১ম প্রকাশ, ২০১৫
কেউ কেউ কথা রাখে
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | কেউ কেউ কথা রাখে |
| Author | মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন |
| Publisher | বাতিঘর প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 285 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.4 Kg |
| ISBN | 9789848729823 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
138 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Romario Das , Aug 21, 2026
"অসাধারণ লেখনি । কেউ কেউ আসলেই কথা রাখে।"
প্রিয়া খান , Jul 10, 2026
"অসাধারণ একটি উপন্যাস।"
NR Mahin , Jun 6, 2026
"সেরা🔥"
ami****com , Apr 29, 2026
"অসাধারণ একটি বই।"
Md Tasnimul Hasan Tomal , Mar 3, 2026
"❤️❤️❤️"
MAHIDUL ISLAM (towkib) , Dec 31, 2025
"কেউ কেউ কথা রাখে -মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন # প্রথমেই বলি বইটা পড়ে আমার কেমন অনুভুতি হলো, আসলে একটা মানুষ যখন একটা থ্রিলার বই পড়ে, তখন সেটার পাতায় পাতায় উত্তেজনা থাকাটা আবশ্যক। আমি কিছুটা উত্তেজনার ঘাটতি পেয়েছি। তবে বইটা শেষ করলে যে, কারোরই এটার প্রশংসা করবে। # দ্বিতীয়তে বলি বইটা কাদের পড়া উচিৎ, এই বইটা তাদের পড়া উচিৎ যারা স্টকে থাকা বইগুলো নিয়ে দ্বিধার মধ্যে আছেন যে, সামনে কোন জনরার বই পড়বেন থ্রিলার নাকি প্রেমের উপন্যাস৷ এই বই পড়ে আপনি এই সিদ্ধান্তে আসতেউ পারবেন না এটা থ্রিলার নাকি প্রেম কাহিনি। # তৃতীয়ত বলতে চাই এই বইটার সবচেয়ে বড় টুইস্ট: সবচেয়ে বড় টুইস্ট যে বিষয়টা সেটা হলো আপনি ভাববেন যে বইটার নাম ❝ কেউ কেউ কথা রাখে❞ কেন? এটা তো একটা মার্ডার মিষ্ট্রি! উত্তর আপনি তখনই পাবেন যখন আপনার বইটার শেষ দুই তিন পৃষ্ঠা বাকি থাকবে। এর আগে কিছুতেই আপনি আন্দাজ করতে পারবেন না৷ নামের মধ্যেই রয়েছে কেসের অর্ধেক রহস্যের সমাধান। স্পয়লার দিয়ে দিলে পড়ে মজাই পাবেন না, তাই পড়ে দেখতে হবে। # ঘটনার প্রেক্ষাপটঃ স্পয়লার মুক্ত একটা প্রেক্ষাপটের বর্ননা দেওয়ার চেষ্টা করতেছি৷ বইটা একটা ক্ষুনের কেসের তদন্ত আর তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসার আর তার প্রেমিকাকে নিয়েই লেখা। ১৯৭৫ কেসটা অসমাপ্ত হিসেবেই থেকে যায় প্রায় পচিশ বছর। এই কেসের তদন্ত করতে গিয়েই প্রান হারাতে হয় একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্সপেক্টর হায়দার কে৷ পচিশ বছর পরে লেখক সেই খুনের কেসটা রিওপেন করতে চান৷ এই লেখকই মুলত সেই পুলিশ অফিসার যিনি কেসটার তদন্তে ছিলেন৷ দেখা করেন তার পচিশ বছর আগে বিয়ে হয়ে যাওয়া প্রেমিকার সাথে৷ মনে করতে থাকেন পচিশ বছর আগের ক্ষুন, ধর্শনের ইতিহাস৷ খুজে বের করেন পচিশ বছর আগে ক্ষুন হওয়া মিলির স্বামীর ঠিকানা। কারন উপন্যাসটা লিখতে তার অনুমতি নেওয়া জরুরি৷"
Shehrin jamil , Dec 9, 2025
"আমার নাম শেহরিন জামিল।বইটা কেনার পর যখন দেখলাম আমার নাম সেখানে জ্বলজ্বল করছে, অবাক হয়ে গেলাম। এত অপ্রচলিত নাম তো সাধারণ গল্প উপন্যাসে খুব একটা দেখা যায় না। কয়েক পৃষ্ঠা পড়তেই কাহিনির জগতে যেন ডুবে গেলাম। বইটার গল্প, প্লট সবই অসাধারণ। চরিত্রগুলোর সঙ্গে অদ্ভুত এক টান অনুভব হচ্ছিল। আর হায়দার ভাইয়ের শেষ পরিণতি তো… :((( সত্যিই অসাধারণ একটি বই। অবশ্যই পড়ে দেখতে পারেন আপনার সময়টা নিঃসন্দেহে সুন্দর কাটবে।🩶 কেউ কেউ আসলেই কথা রাখে বই টা পড়ে বুঝলাম।"
Nihan Nubayed , May 28, 2025
"Relly excellent"
বইপ্রীতি , Oct 16, 2024
"স্পয়লার এলার্ট ⚠ সাধারণত থ্রিলারে মূল খলনায়ককে আড়ালেই রাখা হয় শেষ পর্যন্ত পাঠককে ধরে রাখার লক্ষ্যে। তবে এটি ব্যতিক্রম, শুরুতেই তাকে চিনিয়ে দেবার পরেও পাঠক বিন্দুমাত্রও আগ্রহ হারাবে না। অসাধারণ একটি বই।"
My Channel , Sep 28, 2024
"এটা তো বই নয় এটা তো এক আবেগ,,,আসলেই কেউ কেউ কথা রাখে"
Israt Maria , Jul 8, 2024
"দেশের অস্থিতিশীল অবস্থায় মিলি নামের এক মেয়ের হত্যাকাণ্ড দিয়ে কাহিনীর সূচনা। তদন্তকারি দুই পুলিশসহ আরো কিছু মানুষের জীবনে ঘটে যায় নির্মম সব ঘটনা। অনেক তদন্তের পর আসল খুনিকে ধরার পরও তাকে আটকে রাখা যায় না স্বভাবতই। কারন এ দেশে রেপ কেসের কোন সঠিক বিচার নেই। রেহাই পেয়ে যায় খুনি। ফলে কেসের সাথে জড়িত মানুষগুলোর জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। কেউ কেউ এ জীবন থেকে পালানোর জন্য অন্যত্র সুখ খুজে নেয়। কেউ কেউ নিজের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। কয়েক যুগ পরে এক লেখক মিলির এই নির্মম ঘটনাকে সবার সামনে তুলে ধরতে চায়। কিন্তু তার আগে তার জানা দরকার কাহিনীর চরিত্রদের বর্তমান পরিস্থিতি। সেটাই খুজতে গিয়ে তার সামনে আসে এমন সব সত্য যা তার গল্পের নাম 'কেউ কথা রাখেনি' থেকে 'কেউ কেউ কথা রাখে' তে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। বহু বছরের চাপা কৌতুহল থেকে রেহাই পেয়ে তার চোখে মুখে ভেসে ওঠে প্রশান্তির এক ছায়া। 😌😌😌😌 #কেউ_কেউ_কথা_রাখে"
Saif Khan Pathan , Jun 7, 2024
"🔻আপনি কি এমন একটা বই চান যেখানে রাজনীতি, প্রেম, আবেগ, কষ্ট, ব্যর্থতা, প্রতিশোধ, দেশপ্রেম সবগুলো একসাথে আছে? তাহলে বইটি আপনার জন্য!!!! 🔺হয়তো লেখাটা একটু অন্যরকম হয়ে গেছে কিন্তু এটা বলা ছাড়া আমার আর ভাষা নেই। 🔻এমন একটা বইয়ে সেই সময়কার বাংলাদেশ তুলে ধরা হবে সেটুকু কতটাই আশা করা গিয়েছিল!!! কিন্তু সেই আদি ঢাকার রূপ পাওয়া যায় এখানে। স্টেডিয়াম, রাস্তা, ফ্যাশন, বাড়িঘর, পারিপাশ্বিক অবস্থা সবগুলোর খন্ড খন্ড কাল এখানে আমরা খুঁজে পাই। 🔺বইটা শেষ করার পর আমার মনে হইছিলো এই গল্পটা লেখকের কাছ থেকে শুনি। যদিও বলা আছে সত্যঘটনা অবলম্বনে লিখা, তবুও এভাবে লেখক তুলে ধরবে সেটা আশা করতে পারিনি। 🔻তবে প্লট বুঝে বেশকিছু অশ্লীল কথা লিখেছেন লেখক। তবে থ্রিলার গল্পের আদলে এটা মানানসই। 🔺 তবে রামজিয়ার চরিত্রটাকে আরেকটু বিস্তৃত করা যেত বলে আমার মনে হয়। লেখক আর রামজিয়ার মাঝে সম্পর্কের মাঝে আরেকটু নাটকীয়তা থাকলে ভালই লাগতো। এস ই হায়দার এর কথা কি বলব...উনিই বিশেষ করে তখনকার রাজনীতির নেতিবাচক দিকগুলো উপস্থাপন করে গেছেন। এছাড়া সবাই ঠিকঠাক। তবে রামজিয়ার সাথে লেখকের কথাবার্তা কখনো কখনো দীর্ঘ হয়ে গেছে। যেটা কিঞ্চিৎ বিরক্তি প্রকাশ পায়। এককথায় অসাধারণ। অবসর সময়ে এমন বই পড়লে নির্ঘাত ভালো সময় কাটবে বলে আমার বিশ্বাস।"
Eva Mojumder , Dec 30, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ [স্পয়লার এলার্ট- হালকা স্পয়লার চলে এসেছে।] ❝বঙ্গবন্ধু! তোমার স্বাধীন দেশে হায়দাররা বেঘোরে মরে পড়ে থাকে। মিলিদের জীবনস্বপ্ন ধর্ষিত হয়। কিন্তু ইমতিয়াজরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়!❞ সময়টা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়কাল। স্বাধীনতার আনন্দ তখনও বাঙালির রন্ধ্রে রন্ধ্রে। একটি স্বাধীন, শৃঙ্খলমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন তখনো প্রতিটি বাঙালির চোখে মুখে ঝিকমিক করছিল। কিন্তু সময়ের প্রভাবে তাদের সে আশায়ও চিড় ধরতে সময় লাগেনি। সদ্য স্বাধীন একটি দেশে বিশৃঙ্খলা, খু-না-খু-নি, ন্যায় বিচারের অভাব যেন দিনকে দিন প্রকট হয়ে উঠছিল আর বাড়িয়ে দিচ্ছিল সংশয়। ঠিক সে সময়ই একদল ছিল আমাদের গল্পকথকের মতন, যে কিনা বঙ্গবন্ধুর উপর আস্থা রেখে নিজের মনে কিছুটা আশা তখনও পর্যন্ত জিইয়ে রেখেছিলেন। আবার একদল ছিল ঠিক এসএম হায়দারের মতন। নিজেদের র-ক্ত নিলামে তুলে, জীবন বাজি রেখে যে দেশকে তারা স্বাধীন করেছে সে দেশের এমন দুরবস্থা তাদেরকে চরম হতাশায় নিমজ্জিত করে দিচ্ছিল। কেউ কেউ তো বলেই ফেলছিল, ‘আমরা পাকিস্তানি আমলেই ভালো ছিলাম’। কিন্তু আরেকদল ছিল ঠিক ইমতিয়াজের প্রতিবিম্ব। সরকার বিরোধী, দেশ বিরোধী, জাতি বিরোধী! ক্ষমতার লোভ তাদেরকে অন্ধ করে দিয়েছিল পুরোপুরি। অপরাধ করেও স্বাধীন বাংলার বুকে মাথা উঁচিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল তারা। এমনই এক বিপর্যস্ত বাংলাদেশ, স্বাধীনতা পরবর্তী পরিস্থিতি, আইনের দৌড়, ক্ষমতার নিচে পিষ্ট হওয়া নিরপরাধ কিছু মানুষকে নিয়েই মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীনের এই বইটি... ❝সময় হচ্ছে সত্যের জনক, আর এর মা হচ্ছে আমাদের মন।❞ ——————জিওর্দানো ব্রুনো সময় মানবজীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সময়ের সাথে জীবনের পরিবর্তন ঘটে, পরিবর্তন ঘটে সম্পর্কের। সময় আমাদের থেকে পরিচিত মুখ, পরিচিত স্বভাব এমনকি নিজের পরিচিত আমিটাকেও কেড়ে নেয় নির্দ্বিধায়। সেখানে স্থান পায় নতুন কিছু মুখ, আলাদা কিছু পথ আর চাপিয়ে দেওয়া হয় দায়িত্বের কিছু বেড়াজাল। আমার তো মনে হয়, একটা দীর্ঘ সময় পর আমরা স্বল্পপরিচিত একজন মানুষের সাথে যতটা নির্দ্বিধায় কথা বলতে পারি, অতিপরিচিত কারো সাথে তা খুব সহজে সম্ভব হয় না। কারণ, তখন ‘অতি’ শব্দটায় এসে জেঁকে বসে কিছুটা জড়তা, আরেকটু সংকোচ, আর সাথে থাকে অনেকটা দ্বিধা। মনের মাঝে সংকোচ, দ্বিধা, জড়তার এক পাহাড়সম অনুভূতি নিয়ে দুই যুগ পূর্বের খানিক পরিচিত এক মহিলার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন আমাদের গল্পকথক। সময়ের বেড়াজালে যে কিনা পুলিশের নিতান্তই এক অফিসার থেকে পরিণত হয়েছেন জনপ্রিয় এক লেখকে। কিন্তু জীবনের এ পর্যায়ে এসেও স্মৃতিরা যেন তার সাথে ছল করছে। ভুলিয়ে দিচ্ছে সকল দুঃখ ও আনন্দঘেরা মুহূর্তগুলো। তবে তিনি ভুলতে চান না...ভুলতে চান না চব্বিশ বছর আগের সেই বিভীষিকাময় সময়টিকে। যা কিনা বদলে দিয়েছিল তাকে ও তার আশপাশের বেশ অনেকগুলো মানুষের জীবনের মোড়। তাই তো এ বয়সে এসে নিজের কলমের আঁচড়ে সেই স্মৃতিটুকুকে জীবিত রাখতে চাইছেন তিনি। চাইছেন পৃথিবী জানুক সত্যটি, জানুক মিলি নামক নিষ্পাপ মেয়েটির বুকফাটা আর্তনাদ, মনে রাখুক তার নিষ্পাপ চোখ দুটোকে। সেই সাথে মনে রাখুক তার হায়দারভাইকেও... খু-ন হয়েছে তিন মাসের নববধূ মিলি। শ্বাসরোধ করে হ-ত্যা করা হয়েছে তাকে। কেসটির দায়িত্বে আছেন এসএম হায়দার ও তার সহকারী গল্পকথক। হায়দার সাহেব ক্ষুরধার মস্তিষ্কের অধিকারী হলেও তার সহকারী ছিলেন সহজ, সরল ও হায়দার সাহেবের ভাই সমতুল্য। জোরকদমে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তারা। খুব সহজেই অপরাধীকে শনাক্তও করে ফেললো। এবার তাকে বাগে পাওয়ার অপেক্ষায়... এতো সহজেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে তো শুরুতেই গল্পের সমাপ্তি। কিন্তু অপরাধীকে শনাক্ত করার পরেও গল্পের আর কি বাকি থাকতে পারে? এখানেই মূল টুইস্ট। খু-নির মোটিভ, অপরাধ ও অপরাধী সবই জানা। তবুও বইটিতে আছে এক অজানা ইতিহাস, মন কেমন করা এক গল্প, আর আছে কতগুলো মানুষের দীর্ঘশ্বাস। তবুও এসবের তো একটা শেষ হওয়া চাই, তাই না? কিন্তু শেষে কি হয় মিলির খু-নীর? সে কি ধরা পরে আইনের হাতে? নাকি নিজের ক্ষমতার ব্যবহার করে আইনের হাত থেকেও বেঁচে যাবে সে? তবে কি এভাবেই অপরাধীরা বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াবে যুগের পর যুগ আর নিরপরাধী তাদের ব-লি হতে থাকবে? 🗣️পাঠপ্রতিক্রিয়া— বইটা পড়ার আগে নামটা কেমন অদ্ভুত লাগছিল। ‘কেউ কেউ কথা রাখে’—এটা আবার কেমন নাম? এর থেকে ’কেউ কথা রাখেনি’এ বাক্যটিই বেশি মানানসই নয় কি? সেজন্যই হয় তো লেখক শেষ চমকটা রেখেছিলেন পাঠকদের জন্য। যেন পাঠকদের দিকে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে মন্তব্য করছেন, ‘এরপর আর তোমাদের কিছু বলা আছে কি?’ না, নেই..সত্যিই কিছু বলার নেই আর। এমন একটা সমাপ্তির পরে কোনো আক্ষেপ থাকাটা অন্যায়, বিরাট অন্যায়! ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত যে প্রবাদটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে এসেছি আমি, তা হলো- ’শেষ ভালো যার, সব ভালো তার।’ এ বইটির ক্ষেত্রে প্রবাদটি একটু বেশিই মানিয়ে যায়। বইয়ের শুরুতে গল্পগুলো কেমন একটা খাপছাড়া লাগছিল। একই মানুষের দুই বয়সের দুটো ঘটনা সমান্তরালে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তাদের কথোকপথন ঘিরে ছিল একটিই ঘটনা। মিলির খু-ন! লেখক দুটো সময়কার অবস্থা একইসাথে চলমান রাখতে গিয়ে খানিকটা গোঁজামিল করে ফেলেছিলেন বোধহয়। নয়তো আমার নিজেরই বুঝতে ভুল হয়েছে। অতীত ও বর্তমানকে গুলিয়ে ফেলছিলাম আমি। সেইসাথে ঘটনাপ্রবাহও খুবই ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল। তাই খানিকটা সমস্যা হলেও সামান্যতম বিরক্ত হইনি আমি। প্রথম কয়েকটা অধ্যায়ে এ সমস্যা চলমান ছিল অবশ্য। তবে লেখক শেষদিকে এসে নিজের সবটা ঢেলে দিয়েছেন বইটিতে। কিছুটা রোমান্টিকতা, কিছুটা রাজনীতি, কিছুটা ট্র্যাজেডি আর পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে বইয়ের শেষ পৃষ্ঠাটি পড়ছিলাম আমি, খুবই ধীরগতিতে। বারবার মন বলছিল, ‘চমৎকার গল্পটি শেষ হয়ে যাচ্ছে। একটু বেশিই দ্রুত!’ সত্যি বলতে আমি মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়কার কথা খুব কমই জানতাম। আর জানলেও তা কতটা সঠিক সেটা আমার পক্ষে জানাটা সম্ভব নয়। কিন্তু এই বইটি পড়ে মনে হচ্ছে স্বচক্ষে সেসময়কার অস্থিতিশীলতা দেখেছি আমি, দেখেছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ভঙ্গ। কখনো কখনো তো মনে হচ্ছিল লেখক কি কোনো দৈব বলে সেসময়টায় উপস্থিত ছিলেন? নয়তো এতো নিপুণভাবে লিখলেন কি করে? বইটির শেষদিকে বেশ কয়েকটা ধাক্কা যেন পরপর এসে পড়ছিল। অপরাধীর আইনের হাত গলে বেরিয়ে যাওয়া, সাক্ষীদের আত্মগোপন, আর সবশেষে....! এটা মানতে পারিনি আমি। আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র ছিল সে। এরপর যখন নীলুভাবির অন্তঃসত্ত্বার ব্যাপারটা আসে! সত্যি বলতে মনে হচ্ছিল বাস্তবের কোনো ঘটনা আমার চোখের সামনে ক্রমাগত ঘটে চলেছে। বারবার মনে হচ্ছিল, তাদের এতোদিনের স্বপ্ন পূরণ হলো, কিন্তু মানুষটা আর কোনোদিন জানতেই পারবে না এ কথাটি। সেজন্যই বোধহয় শেষটা আমাকে এতোটা তৃপ্ত করেছে। এমন শাস্তিই তো অপরাধীদের প্রাপ্য। কিন্তু এভাবে চারদেয়ালের মাঝে নয়, এতে অপরাধ দমন হবে কিনা আমার জানা নেই। এদের শাস্তি মাঝরাস্তায় হওয়া উচিত, সকলের সামনে। প্রতিটি মানুষের দেখা উচিত একজন ধর্ষকের শাস্তি কি হতে পারে! এ বইটিতে যদি আপনি থ্রিল খুঁজেন, তবে খানিকটা হতাশই হবেন আপনি। কিন্তু শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারলে এক অন্যরকম অনুভূতির মুখোমুখি হতে পারবেন। আসলে অনেকদিন পর দারুণ কিছু সময় কাটালাম আমি। আমার প্রিয় বইয়ের তালিকায় যোগ হলো আরো একটি প্রিয় বই। 🗣️লেখনী ও শব্দচয়ন— ‘মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন’ আমার প্রিয় লেখকদের একজন। তার বই পড়া শুরু করেছিলাম বেগ-বাস্টার্ড সিরিজ পড়ার মধ্য দিয়ে। তারপর থেকেই উনার লিখার ভক্ত আমি। এ বইটি পড়ে তো আরো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। লেখনী ও শব্দচয়ন নিয়ে কোনো কথা হবে না। আসলে গল্পের মাঝে এতোটা ডুবে গিয়েছিলাম এতোদিকে নজর দেওয়ার সময় কোথায়? নিঃসন্দেহে এটা উনার সেরা কাজের একটি। হতে পারে এডাপটেশন, তবুও... পরিশেষে, ভালো কিছু মুহূর্ত কাটাতে চাইলে বইটি আপনার জন্যই। দেরি কেন? এখনই পড়ে নিতে পারেন বইটি। অন্য জগতে হারিয়ে গেলে আমি দায়ি না। বই- কেউ কেউ কথা রাখে লেখক- মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন জনরা- মিস্ট্রি থ্রিলার প্রকাশনী- বাতিঘর পৃষ্ঠা সংখ্যা- ২৬৯ মুদ্রিত মূল্য- ৪৫০ টাকা"
Zakaria Minhaz , Dec 12, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ বইয়ের নাম: কেউ কেউ কথা রাখে লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশনী: বাতিঘর ৭১ পরবর্তী টালমাটাল সময়টায় নিজ বাসায় খুন হলো সদ্য বিবাহিত এক তরুনী। অকুতোভয় এক ইন্সপেক্টর আর তার সহযোগী মিলে সেই খুনের রহস্যের কিনারা করে ফেললেও, ব্যর্থ হলো অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করতে৷ এ ঘটনায় বদলে গেল কেসের সাথে সম্পৃক্ত বেশকিছু জীবনের গতিপথ। দুই যুগ পর আবারও কেসটা নিয়ে লিখালিখি শুরু করলেন এক লেখক। তার ইচ্ছে যে ঘটনাটা এতোগুলো মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে সেই দুঃখজনক ঘটনাটার ব্যাপারে সবাই জানুক। এটা টিকে থাকুক আমৃত্যু। কিন্তু বইয়ের এন্ডিং দিতে গিয়ে শেষ যে সত্যটা জানতে পারলেন লেখক, তা তাকে বাকরুদ্ধ করে দিলো। তিনি জানতে পারলেন, অনেকেই কথা না রাখলেও কেউ কেউ কথা রাখে। কাহিনী সংক্ষেপ পড়ে মনে হতে পারে বেশ একটা জমজমাট থ্রিলার বোধহয়। কিন্তু আসলে এটাকে পুরোদস্তুর থ্রিলার বলা যাবে না কোনোভাবেই। বইটা থ্রিলারের চেয়েও বেশীকিছু। এই বইটাতে এমন অনেক অনেক কিছু আছে, যেগুলো উপলব্ধি করতে পারলে বইটা আপনাকে অনেকগুলো ব্যাপারে একটা স্বচ্ছ ধারণা দিতে পারবে, আত্মোপলব্ধি করাবে অনেক ব্যাপারে। লেখক বন্দনা লেখক মোহাম্মদ নাজিন উদ্দিনকে মনে হলো যেনো নতুন করে চিনলাম। এর আগে উনার ৬টা বই পড়া হয়েছে আমার। সেগুলাতে উনার লিখনশৈলী যে ধরণের পেয়েছিলাম এটাতে সে তুলনায় একদমই ভিন্ন এক ধাঁচে লিখেছেন তিনি। এমনিতে নাজিম উদ্দিন দূর্দান্ত স্টোরিটেলার। যেকোনো প্লটের বইই উনার লিখনশৈলীর কারনে একটানা পড়ে যাওয়া যায়। তবুও এই বইটাতে যেনো উনি নিজেকেই ছাড়িয়ে গিয়েছেন সবদিক থেকে। নিজেকে ভেঙ্গেচুরে একেবারে ভিন্ন এক আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন পাঠকের সামনে। ভূমিকায় নিজেই বলেছেন যে এটা উনার নীরিক্ষাধর্মী কাজ, এবং আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি এই কাজটাই এযাবৎকালের উনার সেরা কাজ। অসম্ভব ভালো লাগার এই বইটা লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের বহুমুখী প্রতিভার একটা উদাহরণ। কি যে মায়া নিয়ে উনি লিখেছেন বইটা!! বইয়ের প্রতিটা শব্দে যেনো সেটা ফুঁটে উঠছিলো। গল্পের বহুমাত্রিক রূপ উপরে লেখককে নিয়ে এতো উচ্ছ্বাসিত প্রশংসার কারন এই বইটাতে লেখক শুধুই একটা খুনের গল্প বলতে চাননি। এখানে উঠে এসেছে ৭১ পরবর্তী সময়ে এই দেশের অবস্থা, তখনকার অন্যায়, অবিচার আর অরাজকতার কথা। তৎকালীন সমাজের প্রেম ভালোবাসার কথাও উঠে এসেছে। এসেছে শোকে মুহ্যমান এক স্বামীর কথা, মুক্তিযুদ্ধ থেকে বেঁচে ফেরা এক সৎ পুলিশ অফিসারের কথা, দাম্পত্য কলহের কথা। সবচেয়ে বড় কথা এখানে এসেছে মানুষগুলোর জীবনের কথা, জীবনবোধের যে রূপ লেখক এখানে দেখিয়েছেন সেটা এখন আর নেই আমাদের সমাজে। সম্ভবত জাতি হিসাবে আমাদের দিন দিন পেছনের দিকে যাওয়ার এটাও একটা কারন। পুরো গল্প জুড়ে পাঠককে অনেকগুলো উপলব্ধির মাঝে দিয়ে নিয়ে গিয়েছেন লেখক। বইয়ের গল্প এগিয়েছে দুইটা টাইমলাইনে। শুরুর দিকে টাইমলাইন অদল বদল করে লিখলেও এক পর্যায়ে গিয়ে একটা নির্দিষ্ট টাইমলাইনের গল্প নিয়েই এগিয়েছে বইটা। অতীতের টাইমলাইনটা শুরু হয় মিলি নামের এক তরুনীর খুন দিয়ে। এই খুনের তদন্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তৎকালীন সময়ের দেশের বিভিন্ন নৈরাজ্য নিয়ে যেসব উক্তি এসএম হায়দার দিয়েছে তা যেনো এই সময়ে এসে আরো বেশী রিলেটেবল। এই এসএম হায়দারের সহযোগী হিসাবে পুলিশের চাকুরী করা মানুষটাই হলেন আমাদের এই গল্পের কথক। তার বয়ানেই আমরা জানতে পারি কিভাবে খুনীকে সন্দেহ করা হয়, কিভাবে তাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য একেকবার একেক জায়গায় রেইড দিতে থাকে তারা দুইজন, কিভাবে সে ধরা পড়ে এবং কিভাবে তার স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়৷ এই টাইমলাইনের আরো দুইটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র আছে। একজন মিলির স্বামী মিনহাজ আরেকজন তার বান্ধবী রামজিয়া। রামজিয়ার সাথে গল্প কথকের অংশগুলো এখনকার জেনারেশনের অনেকেই হয়তো ঠিকভাবে অনুভব করতে পারবে না। তবে আমরা যারা একটু মফস্বল এলাকায় জীবনের দীর্ঘ একটা সময় কাটিয়েছি, তাদের ওই সময়ের বর্ণনাগুলো প্রচুর উপভোগ করার কথা। এর মাঝে গল্পে ঘটতে থাকে নিত্য নতুন নাটকীয়তা, হতাশা আর দুঃখের ঘটনা। কোনোকিছুই তেমন কোনো চমক হিসাবে উপস্থাপন করতে চাননি লেখক। কেনো না বইয়ের সামনে কি ঘটতে পারে তার এক আধটু হিন্টস লেখক দিয়েই যাচ্ছিলেন পাঠককে। তবুও যখন যা ঘটছিলো তার উপস্থাপনা এমনভাবে করা হয়েছে যে বুকে একটা হালকা ধাক্কার মতো লাগে। আর তাই সব আগে থেকে ধারণা করে নেয়ার পরেও, বইয়ের কিছু জায়গায় প্রচন্ড মন খারাপ লাগে। এটাকেই তো বলা হয় লেখকের স্বার্থকতা। বর্তমান টাইমলাইনটা কিছুটা ছোট অতীতের টাইমলাইনের তুলনায়। তবে এই ছোট টাইমলাইনেই রয়েছে অতীতের সময়কার ঘটনাবলীর একটা মন ভালো করে দেয়ার মতো এন্ডিং। পাঠক হিসাবে গল্পের অনেকগুলো বিষয়ই মানতে ইচ্ছে করছিলো না, কিন্তু এটাই তো জীবন আর জীবনের ট্র্যাজেডি! আর তাই বইটা শেষ করেছি অসম্ভব তৃপ্তি আর মায়া নিয়ে। চরিত্রকথন এটা শুধুই কিছু ঘটনার বই নয়, এটা এই বইয়ের চরিত্রগুলোরও গল্প। যে চরিত্রগুলো মাথায় গেঁথে থাকবে দীর্ঘদিন। রক্তমাংসের না হওয়া সত্ত্বেও এসএম হায়দার চরিত্রটাকে এমনভাবে লিখেছেন লেখক যে, উনার প্রতি প্রবল শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে। অদ্ভুত রকমের ভালোবেসে ফেলেছি মানুষটাকে। এমন একটা মানুষ এখন আমাদের প্রচন্ড দরকার ছিলো। আফসোস এমন কেউই এখন আর এই দেশে নেই। রামজিয়া চরিত্রটা আগাগোড়া যদিও সৌন্দর্য আর প্রেমের প্রতিমূর্তি হয়ে ছিলো, তবুও কিছু সিচুয়েশনে তার সাহসী পদক্ষেপ আর সদাচরণের কারনে তাকেও ভালো লেগেছে। গল্প কথকের ভূমিকায় যিনি ছিলেন পুরো বইয়ে তার নাম উল্লেখ না থাকলেও, একজন সৎ, বুদ্ধিমান কিন্তু ভীতু মানুষের যে ছবিটা লেখক আমাদেরকে দেখাতে চেয়েছেন, তাতে করে সেই মানুষটাকেও বড্ড আপনই মনে হয়েছে। বইটা পড়ার সময়ে ইমতিয়াজ চরিত্রটার প্রতি এতোটাই ঘৃণা জন্ম নিয়েছিলো যে মনে হচ্ছিলো এই জীবনে ইমতিয়াজ নামের কারো সাথে সহজভাবে মিশতে পারবো না। আর ছিলো মিনহাজ। নিজের নামের সাথে মিল থাকার কারনেই কি না স্ত্রী শোকে কাতর এই মানুষটার প্রতি প্রবল মায়া অনুভব করেছি, তার দুঃখে ব্যথিত হয়েছি। তার মতো আমিও একই মানসিকতা ধারণ করি, কিছু অপরাধীর শাস্তি শুধু তার মৃত্যু দিয়েই হয় না, এদেরকে তিলে তিলে জীবনের শেষ দিনটা পর্যন্ত শাস্তি দিতে হয়। একেকটা চরিত্রকে এতোটাই বাস্তব লাগছিলো যেনো ওরা আসলেই আছে। আমি খুঁজতে বের হলেই পেয়ে যাবো। ব্যক্তিগত রেটিং: ৯.৫/১০ ( টানটান উত্তেজনা, একের পর এক চমক, টুইস্ট এন্ড টার্নস এমনকিছু না থাকা সত্ত্বেও একটা বই হাত থেকে রাখা দায় হয়ে পড়লে বুঝতে হবে এই বইটা একটা থ্রিলারের চেয়েও বেশী কিছু। থ্রিলার হিসাবে না পড়ে একটা মানবিক গল্প হিসাবে পড়লে আমার মনে হয় না এই বইটা কারো খারাপ লাগা সম্ভব ) প্রোডাকশন: বাতিঘরের গতানুগতিক প্রোডাকশন, যেটা নিয়ে নরমালি আমার কোনো সমস্যা হয় না। তবে একটা ব্যাপারে কিছুটা আশাহত। আমার সংগ্রহের বইটা ২০২২ সালের দ্বাদশ মূদ্রণ৷ ২০১৫ সালে বের হওয়া একটা বইয়ের এতোগুলা মূদ্রণ শেষ হওয়ার পরেও এই বইটাতে অনেক বানান ভুল চোখে পড়েছে। কিছু জায়গায় বাক্য গঠনটাও এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। এতো বছরের এতোগুলা মূদ্রণের পর পাঠক কি একটা পরিমার্জিত সংস্করণ আশা করতে পারে না? কতক্ষণ সময় লাগবে ছোটখাটো অল্পবিস্তর এইসব ভুল ত্রুটি সাড়িয়ে নিতে? এতোটুকু দায় তো অন্তত পাঠকদের প্রতি থাকা উচিত একটা প্রকাশনীর। গল্পটা এতোটাই ভালো লেগেছে যে কোনো নেগেটিভ কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু রিভিউ লিখতে লিখতে এসএম হায়দারের কথা মনে পড়লো। সে নিশ্চয়ই প্রতিবাদ করতো। আর তাই... প্রিয় উক্তিসমূহ রিভিউ শেষ। এটুকু এড়িয়ে যেতে পারেন সবাই। তবে এই বইটাতে এমনকিছু উক্তি রয়েছে যেগুলার সাথে আমি নিজেকে পুরোপুরি জড়িয়ে নিতে পারি৷ মনে হয়েছে এগুলো যেন আমারই মনের কথা যা লেখক এসএম হায়দারের জবানিতে লিখেছেন। এখানে আমি সেগুলা লিখে রাখতে চাচ্ছি। "উনার চারপাশে নাকী সব চোর! চাটার দল নাকী সব চেটেপুটে খাচ্ছে! তা, আপনি কি করছেন? সমস্ত ক্ষমতা আপনার হাতে। চোরবাটপার গুলোকে পাছায় লাথি মেরে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিচ্ছেন না কেন! চাটার দলের জিহবা কেটে কুকুরকে খাইয়ে দেন! আপনার আশেপাশেই তো ওরা ঘোরাঘুরি করে। ওদেরকে আপনি ভালো করেই চেনেন। আপনি মামা না-হয়ে, বাবা না-হয়ে, মুজিবভাই না-হয়ে, দলের নেতা না-হয়ে আমাদের শেখ সাহেব হয়ে যান না আবার" "সব দেশেই ক্রাইম হয় কিন্তু সভ্যদেশের কোনো সরকার, রাষ্ট্র ক্রাইমকে প্রশ্রয় দেয় না।" দেশের বাড়ি কোথায় এই প্রশ্নের জবাবে এসএম হায়দার বলেন, "শোনেন ভাই, আমাদের দেশটা অনেক ছোটো। এই ছোটো দেশটাকে আমরা আর ছোটো না করি, কি বলেন? আমি যদি আপনার জেলার লোক না হই, তাহলে কি আপনার সাথে আমার খাতির হবে না? আর আপনার জেলার লোক হলে কি বেশি খাতির হয়ে যাবে? নোংরা আঞ্চলিকতা আমার ঘেন্না লাগে। আমার দেশ একটাই- বাংলাদেশ। এটাই আমার জন্মস্থান। এটাকে টুকরো টুকরো করে নিজের পরিচয় বানানোর কোনো ইচ্ছে আমার নেই।" "দুঃখের স্মৃতিগুলো নিখুঁত পেন্টিংয়ের মতো সমস্ত ডিটেইল নিয়ে উদ্ভাসিত হলেও সুখের স্মৃতিগুলো ঝাপসা ছবির মতই অস্পষ্ট।" "ক্ষমতাসীনদের অনেকেই নিজ দলের চোর-বাটপার থেকে শুরু করে মজুতদার, চোরাকারবারি, খুনি, ডাকাত সবার মাথার উপরে বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে যাচ্ছিলো। এসব করতে গিয়ে তারা তাদের প্রিয় নেতা আর জন্মভূমির কত বড় সর্বনাশ করেছে সেটা যদি বুঝতো।" "আমার যা করার আমি তা করবো। ওইসব হারামখোর নেতাদের হুকুম তামিল করার জন্য দেশটা স্বাধীন হয়নি, আর আমিও নিজেকে তাদের চাকর-বাকর মনে করি না।" "উনি যখন পাকিস্তান কারাগার থেকে দেশে ফিরে এসে বললেন, তিন বছর কিছুই দিতে পারবেন না, সেটা সবাই মেনে নিয়েছিল। কিন্তু এই তিন বছরে পাবলিক কি দেখলো? ওনার দলের ঘনিষ্ঠজনদের অনেকেই পরিত্যক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কারখানা আর বাড়ি পেয়ে যাচ্ছে! তারা কিন্তু তিন বছর অপেক্ষা করছে না। সেটাও কোন সমস্যা হতো না, যদি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যেত। এই একটা জিনিস করতে কিন্তু টাকা লাগে না। রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট বানাতে টাকা লাগে। স্কুল-কলেজ বানাতে টাকা লাগে, এটা করতে শুধু দরকার হয় ক্ষমতাসিনদের সদিচ্ছা, আত্মত্যাগ আর দূরদর্শিতা। সেটা কি তোমার দলের সবার মধ্যে আছে?" "শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানীদের সাথে আমাদের থাকাটা হলো না কিন্তু গণতন্ত্রের জন্যই। সত্তুরের ফলাফল ওরা মেনে নিল না। আমরা বুঝে গেলাম ওদের সাথে আর থাকা যাবে না। ওরা গণহত্যা শুরু করলো, আমরা রুখে দাঁড়ালাম। নয় মাসের যুদ্ধে দেশ স্বাধীন হলো। এখন যদি তুমি সেই স্বাধীন দেশে গণতন্ত্রকে পাশ কাটাতে চাও তাহলে বুঝতে হবে তোমার চিন্তা-ভাবনায় বিরাট বড় গলদ আছে।" "এ কেমন স্বাধীনতা যেখানে আমরা মনের কথাও খুলে বলতে পারছি না। চোখের সামনে শক্ত হয়ে যাচ্ছে মিথ্যে!" এর বাইরেও কিছু কথা বেশ ভালো লেগেছিল। কিন্তু সঙ্গত কারনেই সেগুলো লিখা হলো না। যতটুকু লিখেছি, এর মাঝেও মনে হয় তার কিছু এডিট করে ডিলিট করে দেয়া লাগতে পারে। তবে সবকিছু মনে গেঁথে রেখেছি সবসময়ের মতোই। 🔮 পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭২ 🔮 বর্তমান মূদ্রিত মূল্য: ৩৬০ টাকা"
ইয়াসির আল সাইফ , Dec 10, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ অস্থির আর ঝঞ্ঝাবিক্ষুদ্ধ সময়ে ঘটে যাওয়া একটি খুনের রহস্য উদঘাটনে মরিয়া ভিন্ন মত আর স্বভাবের দু-জন মানুষ । অভিনবভাবে এক সন্দেহভাজনের সন্ধান পেলো তারা, অনেক কষ্টে তাকে ধরাও হলো কিন্তু হত্যারহস্য আর মীমাংসা করা গেলো না। এ ঘটনাটা বদলে দিলো তদন্তকারি দু-জনসহ আরো কিছু মানুষের জীবন। দুই যুগ পর স্মৃতিভারাক্রান্ত এক লেখক ব্যস্ত হয়ে পড়লো সেই হত্যারহস্য নিয়ে । চমকে যাবার মতো একটি ঘটনার মুখোমুখি হতে হলো তাকে । বিস্ময়কর সত্যটা জেনে যাবার পরও নতুন এক সঙ্কটে নিপতিত হলো সে- সত্যটা প্রকাশ করার জন্য নির্ভর করতে হবে প্রকৃতির উপরে! ‘কেউ কথা রাখেনি’ একটি কাব্যিক অভিব্যক্তি। ঢালাও অভিযোগও বলা চলে। কিন্তু সত্যটা হলো, কেউ কেউ কথা রাখে। (ফ্ল্যাপ থেকে) • পাঠ প্রতিক্রিয়া: আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় 'মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনে'র লেখা পছন্দের উপন্যাস কোনটি তবে আমি জবাব দেবো, 'কেউ কেউ কথা রাখে'। 'A book within a book' বলতে যদি কিছু থাকে, তবে আমার কাছে তা এই বইটি। যদিও বইটির জনরা 'রহস্য ও গোয়েন্দা' বলা হয়েছে, তবে আমি এর সাথে 'রোমান্টিক থ্রিলার' তকমাটাও যোগ করবো। বইটি নিয়ে আমার অনুভূতি কয়েক স্তরে বিভক্ত। • প্লট নিয়ে আলোচনা: একটি সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশ। দেশের আইন-শৃংখলা, অর্থনীতি, রাজনীতির মেরুদন্ড এখনও শক্ত হয়ে উঠেনি। এমনই এক সময়ে রাজধানীর একটি ফ্ল্যাটে ঘটে গেছে এক তরুণীর বীভৎস হত্যাকাণ্ড। এখান থেকেই উপন্যাসের মূল গল্প শুরু হয়েছে এবং চমৎকারভাবে এগিয়ে গেছে রহস্য, থ্রিল ও কিঞ্চিৎ রোমান্টিকতার চিহ্ন রেখে। • চরিত্র পরিচিতি : গল্পকথক: গল্পের চরিত্র নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মাত্রই খেয়াল করলাম মূল চরিত্র তথা গল্পকথকের নাম নেই। কী আশ্চর্য! উপন্যাসটা পড়ার সময় একবারও বিষয়টা খেয়াল করিনি। (হতে পারে নাম আছে, আমি খেয়াল করিনি।) গল্পকথক যেভাবে আমাদের গল্প বলেছেন, একইসাথে নিজে কিভাবে সেই গল্পের অংশ তা ব্যাখ্যা করেছেন সেটা সত্যিই চমৎকার। অতি সাধারণ প্রকৃতির এ চরিত্রটা সময়ের সাথে কখন যে পরিপক্ব একটা চরিত্র হয়ে উঠবে পাঠক খেয়ালই করবেন না। এসএম হায়দার: উপন্যাসের সবচেয়ে শক্তিশালী চরিত্র। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যেমন তার সততা, তেমনই তেজ। মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত চেতনার কথা বর্তমান প্রজন্মের মুখে মুখে ফেরে, কিন্তু সেই চেতনার প্রকৃত রূপ ধারণ করতে পারে কয়জন? এসএম হায়দার চরিত্রটা যেনো সে চেতনার শুষ্ক জমিনে আর্দ্রতার আবির্ভাব ঘটানোর জন্যই লেখক তৈরি করেছেন। প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের প্রতীক 'হায়দার ভাই' চরিত্রটি নিঃসন্দেহে উপন্যাসে আমার প্রিয় চরিত্র । ইমতিয়াজ: খল চরিত্র লেখায় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের পারদর্শিতা সবচেয়ে বেশি এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে বলে আমি মনে করি। ইমতিয়াজ চরিত্রটি লেখক এমনভাবে লিখেছেন যে ঘৃণায় গা জ্বলে উঠবে। মুখভর্তি এক দলা থুতু ছুঁড়ে দিতে ইচ্ছে করবে এই ঘৃণ্য চরিত্রের উপর। মিজান: চলচ্চিত্রে 'শো স্টিলার' বলতে যে বাগধারা ব্যাবহার করা হয় এক্ষেত্রে মিজান তেমন একটি চরিত্র। অর্থাৎ, মুখ্য চরিত্র না হয়েও সে মন জয় করে নিয়েছে। রামজিয়া: উপন্যাসে উপস্থিত একজন উল্লেখযোগ্য নারী চরিত্র। পার্শ্ব চরিত্র হলেও উক্ত চরিত্রের উপস্থাপন ঘটানো হয়েছে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে। এছাড়াও উপন্যাসে আরো কিছু পার্শ্ব চরিত্র আছে যা প্লটের প্রয়োজনে যথার্থভাবে লেখা হয়েছে। • লিখনশৈলী: মৌলিক থ্রিলার লেখায় আমাদের দেশে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের নামই সবার আগে আসে। এই বইটিতেও তিনি থ্রিলার স্বাদ যুক্ত করেছেন, তবে একটু ভিন্ন মাত্রায়। উপন্যাসের প্লট চলেছে দুইটি ভিন্ন সময়কালে। বার বার সময়ের জাম্প কাট মোটেও বোর লাগেনি, বরং পরবর্তী কাহিনী জানার জন্য উৎসুক করেছে। তাছাড়া রোমান্টিক লেখায়ও যে লেখক সাহেব মন্দ নন তার সাক্ষর রেখে গেছেন এখানে। পাশাপাশি দুর্নীতিবাজ ও অসৎ চরিত্রের এক গোষ্ঠী মানুষের মুখে প্রতিবাদের যে নিরব চড় মারা হয়েছে, তা সত্যিই দারুন লেগেছে। পরিশেষে, সূচনা থেকে সমাপ্তি পর্যন্ত ভালোবাসা,ক্ষোভ,সাহস, বীরত্ব,আক্ষেপ,আশ্বাস সবটাই অসম্ভব সুন্দর করে ধারণ করেছে উপন্যাসটি। লেখককে আহ্বান করবো এমন সাহসী লেখা আরো প্রকাশের জন্য। • ব্যাক্তিগত মতামত: বইটি নিয়ে আমার বাড়তি তেমন মতামত কিংবা অভিযোগ নেই। তবে যদি বলতেই হয় তাহলে শুধুমাত্র অপরাধের তদন্ত নিয়ে একটু বলবো। সরাসরি অপরাধী কে, সেটা অনুমান করার চেয়ে যদি তদন্তকারীরা একটু পথভ্রষ্ট হতো তবে সেই পরিস্থিতিটাও দেখার মত হতো। • পছন্দের বাক্য: "ঈর্ষা খারাপ হতে পারে কিন্তু ঈর্ষার শিকার হওয়াটা নেহায়েত মন্দ নয়। সম্ভবত, কখনও কখনও সবচাইতে উপভোগ্য জিনিস!" • প্রচ্ছদ: এতো সুন্দর প্রচ্ছদ নিয়ে কথা না বললে ভুল হবে। প্রচ্ছদের রং, ডিজাইন, ডিটেইল বেশ চমৎকার। আমি প্রতিবার একটা বই শেষ করার পর এর প্রচ্ছদ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি। এক্ষেত্রেও ব্যাতিক্রম নয় এবং এর প্রচ্ছদ দেখার পর সত্যিই অবাক হয়েছি। অবাক হয়েছি কারণ, উপন্যাসের কাহিনী যেনো অনেকটা প্রচ্ছদেই বলে দেয়া আছে। তবে না পড়ে সেটা কেউ ধরতে পারবে না। তাই পাঠকদের উদ্দেশ্যে আমার পরামর্শ রইলো, তারা যেনো পড়া শেষে প্রচ্ছদটা আরেকবার দেখেন। 'কেউ কেউ কথা রাখে' একটা দারুন অভিজ্ঞতা। যারা নতুন থ্রিলার পাঠক আছেন কিংবা রোমান্টিক জনরা থেকে থ্রিলার জনরার দিকে ধাবিত হচ্ছেন, তাদের কাছে বইটি হবে আরো বেশি উপভোগ্য। • বই: কেউ কেউ কথা রাখে • লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন • জনরা: রহস্য ও গোয়েন্দা • প্রকাশনী: বাতিঘর প্রকাশনী • প্রচ্ছদ: ডিলান • প্রচ্ছদ মূল্য: ৪৫০ টাকা • পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭০ ব্যাক্তিগত মতামত: ৮/১০ ~ইয়াসির আল সাইফ"
Rownok Hasan , Aug 17, 2023
"কেউ কথা রাখেনি’ একটি কাব্যিক অভিব্যক্তি । ঢালাও অভিযোগও বলা চলে । কিন্তু সত্যটা হলো, "কেউ কেউ কথা রাখে।" অস্থির আর ঝঞ্ঝাবিক্ষুদ্ধ সময়ে ঘটে যাওয়া একটি খুনের রহস্য উদঘাটনে মরিয়া ভিন্ন মত আর স্বভাবের দু-জন মানুষ । অভিনবভাবে এক সন্দেহভাজনের সন্ধান পেলো তারা, অনেক কষ্টে তাকে ধরাও হলো কিন্তু হত্যারহস্য আর মীমাংসা করা গেলো না । এ ঘটনাটা বদলে দিলো তদন্তকারি দু-জনসহ আরো কিছু মানুষের জীবন । ২৪ বছর অর্থাৎ দুই যুগ পর স্মৃতিভারাক্রান্ত এক লেখক ব্যস্ত হয়ে পড়লো সেই হত্যারহস্য নিয়ে । চমকে যাবার মতো একটি ঘটনার মুখোমুখি হতে হলো তাকে । বিস্ময়কর সত্যটা জেনে যাবার পরও নতুন এক সঙ্কটে নিপতিত হলো সে- সত্যটা প্রকাশ করার জন্য নির্ভর করতে হবে প্রকৃতির উপরে! ------------------- বইটার নামটা কেমন যেন একটু অন্যরকম না?বইয়ের নামটা শুনলে প্রথমই মাথায় আসে, প্রেমিক কোনো প্রেমিকাকে বলেছিল? সাধারণত থ্রিলার এর সাথে এরকম নাম যায় না। প্রেমের উপন্যাসের একটা ভাব আছে। আসলে তা নয়, থ্রিলার ই। তবে আসলেও অন্যরকম। বই এর মুখবন্ধেই লেখক বলে দিয়েছেন এটা উনার একটা নিরীক্ষাধরমী বই। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের নিরীক্ষাধর্মী একটি কাজ। তার আগের কাজগুলোর তুলনায় একেবারেই ভিন্ন।"
Pallab Biswas , Nov 17, 2022
"অসাধারণ একটা বই। শুধু থ্রিলার জনরা বললে ভুল হবে, সাথে অনেককিছু উঠে এসেছে। বইটা আমার মনে দাগ কেটেছে।"
Washim Bond , Jun 19, 2022
"আমি সাধারনত খুতখুতে পাঠক। তবে বলতে হবে, এটা ভালো বই তাই ৫ স্টার দিলাম।"
Tanvirul Islam , Jun 3, 2022
"bhalo"
Nahid Farjana , Mar 18, 2022
"আমার লাইফে পড়া রোমান্টিক থ্রিলার গল্প গুলার মধ্যে এটা সেরা হয়ে থাকবে। অনেক বছর মনে থাকবে এ গল্প টা ❤️❤️💜💜"
Zannatul Ferdousi Talukder Talukder , Mar 5, 2022
"That was a masterpiece"
ধ্রুব পাহলোয়ান , Mar 4, 2022
"অসাধারণ একটি বই"
Fatema Tuz Zohra Silvee , Feb 23, 2022
"Darun boi"
Humaira Afia Tisha , Feb 16, 2022
"best thriller i have ever read in my life💙"
Momirul Islam , Dec 26, 2021
"প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই প্রগতি কে বইটা হাতে পৌঁছে দিবার জন্য। আর মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন স্যার কে অসংখ্য ধন্যবাদ। আজ পড়া শেষ করলাম, সত্যি বলতে অসাধারণ একটা কাহিনী। বর্তমানের সাথে অতীতের কাহিনী কে লেখক খুব ভালো ভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন💚"
Saifullah Tamim , Dec 6, 2021
"অসাধারণ"
Riya , Nov 1, 2021
"অসাধারণ একটি বই। পুরোটা পড়ে শেষ করেছি। আমার অনেক ভালো লেগেছে বইটা।"
Adity Karmaker , Oct 22, 2021
"Must read"
Yakub Ahamad , Oct 3, 2021
"Mixture of present and past."
tasdid anwar , Sep 10, 2021
"বই এর শুরুতে লেখক এর কথা ঠিকমত না পড়েই বইয়ের কাহিনী পড়া শুরু করে দিয়েছিলাম। কিছুদূর পড়ার পর মনে হল কাহিনীটা চেনা চেনা লাগছে। তারপর লেখক এর কথা মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। দেখলাম যা ভেবেছি তাই। বিখ্যাত স্প্যানিশ ভাষার মুভি El secreto de sus ojos বা The Secret In Their Eyes এর অরিজিনাল কাহিনী এর অনুবাদ। মুভি দেখা না থাকলে পড়তে পারেন।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
boitir mot page koto?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"কেউ কেউ কথা রাখে" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: