১ম প্রকাশ, ২০১৮
লা নুই বেঙ্গলী ও ন হন্যতে (এক মলাটে)
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | লা নুই বেঙ্গলী ও ন হন্যতে (এক মলাটে) |
| Author | মৈত্রেয়ী দেবী |
| Publisher | দি স্কাই পাবলিশার্স |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৮ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 251 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.44 Kg |
| Translator | আক্কাস আলী ,শ্রী কার্তিক চন্দ্র দাস |
| ISBN | 9848261125 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
24 Ratings and 12 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১২টিTarif Islam , Dec 18, 2024
"অনেক ভালো একটি বই পড়ে কষ্ট হচ্ছিলো 😢"
880****775 , Oct 11, 2024
"this is really amazing, Alhamdulillah"
FAYSAL , Apr 7, 2023
"Disappointed"
Jayed Bin Ashraf , Dec 31, 2021
"বইটির দুটো গল্প একই মলাটে থেকে যেমন পাঠে সহজ হয়েছে তেমনি পাঠকের ভেতর পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে দিয়েছে"
Anirban Sarker , Dec 29, 2021
"Yugg"
chandan poul , Aug 10, 2021
"The writer's writing was really fascinating. Thanks Progoty!"
Riad Hossain , May 16, 2021
"অসাধারণ!!!"
sreya , Feb 28, 2020
"সব চেয়ে বেশি কান্না করেছিলেম এই বইটি পরে। তখন খুব সম্ভবত ইন্টারে পড়ি। চমৎকার একটি বই। মৈত্রী দেবীর লিখাটি পরে পড়তে হবে। আগে মির্চার টা। ❤"
Ashutosh Sarker , Feb 11, 2020
"অসাধারণ"
Sharif Mahmud , Jan 3, 2020
"ন হন্যতে- মৈত্রয়ী দেবী লা নুই বেঙ্গলী- মির্চা এলিয়াদ মানুষের জীবনের বৈচিত্র্যময়তা যে কীভাবে হয় সেটার একটা বড় উদাহরণ এই বইটা।জ্বী ঠিক ধরেছেন "ন হন্য তে" এবং "লা নুই বেঙ্গলী" দুটি একই উপন্যাস।দুইজন মানুষের লেখা তাদের একই প্রেম কাহিনী দুইরকম ভাবে উপস্থাপন করা। রোমানিয়ান যুবক মির্চা বাঙালি নারীর হৃদয়ের এই অজস্র রহস্যময় দরজাগুলোর এপারে দাঁড়িয়ে ছিল - কখন যে তার ভেতর সেই দরজার ভেতর প্রবেশের এক গোপন ইচ্ছে জন্মে গিয়েছিল, তা হয়তো মির্চা নিজেও জানতো না। রোমানিয়ান এই যুবকের সাথে মৈত্রয়ী দেবীর একটা সুন্দর সম্পর্কের কথা এই উপন্যাসে উঠে আসে।দুইজনের দুইরকম উপস্থাপনে তাদের জীবনের অনেক কাহিনী জানা যায়। ব্রিটিশদের রাজত্ত্বকালে এই যুবকের সাথে মৈত্রেয়ী দেবীর পরিচয় ঘটে মৈত্রেয়ী দেবীর বাবার মাধ্যমে।একপর্যায়ে মৈত্রেয়ী দেবীদের বাড়িতে তার বাবা মির্চাকে থাকতে দেন। সে সময়ে ঘটে যাওয়া অনেক কথায় উপন্যাসে দেখা যায়।মৈত্রেয়ী দেবীর সাথে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাঁকুরের খুব ভালো সম্পর্কও দেখা যায় উপন্যাসে।মৈত্রেয়ী দেবী কবিগুরুকে নিজের গুরু মানতেন এবং সবকিছু বলতেন।তেমনি বলেছিলেন মির্চার কথা।কিন্তু বিদেশী হওয়ায় মির্চা এলিয়াদ এর সাথে মৈত্রেয়ী দেবীর মিল হওয়ার কোন সম্ভাবনা ছিলো না।কিন্তু তাও জাত, ধর্ম , বর্ণ তাদের ভালোবাসায় বাঁধা হতে পারেনি।মির্চাকে তো তাদের বাড়ি ছাড়তে হয়েছিলো।এবং মৈত্রেয়ী দেবীর বিয়ে অন্য একজনের সাথে হয়।অনেক বছর পরে বার্ধক্য যখন দুজনকে ঘিরে ফেলেছে এমনি একসময় মৈত্রেয়ী দেবী মির্চা এলিয়াদ এর তাকে নিয়ে লেখা উপন্যাসের জবাব চাইতে যায় এবং অবাক হয়............... কেন অবাক হলো? কীভাবে মৈত্রেয়ী দেবীর সাথে মির্চার সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটলো? তাদের দুজনের চোখে তারা কেমন ছিলো,তাদের মনোভাবই বা কেমন ছিলো? জানতে হলে পড়ে ফেলুন অসাধারণ এই উপন্যাসটি। আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, উপন্যাসটার শুরু দুইটা।একটা মৈত্রেয়ী দেবীর লেখা শুরু আরেকটা মির্চা এলিয়াদ এর লেখা।আপনারা দয়া করে মির্চা এলিয়াদ এর লেখা টা আগে পড়বেন।কারণ টুইস্ট আছে,আগে মির্চার টা না পড়লে টুইস্ট পাবেন না।"
Sultan , Oct 11, 2019
"রোমান যুবক অ্যালেন/মির্চা/ইউক্লিড ভারতবর্ষে এসেছিল শিল্পসংস্থায় কাজে।১৯২৮ থেকে ১৯৩২ পর্যন্ত ভারতবর্ষে অবস্থানকালে এক বাঙালী হিন্দু নারীর সাথে তার যে বাধভাঙ্গা, দুর্বার প্রেম তৈরি হয়েছিলো, সেই প্রেমেরই স্মৃতিচারণমূলক আত্মজীবনী এই লা নুই বেঙ্গলী। অ্যালেনের উর্ধতন কর্মকর্তা ছিলেন নরেন্দ্র সেন যিনি কিনা একজন বাঙালী। পুত্রস্নেহে অ্যালেনকে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দেন। নরেন্দ্র সেন তার পরিবারকে তৎকালীন সামাজিক কুসংস্কারের উর্ধ্বে থেকে শিক্ষা দিয়েছিলেন। তাই তার পরিবারের সদস্যরা একজন ইউরোপীয় ছেলেকে সহজেই পরিবারের একজনের মতো করে ভাবতেন,ভালোবাসতেন। নরেন্দ্র সেনের বড় মেয়ে মৈত্রেয়ী/অমৃতা/রু। তার বয়স তখন ষোল। প্রথমদিকে তার প্রতি অ্যালেনের আকর্ষণ না থাকলেও একসময় সে খেয়াল করেছে মৈত্রেয়ীর দেহসৌন্দর্যের সাথে বুদ্ধিমত্তা এবং কবিমনের আশ্চর্য মিশ্রণ। নরেন্দ্র সেন ও তার স্ত্রীর অ্যালেনের প্রতি অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্ব, সহানুভূতি, ভালোবাসা, স্নেহ দেখে অ্যালেনের মনে হলো তারা বুঝি মৈত্রেয়ীর সাথে অ্যালেনের বিয়ের কথা ভাবছেন। এই ধারণা ধীরে ধীরে আরো বদ্ধমূল হতে শুরু করলে মৈত্রেয়ীর প্রতি তার ভালোবাসা আরো গভীর ও বাধভাঙ্গা হতে শুরু করে। অ্যালেন যত ভারতীয়দের সাথে পরিচিত হতে থাকলো,আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি ইত্যাদির সাথে ঘনিষ্ঠ হলো,তত সে অনুভব করতে থাকলো ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সেবাপরায়ণতার গভীরতাকে এবং পাশাপাশি সে কলকাতার তদানীন্তন ইউরোপিয়ান এবং অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান রুচি ও জীবনযাত্রার অন্তঃসারশূন্যতার প্রকৃত চেহারা সম্পর্কে অবগত হল। ভারতকে ভালবাসতে শুরু করলো। মৈত্রেয়ীর প্রতি ভালোবাসার সাথে সাথে অযৌক্তিক ঈর্ষা, ঘৃণা,সন্দেহ,বিতৃষ্ণা তৈরি হলেও প্রচুর ভালোবাসার কারনে সে ধর্মান্তরিত হবার চিন্তাও করেছিল৷ মৈত্রেয়ীই হয়ে গিয়েছিল তার একমাত্র কামনার ধন,ক্লান্তির আশ্রয়।পরবর্তীতে এজন্যেই সে নিজেকে ভারতীয় বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করতো। "অ্যালেন তার প্রখর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, অনুভূতির তীক্ষ্ণতা দিয়ে সুচারুভাবে জাগিয়ে তুলেছিল মৈত্রেয়ীর মনোজগৎ। সে জগত ছিলো একাধারে অনুভূতির, কাব্যময়তার,যুক্তি-বিজ্ঞানের, দর্শনের, ধর্মের এবং তার সংগে মিশ্রিত হয়েছিল মানসিক ও শারীরিক প্রেম-চরম ও দুর্বার" অ্যালেনের মৈত্রেয়ীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের কিছু লাইন হলো– "মৈত্রেয়ীর সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে এই রকম একটি কল্পনা আমায় ভীষণ আনন্দ দিতো। যতদিন উৎসব চলছিলো, আমি সর্বদা ওর চিন্তায় বিভোর থাকতাম।" রবীন্দ্রনাথ মৈত্রেয়ীকে অনেক ভালোবাসতেন, যার কারনে তার অনেক ঈর্ষা হতো। "আমি অনেকদিন বাঁচতে চাই। আমি রবীঠাকুরের মত বৃদ্ধ হতে চাই। যখন মানুষ বুড়ো হয় তখন সে বেশী ভালোবাসতে পারে, কম দুঃখ পায়।" –এমন কিছু মনোভাব অ্যালেন প্রায়ই প্রকাশ করতো। "মৈত্রেয়ী আমার আঙুল থেকে আংটিটা খুলে নিয়ে নিজের দুই হাতের মধ্যে চেপে রইলো, বললো, আ্যলেন আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার এটাই উপযুক্ত মুহূর্ত।" "বুঝতে পারছিলাম ওর ভেতরে যে কামনা - বাসনা, পাপ - পূণ্যের বোধ এতদিন ধরে ওকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিলো তা সন্ধ্যাবেলার সূর্যের আলোর মতো ক্রমশ নিষ্প্রভ হয়ে যাচ্ছে, আর নতুন ঊষার আলোর মতো তার মধ্যে জেগে উঠেছে নারীত্ব। মনে হচ্ছিলো সেই ক্ষণকাল যেন কোনদিন না শেষ হয়।" একসময় এ প্রেমের কাহিনি জানাজানি হয়ে যায়।তাদের এই ঘনিষ্ঠতার কথা জানতেই নরেন্দ্র সেন অ্যালেনকে একদিনের মধ্যেই ঘরছাড়া করেন।আর এমন ব্যাবস্থা করলেন যেন দুজনের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ব্যাবস্থা না থাকে। "মনে পড়ে গেল সেদিন সকালে টেলিফোনে মৈত্রেয়ীর কথাগুলো- চিরবিদায় অ্যালেন, চিরবিদায় প্রিয়তম। অন্যজীবনে আমরা নিশ্চয়ই ফিরে পাবো আমাদের ভালোবাসা। দু'জনে দু'জনকে নিজের করে পাবো। তখন তুমি আমাকে চিনতে পারবেতো? আমার জন্য অপেক্ষা করবেতো? আমায় ভুলোনা অ্যালেন। আমি কিন্তু তোমার জন্য অপেক্ষা করবো।" আমি ওকে কিছুই উত্তর দিতে পারিনি। শুধু বলেছিলাম- মৈত্রেয়ী, মৈত্রেয়ী, আমার মৈত্রেয়ী...।" ১৯৮৮ সালে লা নুই বেঙ্গলীর উপর ভিত্তি করে 'দ্যা বেঙ্গলী নাইট' নামে চলচ্চিত্র প্রকাশ হয়। "মৈত্রেয়ী এমনই একটা নারী চরিত্র যাকে ভুলে যাওয়া সহজ নয়। তার সংগে অ্যালেনের মিলন-সংঘাত, দুটি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, অনুভব-যুক্তির সংঘাত ও মিলনও বটে।""
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
2 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
same প্রচ্ছদ পাওয়া যাবে?
দুটো বই কি আলাদা আলাদা করে দেয়া হবে?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"লা নুই বেঙ্গলী ও ন হন্যতে (এক মলাটে)" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: