১ম সংস্করণ, ২০১৬
কাশবনের কন্যা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | কাশবনের কন্যা |
| Author | শামসুদ্দীন আবুল কালাম |
| Publisher | বিভাস |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.47 Kg |
| ISBN | 9847034302332 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Jabir Ahmed Jubel , Oct 14, 2019
"বইয়ের নাম : কাশবনের কন্যা লেখক : শামসুদ্দীন আবুল কালাম জেনারা : সামাজিক উপন্যাস প্রথম প্রকাশ : ১৯৫৪ কাশবনের কন্যা। নিঃসন্দেহে বাংলা কথা সাহিত্যের অমর গ্রন্থ। জীবনের প্রথম উপন্যাস লিখেই সবার দৃষ্টিকে তার নিজের দিকে নিয়ে গিয়েছিল শামসুদ্দীন আবুল কালাম। ঊপন্যাসটি হোসেনকে নিয়ে শুরু হলেও এ উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল হোসেনের কবিয়াল বন্ধু শিকদার। শিকদার কবিয়াল মানুষ। ঘরসংসার ত্যাগী পুরুষ। মূলত উপন্যাসিক শিকদারকে জীবন সংগ্রামে পরাজীত, ভীরু এবং বাস্তবকে ভুলে থেকে গীত গান রচনা ও তা গাইতে থাকা এক যুবকে তুলে ধরেছেন। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন শিকদার যে গীত রচনা করে এবং তা গায় তা মানুষকে মুক্তির পথ দেখাতে পারে না। বরং তার গানে শুধু বিষাদ রয়েছে কিন্তু মানুষের জীবন শুধু বিষাদে পরিপূর্ণ নয় এখানে রয়েছে হাসি, অানন্দ। রয়েছে সমাজের নানা কদাচার। আর এসব বিষয়ই আসতে হবে শিকদারের গীতে। উপন্যাসের মূল উপজীব্যই হলো শিকদারের নতুন জীবনের সূচনা। জীবন সংগ্রামে নিজেকে সপে দেওয়ার মাধ্যমেই তাঁর নতুন জীবন শুরু হয়ে। সে জীবনকে দেখ নিতে চায়, সেখান থেকে অভিজ্ঞা অর্জন করে রচনা করতে চায় নতুন ধরনের গীত। যে গীতে থাকবে না শুধু একজন রমণীর জন্য আকুলতা। তাঁর গীতে শুনে মানুষ জীবন সংগ্রাম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেবে না বরং তার গীত শুনে মানুষ আরো উদ্দীপ্ত হবে। হতাশা নয় ঠিকে থাকার জন্য লড়াই করবে। সে প্রকৃত অর্থে একজন কবি হয়ে উঠতে চায়। হোসেনকে দিয়ে উপন্যাস শুরু হলেও উপন্যাসিক যেনো হোসেনের প্রতি প্রচন্ড উদাসীনতা দেখিয়েছেন। সকিনা - হোসেনের প্রেম কিংবা মেহেরজান - হোসেনের প্রেম কোনটা বিয়ে নামক সম্পর্কে গিয়ে পৌছে সেটা আমরা শেষ পর্ষন্ত জানতে পারি নি। লেখক হোসেনকে নিয়ে আর লেখা এগুন নি। উপন্যাসটি পড়ে আমরা পরিচিত হতে পারবো গ্রামীণ বিভিন্ন লোকাচারের সাথে। গ্রামীণ প্রেমের রূপও আমরা প্রত্যক্ষ করবো। এছাড়াও আমরা এ উপন্যাসে দেখবো পুরুষ শাসিত সমাজে মহিলাদের নানাভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে। শুধুই ভোগবিলাসের সামগ্রী হিসেবে তাঁদের বিবেচনা করা হচ্ছে। আবার আমরা এ উপন্যাসে দেখবো এক বিদ্রোহী নারী স্বত্বা জোবেদাকে। যার জন্যই শিকদার বেচে নিয়েছিল তার বৈরাগ্য জীবন।... স্বামী শাশুড়ির নানা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে জোবেদা স্বামী গৃহ থেকে চলে আসে শিকদারের কাছে। তবে জোবেদা বিদ্রোহ করলেও তাকে পরাজীত হতে হয় সমাজের রীতিনীতির কাছে। উপন্যাস সম্পর্কে বেশি কিছু বলব না। এই উপন্যাস লিখেই বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করেছিলে শামসুদ্দীন আবুল কালাম। এক কথায় অসাধারণ তার এ সৃষ্টি। পড়ে দেখতে পারেন। আশাকরি প্রচন্ড ভালো লাগবে।"
Shadin Pranto , Oct 10, 2019
"শামসুদ্দীন আবুল কালাম কাশবনের কন্যার গল্প বলতে গিয়ে কীসব শোনালেন তাই ভাবছি। শেষটায় কেমন শূন্যতার সৃষ্টি করলেন পাঠকমনে। হ্যা,আঞ্চলিকতার গন্ডির এই কথকথা গাতক কানু শিকদারের আর তার সুহৃদ হোসেন হাওলাদারের। কিন্তু দু'জনের কথা বলেই তো আর ২৫০ পৃষ্ঠার উপন্যাস শেষ করে দেন নি ঔপন্যাসিক। গ্রামীণ নিম্নবর্গের মানুষদের ঘিরেই কাহিনী। শখের গাইয়ে কানু শিকদারের রক্তেই গানের সুর। তার বাবা জয়জামালী, দাদা করমআলী তো বাউল ছিলেন।দাদা করমআলীর স্মৃতিকে ভুলতে পারে না গৃহে থেকেও সন্ন্যাসী কানু। তার এই সংসারবিমুখতার কারণ স্রেফ গানের নেশা নাকী আরো কিছু? কানুর পরমজন হোসেন। তার চালচুলো নেই। অন্নের সংস্থান জোটাতেও প্রাণান্ত। ঘাটের মাঝি হোসেন স্বভাবে শিকদারের ঠিক উল্টো। সে গৃহকাতর, সংসারধর্মে সদা মনোযোগী পুরুষ। তার মন টানে গঞ্জেআলীর ষোড়শী সখিনার প্রতি। সে স্বপ্ন দেখে সখিনাকে নিয়ে। কিন্তু স্বপ্নালু হোসেনকে ফাঁকি দিয়ে সখিনার বিয়ে হয়ে যায়।হতাশ হোসেনের ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় কী? এসময়ে তার জীবনে আসে ঘাটের মৃত মাঝি ছবদারের কন্যা মেহেরজান। সে কী পাবে বিবাহিত মেহেরজানকে? কানু বিনে গীত নাই। গাতক কানুর গীতের সুরের প্রেরণা জোবেদা। এই জোবেদার জন্য কানু সংসারি হতে পারল না। এদিকে আসগরউল্লার ঘরেও শান্তিতে নেই জোবেদা। শাশুড়ি আর স্বামীর যন্ত্রণায় তার জীবন দুর্বিষহ। সে এই জীবন থেকে কিন্তু চায়, ফিরে পেতে চায় কানুকে। আপাতদৃষ্টে, সুন্দর শান্তিময় গ্রামীণ জীবনের ছবি এঁকেছেন শামসুদ্দীন আবুল কালাম। এই ছবিতে চিরায়ত গ্রামের কথা আছে, গ্রাম বাংলার মানুষদের দুঃখ দারিদ্রের মাঝেই খুঁজতে চেয়েছেন দুই জুটির ভালোবাসার গল্পকে। আর শেষতক পাঠককে অপেক্ষা করিয়েছেন জানতে কে এই "কাশবনের কন্যা"। বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে রয়েছে প্রাণজুড়ানো সব গ্রাম্য গীত। আর হ্যা,এই বইয়ের কাহিনীকে যেন অনর্থক টেনে বাড়িয়েছেন ঔপন্যাসিক। অনেক সংলাপ,ঘটনা নিতান্তই অপ্রাসঙ্গিক লেগেছে আমার কাছে। কানুর জীবনবোধ কে উপস্থাপন ততটা গভীরভাবে অন্তরকে ছুঁয়ে দিতে পারেনি-পাঠক হিসেবে এটুকু আক্ষেপের কথা আমি বলতেই পারি।"
jami jahan , Feb 26, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বই- কাশবনের কন্যা লেখক-শামসুদ্দীন আবুল কালাম ধরন-উপন্যাস পৃষ্ঠা-১৯৬ মূল্য-২৫০ বিভাস প্রকাশনী ... শামসুদ্দীন আবুল কালাম ছিলেন মূলত রোমান্টিক জীবনীশিল্পী। কাশবনের কন্যা ব্যতিক্রমী কিছু নয়। উপন্যাসের শুরুতেই যে লেখা গুলো সামনে পড়ে তা এরকম, "বধু, আমি ভুবন ভ্রমিয়া অবশেষে জানিয়াছি, জননী জন্মভূমি বাস্তবিকইি স্বর্গাদপি গরিয়সী। যত মালিন্যই তাহার অঙ্গে থাকুক, এই মাটি আমার আপন মা এর কোল, এই বাতাস আমার নিঃশ্বাস।" কাশবনের কন্যার বিষয়বস্তু রোমান্টিক প্রেম। নারী পুরুষের প্রেমকাহিনী নির্ভর উপন্যাস। নদীর মৃদু স্রোতের মতোই নিরীহ উপন্যাসের গদ্য ভঙ্গি। উপন্যাসের দুই নায়ক এবং তিনটি নায়িকা চরিত্র। নায়ক দুইজন বন্ধু স্থানীয়। তারা হলেন হোসেন ও শিকদার। উপন্যাসের কাহিনীকে আমরা দুই অংশে ভাগ করতে পারি। ১ম অংশের মধ্যমনি হলো হোসেন। সখিনা নামের এক কিশোরী মেয়েকে দেখে হোসেন মুগ্ধ হয়। সখিনার বাবা গঞ্জে আলী, হোসেনের বাবা দ্বারা অত্যাচারিত। এটা জেনে হোসেন অনুতপ্ত হয়। সখিনাকে দেখে মুগ্ধ হলেও এখানে তাদের প্রেম চোখে পড়েনা। হোসেন সখিনাকে বিয়ের কথা ভাবে নিজের সংসারের প্রয়োজনে। তাতেও আবেগ দেখা যায় না। ততদিনে সখিনার অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর সখিনা তার অত্যাচারী স্বামীর বাড়ি হতে চলে আসে। বাপের বাড়ি আসার পর সখিনার মা, তার মেয়ে যে হোসেন অনুরাগী এটা বুঝতে পারেন। কিন্তু তা হোসেন জানে না। কেননা তখন ছবদার মাঝির মুমূর্ষু দেহ পৌছে দিতে হোসেন এগিয়ে গেছে। সেখানে দেখা হয় মেহেরজানের সাথে। মেহেরজানও স্বামীপরিত্যক্তা। গ্রামের পুরুষের কাছে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সে বেশ সন্দিহান। ছবদার মাঝি কে পৌছে দিতে আসা সহানুভূতিশীল এই তরুন যুবকের মাঝে সে মুক্তির স্বপ্ন দেখে। দ্বিতীয় অংশে হলো শিকদার এর সাথে জোবেদার কাহিনী। উপন্যাসের শুরু তে হোসেন কে একচ্ছত্র অধিপতি মনে হয়। শিকদার চরিত্রটা তেমন ভাবে উজ্জ্বলতা পায় না। কিন্তু পরের অংশে হোসেনকে বাদে তার চরিত্র টাই মুখ্য হয়ে আসে। বিরক্তিকর আদর্শবাদী কিছু কথাবার্তা ছাড়াও লেখকের সরল মনের এবং সহজ জীবনদর্শনের দেখা পাওয়া যায় এ উপন্যাসে। পটভূমিতে স্থান পেয়েছে নরনারীর প্রেম। এবং তা বেশ সহজসরল ভাবেই ফুটে উঠেছে উপন্যাসে। আর যাই হোক না কেন, গল্পবলার ঢঙে আর ভাষার বুনটের জন্য লেখক কে সাধুবাধ দিতেই হবে।উপন্যাসে আন্তরিকতা ও জীবন থেকে পাওয়া সাহিত্যের উপাদান এবং তাকে বেশ রুচিসম্পন্ন করে প্রকাশ করা শামসুদ্দীনের বড় গুন। গল্পে হোসেন আর শিকদারের প্রেম পাঠক মন কে নাড়া দিবে। বিষয়বস্তুর কল্যানে ও পরিবেশের প্রভাবে গীতিময়তা ও ভাবআবেগ এই উপন্যাসে ভিন্ন রূপে দেখানো হয়েছে। মধ্য যুগ বা ৪০০/৫০০ বছর ধরে মানুষের যা হৃদয় সঙ্গী সেরকম একটি আবেগ নির্ভর কাহিনীকে নতুন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গ্রাম বাংলার প্রাচীন পুথি গুলোর যে আবেগ নির্ভর কাহিনী তাকে লেখক উপন্যাসের আদল দিয়েছেন।এবং এটাকে বিশ্বাস যোগ্য করার জন্য লোকগীত, বাউল গান, উপভাষা, গ্রামীন পরিবেশ জীবনাচার এসবকিছু যেভাবে ব্যবহার করেছেন তাতে তার শিল্পীরূপ অসাধারণ! আর্থ সামাজিক কাঠামোর যে অসঙ্গতি, শিকদার ও হোসেনের চাওয়া পাওয়ার মধ্যে দুরত্ব তৈরি করেছে। সেই অন্যায় এর বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদী হয়ে উঠার চিত্র দেখা যায় নি।একসময় নায়ক চরিত্র থেকে নায়িকা চরিত্র গুলো কে বেশি সক্রিয় মনে হয়েছে। বিশেষ করে শিকদার এর থেকে জোবেদার কাহিনীতে জোবেদাকে বেশিই মনে হয়। কিন্তু সংস্কার, প্রথা এর মধ্য থেকে শিকদার দ্বিধাগ্রস্ত হয়। কাশবনের কন্যা শামসুদ্দীন আবুল কালামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও মিথিক্যাল উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে। পঞ্চাশের দশকে প্রকাশ পেলেও লিখিত হয়েছিল চল্লিশের দশকে। শামসুদ্দীনের মুখ্য পরিচয় একজন কথা শিল্পী হিসেবে। তবে তিনি অনেক গল্প, উপন্যাসও রচনা করেছেন। তার প্রকৃত নাম আবুল কালাম শামসুদ্দীন। ১৯৫৫সাল থেকে তিনি বর্তমান নামে পরিচত। রেটিং: ৪ প্রগতি লিংক https://www.progoty.com/book/72999/কাশবনের-কন্যা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"কাশবনের কন্যা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: