১ম প্রকাশ, ২০১৯
কবি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | কবি |
| Author | তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | ৫২ (বায়ান্ন) |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 176 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.32 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
6 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
shima , Aug 1, 2024
"this book is about culture..specially I don’t like cultural books..not my type💔"
Rakib islam , Feb 27, 2022
"📗বই পরিচিতিঃ ➠ বইয়ের নামঃ কবি ➠লেখকঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ➠প্রচ্ছদঃ তৃত ➠প্রকাশনীঃ ৫২ প্রকাশনী ➠মুদ্রিত মূল্যঃ ১৫২ টাকা ➠পৃষ্ঠাঃ ১৭৬ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর একটি সামাজিক উপন্যাস কবি। বইটি অনেকদিন ধরেই পড়বো পড়বো ভাবছিলাম। অবশেষে পড়ে শেষ করলাম এবং শেষ করার পর বুকের ভিতর থেকে একটি দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসলো যেন। এত কষ্ট জমা হলো বুকে যে বুক ভারী হয়ে গেলো... ⭕কাহিনী সংক্ষেপঃ ডোম বংশ যে বংশকে নিচুজাত হিসেবে দেখা হয় এবং এই বংশের সকলে চোর ডাকাত পেশা বেঁছে নেয়। কিন্তু সেই বংশের ছেলে নিতাইচরণ সবাইকে অবাক করে দিয়ে হলেন কবিয়াল। গ্রামের মেলায় কবি গানের পালা হয়। সেই পালায় বড় নামকরা কবিয়াল মহাদেব আর নোটনদাস কবিয়ালের কবিগান করার কথা কিন্তু মহাদেব আসলেও নোটনদাস অনুপস্থিত আর এতে করেই নিতাইচরণ তার কবি সত্তাকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়। হেরে গেলেও সকলে তার প্রশংসা করে। এবং ধীরে ধীরে নিতাইচরণের কবিয়াল খ্যাতি ছড়ায় চারিদিকে নতুন নতুন বায়নাও আসে তার। নিতাইয়ের বাব,মা,মামা,পিতামহ,মাতামহ সবাই চোর ডাকাত থাকায় তার কবি হওয়া তারা মেনে নিতে পারেনি যার কারনে নিতাইচরনের বাড়িঘর ছেড়ে ঠাঁই হয় স্টেশনে কাজ করা বন্ধু রাজনের বাড়ি যে বন্ধু তাকে বলে ওস্তাদ এবং নিতাইকে জীবন দিয়ে ভালোবাসে। রাজনের মাধ্যমে পরিচিত হয় রাজনের বউ আর ঠাকুরঝি মানে রাজনের শ্যালিকার সাথে যে বিবাহিত। এই ঠাকুরঝিকে নিতাইচরণ মন দিয়ে ফেলে তার জন্য কত গান বাঁধে। ঠাকুরঝি কালো দেখে রাজন কটু কথা বলায় নিতাই পদ তৈরি করে 'কালো যদি মন্দ তবে কেশ পাকিলে কাঁদ কেনে?' এই পদ ঠাকুরঝিকে নিতাই শুনায়। ঠাকুরঝি অনেক খুশি হয়। তারা দুজনে মুখে ভালোবাসার কথা না বললেও ঠিকই একে অপরকে মন দিয়ে ফেলে তাইতো একে অপরকে না পাওয়ার বেদনায় একজন সারাজীবন চোখের জল ফেলে তো আরেকজন জীবনটাকেই জলে ফেলে দেয়। ঠাকুরঝি যেহেতু বিবাহিত তাই ভালোবাসার কথা লোক জানাজানি হওয়ায় নিতাই গ্রাম ছেড়ে চলে যায় এবং যোগ দেয় ঝুমুরের দলে। সেখানে সে তার প্রকৃত কবিয়ালকে বিসর্জন দিয়ে নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধেও অনেক কবিগান করে। সে আবার ভালোবাসার বন্ধনে জড়ায় সেই ঝুমুরের দলের বসন্ত নামের মেয়ের সাথে। যার সাথে নিতাই গাঁটছড়া বাঁধে এবং কথা দেয় দুজনের যেকোন একজনের মৃত্যুর আগে এই গাঁটছড়া ভাঙবেনা তাইতো গ্রামের প্রতি,রাজন,ঠাকুরঝির প্রতি টান অনুভব করার পরও সে আর গ্রামে ফেরেনা। বসন্তকে নিতাই মন উজার করে ভালোবাসে তাইতো বসন্তের ভয়াবহ অসুখের সময়ও পাশে ছিল। কিন্তু একদিন নিয়মমাফিক সেই গাঁটছড়া ভেঙে যায়। নিতাই যা আঁকড়ে ধরতে চায় তাই বিলিন হয়ে যায় শেষপর্যন্ত থেকে যায় তার কবিয়াল সত্তা। যা তাকে বেঁচে থাকতে অনুপ্রেরণা যোগায়... ⭕পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ আহা কি বই পড়লাম আমার মনে হয় সারাজীবন এই বইয়ের রেশ আমার মনে রয়ে যাবে। বইটা পড়ার সময় নিজের অজান্তেই কিছু কিছু জায়গায় অঝোরে চোখ দিয়ে পানি পড়েছে। লেখকের বর্ণনা ভঙ্গিতে হারিয়ে গিয়েছি অন্য এক দুনিয়ায় যেখানে আমার সামনে চলেছে কবিয়ালদের কবিগানের প্রতিযোগিতা। আমি বইটা পড়তে একটুও বিরক্তবোধ করেনি বরং তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেললে আফসোস হবে বিধায় একটু সময় লাগিয়ে পড়েছি। ⭕লেখকের লেখার মানঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর তিন,চারটা বই ও কিছু গল্প পড়ার অভিজ্ঞতা আছে। আমার কাছে সবচেয়ে যে জিনিসটা ভালো লাগে তার লেখায় তা হলো তার বর্ণনাভঙ্গি সে একটা জিনিসের তুলনা এমন একটা জিনিস দিয়ে দেয় যেটা হয়তো আপনার কল্পনার বাহিরে থাকবে। যেমন কবি বইয়ের একটা লাইন তুলে ধরিঃ জলের বুক ক্ষুর দিয়া চিরিয়া দিলেও দাগ পড়েনা, চকিতের মতন শুধু একটা রেখা দেখা দিয়া মিলাইয়া যায় আর ক্ষুরটাও জলের মধ্যে অদৃশ্য হইয়া যায়। তেমনি একটি মৃদু হাসি নিতাইয়ের মুখে দেখা দিয়া ওই তরঙ্গময়ী কৃশতনু মেয়েটার কলরোল-তোলা হাস্যস্রোতের মধ্যে হারাইয়া গেল। নিতাইয়ের হাসি যেন ক্ষুর; কিন্তু ওই মেয়েটাও যেন আবেগময়ী স্রোতস্বিনী, তাহাকে কাটিয়া বসা চলে না। হ্যাঁ এটাও ঠিক মাঝে মাঝে অনেক বেশি বর্ণনা দেওয়ার কারনে লেখা থেকে খেই হারিয়ে ফেলেছি আমি। ⭕প্রচ্ছদ,প্রোডাকশন কোয়ালিটি এবং অন্যান্যঃ বায়ান্ন প্রকাশনীর এই প্রচ্ছদটার জন্য বইটার প্রতি আমি আলাদা টান অনুভব করেছি প্রচ্ছদটা আমার এতই ভালো লেগেছে। কিন্তু প্রোডাকশন ছিল মোটামুটি বাঁধাই তেমন ভালো ছিল না। বইটা পড়ার সময় দুইহাত দিয়ে দুইদিকে শক্ত করে টেনে ধরে পড়তে হয়েছে। বানানেও অনেক ভুল চোখে পড়েছে। ⭕ব্যাক্তিগত মতামতঃ কবি উপন্যাসটি সারাজীবন পাঠকের মনে থাকবে এবং যুগযুগ সকল পাঠক এই বই পড়ে প্রশংসা করবে। বইটি পড়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আপনি যা করতে চান তার সাথে লেগে থাকেন অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির শিকার হতে হবে, হয়তো সফলও হবেননা কিন্তু তবুও হাল ছাড়া যাবেনা। ভালোবাসার মানুষের ভালো করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় নিজের অজান্তে তাদের খারাপটাই করে ফেলি। এবং যেকোন পরিস্থিতিতে প্রিয় মানুষটার পাশে থাকা... 🌼 ”বইয়ের মত এত বিশ্বস্ত বন্ধু আর নেই।“— আর্নেস্ট হেমিংওয়ে"
Al Arafat , Jan 27, 2022
"ভালো।"
Swapan Mondol , Jul 20, 2021
"অসাধারণ বই এবং প্রগতির ব্যবহারও খুব ভালো লেগেছে"
Md.tareq-ul-hasan , Apr 13, 2020
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ বাংলাসাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান লেখক তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় মূলত সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত মানুষদের কথাকেই তাঁর অসামান্য সৃষ্টি 'কবি' উপন্যাসের মূল উপজীব্য করে গেছেন। আর এ কারণেই বাংলা সাহিত্যে তাঁর অমর কীর্তিগুলো দীপ্তিমান বলে প্রতীয়মান হয়। “সাহিত্য সেবাই দেশের সেবা”- এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলা সাহিত্যে তাঁর আগমন। তিনি তার লেখার মাধ্যমে পাঠককে সমাজের অবহেলিত ও অবাঞ্ছিত মানুষদেরকে নিয়ে ভাবতে বাধ্য করেছেন। ঘুরেবেড়ানো ছিলো তাঁর নেশা, আর এরই মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন অঞ্চলের, বিভিন্ন জাতের মানুষের সাথে পরিচিত হন। তাদের সাথে থেকে তিনি তাদের সারল্য, উদারতা সম্পর্কে নিজে যেমন জানতে পারেন তেমনি লেখার মাধ্যমে তুলে ধরেন পাঠকের সামনে। তিনি বলেন- “পাথরের দেবমূর্তি ভেদ করে দেবতার আবির্ভাবের কথা যেমন গল্পে আছে তেমনিভাবেই এই পাপপুণ্যের রক্তমাংসের দেহধারী মানুষগুলোর অন্তর থেকে সাক্ষাৎ দেবতাকে বেরিয়ে আসতে দেখেছি।’ তেমনিভাবেই, তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তাঁর রচিত কবি উপন্যাসটিতে দেখিয়েছেন একজন নিচু শ্রেণীর মানুষের কবি হয়ে উঠার কাহিনী। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র নিতাই চরনের কাব্য প্রতিভা, প্রেম ও আবেগ পাঠকের মনকে দোলা দিয়ে যায়। নিতাইয়ের জীবনের বেদনাবিধুর পরিণতি ও অনিশ্চয়তায় ব্যথিত হয় পাঠক মন। ছোটবেলায় বাগধারা পড়ার সময় আমরা সকলেই একটি বাগধারার সাথে পরিচিত, ‘গোবরে পদ্মফুল'। কবি উপন্যাসের নিতাইও তেমন। চোর-ডাকাতের বংশে জন্ম নেওয়া নিতাই তার অসামান্য কাব্য প্রতিভাকে ঈশ্বর প্রদত্ত উপহার মনে করেছিল। আর সেই উপহারের সঠিক বিকাশ ও ব্যবহারে সে তার পরিবার ছেড়ে, গ্রাম ছেড়ে চলে যায় ষ্টেশনে। তারাশঙ্কর তাঁর উপন্যাসে নিতাই নামক কবিকেই উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত করেছেন। সেই আলোর কিছু অংশে আলোকিত হয়েছে ঠাকুরঝি ও বসন্ত দুটি চরিত্র। এই উপন্যাসে যেমন ব্যক্তি জীবনের উত্থান পতন, জয়-পরাজয়, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি দেখিয়েছেন, তেমনি সাধারণ পাঠককে দিয়েছেন জীবনমুখী বার্তা। সংসারে ভালোবাসার যে কোনো বিকল্প নেই তা বোঝাতে লেখক বলেছেন- “সংসারের সুখ ভালোবাসায়, মিষ্টি কথায়” জীবনবাদী নিতাই চরনের গানে উঠে আসে প্রচলিত সমাজের ও তার দৃষ্টিভঙ্গির স্বরপ ও বাস্তবতা। আমরা সাধারণ মানুষ শুধুমাত্র সাদা গায়ের রঙ দেখেই আসক্ত হয়ে পড়ি, তাকে সুন্দর ভাবি। আর এই প্রবণতাকে কটাক্ষ করেই নিতাই গেয়ে উঠে- “কালো যদি মন্দ তবে কেশ পাকিলে কাঁদ কেনে? কালো কেশে রাঙা কুসুম হেরেছ কি নয়নে?” মুখে মুখে রচিত এসব গান কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে।তৎকালীন কবি ও তার সঙ্গীদের শিক্ষার অভাবে এ গান গুলো লিখে রাখা সম্ভব হয় নি। তারাশঙ্কর কবিয়াল শ্রেণীর এই অসহায়ত্বের কথাটিও বুঝিয়ে গেছেন তাঁর 'কবি' উপন্যাসে। প্রেম নিয়ে আমাদের সমাজে এখনো অনেক বাধা-বিপত্তি রয়েছে। এই ২০২০ সালে এসেও আগেকার অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। তারাশঙ্কর ১৯৪৩ সালেও এই উপন্যাস লেখার সময় হয়ত বর্তমানের অবস্থাটা আঁচ করতে পেরেছিলেন। যতই সংকীর্ণতা থাকুক বাধা থাকুক ভালোবাসা থেমে থাকেনি। তার সেজন্যই তারাশঙ্কর নিতাইকে দিয়ে বলিয়েছেন- “চাঁদ দেখে কলঙ্ক হবে বলে কে দেখে না চাঁদ” রাজার শ্যালিকা ঠাকুরঝির সঙ্গে নিতাইয়ের পরিচয় ঘটে। কৃষ্ণবর্ণ, ছিপছিপে গড়নের মিষ্টি-মেয়ে ঠাকুরঝির- “দেহখানাই শুধু লতার মত নয়, মনও যেন তাহার দীঘল দেহের অনুরূপ”। নিতাইয়ের চোখে সে “কালো কেশে রাঙা কুসুম হেরেছ কি নয়নে?” নিতাইয়ের গানের নীরব ভক্ত সে। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা দু’জনের এই প্রেমের সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সমাজ। কারণ ঠাকুরঝি বিবাহিত এবং স্বামীর সংসারে সে সুখেই আছে। তাই নিতাই নিজ থেকেই ঠাকুরঝিকে ছেড়ে চলে যায়। ঠাকুরঝি’র বিরহে কবিয়াল নিতাই গেয়ে উঠে- “চাঁদ তুমি আকাশে থাকো আমি তোমায় দেখবো খালি। ছুঁতে তোমায় চায়নাকো হে চাঁদ, তোমার সোনার অঙ্গে লাগবে কালি।” সদা হাস্যজ্জল বসন্তের আহবানে সাড়া দিয়ে নিতাই যোগ দেয় ঝুমুর দলে। অশ্লীল গান বাজনা ও নারীদের সাথে অশ্লীল নাচ গান করাই ঝুমুর দলের কাজ। এর আড়ালে রাতের অন্ধকারে তারা দেহব্যবসা করে থাকে। ঝুমুর দলে নিতাই ক্রমশ তার নিজের ভেতরকার কবিয়ালের সত্ত্বাকে চেপে রেখে দলের চাহিদা অনুযায়ী গান রচনা ও গেয়ে চলে। নিতাইয়ের কবি প্রতিভার মাধ্যমে সে এখানেও জনপ্রিয়তা লাভ করে। বহুগামিতার ফলে একসময় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় বসন্ত। বসন্তের মৃত্যুতে ইতি হয় নিতাইয়ের ঝুমুর দলে থাক। বসন্ত সৃষ্টিকর্তার উপর খুব অভিমানী ছিলো। এমনকি মৃত্যুশয্যায় নিতাই যখন তাকে ভগবানের নাম নিতে বলে, তখন অভিমান ভরা কন্ঠে বসন্ত বলে উঠে- “না। কি দিয়েছে ভগবান আমাকে? স্বামীপুত্র ঘরসংসার কি দিয়েছে?” কবি জীবনকে উপজীব্য করে বাংলা সাহিত্যে তারাশঙ্করের কবি ছাড়াও আছে আরও দুটি উপন্যাস। একটি হুমায়ূন আহমেদের 'কবি', অন্যটি হুমায়ুন আজাদের 'কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ'। তবে একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় তারাশঙ্করের কবি শুধু কবি জীবনের উপজীব্য উপন্যাসের মধ্যেই নয়, বাংলাসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস গুলোর মধ্যে একটি। যুগ যুগ ধরে পাঠকের এই কবি বেঁচে থাকবে, থাকবেন তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়।"
shahadat sabbir , Nov 5, 2019
"দুর্দান্ত একটা বই। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সম্পদ বইটি। সেই সাথে সম্ভবত সবচেয়ে ভালো কোয়ালিটির প্রোডাকশন এটি৷"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"কবি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: