2nd Print, 2003
কেঁচো-কম্পোস্ট
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
আউট অব স্টক (বর্তমানে প্রকাশনীতে বইটি পাওয়া যাচ্ছে না)
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
আল - কোরআনে কৃষি
মোঃ তৌহিদুল হাসান
বারো মাসের কৃষি
মোহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন
খনার বচন কৃষি ও কৃষ্টি
ড. আলি নওয়াজ
চারা ও কলম তৈরির সহজ পদ্ধতি
খন্দকার শরীফুল আলম
ফসলের বালাই দমন ব্যবস্থাপনা
মোঃ হাসানুর রহমান খান বকুল
কৃষি জিজ্ঞাসা
মো: নূরুল হুদা আল মামুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | কেঁচো-কম্পোস্ট |
| Author | ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম |
| Publisher | মাওলা ব্রাদার্স |
| Edition | 2nd Print, 2003 |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 20 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| ISBN | 9844103177 |
জরুরি বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টিMahmudul Hasan , 15 Jul 2020
"Valo boi choto boi kintu valo information ache"
MD. AMINUL ISLAM , 08 Jun 2021
"Very informative book."
Ratna Biswas , 04 Jul 2017
"”কেঁচো-কম্পোস্ট” - ড. মুহাম্মদ ইব্রাহিম কেঁচো কম্পোস্ট একটি জৈব সার যা জমির উর্বরতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয় । গাছের পাতা, খড়, গোবর, লতা, পাতা, পঁচনশীল আবর্জনা ইত্যাদি খেয়ে কেঁচো মলত্যাগ করে এবং এর সাথে কেঁচোর দেহ থেকে রাসায়নিক পদার্থ বের হয়ে কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি হয়।রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে জমির উর্বরতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং রাসায়নিক সার ব্যবহারের খরচও বেশী। কেঁচো কম্পোস্টের উপকারিতা অন্যান্য কম্পোস্টের চেয়ে বেশি। কেঁচো কম্পোস্ট সার তৈরি খরচ কম এবং রাসায়নিক সারের অপকারিতা মাথায় রেখেই দিন দিন জৈব সারের ব্যবহার বাড়ছে। আর তাই কেঁচো কম্পোস্টের চাহিদা ও বাজার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেঁচো কম্পোস্ট বিক্রি করতে উপজেলা পর্যায়ে ব্যবসায়ী, কৃষক, আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তৈরি করা কম্পোস্ট সার বিক্রির জন্য প্রচার অভিযান চালাতে হবে। গাছের ছায়ায় মাটিতে গর্ত করে সার তৈরি করতে হয়। সেজন্য ২ মিটার লম্বা, ১ মিটার চওড়া ও ১ মিটার গভীর গর্ত করতে হবে। গর্তের আকার এমন হবে যেন দুই থেকে পাঁচ হাজার কেঁচো থাকতে পারে। এ পদ্ধতিতে মাসে ১০০ কেজি করে সার তৈরি করা সম্ভব হবে। গর্তের উপর ছনের চালা দিতে হবে। তবে মাটির গর্তের চেয়ে মাটির বড় পাত্রে (গামলা) কম্পোস্ট তৈরি করলে কেঁচোগুলো হারিয়ে বা নষ্ট হয় না। তাই বর্তমানে গামলার ব্যবহারই বেশি।তৈরি ঘরের মধ্যে বা গর্তের তলায় ইটের টুকরো বা বালি বিছিয়ে নিতে হবে।ইটের বা বালির স্তরের উপরে ১৫-২০ সে.মি. গভীর ভালো দোঁ-আশ মাটি বিছিয়ে দিতে হবে এবং শ’খানেক কেঁচো বা কোঁচোর ডিম ছড়িয়ে দিতে হবে।কেঁচোর উপর কাঁচা গোবর বিছিয়ে দিতে হবে।এই স্তরের উপর শুকনো পাতা বা খড় দিতে হবে।মাঝে মাঝে অল্প পরিমাণ পানি ছিটিয়ে দিতে হবে।এভাবে ৪ সপ্তাহ রাখার পর সদ্য কাটা গাছের পাতা ও কচি ডাল ৫ সে. মি. পুরু করে বিছিয়ে দিতে হবে।গর্ত না ভরা পর্যন্ত ৩/৪ দিন অন্তর অন্তর খোসা, পাতা ইত্যাদি দিতে হবে ও ১৫ দিন পর পর ওলট-পালট করতে হবে।কম্পোস্ট তৈরির উপাদান গুলো কালচে রং ধারণ কররে জৈব সার তৈরি হবে। এসময় পানি দেওয়া বন্ধ করতে হবে। সার তৈরি হয়ে গেলে কেঁচো গুলো গর্তের নিচে চলে যাবে।এবার ঝুরঝুরে দানাদার সার গর্ত থেকে বের করে শুকিয়ে ছাঁকনিতে ঢেলে (পলিথিন ব্যাগে) প্যাকেট করতে হবে।চালুনীর সময় সাবধান থাকতে হবে যেন শিশু কেঁচো মারা না যায়। শিশু কেঁচোগুলো পুরানো গোবরে রাখতে হবে। পিপঁড়া ও পোকার কামড় থেকে কেঁচোগুলোকে সাবধানে রাখতে হবে।"
murad , 17 Jun 2017
"কেঁচো-কম্পোস্ট বইটি লিখেছেন ড. মুহাম্মদ ইব্রাহিম। ডারউইনের ভাষায় মানুষ সৃষ্টির অনেক আগে থেকেই পৃথিবীতে কেঁচোর আবির্ভাব ঘটেছে বলে কেঁচো ‘পৃথিবীর প্রথম কর্ষক’। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে কেঁচোর ভূমিকা নিয়ে চার্লস ডারউইন এবং মূলারের বিশদ ব্যাখ্যা রয়েছে। কেঁচো মাটির গভীরে আলো-বাতাস ও পানি যেতে সাহায্য করে। কেঁচো মাটিকে আলগা, ফাঁপা ও নরম রাখে। কেঁচোর বিষ্ঠায় বহুবিধ জৈব রাসায়নিক পদার্থ, উেসচক, নাইট্রোজেন আবদ্ধকারী সাইট্রিফাইং ও অ্যামোনিফাই ব্যাকটেরিয়াসহ অনেক ধরনের জীবাণু ও উদ্ভিদ বৃদ্ধির সহায়ক ইনডোল যৌগ উপস্থিতি থাকায় মাটির উর্বরতা অনেক বেড়ে যায়। মাছ ও পাখির খাদ্য হিসেবে এবং রোগ নিরাময়েও কেঁচোর ভূমিকা রয়েছে। আবার কেঁচো কম্পোস্ট তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে কেঁচো। কাজেই এসব কারণে কেঁচো কৃষকের পরম বন্ধু। রাসায়নিক সার ব্যবহারে জমির উর্বরতা দিন দিন কমছে। রাসায়নিক সারের দামও বেশি। অন্য দিকে কেঁচো-কম্পোস্টের খরচ কম, উপকারিতাও অন্যান্য সারের তুলনায় বেশি। তাই এ সারের ব্যবহার দিন দিন বেড়ে চলেছে। কেঁচো-কম্পোস্ট এক ধরনের জৈব সার। স্বল্প ব্যয়ে এবং সহজ উপায়ে উত্পাদন করা সম্ভব। কেঁচো সাধারণত লতা-পাতা, খড়, গোবরসহ নানা রকম পঁচনশীল আবর্জনা খেয়ে থাকে। কেঁচোর গোলাকার বিষ্ঠার সাথে ওদের দেহ থেকে নির্গত রাসায়নিক পদার্থ মিশে তৈরি হয় কেঁচো-কম্পোস্ট। কম খরচে ও সহজে উত্পাদনযোগ্য এ সার বেশ লাভজনক। শুধু কেঁচো-কম্পোস্ট নয়, কেঁচো চাষও বেশ লাভজনক। প্রতিটি কেঁচোর বাজার মূল্য দেড় থেকে দুই টাকা। তাই অনেকেই সংসারের নিত্য-নৈমিত্তিক কাজের পাশাপাশি কেঁচো-কম্পোস্ট তৈরির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। মহিলারাও সহজেই সার উত্পাদন করতে পারে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"কেঁচো-কম্পোস্ট" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।