবার কেউ কেউ রহস্যের বেড়াজালে আটকে থাকে চিরকাল। আর মৃত জীবনে কিছুই থাকে না।একদম শূন্য। কেউ কেউ আবার এই শূন্যতাকে কাটিয়ে হয়ে উঠে অতিমানবীয়।হয়ে উঠে ভয়ঙ্কর প্রতিবাদী। প্রতিশোধের তাড়নায় যার অন্তত ছারখার সে-ই তো সবচেয়ে বড় প্রতিবাদী।" 📖 পাঠ প্রতিক্রিয়ায় আমার বক্তব্য, নভেম্বর, ২০২০। দেশে সেবারই প্রথম লাশকাটা ঘর (মর্গ) ঘিরে হয়েছিল নতুন এক অপরাধের মঞ্চায়ন। সবাইকে চমকে দিয়ে গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছিল ২০ বছর বয়সী মুন্না ভক্ত। কারও অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে তার প্রকৃত কারণ জানতে আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লাশ পাঠানো হয় মর্গে। সেই মর্গও লাশের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠেছিল। রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশকাটা ঘরে মর্গ সহকারী পরিচয়ে সে দীর্ঘদিন মৃতদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার করছিল। ( তথ্যসূত্র, সমকাল- ০১ মার্চ,২০২২) বিচক্ষণ লেখক রুহুল আমিন ভাইয়ার লাশকাটা ঘরেও ঠিক এমনই একটা কাহিনির সাদৃশ্য দেখা গেছে। গল্পের প্রয়োজনে লেখক সাহেব বিভিন্ন প্লটে গল্পের চরিত্রদের আবদ্ধ করেছেন কাহিনি সামনে এগিয়ে নিতে। কাহিনীর প্রতি পরতে পরতে বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া সত্যি ঘটনা গুলোর উপস্হিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। কিন্তু আমার পাঠক সত্তা যেন এর ভাঁজে ভাঁজে খুঁজে পেয়েছে সত্যের দুর্লভ অভিনিবেশ - গভীরতা আর সৃজনশীলতা। নিঃসন্দেহে লেখক সাহেবকে মোটা দাগে একজন সত্যসন্ধানী গল্পকার বলা যায়। ▪️কোন লেখকের লেখায় সার্থকতা তো তখনই আসে যখন তার গল্পে চিত্রিত দুঃখ-কষ্ট, আবেগ- অনুভূতি গুলোর বীণা পাঠকের মনেও একই সুরে একই লয়ে বেজে ওঠে। গল্পের কোন হাস্যরসে চিত্রিত দৃশ্যপটের লেখা পড়ে পাঠক মনেও যদি একই সাথে হাসির উদ্রেক ঘটে, কিংবা গল্পের কষ্টের অনুভূতি গুলোর উপস্থাপন এতোটাই বাস্তবিক হয় যে পাঠকের মনেও একই কষ্ট অনুভূত হয় লেখকের লেখার সফলতা গুলোও যেন ঠিক সেখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়। ▪️গল্পের শুরুতেই যে পরিস্থিতিটা দাঁড় করানো হয়েছে, কাহিনির সাথে সাথে পারিপার্শ্বিক দৃশ্যপটের বর্ণনাগুলোর বাস্তব উপস্থাপন আমার মনে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে। মর্গের বাইরে সন্তানের লাশের জন্য অপেক্ষমাণ অসহায় একজন বাবার বিষন্নচিত্তের অবয়বের পাশাপাশি, চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনাগুলো একদম অনবদ্য ছিলো। আর সময়টাকেও বেছে নেয়া হয়েছিলো অভিশপ্ত রাতের যখন বৃষ্টির তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছিলো বাস্তব জীবনেও যখন বেশিরভাগ দুঃসংবাদ গুলোর হদিস মেলে। ▪️একটা আত্মহত্যার ঘটানার রিপোর্ট ইনভেস্টিগেট করতেই ক্রাইম রিপোর্টার মিলি রহমানের আগমন ঘটে গল্পের পরের অংশে। মূলত তাকে ঘিরেই গল্পের কাহিনী গড়ে ওঠে। পেশাগত কারণে মিলি রহমানের চরিত্রে এক অনুসন্ধানী মনোভাব এসে গেছে। কোথাও ঘুরতে গেলেও বিভিন্ন অসংগতি যার চোখ এড়ায় না। সত্য সন্ধানী, আপোষহীন, নির্ভীক একজন ক্রাইম রিপোর্টারের প্রতিকূলতা গুলো উঠে এসেছে যেন সাবলীলভাবে। জীবনের বাঁকে বিভিন্ন বিপদের মুখোমুখি হয়েও প্রতিবার উৎরে যাওয়া গুলোকে আমি তার সৌভাগ্য বলব! নাকি জন্মের পর থেকে এই এক জীবনেই দুর্ঘটনা গুলোর বার বার উপস্থিত হওয়া কে দুর্ভাগ্যের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করবো? জানা নেই। ▪️এ-গল্পে নিগূঢ় সত্য যেন জোস্নার আলোর মতো ফুটে উঠেছে। মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার নানা - টানাপোড়েন আপাত বাস্তবতার বিষাক্ত মৃত্যুর হিলহিলে সাপ এঁকেবেঁকে অনুভূতির ভেতর দিয়ে হেঁটে যেতে-যেতে যেন হঠাৎ ফণা তুলে ছোবল মারে, আবার অন্তরালে চলে যায়। শুরু থেকে সমান তালে সাসপেন্স ধরে রেখে থ্রিলার গল্পের অলিখিত মূলনীতি গল্পের সমাপ্তিতে যেয়ে মূল কালপ্রিটকে খুঁজে পাওয়া সহ চমৎকার ভাবে লেখার মাঝে থ্রিলার ও সাসপেন্স ফুটিয়ে তুলছেন লেখক। 📖 বই অলংকরণ ও সহায়কদের ভূমিকা: বইটার প্রচ্ছদ, কাভার সবকিছু গল্পের সাথে একদম মানানসই এবং সুন্দর লেগেছে । এছাড়া প্রডাকশন, সম্পাদনা, পেইজ কোয়ালিটি সবই ভালো ছিলো। 📖 এবার চলুন গল্পের স্পিড ব্রেকার গুলো চিহ্নিত করি, রাস্তায় উচ্চগতি সম্পন্ন গাড়ির গতি কমাতে স্পিড ব্রেকারের ভূমিকা যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ তা তো আমরা জানি। কিন্তু গল্পের স্পিড ব্রেকার তথা অসংগতি গুলো ফুল স্পিডে চলা গল্পের কাহিনি মসৃণভাবে চলতে বাঁধা সৃষ্টি করে। পাঠকদের পড়ার গতি কমিয়ে দেয় এগুলো। একটি অনুচ্ছেদে বিশেষ্য পদের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে বিকল্প হিসেবে সর্বনাম পদের ব্যবহার দেখা যায়। কিন্তু বিশেষ্য পদের সর্বনামহীন প্রাথমিক রূপের দর্শন বেশি পাওয়া গেছে গল্পের অনেক জায়গায়। 📖 পরিশেষে যা বলতে চাই, সবকিছু মিলিয়ে একটা ভালো গল্পের দুর্দান্ত উপস্থাপনা ছিলো। যেকোন থ্রিলার প্রেমী পাঠকই বইটা পড়তে পারবেন, হতাশ হবেন না। খুব বেশি অহেতুক বর্ণনা দিয়ে গল্পকে ভারী করেন নি লেখক। দেশি আমেজে আর দৃশ্যপটে যারা থ্রিলার পড়তে চান নির্দ্বিধায় তারা এই বইটা সংগ্রহে রাখতে পারেন। আর এটা আমার ব্যক্তিগত পাঠ প্রতিক্রিয়া। ভু'ল ত্রুটি মার্জনা করবেন।"
Shuvo Ahmed , Feb 23, 2023
"khub valo akta boi!! amar prio ekjon lekhok.."
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"লাশকাটা ঘর" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: