১ম প্রকাশ, ২০২৫
লালসালু
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | লালসালু |
| Author | সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ |
| Publisher | ঝিনুক প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 96 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.23 Kg |
| ISBN | 9847011201245 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
38 Ratings and 28 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২৮টিDipak Karmoker , Jul 9, 2026
"সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো'র পরে লালসালুকে রাখবো আমি। যদিও লালসালুই অধিক জনপ্রিয়।"
Tausif Kabir Rimon , Mar 11, 2025
"অসাধারণ বই,দারুণ কোয়ালিটি। কিনতে পারেন"
880****142 , Oct 31, 2024
"মানুষকে অন্ধ বিশ্বাসকে নিয়ে লেখা অনেক সুন্দর একটা গল্প।এখনো আমাদের সমাজে এমন লোক অনেক রয়েছে।যাই হোক এখন পড়া শুরু করবো,আশা করি ভালো লাগবে।"
Hibran Shahriar , Oct 8, 2024
"বইটা ভালো তবে এই প্রকাশে বানান ভুল অনেক"
Nishat , Jun 24, 2024
"এখানে প্রথম তিনটি ছবি হলো এইচএসসি বাংলা সহপাঠের। আর পরের দুটি হলো প্রগতি থেকে অর্ডার করা এই বইয়ের। এই বইয়ের এখানে কোথাও দেখতে পারবেন না লেখা যে এটি সংক্ষিপ্ত বা এখানে কতগুলো পেজ আছে। বাংলা বই যেহেতু লেখা যে এটি সংক্ষিপ্ত তাই আমি বিশ্বাস করে প্রগতি থেকে অর্ডার করেছিলাম। বইয়ের শেষ পেইজে লক্ষ করলে দেখবেন এখানে কোথাও লেখা নেই যে এটা সংক্ষিপ্ত। কাস্টমার কেয়ারে আমার সাথে কথা হয়েছিল, আমি মেনে নিলাম প্রকাশনী থেকে যে বইগুলো দেয় তারা সেইগুলো বই বিক্রি করে কিন্তু বই ডিটেলস তো আর এখানে আলোচনা করবে এখানে কোন কিছু আলোচনা করেনি। অর্থাৎ প্রকাশনী যদি প্রতারণা করে তাহলে ওরাও কম প্রতারণা করেনি। বইটি দাম ছিল ১৩৩ ডেলিভারি চার্জ সহ ১৮৫। আমার অর্থ আর সময় দুটিই অপচয় হয়েছে। এটিই আমার প্রগতি থেকে প্রথম ছিল আর এটিই শেষ। আপনারা সবাই সচেতন থাকবেন।"
Touhid Alam Tapu , Aug 29, 2022
"ভিন্নধর্মী একটি উপন্যাস। মাজার ব্যবসায়ী মজিদ।তার 2 স্ত্রী - রহিমা ও জমিলা। খালেক ব্যাপারীর 2 স্ত্রী - আমেনা ও তানু বিবি। বাস্তবধর্মী একটি উপন্যাস। যা বারবার পড়তে ইচ্ছে করে।"
md.Ruhul Quddus Liton , Sep 21, 2021
"যুগে যুগে ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাদের প্রয়োজনে ধর্মের অপব্যবহার করে থাকে।যার নগ্ন বলি হতে হয় সরল ধর্মপ্রাণ মানুষদের। লেখক লালসালু উপন্যাসে সে দৃশ্যটিই খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন"
Soptorshi Official , Sep 4, 2021
"#সপ্তর্ষি_প্রগতি_বুকরিভিউ_প্রতিযোগ নাম- শেখ আব্দুল্লাহ পাভেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - ক্যান্টমেন্ট কলেজ , যশোর জেলা- গোপালগঞ্জ ইমেইল - abdullahpavel.bd@gmail.com ▪বই: লালসালু ▪লেখক: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ▪পৃষ্ঠা: ১৯৬ ▪প্রকাশনী: জোনাকী প্রকাশনী। ▪জনরা: সামাজিক উপন্যাস। এই ধাঁচের বইয়ের আলোচনা তেমন একটা চোখে পড়ে না। কিছু ক্লাসিক বইয়ের আলোচনা চললেও মাঝেমধ্যেই মনে হয় বাংলাসাহিত্যের এত এত বইয়ের মধ্যে হয়তো সিংহভাগ রত্নই এড়িয়ে গেছে বা যাচ্ছে। ঠিক এমনই একটা বই,লালসালু। ◾প্রেক্ষাপট:- --------- লালসালু’ একটি সামাজিক সমস্যামূলক উপন্যাস। এর বিষয় যুগ-যুগ ধরে শেকড়গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতির সঙ্গে সুস্থ জীবনাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্ব। গ্রামবাসীর সরলতা ও ধর্মবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ভন্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ প্রতারণাজাল বিস্তারের মাধ্যমে কীভাবে নিজের শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে তারই বিবরণে সমৃদ্ধ লালসালু উপন্যাস। ◾লেখক পরিচিতি:- ------------- বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার ও সমাজসচেতন সাহিত্যশিল্পী সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামের ষোল শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র এক ধ্রুপদী সৃষ্টি ‘লালসালু’। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘নয়নচারা’ প্রকাশের তিন বছরের মাথায় ১৯৪৮ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে। এ উপন্যাসের জন্য ১৯৬১ সালে লেখক বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। উপন্যাসটি পরে ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান,উর্দু এবং চেক ভাষায় অনূদিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্বেই ১৯৭১ সালের ১০ই অক্টোবর তিনি প্যারিসে পরলোক গমন করেন। ◾পাঠ সংক্ষেপ:- ----------- উপন্যাসের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ভাগ্যান্বেষী মজিদের ধর্মকে পুঁজি করে লোক ঠকিয়ে নিজ স্বার্থসিদ্ধির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে সে উপনীত হয় মহব্বতপুর গ্রামে। গ্রামে এসে সে প্রথম ঘাঁটি গাড়ে গ্রামের মাতব্বর খালেক ব্যাপারীর বাড়িতে। গ্রামের অদূরে বাঁশঝাড়-সংলগ্ন পরিত্যক্ত পুকুর পাড়ের শ্যাওলা পড়া জরাজীর্ণ কবরকে সে 'মোদাচ্ছের পীর' নামক একজন পীরের মাজার বলে ঘোষণা দেয় এবং এ ও জানায় যে বিষয়টি তার স্বপ্নে পাওয়া এবং সেই পীরের আদেশেই তার এখানে আগমন। গ্রামের সবাই মিলে সরল বিশ্বাসে কবরটির সংস্কার করে ঝালরওয়ালা লালসালু বিছিয়ে দেয় এবং মজিদ কথিত মাজারের খাদেম সাজে। মজিদের ছিল নির্লিপ্ত মিথ্যা বলার প্রবণতা , কন্ঠে মিহি সুর। গ্রামের সহজ-সরল ধর্ম-ভীরু মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সে সহজেই নিজ স্বার্থ হাসিল করে আসনে গেড়ে নিতে সক্ষম হয়। মাজারটি পরিণত হয় গ্রামজুড়ে মজিদের একচ্ছত্র আধিপত্যের প্রধান কেন্দ্রে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মজিদ ঘরবাড়ি, জমি-জিরাত এবং মনোভূমির অনিবার্য আকাঙ্ক্ষায় শক্ত-সমর্থ এবং ঠাণ্ডা-ভীতু স্বভাবের এক জরুর মালিক হয়ে বসে। তার নানাবিধ ভেল্কিবাজি নিরক্ষর গ্রামবাসীর কাছে তাকে অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন করে তোলে। এর বলেই ধর্মকর্মের পাশাপাশি সে হয়ে ওঠে গ্রামের প্রভাবশালী কর্তাব্যক্তি- উপদেশ দেয় গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে, বিচার-সালিশে সে-ই হয় প্রধান সিদ্ধান্তগ্রহণকারী ব্যক্তি।গ্রামবাসীর সারল্য ও ধর্মবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ প্রতারণার জাল বিস্তারের মাধ্যমে কীভাবে নিজের শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে তারই বিবরণে সমৃদ্ধ ‘লালসালু’ উপন্যাস। ◾পাঠ প্রতিক্রিয়া:- ------------ আমাদের গ্রাম-বাঙলার অজ্ঞতাপূর্ণ তৎকালীন সমাজের এক সত্যিকার রূপ দিয়েছেন লেখক লালসালু উপন্যাসে। বইয়ের পটভূমি অনেক পুরনো হলেও সমাজের কাঠামো, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ক্ষমতালোভী নেতৃস্থানীয় মানুষের যেসব মূল বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে; সেগুলো আজও সত্য। সমাজের ধর্মীয় সংস্কার, কুসংস্কারের প্রচ্ছন্ন দাপটের কাছে মানবতার অসহায়ত্ব উঠে এসেছে লেখায়। সমাজের ব্যক্তিবিশেষের অপপ্রভাবের ফলে প্রায়শই চাপা পড়ে ন্যায়, সত্য - এবং যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে এই ব্যাপার বিদ্যমান। লেখক এই ব্যাপারগুলো খুবই সাবলীলভাবে এবং সাহসিকতার সাথে তুলে ধরেছেন লালসালু উপন্যাসে। গ্রামীণ ভাষা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামি, অপবিশ্বাসের নগ্নরূপ নিরাকরণ- সব মিলিয়ে ‘লালসালু’ বাঙলা সাহিত্যের এক কালোত্তীর্ণ সৃষ্টি! ◾প্রিয় লাইন:- -------------- "শস্যহীন জনবহুল এ অঞ্চলের বাসিন্দাদের বেরিয়ে পড়ার ব্যাকুলতা ধোঁয়াটে আকাশকে পর্যন্ত যেন সদাসন্ত্রস্ত করে রাখে" "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি,ধর্মের আগাছা বেশি" "ক্ষুধার্ত চোখের তলে চামড়াটে চোয়ালের দীনতা ঘোচে না" "মানুষেরাও পরিশ্রম করে,জমিও সে শ্রমের সম্মান দেয়" "যার অন্তরে খোদা-রসুলের স্পর্শ লাগে,তার কি আর দুনিয়াদারি ভালো লাগে ?" ◾বইটির ভালো ও খারাপ দিক:- -------------------- বইটির সবচেয়ে ভালো লাগা দিক হচ্ছে উপন্যাসের পটভূমি। গ্রামীণ সমাজ, সামাজিক রীতি নীতি,প্রচলিত ধারণা বিশ্বাস এসব নিয়ে উপন্যাসটি যা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। তাছাড়া উপন্যাসের চরিত্রগুলো এবং দৃশ্যগুলো অনেক বেশি জীবন্ত মনে হয়েছে। বইটির কোন খারাপ দিকই আমার চোখে পড়ে নি। ◾ব্যক্তিগত রেটিং- ৫/৫ ©Abdullah Pavel"
asma sultana , Aug 8, 2021
"যারা হুমায়ুন আহমেদের বই পড়ে অভ্যস্ত তাদের জন্য লালসালুর শুরুটা বেশ কঠিন।ধৈর্যসহকারে না পড়লে ঘটনা বোঝাই যাবে না।লাইন গুলো বড়। তাই বুঝতে সমস্যা হয়। লালসালু মূলত ধর্ম ব্যাবসায়ী মজিদ কে নিয়ে রচিত।ভালো লাগবে।পড়ে দেখুন।"
Md. Sayef Hasan Ratul , May 24, 2021
"very good"
Ariful islam rashed , Apr 20, 2020
""দুনিয়াটা বড় বিচিত্র বিবি, সময় অসময় মিথ্যে না বললেই নয়" এটা আমার কথা না,এটা মজিদ তার স্ত্রী রহিমা'কে বলে। মজিদ কে?? মজিদ হচ্ছে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর উপন্যাস লালসালু'র প্রধান চরিত্র। শ্রাবণ মাসের এক দুপুরে মহব্বতনগর গ্রামে কিছুটা নাটকীয় ভাবে প্রবেশ করে মজিদ। "সাধারণ ভাবে আগমনের চেয়ে নাটকীয় ভাবে আগমনকে মানুষ বেশি প্রাধান্য দেয়" এই কথাটা প্রমাণ করার জন্যেই যেন গল্পে তার নাটকীয় প্রবেশ। গ্রামের গোরস্থানে পরিত্যক্ত ভাঙ্গা এক কবর'কে মোদাচ্ছের পীরের কবর বলে শনাক্ত করে সে। তারপর সেই কবরের উপর লালসালু বিছিয়ে দিয়ে তৈরি করে মাজার।'লালসালু', সাধারণ লাল রঙের সিল্কের কাপড়, কিন্তু কৌশলে ব্যবহার করতে পারলে সেটাই হয়ে যায় অসীম ক্ষমতার উৎস।এটাই কাজে লাগায় মজিদ। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রামের সহজ সরল ধর্মভীরু মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার করে নিজের প্রভাব বিস্তার করে ফেলে। প্রতিষ্ঠিত হয় মোদাচ্ছের পীরের মাজার।আর এই মাজার ঘিরেই মজিদ শুরু করে শোষন ও শাসন।দ্রুতই মজিদ ঘরবাড়ি জমিজমা'র মালিক হয়ে যায়। গ্রামের এক যুবতী বিধোবা রহিমা'কে বিয়ে করে সংসার শুরু করে। এদিকে ধর্মকে পুঁজি করে গ্রামের মানুষদের করে মাজার মুখী। নিজের ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে গ্রামের মানুষদের। বিচার শালিশে সেই প্রধান ব্যাক্তির ভূমিকা পালন করে। নিজের ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য ধর্মের নামে মানুষকে শাস্তি দিতে শুরু করে।আর সহজ সরল গ্রামবাসী সেটাই মাথা পেতে নেয়। নিজেদের সমস্যা সমাধানে, অসুখে বিসুখে সবাই মাজারে গিয়ে ধর্না দেয়,টাকা পয়সা দেয়,মানত করে।যার পুরোটাই পায় মজিদ। নিজের প্রভাব বজায় রাখতে গ্রামের খালেক ব্যাপারীর নিঃসন্তান বউ আমেনাকে অপবাদ দিয়ে তালাক দিতে বাধ্য করে খালেককে। গ্রামের মানুষের পারিবারিক ব্যাপারেও নাক গলাতে শুরু করে। গ্রামের মানুষ যাতে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে তার মাজারকেন্দ্রিক জীবন ধারা থেকে বের হয়ে আসতে না পারে সে জন্য শিক্ষিত যুবক আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে ভেঙে দিয়ে গ্রাম ছাড়া করতে বাধ্য করে। পাশের আউয়ালপুর গ্রামে এক নতুন পীরের আগমন ঘটলে তাকে কৌশলে ভন্ড প্রমাণ করে গ্রাম ছাড়া করে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করে মজিদ। নিজের প্রথম স্ত্রী রহিমার সন্তান না হওয়ায় দ্বিতীয় বিয়ে করে কিশোরী এক মেয়ে জমিলাকে। প্রতিবাদী মেয়ে জমিলা বুঝতে পারে মজিদের ভন্ডামি। জমিলা বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে মজিদকে বাঁধা দেওয়ার, চেষ্টা করে গ্রামের সহজ সরল মানুষদের রক্ষা করতে। কিন্তু মজিদের ক্ষমতা ও কুটকৌশল, গ্রামের মানুষদের ধর্মের কুসংস্কার এর কাছে জমিলার প্রতিবাদ যে খুবই তুচ্ছ।ফলে তাঁকেও বরন করে নিতে হয় অন্যদের মতো শাস্তি। লালসালু উপন্যাসে লেখক সুনিপুণ ভাবে গ্রাম বাংলার ধর্মান্ধ তথা ধর্মকে ব্যবহার করে কিছু মানুষের ব্যবসার চিত্র তুলে ধরেছেন। কিভাবে কিছু মানুষ ধর্মকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করে,শোসন করে সেটাই এই উপন্যাসের মূল বিষয়,যেই কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা থেকে এখনো আমরা বেড় হয়ে আসতে পারিনি। # আমার কাছে সেরা হওয়ার কারণ:- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত লালসালু উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি। উপন্যাসে তুলে ধরেছেন গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনের চিত্র। ধর্ম বিশ্বাস,নারী নির্যাতন, কুসংস্কার, হাঁসি কান্নার গ্রাম্য জীবন। যেকোনো বই প্রেমির কাছেই লালসালু সেরা হিসেবেই থাকতে বাধ্য।তাই আমার কাছেও লালসালু সেরার কাতারে প্রথম দিকেই আছে। আমার কাছে সেরা চরিত্র মনে হয়েছে জমিলাকে।তার উপস্থিতি উপন্যাসে খুব বেশি সময় না থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার চরিত্রের।সে একজন প্রতিবাদী নারী চরিত্র যে কারো কাছে মাথা নত করে না। ধর্মের নামে নিজের স্বামীর ভন্ডামি মেনে নেয় না। মৃত্যুর পরোয়া না করেই প্রতিবাদ করার সাহস করে।নারী হয়েও, শিক্ষার আলো না পেয়েও প্রতিবাদী হওয়ার সাহস দেখায়। পরিশেষে বলতে চাই, আপনাদের অনেকেরই হয়তো বইটি পড়া আছে,তারা নিজেদের মতামত জানাবেন।আর যারা এখনো পড়েননি তারা জলদি করে পড়ে ফেলেন অসাধারণ এই উপন্যাসটি"
Tanjim , Feb 28, 2020
"ভালো ছিল"
Sohanur Rahaman Sagor , Jan 9, 2020
"সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাসটি বর্তমান উচ্চমাধ্যমিক সহপাঠ এ পড়ানো হয়। উপন্যাসটি মাধ্যমে লেখক গ্রাম বাংলার সরল মানুষকে ধোকা দেওয়া ভন্ড পীরের মুখোশ উন্মোচন করেছেন। বইটিতে লেখক খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন কিভাবে মানুষের সাথে ধোঁকাবাজি করে পীর মানুষের সম্পদ লুটে খায়। গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন কুসংস্কার এর কথা তুলে ধরেছেন লেখক বইটিতে। উপন্যাসের চরিত্রগুলো ছিল অসাধারণ। একজন শিক্ষিত যুবক গ্রামের স্কুল করতে চান সকল কুসংস্কার দূর করার জন্য কিন্তু কিন্তু মসজিদ বাধা দেয় কারণ তিনি জানেন এলাকায় মানুষ শিক্ষিত হলে তার ধর্ম ব্যবসা আর চলবে না কিভাবে মানুষকে ঠকিয়ে ধর্ম ব্যবসা করছে সেটাই তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসটিতে।"
Rizal Fathoni Kabir , Jan 4, 2020
"শহুরে জীবনে কাঁচা মাটির ঘ্রাণ পাওয়ার অনুভূতি পেলাম, সহজ-সরল মানুষের জীবনের ছোট-বড় খণ্ডচিত্র দেখতে পেলাম চোখের সামনে যেন। লালসালু বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিকগুলোর মধ্যে অন্যতম। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ নিজের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন নিঃসন্দেহে। গ্রাম্য জীবনের খুব সাদামাটা, চিরন্তন একটা গল্প বলেছেন সাবলীলভাবে। নিখুঁত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি চরিত্র যেন রক্তমাংসের রূপ পেয়েছে। মজিদ, ব্যাপারী, রহীমা, জমিলা, হাসুনির মা - প্রতিটি চরিত্রই অত্যন্ত সুগঠিত। আমাদের গ্রাম-বাঙলার অজ্ঞতাপূর্ণ তৎকালীন সমাজের এক সত্যিকার রূপ দিয়েছেন লেখক লালসালু উপন্যাসে। সমাজের ধর্মীয় সংস্কার, কুসংস্কারের প্রচ্ছন্ন দাপটের কাছে মানবতার অসহায়ত্ব উঠে এসেছে লেখায়। নিরুপায় অবলা নারীত্বকে খুব যত্ন করে তুলে ধরেছেন লেখক। সমাজের ব্যক্তিবিশেষের অপপ্রভাবের ফলে প্রায়শই চাপা পড়ে ন্যায়, সত্য - এবং যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে এই ব্যাপার বিদ্যমান। আরেকটা ব্যাপার বেশ ভাল লাগলোঃ তা হলো - এই বইয়ের পটভূমি অনেক পুরনো হলেও সমাজের কাঠামো, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ক্ষমতালোভী নেতৃস্থানীয় মানুষের যেসব মূল বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে; সেগুলো আজও সত্য। ভাল লেগেছে। শেষ করার পর 'কিছু বাকি থেকে গেলো' ধরণের অনুভূতি হয়েছে। তাতে বরং উপন্যাসের সার্থকতা আরেকটু বেড়েছেই বলবো।"
Dr. Asif Shufian Arnab , Dec 30, 2019
"'লালসালু' যেহেতু একটি সার্থক সামাজিক উপন্যাস। তাই এর মধ্যে রয়েছে সমাজের সবকিছু।উপন্যাসটি পড়ার মাধ্যমে আমরা সমাজ ও কুসংস্কার সম্পর্কে জানতে পারবো। সবার কাছেই বইটি ভালো লাগবে।"
Mehedi Hasan Durjoy , Dec 24, 2019
"সহজ সরল জীবনযাপনকারী এক গ্রামীন সমাজে হঠাত একদিন মজিদের প্রবেশ ঘটে। নিজের আখের গুছানোর জন্য গ্রামের সহজ সরল মানুষদেরকে ধর্মের ভয় দেখায়। ধর্মের নাম করে সমাজে কীভাবে মজিদ তার প্রতিপত্তি গড়ে তোলে তার এক অসাধারণ চিত্র এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে। অশিক্ষা আর কুশিক্ষার প্রভাব সমাজে কতটা ভয়াবহ হতে পারে তাও লেখক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের দেশের পিছিয়ে পড়া সমাজে ধর্ম ব্যাবসা করে বড় হয়ে যাওয়া মানুষদেরকে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন লেখক।"
Arman Hossian , Dec 21, 2019
"উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ। শ্রাবনের শেষে নিরাক পড়া এক মধ্যাহ্নে মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশ করে এক ভন্ড ও প্রতারক, যার নাম মজিদ।মাছ শিকারের সময় তাহের ও কাদের দেখে যে,মতিগঞ্জের সড়কের ওপর একটি অপরিচিত লোক মোনাজাতের ভঙ্গিতে পাথরের মূর্তির মতোন দাঁড়িয়ে আছে।পরে দেখা যায়,ওই লোকটিই গ্রামের মাতব্বর খালেক ব্যাপারীর বাড়িতে সমবেত গ্রামের মানুষকে তিরষ্কার করছে,'আপনারা জাহেল,বেএলেম,আনপাড়হ্ ইত্যাদি শব্দে।মোদাচ্ছের পিরের মাজারকে আপনারা এমন করি ফেলি রাখছেন?' অলৌকিকতার অবতারণা করে মজিদ নামের ওই ব্যক্তি জানায় যে,পিরের স্বপ্নাআদেশে মাজার তদারকির জন্য জন্যে তার এ গ্রামে আগমন।মজিদের তিরষ্কার ও স্বপ্নাআদেশের বিবরণ শুনে গ্রামের মানুষ ভয় ও শ্রদ্ধায় এমন বিগলিত হয় যে তার প্রতিটি হুকুম তারা পালন করে গভীর আগ্রহে।গ্রাম প্রান্তের বাঁশঝাড় সংলগ্ন কবরটি দ্রুত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়।ঝালরওয়ালা লালসালুতে ঢেকে দেওয়া হয় কবর।তারপর আর পিছু ফেরতে হয় না।কবরটিই হয় মজিদের শক্তির উৎস।মাজারের আয় দিয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মজিদ ঘরবাড়ি ও জমিজমার মালিক হয়ে বসে এবং তার মনোভূমির এক অনিবার্য আকাঙ্ক্ষায় শক্ত-সমর্থ লম্বা চওড়া একটি বিধবা যুবতীকে বিয়ে করে ফেলে। এরইমধ্যে পাশের গ্রামের এক নতুন পীর আসে।যার ফলে,মজিদের দিন-দিন মজিদের ভন্ডামি বাড়তে থাকে।একসময় গ্রামের সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী প্রধান হয়ে উঠে মজিদ।খালেক ব্যাপারীর বউ আমেনার চরিত্রে কলঙ্ক আরোপ করে খালেক ব্যাপারীকে তালাক দিতে বাধ্য করে মজিদ। মজিদের এই মাজারকে কুসংস্কার বলে গ্রামবাসীকে শিক্ষার আলোতে আলোকিত করার জন্য জ্বলে উঠে তরুণ শিক্ষিত যুবক আক্কাস।কিন্তু,মজিদ এমন কূটনৈতিক খেলা খেলে যে আক্কাসকে গ্রাম ছাড়তে হয়।এইভাবেই চলতে থাকে মজিদের ভন্ডামি, আর সাথে যেই কেউ মজিদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় তখন মজিদ কূটবুদ্ধির দ্বারা তাকে হেনস্তা করে ছাড়ে। 'লালসালু'একটি সামাজিক উপন্যাস। একটি সামাজিক উপন্যাস বলতে বুঝি যে,যে উপন্যাসে সামাজিক বিষয়,রীতি-নীতি, ব্যক্তি মানুষের দ্বন্দ্ব, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রাধান্য থাকে তাকে সামাজিক উপন্যাস বলা হয়।'লালসালু'উপন্যাসে যা সুন্দর ভাবেই ফুটিয়ে তুলিয়েছেন লেখক।লালসালুতে আছে যুগ যুগ ধরে আবহমান শেকড়গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভয়ভীতি।গ্রামবাসীর সরলতা ও ধর্মবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ভন্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ প্রতরণার বিস্তারের মাধ্যমে কীভাবে নিজের শাসন ও শোষনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে তারই বিবরণে সমৃদ্ধ উপন্যাস এই 'লালসালু'।"
Hussain Ahmed , Dec 15, 2019
"ওয়ালীউল্লাহর সব লেখাই মুসলমান সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে রচিত। তিনি নিজেই এমনটা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানের পুঁজিবিহীন জমজমাট ব্যবসা হলো কবর ব্যবসা, কবর পূজা৷ সাধারন নিরক্ষর মানুষগুলোকে ভুলিয়ে ভালিয়ে ভয় ডর দেখাতে পারলেই আপনার কাজ শেষ। চারদিকে টাকা আর টাকা। এমনই প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস লালসালু। আমার নিজের পরিচিত জগতের গল্প৷ রোমাঞ্চিত করতে পারেনি। তবে যারা জানেন না এই জগতের গল্প, তারা পড়ে দেখতে পারেন।"
Nazmul Hossain , Dec 14, 2019
"৯-১০শ্রেণীতে যখন গল্পটা পড়েছিলাম তখন খুব মজা পেয়েছিলাম।কারন তখনতো আর জানতাম না, ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করা যায়।একজন ভীরু কাপুরুষ অন্ধকারাচ্ছন্ন লোকের কবলে পড়ে গ্ৰামের মানুষ গুলো যে তাকে ভয় পেয়ে তার বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস করে না। তার দেয়া ভন্ডা সিন্ধান্ত গুলো মেনে নেয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেখা যায় একটি মেয়েকে।এই মুহূর্তটা পুরো গল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চকর ছিল। বহিপীর যখন তাকে বিয়ে করতে চাইলো তখন সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় ।সেই মুহূর্তটা আরো বেশি সুন্দর ছিল গল্পের মধ্যে ।তার সিদ্ধান্তটা যুক্তিযুক্ত ছিল কারণ বহিপীর ছিল তার থেকে বয়সে অনেক বড় ।"
Salam Khokon , Nov 30, 2019
"ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা। গ্রামীণ সমাজের চিত্র। মানুষের অজ্ঞতাকে পুজি করে ব্যবসা করার এক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে লালসালু উপন্যাসে। সবার পড়া উচিত।"
Atik Hasan , Nov 17, 2019
"সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' । এই উপন্যাসের মজিদ নামক চরিত্র মাজারকে ব্যবসার ধারা হিসেবে ধরে নিয়েছে । গল্পের গ্রামে মজিদের প্রবেশ , মানুষকে বোকা বানিয়ে ববসার পদ্ধতি, গ্রামীণ মানুষের উপর অত্যচার , নতুন আরেক ভন্ড মাজার পরিশেষে মজিদের পতনের ঘটনাকে লেখক তার উপন্যাসে উপস্থাপন করেন।"
Abonindra Nath Sarkar , Nov 12, 2019
"লালশালু একটি শিক্ষা মূলক উপন্যাস।মজিদ নামের একজন ধর্মব্যবসায়ী ক্ষমতার লোভে আর নিজের স্বার্থের জন্য কতটা নির্মম হয়েছিল। নিজেকে সত্য প্রমাণিত করতে অসংখ্য মানুষকে মিথ্যাবাদী করে তুলেছিল।এমনই কাহিনী নিয়ে এক কাল্পনিক উপন্যাস। কিন্তু যারা সত্যিকারের বইপ্রেমী তাদের ভাল লাগবে আশা করি।"
Kawsar Ahmed , Nov 5, 2019
"লালসালু উপন্যাসে মজিদ এমন একজন লোক যে শুধু কুরআন মুখস্থ করেসে কিন্তু কুরআন এর বাংলা সে জানেনা।এজন্য সে ভন্ডামি করে মানুষ দেরকে অজানা একটি কবরকে দেখিয়ে(বন করম করতার কাস থেকে শুনে) মাজার পুজা শর করে।নিজের অস্তিত্ত টিকিয়ে রাখতে বিয়ে,মক্তব চালু,আওল পুরের পিরকে ভন্ড প্রমান,মানুষদের মুসলমানি করানো ইত্তাদি অনেক কাজ করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে ভন্ড প্রমানিত হয়।সত্তি এ উপন্যাসটি পরে আমার খুব ভালো লেগে। আশা করি আপনাদের এটি পরে ভালো লাগবে।"
Tanvir ahmed , Nov 4, 2019
"গ্রামের অসহায় মানুষ দের বোকা বানিয়ে মজিদ যেভাবে ধর্ম ব্যবসা করে সেটিই এই লালসালু উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।। মূলত তিনি মাজার পূজারী।। সালু কাপরে কবরকে ঢেকে দিয়ে গ্রামের মানুষ দের মিথ্যা খোদারভীতি দেখিয়ে অর্থ লুটিয়ে নেওয়াই তার লক্ষ্য ছিলো।। কিন্তু সহজ সরল গ্রাম বাসি তা বুঝতে পারতো না।। আর এভাবেই মজিদ নামের ধোঁকাবাজ লোক টি নিজের আখের গুছিয়ে নিতে থাকে।। কারন আগেকার মানুষ ছিলো অজ্ঞ, জানার পরিধি ছিলো কম।। আর এই সুযোগ টাকেই কাজে লাগিয়ে মজিদ ধর্ম ব্যবসার প্রসার ঘটায়।। বইটিতে অত্যন্ত সাবলীলতার সহিত লেখক ওয়ালিউল্লাহ লালসালু উপন্যাসের এই মজিদের মাজার কেন্দ্রিক কাহিনী টা লিখেছেন"
Neel kontho , Oct 24, 2019
"ধর্ম থেকে যখন ধর্মীয় গোঁড়ামি উৎপন্ন হয় সেখান থেকে লাভবান হয় কিছু মানুষ। অথবা বলা যায় কিছু মানুষ নিজের লাভের জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে। মজিদ তেমনই এক মানুষ। সে নিজের স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করেছিল। মিথ্যা মাজার সাজিয়ে ব্যবসা সাজিয়েছিল। এরকম ঘটনা বাংলাদেশের গ্রামে শহরে অনেক হয়। ধর্মীয় গোঁড়ামি, ব্যবসা, একজন মানুষের ক্ষমতার দম্ভ নিয়ে এ উপন্যাস রচিত।"
Shakib Shahriar , Oct 19, 2019
"চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম। পিতা সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলে বাংলার নানা অঞ্চলে যাওয়া এবং জানার পরিধি বাড়িয়ে নেবার সুযোগ পেয়েছেন। গ্রামীণ মানুষের আচার ও রীতিনীতি খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম সাহিত্যকীর্তি ছিল লালসালু উপন্যাস। সমাজের ধর্মীয় গোঁড়ামির মূলে কুঠারাঘাত করে তা তুলে এনেছেন বইটির পাতায় পাতায়। ভন্ড হুজুরের লেবাস পরে থাকা মজিদের কথায় গ্রামবাসী উঠত বসত। তার বলা প্রতিটি উক্তিকে ফতোয়া বলে মেনে নিত। ভন্ড এক মানুষের চরিত্রের ব্যবচ্ছেদ পাওয়া যাবে এই বইটিতে। আর আপনার মনেও ধরা দিবে সমাজের ধর্মীয় গোঁড়ামি ও প্রকৃত ধর্মভীরুতা নিয়ে একটি বড় প্রশ্নবোধক। অসাধারণ একটি বই।"
MD JAMAL UDDIN , Oct 11, 2019
"লালসালু উপন্যাসটি পড়ে গ্রাম বাংলার অতীত ইতিহাস সমন্ধে মানষের মনে ধারনা জন্মে যে তারা কত অঙ্হ ছিল। লালসালু উপন্যাস পড়ে আপনি একই সাথে মজা তো পাবেনই সাথে বোনাস হিসাবে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। লালসালু উপন্যাসটি অঙ্গতা থেকে জ্ঞানের আলোর দিকে নিয়ে যায় সমাজকে।"
Tanzimul Ayaan Tanaf , Oct 2, 2019
"লালসালু! হোক ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় লালসালু আপনাকে পড়তেই হবে! মানে জোড় করেই পড়াবে। একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্য যে! না পড়লে পাশ করবেন কি করে! মজিদ, অসম্ভব ধূর্ত এক মাজার ব্যবসায়ী উপনাসের প্রধান চরিত্র হলেও এখানে জমিলা বিদ্রোহের প্রতীক, নতুন দিনের আগমনী গান। লেখক যে অবস্থার চিত্র এঁকেছেন এখনো সে অবস্থার কোনো উন্নতি হয়েছে বলে তো আমার মনে হয় না। এখনো পীরদের প্রতি মানুষের অন্ধ বিশ্বাস, নামাজের চেয়ে পীরের পা ধোয়া পানির মূল্য বেশী! হ্যাপি রিডিং।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
হার্ড কভার নাকি পেপার ব্যাগ
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"লালসালু" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: