১ম প্রকাশ, ২০২০
কালবীর (আবির্ভাব)
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | কালবীর (আবির্ভাব) |
| Author | মোঃ ফরহাদ চৌধুরী শিহাব |
| Publisher | ভূমিপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.53 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
14 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Shirin Ritu , Mar 2, 2022
"বইয়ের নাম: কালবীর আবির্ভাব লেখক: মো. ফরহাদ চৌধুরী শিহাব ও মাদিহা মৌ প্রকাশনী: ভূমিপ্রকাশ মুদ্রিত মূল্য: ৫৩০ টাকা শুরুতেই বলে রাখি, লেখক মো. ফরহাদ চৌধুরী শিহাব প্রকাশিত চারটি বই আগেই পড়া ছিল। তাই কালবীর নিয়ে আমার আগ্রহের শেষ ছিল না। একে তো আমি উনার লেখা অনেক পছন্দ করি, এর উপর এই বই যৌথভাবে লেখা হয়েছে শুনে আরো বেশি আগ্রহী ছিলাম। অনেক আগে অশনী সংকেত নামে সেবা প্রকাশনীর একটা হরর অনুবাদ উপন্যাস পড়েছিলাম। এই বইয়ের তিন ভাগ আলাদা তিনজন লিখেছিলেন। তাই যৌথ লেখনীর সাথে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। পুরোটা পড়ার পর ভালো লেগেছে। যেকোনো বই পড়ার সময় ভূমিকা অংশ পড়তে আমার বিরক্ত লাগে। কেন? কারন বেশিরভাগ লেখক ভূমিকা গৎবাধা নিয়মে লিখে বসে থাকেন। অমুককে ধন্যবাদ এটার জন্য, তমুকও যথেষ্ট সহায়তা করেছে এসব লেখা পড়তে বিরক্তি লাগে। কিন্তু লেখক শিহাবের ভূমিকা প্রতিবারই আমার ভালো লাগে। বই শুরু করার আগে আমি তাঁর বইয়ের এই অংশটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি৷ প্রতিবারই উনার বন্ধু রানার কথা থাকে। এবারও ব্যতিক্রম না। আর সত্যি বলতে উনার কথা পড়তেই বেশি ভালো লাগে। লেখক মৌ এই বইয়ের খুব সুন্দর করে গল্পের মতো ভূমিকা লিখেছেন এজন্য দুজনের ভূমিকা পড়ে ভালো লেগেছে। মূল বই পড়া শুরু করার পর অনেক কষ্টে থামতে হয়েছে। এতো বড় ঢাউস বই তো একদিনে শেষ করা সম্ভব না। আমি এমনিতেও ধীরগতির পড়ুয়া। তাই অনেক কষ্টে প্রায় এক সপ্তাহ লাগিয়ে পড়ে শেষ করেছি৷ শেষে যে টুইস্ট আছে তা আমার দেখা এক ইংলিশ মুভির থিম এর সাথে মিলে সেটার নাম বলতে চাচ্ছি না। যারা পড়েছেন আশা করি বুঝবেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে ভালো লেগেছে। আমি যদি এখন চরিত্র বিশ্লেষণ শুরু করি তবে মূল কিছু চরিত্র নিয়ে বলতে হবে.... ১/ মিতুল: মিতুল স্কুল পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী মেয়ে। বাবা শাহেদ ও মা শায়লাকে নিয়ে তার পরিবার৷ স্কুল পিকনিক থেকে বাসায় ফেরার সময় এক বাস দুর্ঘটনায় মিতুলের সাথের সবাই মারা যায়। মিতুল মারাত্মক আহত হয়। এই দুর্ঘটনার পুরো সময় মিতুল নিজের চোখের সামনে সবাইকে মরতে দেখেছে। তাই সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে থাকলেও সে আগের মত স্বাভাবিক ছিল না। এছাড়াও এই দুর্ঘটনার পর তার মধ্যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসে যে কারনে সে চাইলেও আগের মত স্বাভাবিক থাকতে পারেনি। মিতুলকে স্বাভাবিক করে তোলার জন্য তার নানা তাকে ভালো একটা স্কুলে ভর্তি করান। এরপরও সে নিজের মধ্যে গুটিয়ে থাকতো। সময়ের সাথে সাথে তার এ অস্বাভাবিকতা বাড়তে থাকে। ২/ শাহেদ: শাহেদ ইন্সপেক্টর রহমান ও লেকচারার ফাল্গুনীর একমাত্র ছেলে। তার বড় বোন তানহা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে থাকে৷ শাহেদ জন্মের ৫ মাসের মধ্যে তার মা মারা যান। মা হারা ব্যস্ত বাবার ছেলে ডানপিটে হয়ে আশেপাশের বনেজঙ্গলে ঘুরে ঘুরে বড় হতে থাকে। মাত্র ৮ বছর বয়সে শাহেদ বেশ বড় এক দুর্ঘটনার শিকার হয়৷ একই দিনে সে তার বাবা ও বোনকে হারায়। পরবর্তীতে দুর্ঘটনার কথা তার মনে থাকে না। নাকি অজ্ঞাত কেউ তার স্মৃতি থেকে এ ঘটনাকে আড়াল করে রেখেছে? ৩/ ফাল্গুনী: ফাল্গুনী ইন্সপেক্টর রহমান সাহেবের স্ত্রী। এক স্বনামধন্য ভার্সিটির লেকচারার ও থিসিসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ফাল্গুনী সে সময়ের অন্য যেকোনো নারীর চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। বাসার কাজ, থিসিসের কাজ, ক্লাসের লেকচার সব মিলিয়ে তার সময়গুলো খুব সুন্দরভাবে কেটে যাচ্ছিলো। প্রফেসর সুলতানের সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। ফাল্গুনীর ক্যালকুলেশন অনুযায়ী একটা যন্ত্র বানানোর কাজ শুরু করেন সুলতান সাহেব। এরপর একদিন সন্ধ্যায় ভার্সিটির লেকচার নেয়ার সময় অস্বাভাবিক ভূমিকম্প শুরু হয়৷ শাহেদ তখন ফাল্গুনীর পেটে। ভারি শরীর নিয়ে তিনি কোনোমতে সুলতান সাহেবের ল্যাবে ফিরে যান। সুলতান সাহেবের ল্যাবে ফেরার পর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার মুখোমুখি হন তিনি। সেদিনের পর থেকে সুলতান স্যারসহ আরও অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্তঃসত্ত্বা ফাল্গুনীও কেমন পাগলের মত খাপছাড়া কথা বলতে থাকেন। কেন? শাহেদের জন্মের ৫ মাস পর মারা যাওয়া কি কোনো দুর্ঘটনা নাকি অজ্ঞাত কারো ইশারায় একের পর এক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন রহমান সাহেবের বংশধর? এই বইয়ের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে কালবীর কে? কালবীর তুমি, আমি, যে কেউ। আমরা সবাই এক...... এছাড়াও সাদী, শায়লা বইয়ের মূল চরিত্র হলেও সঙ্গত কারনে তাদের নিয়ে কিছু বলছি না। আমি কোনো বই পড়ার সময় বিচার বিশ্লেষণ করি না। বইটা উপন্যাসের ধরন অনুযায়ী লেখা হচ্ছে তো? এটাকে কোন জনরায় লেখা হয়েছে? সব লেখাকেই কেন জনরার ছাঁচে ফেলতে হবে? আমি অতশত বুঝি না। পড়ে ভালো লাগলেও বলে ফেলি ভালো লেগেছে। খারাপ লাগলে বলে ফেলি খারাপ লেগেছে। এই যে এই ঢাউস আকারের বই পড়ে ফেলেছি, একে আমি কোন জনরার বলবো বুঝে পাচ্ছি না। এর পরের অংশ প্রকাশিত হলেই হয়তো বলা সম্ভব। তারপরও আমার মনে হয় এটাকে আধিভৌতিক বলা যায়। আর শিহাব সাহেবের লেখা হিসেবে বলবো ভালো লেগেছে। অসাধারণ লাগেনি। লেখিকা মৌর প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে বলবো অনেক ভালো হয়েছে। আমার কেন অসাধারণ লাগেনি এবার বলছি— ১/কিছু বর্ণনা আমার কাছে অতিরিক্ত মনে হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় চরিত্রগুলো বিচরন করার সময় প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনা আসবে স্বাভাবিক। তবে আরো ছোট করা যেতো৷ বিশেষ করে শাহেদ ঘুরতে যাওয়ার সময় ট্যাক্সি ক্যাবে বসে যা চিন্তা করেছে বা ওই অংশ পুরোটাই কেমন যেন খাপছাড়া লেগেছে। এটা চাইলেই ছোট করা যেতো। প্রারম্ভেও মনে হয়েছে অকারনে প্রথম কিছু পৃষ্ঠা টেনে বাড়ানো হয়েছে। আশা করি পরবর্তীতে এমন হবে না৷ ২/ শাহেদ ও শায়লার ভালোবাসার বর্ণনা ভালো লাগেনি। এটা অবশ্য লেখকদের দোষ না। আমার মধ্যে এমনিতেই রোমান্টিকতা কম এজন্য হয়তো ভুড়িওয়ালা বাবু বলে ঘাড়ে মুখ ঘষা টাইপের বর্ণনা ভালো লাগেনি। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। হতে পারে অন্য যারা পড়েছে তাদের কাছে এই অংশ ভালো লাগতেও পারে৷ সবশেষে বলি, ৩৮৪ পেজের বড় বই হওয়া সত্ত্বেও এই বইতে বানান ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক কোনো ভুল চোখে পড়েনি। এজন্য পুরো বই পড়ার সময় বিরক্ত লাগেনি৷ কাহিনিই এমন ছিল যে পড়তে পড়তে সময়ের কোনো হিসাব থাকতো না। যারা এখনো পড়েননি পড়ে ফেলুন। আশা করি সবার ভালো লাগবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"কালবীর (আবির্ভাব)" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: