২য় মুদ্রণ, ২০২০
জুগু বুড়ি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | জুগু বুড়ি |
| Author | তাকরীম ফুয়াদ |
| Publisher | ঈহা প্রকাশ |
| Edition | ২য় মুদ্রণ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 240 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.41 Kg |
| ISBN | 97898493848474 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Anjan Das , Mar 20, 2022
"বইয়ের নাম : জুগু বুড়ি লেখক : তাকরীম ফুয়াদ প্রকাশনি : ঈহা প্রকাশ জনরা : হরর থ্রিলার কাহিনী সংক্ষেপ : লোকালয় থেকে বেশ দূরে একটি গ্রাম।গ্রামের নাম নিশিপুর।সেই নিশিপুরের পাশেই আছে একটি বন।নিশিপুর গ্রামের নামের সাথে মিলিয়ে গাছপালায় ঘিরা বনটির নাম নিশিবন।সেই নির্জন নিশিপুর গ্রামে নেছার উদ্দীন নামের এক লোক দুই যুগ ধরে এক নির্জন বাড়িতে একাকী বাস করছে।কেউ জানে না কি কারণে তিনি তাঁর নাতি নাতনী ছেলে মেয়েদের কে এই গ্রাম থেকে দূরে সরিয়ে এখানে দীর্ঘদিন একা বাস করছেন। তবে কি ভয়াবহ কোন কিছু আছে গ্রামে?? যার ভয়ে সবাইকে দূরে সরিয়ে একাকীত্ব বরণ করেছেন নেছার উদ্দীন? অতঃপর একদিন এই একাকীত্বের কোন কারন না জানিয়েই পরলোকে পাড়ি জমান নেছার উদ্দীন।মৃত্যুর আগে তাঁর জমিজমার দেখভালের দায়িত্বে দিয়ে যান গল্পের আরেক মুখ্য চরিত্র জবেদ মাস্টারের কাছে।কিছুদিন পর স্ত্রী সমেত নিশিপুরের সেই ভিটেবাড়িতে জবেদ মাস্টারের কাছে দাদার জমিজমার হিসেব বুঝে নিতে আসেন নেছার উদ্দীন এর নাতি শাহেদ।আসার পর পরই শাহেদ এবং তাঁর স্ত্রী মিরা জড়িয়ে পরে একের পর এক রহস্যে।ঘন গাছপালায় ঘেড়া নিশিবনের ভিতরে আছে পুরোনো এক হারিয়ে যাওয়া রাজবাড়ি এবং অভিশপ্ত একটি পুকুর।সেই পুকুরেই শাহেদের দাদী কে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল অনেক বছর আগে।সেই বনের মধ্যে বাস করে "মন্দিরা" নামের এক শতবর্ষী বৃদ্ধা।আর আছে এক "জুগু বুড়ি" যার নামে গ্রামে লোকমুখে প্রচলিত আছে অনেক কাহিনী।আসলেই কি এই নামে কেউ আছে নাকি মিথ?বনের মাঝখান দিয়ে হেঁটে বেড়ানোর সময় মনে মনে তার নাম নিতে সবাই ভয় পায় কেন? জুগু বুড়ি নিয়ে ছড়া উচ্চারণ করলে বনের প্রানী সহ আশেপাশের সব নির্জীব কেন হয়ে যায়??ছড়া বললেই কি আসলেই সে সবার সামনে আসে?? পাঠ-ভাবনা : ★ প্রথমেই এক বাক্যে বলতে চাই, "গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত একটি চমৎকার মৌলিক হরর থ্রিলার হচ্ছে এই বইটি"। ★পুরো বইটি জুড়ে ছিল এক ভৌতিক আবহ,সাসপেন্স,নিগূঢ় রহস্য যা আমার অন্যতম পছন্দের গল্প হওয়ার প্রধান কারন ছিল এটি। ★গল্পের শুরুতেই নিশিপুর গ্রামের বর্ণনা,গ্রামের পাশে গাছপালায় ঘেড়া গা ছমছমে নিশিবন,শত বছরের পরিত্যক্ত রাজবাড়ি,অভিশপ্ত পুকুর,জুগু বুড়ি নিয়ে শতবছর ধরে চলমান মিথ,গ্রামের চিরাচরিত মানুষের মধ্যেকার কিছু কুসংস্কার,পাশাপাশি রয়েছে রহস্যময় কিছু চরিত্র মাজেদা,রানু,মনা,ফিরোজ,জলিল,আনিস,মতি চোর,মাওলানা সিরাজ এবং সেই শতবর্ষী বৃদ্ধা মন্দিরা। সব কিছুর মিশেলে দুর্দান্ত গা হিম করা ভৌতিক আবহে গল্পটি এগিয়েছে।এক মিনিটের জন্যও বোর হয় নি। জাস্ট লাইন বাই লাইন গল্পটি পড়ছিলান আর যেন পুরো নিশিপুর গ্রাম এবং আশপাশের অঞ্চল টা বইয়ের পাতায় পাতায় ভিজুয়ালাইজ করছিলাম।গল্পটি তে এতটাই মনোনিবেশ করেছিলাম যে পড়ার সময় আশেপাশে সামান্য শব্দেও চমকে উঠেছিলাম। ★ একটি সাধারণ স্টোরি যেমন অসাধারণ মেকিং এবং সংলাপের দরুণ একটি দারুন সিনেমা তে রুপান্তরিত হয় তেমনি একটা সাধারণ গল্পও অসাধারণ লেখনশৈলী,বাক্যগঠন এবং গল্প বলার ভংগির কারণে অসাধারণ হয়ে উঠে।এই বইটির সার্থকতা এখানেই। এখানে মাথা ঘুরানো টুইস্ট টার্ণ নেই।কিন্তু আছে লেখকের অসাধারণ লেখনীর ছোঁয়ায় সৃষ্ট ভৌতিক আবহের সাথে একটি মিথের সংমিশ্রণে তৈরি এক গল্প।যেটা চুম্বকের মত আমাকে আকর্ষন করছিল প্রতিটি পাতা উল্টানোর সাথে সাথে।তবে হ্যাঁ শেষ দিকে একটা ছোট্ট টুইস্ট আছে তবে রেগুলার থ্রিলার পাঠক যারা তাঁরা সহজেই টুইস্ট টা ধরে ফেলতে পারবেন। ★গল্পের শেষ দিকে অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্স এ নৃশংসহতা টা বেশ ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল।ভালই নৃশংশহতার অবতারণা করেছিলেন লেখক শেষ দিকে।এক রকম ওয়েস্টার্ন হরর ফিল্মের স্বাদ টা যেন পাচ্ছিলাম।কারন শুধুমাত্র ভৌতিক পরিবেশ টাই আমাদের দেশে যে কোন হরর গল্পের মুখ্য বিষয় হিসেবে থাকে,নৃশংসহতার ব্যাপারটি অনেকেই গল্পে যোগ করেন না বা এড়িয়ে যান।এক্ষেত্রে লেখক কে ধন্যবাদ ভায়োলেন্স এর অংশটুকু যোগ করার জন্য যা আমার কাছে দারুন লেগেছে। ★গল্পটির টাইমলাইন ছিল ১৯৯৬ সালের।নব্বই দশকের গ্রামীন পরিবেশের একটা ফিল পাওয়া গেছে।কোন প্রযুক্তির ছোঁয়া ছিল না,মোবাইল ইন্টারনেটের কোন অস্তিত্ব নেই গল্পের মধ্যে যার ফলে গল্পের রক্ত হিম করা ভৌতিক ভাবটা আরো বেশি উপভোগ্য ছিল। ★বইটা আমি দুই রাতে শেষ করেছি। হ্যাঁ আমি বইটি সকালে বা দিনের আলোতে পড়িনি। আমি ভৌতিক আবহ টা ফিল করতে চেয়েছিলাম রাতের নিরিবিলি এবং নিস্তব্দ পরিবেশের মধ্যে।তাই যারা পড়েননি তাদেরকে অব্যশই সাজেস্ট করব রাতে বইটি পড়ার জন্য আর সবচেয়ে ভাল হয় যাদের বাড়ি গ্রাম্য এলাকায় বা মফস্বলের দিকে তারা বইটি রাতে পড়তে তাহলে গল্পটির স্বাদ পুরোপুরি উপভোগ করতে পারবেন।এটা একদম গ্রামের নিরিবিলি পরিবেশে পড়ার জন্য উপযুক্ত একটা বই। ★জুগু বুড়ি নিয়ে ছড়াটি বেশ ভাল লেগেছে। বেশ কয়েকবার পড়ে বেশ মজা পেয়েছি।প্রায় মুখস্ত হয়ে গেছে!তবে সাবধান রাতের অন্ধকারে কেউ ছড়াটা গুনগুন করবেন না কে জানে জুগু বুড়ি এসে যেতে পারে😝! যা ভাল লাগে নি : ★মূল চরিত্র শাহেদ কে আরো শক্তিশালী ভাবে উপস্থাপন করা যেত। জমিজমার ব্যাপারে সন্ধানের পাশাপাশি তাঁর দাদীর মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে বা শতবছরের পুরোনো রাজবাড়ির কাহিনী এসব সম্পর্কে জানার জন্য শাহেদের আরো তৎপরতা আশা করেছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে বেশ দুর্বলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে চরিত্রটি কে। প্রচ্ছদ,বাইন্ডিং ও অন্যান্য : ★প্রচ্ছদ টা খুব সুন্দর হয়েছে। একদম গল্পের প্লট এর সাথে খাপে খাপ মিলে গেছে।প্রচ্ছদের বড় বড় গাছগুলো যেন একদম নিশিবনের গাছগুলোর মত যেটি অতিক্রম করলে যেন দেখা যাবে সেই পুরানো রাজবাড়িটি!! ★পেইজের কোয়ালিটি এবং কাভার ও ছিল একদম টপ ক্লাস। ★বাইন্ডিং নিয়ে সন্তুষ্ট না। একটু টাইট বাইন্ডিং ছিল। টেবিলে রেখে দুই পাশ খুলে পড়া যায় না। আরেকটু হালকা বাইন্ডিং দিলে বেশ ভাল হত। ★কিছু কিছু জায়গায় বানান ভুল ছিল বিশেষ করে যতি চিহ্ন গুলোর ব্যবহার ঠিকমত করা হয় নি। আশা করি পরবর্তী মুদ্রণে ঠিক হয়ে যাবে। রাতে গা ছমছমে ভৌতিক পরিবেশের স্বাদ যদি পেতে যান তাহলে অবশ্যই "জুগু বুড়ি" গল্পটি পড়ুন। একটি অসাধারণ আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপটে রচিত ভৌতিক থ্রিলার এটা।"
Nahid , Mar 21, 2020
"শেষমেষ মোটাসোটা বইটা গুলশান লেকের পাড়েই পড়ে শেষ করলাম। আরে অফিসের মিটিং ছিলো গুলশানে, ডেটিং না। শুরু করেছিলাম ২ দিন আগেই। নির্ঘুম রাত, অফিস আর লেক পাড় - এই মিলিয়েই ছিলো জুগুবুড়ি। নামের মত শুরুটা ভালো লাগলেও মাঝখান থেকে মজা হারিয়ে যাচ্ছিলো এবং গেছেও। এইরকম প্লটের গল্প অনেক জমাটি হয়। টানটান উত্তেজনা, পাতা উল্টানোর ব্যাগ্রতা যেন শেষ না করে রেহাই নেই। জবেদ মাষ্টার যে কুকামের হোতা সেটা পরিষ্কার হয় মাজেদার তুকতাকের তথ্য থেকেই। নেছারউদ্দিন নিতান্তই ছিলেন পরস্থিতির শিকার। শাহেদের দাদী অনেক কষ্ট পেয়েছেন। তবে মধুরাণীর বংশের কোনও সূত্র যদি কাহিনীতে জড়ানো যেতো তাহলে আরও জমতো। কারণ মন্ত্রের ব্যাপারটা তার কাছ থেকেই শুরু হয়। জবেদ মাষ্টার তো ছিল অনেক দূরের লিংক। মন্দিরা মাজেদাকে না মারলে তো খবরই ছিল। আর জইল যে এতো আকামের সাথে জড়িত কে জানতো! নজর ভালো না, বদ শালা! লেখকের কাছ থেকে এই রকমের আরও বই আশা করছি। #হ্যাপি_রিডিং"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"জুগু বুড়ি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: