সংস্করণ, ২০২১
জননী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | জননী |
| Author | মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | বিভাস |
| Edition | সংস্করণ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 9847034304794 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
12 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টিTarequl Islam Topu , Oct 16, 2021
"মানিক তার মান রেখেছেন বটে তবে আশা ছিল আরেকটু বেশি।"
Md. Naiem Hasan Shoikot , Sep 16, 2021
"মানিক বন্দোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি। মা কে সিয়ে লেখা দারুন একটা উপন্যাস। পড়ে আবেগআপ্লুত হয়েছি।"
TASFIA PROMY , Mar 8, 2021
"মানিক বন্দোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস এই “জননী” বইটি। শ্যামা নামের এক মায়ের জীবনের কথা তুলে ধরা হয়েছে এই উপন্যাসে।মামার কাছে বড় হয়েছে শ্যামা। জন্মের আগে মা আর একটু বড় হবার পর মা কে হারায় সে। ১৫ বছর বয়েসে শীতল নামে এক ব্যক্তির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী হয়ে সংসারে আসে।এই সংসারে শীতলের বোন মন্দাকিনী আর স্বামী রাখাল ছাড়া আর কেউ ছিল না।সংসার জীবন খুব সুখের ছিলনা। শীতলের অত্যাচার , অভাব এর সাথে কোন সন্তান না থাকা শ্যামার জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছিল। বিয়ের পর পর, মন্দাকিনী অসুস্থতার জন্য বাপের বাড়িতে থাকত, শ্যামাই সেবা করত, এই সময়টুকু তে দু’ ভাই বোনের বঞ্চনা, গঞ্জনা, অত্যাচার এক সাথে চলত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাখাল সঙ্গ দিয়েছে এই অসহায় শ্যামা কে।জীবনে স্নেহ-মমতা পায়নি সে, তাই রাখালের সঙ্গ, স্নেহ তার কাছে পরম আরাধ্য হয়ে ওঠে।সাত বছর পর যখন সন্তানের জন্মহল, তখন জীবনের সব দুঃখকষ্ট এক নিমিষে ভুলে গেল। কিন্তু বারো দিনের মাথায় সে হারিয়ে ফেলল প্রথম সন্তান কে।বিষ্ণুপ্রিয়া, আর এক জননী, তার জীবনের গল্প আর একরকম, খুব বেশি সময় সে ছিল না উপন্যাসের, তবুও সে এক অন্য গল্পের নাম। অন্যদিকে শ্যামার ননদ, মন্দার জীবনের আরেক গল্প। সেও আরেক জননী। নিজের তিন ছেলের জমজ দু’জন কে শাশুড়ি চোখে হারায়। মা কাছে পায় না ছেলেদের। কত কাঠ-খড় পুড়িয়ে তবেই একবার কাছে পেল।প্রথম ছেলে মারা যাবার কিছুদিন পরে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেয় শ্যামা। তার খোকা। খোকা কে নিয়ে সে কিছুদিন ভোগে, এরপরে ধীরে ধীরে কোল আলো করে আসে আরো সন্তান, এক ছেলে , এক মেয়ে। সংসারের নানা ঝড়, তুফান চলতেই থাকে, চলেছে, শ্যামার মত মায়েরা তবু যুগ থেকে যুগে বেঁচে আছে তাদের সন্তানদের নিয়ে।এক সময় শীতলের এক ভুলের মাসুল গুনতে হল শ্যামাকে। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। চলমান। তারপর? কে জানে কী হল, শ্যমার সন্তানেরা কি বেঁচে গিয়েছিল? মন্দাকিনীর বা কী হল, কাছে পেয়েছিল তার সন্তানদের। শীতল কি বুঝেছিল সে বারবার ভুল করছে?এর উত্তর জানতে বইটা পড়ুন।সন্তানকে বড় করতে করতেই এভাবেই জননীরা টেনে চলছেন সংসার,প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। বইটা নিয়ে প্রতিক্রিয়া কি দেব জানিনা, তবে মাস্টারপিস কেন বলা হয়, সেটা না পড়লে কেউ বুঝবেন না।মুখ্য চরিত্র শ্যামা হলেও, মন্দাকিনীর চরিত্র কিন্তু কম গুরুত্ব পায়নি। তার অবস্থান বেশ শক্ত ছিল। এই চরিত্রটি না থাকলে উপন্যাস সম্পূর্ণ হত না।মন্দাকিনী কে মাঝে মধ্যে বিরক্ত লাগতেই পারে, কিন্তু সে নিজেও একজন মা, এক জননী।শীতলের কাজ-কর্ম, তার উপর কিছুটা হলেও ঘৃণার জন্ম দেবে। অন্যদিকে রাখাল চরিত্রটা বোঝা দায়, কারন সে কী চেয়েছে, সে নিজে কি জানে?শ্যামার মামার চরিত্র ভালো না খারাপ, তার কিছু কিছু কাজের পেছনে কারন কি ছিল সেটা একটু দ্বন্দ সৃষ্টি করে।বিষ্ণুপ্রিয়া চরিত্রটি খুব শান্ত, কোথায় যেন এক শীতলতা। এ চরিত্রের তেমন কোন কাজ হয়তো নেই, কিন্তু তবুও সেও আছে।শ্যামা-মন্দা-বিষ্ণুপ্রিয়া, এরকম কয়েক জননীর জীবনের গল্প নিয়েই এই জননী উপন্যাস।একটা কথা অবশ্যই বলতে হবে উপন্যাসের আর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বিধান। একদিকে যেমন দায়িত্ববোধ প্রবল, ঠিক তেমন আত্মমর্যাদা। সংসারের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতে এতটুকু দ্বিধাবোধ করেনি। এ এমন এক উপন্যাস, আমার মনে হয়েছে এত বছর পরে এসেও প্রতিটি মা, প্রতিটি মেয়ে নিজের সাথে মেলাতে পারবে এটা জানি। ভালোবাসা সব মায়েদের জন্য, শ্রদ্ধা তাদের ত্যাগের জন্য"
Md. Ariful Islam , Dec 2, 2019
"আহ! আমি শেষ করলাম নাকি স্তব্ধ হয়ে এক অজানা বনে হারিয়ে গেলাম? br আসলেই,মনস্তাত্ত্বিক বই বলতে আমি যা বুঝতাম তারও শত গুন উপরে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই"
Waliul Islam , Oct 1, 2019
"আমার কাছে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিল এক ভয়ের নাম, পাঠ্য বইয়ে 'পদ্মা নদীর মাঝি' অবশ্য পাঠ্য হওয়ার কারনে। কথাটা কবিগুরু এবং বিদ্রোহী কবির ক্ষেত্রেও খাটে। পরবর্তীতে মানিকের 'পুতুলনাচের ইতিকথা'র মাধ্যমে নিজের ভুল ভাঙে। তখন থেকে মানিক বলতেই পাগল। 'জননী' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে খুজে পাই বাংলার চিরায়ত মা সমাজকে। যারা সংসার জীবন শুরু করার পর থেকেই নিজের জীবনের সব কিছু তুচ্ছ করে সংসারকেই নিজের একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান মনে করে পার করে দেন একটি সম্পূর্ণ জীবন। সংসার নামক জাঁতাকলের ফলে বুঝতেও পারেননা সময়ের আবর্তনে কোন ফাঁকে তাঁরা কৈশোর-যৌবন পার করে চুলে পাঁক ধরিয়ে ফেলেন। অথচ স্বামী, সন্তান ও সংসারের কথা ভেবে নিজের মনের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো পর্যন্ত পূরণ করার সুযোগ পাননা। আহা! জননী!জননী উপন্যাসটি একজন জননীর কাহিনী , তার বাস্তব জীবনচিত্রের কাহিনী । মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় উপন্যাসের জননী চরিত্রটিকে স্বর্গীয় বা দৈবিক মহিমায় ভাস্বর করেন নি বরং মধ্যবিত্ত জীবনের এক জননীর সুখ দুঃখ , দৈন্য ক্লেশ বাস্তবতার নিরীখে তুলে ধরেছেন । উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শ্যামা । স্ত্রী হিসেবে সে ব্যর্থ । সাত বছরের দাম্পত্য জীবনের পর তার জীবনের স্বার্থকতা পায় জননীর ভুমিকায় । তার স্বামী শীতল দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ তাই সংসারের সকল দায়িত্ব তার কাঁধে । শ্যামা তার জীবনের সকলটা নিংড়ে দেয় তার সন্তানদের পরিচর্যায় । শীতল যখন চুরির দায়ে জেল এ যায় তখন শ্যামা কোন উপায় না পেয়ে নন্দাই রাখালের বাড়িতে আশ্রয় নেয় । নিজের সন্তানদের ভালোভাবে মানুষ করতে সে রাখালের বাড়িতে দাসিবৃত্তি করে । আবার শ্যামার কাছে তার জীবন কখনও নীরস অর্থহীন ও মনে হয় । সে বলে " কোথায় ছিল এই চারিটি জীব , কি সম্পর্ক ওদের সঙ্গে তাহার , অসহায়া স্ত্রীলোক সে , মেরুদন্ড বাঁকানো এ ভার তার ঘাড়ে চাপিয়া বসিয়াছে কেন ? কিসের এই অন্ধ মায়া ? আবার তার সন্তান বিধান রাত জেগে পড়ে বলে ঘি, চুরি করে খাওয়াতেও তার দ্বিধাবোধ হয় না । নৈতিকতার চেয়ে মাতৃত্বই সেখানে মুখ্য । শ্যামার জীবনের কিছু চিত্র এভাবে দেখানো হয়েছে " কে আছে শ্যামার ? সারাদিন খাটুনীর পর শরীর শ্রান্ত অবিশ্রান্ত হইয়া আসিয়াছে , মনের মধ্যে একটা দুঃসহ ভাব চাপিয়া আছে , কত যে একা আর অসহায় মনে হইতেছে নিজেকে , সেই শুধু তা জানে , এতটুকু স্বান্তনা দিবার কেহ নাই " । কতগুলো প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি নিয়ে উপন্যাস শেষ হয় । জীবন বয়ে চলে নতুন জীবনের মধ্য দিয়ে ।"
Ferdusi rumi , Aug 29, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নাম-জননী জনরা-উপন্যাস ঔপন্যাসিক-মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় পৃষ্ঠা-১৬০ মূল্য-২২০ শ্যামা ১৫ বছর বয়সে বিপত্নিক শীতলের ঘরে বউ হয়ে এলো। শীতলে কোন সন্তান ছিলো না। বিয়ের সাত বছর পর শ্যামা প্রথম মা হলো। যখন সে সন্তানের মা হবে বলে বুঝতে পারলো, ঠিক তখনি তার কিছুটা পরিবর্তন হলো। তার মনে হলো সব কিছুর থেকে এখন ভাবনা চিন্তার বিষয় হলো তার অনাগত সন্তানের ভবিষৎ। শীতল স্বামী হিসেবে মোটেও ভালো নয়। গোয়র টাইপের। তার কাছে এসবের কোন দাম নেই। তাই নিজে এগিয়ের সংসারের দায়িত্ব কাধে নিয়ে নেয়। কিন্তু শ্যামার বাচ্চাটা পৃথিবীর আলো বাতাসে বেড়ে উঠার আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলো। ভেতর থেকে যন্ত্রণায় কিছুটা দমে গেলেও, সে আবারও সন্তানের মা হলো, এবার আর কোন বিপদ হলো না। এবার শ্যামা শুধু মাত্র শীতলের বউ নয়। সন্তানের জননীও বটে। একে একে চার সন্তানের জননী হয়ে উঠল। তবে সারাদিন সব কাজের পিছনে উদ্দেশ্য থাকতো একটাই ছেলেপুলেদের ভালো থাকা। কিসে তাদের একটু ভালো হবে। কিভাবে ভালো থাকবে তারা। নিজের সকল প্রয়োজন মাটিচাপা দিয়ে, সন্তানের ছোট ছোট ইচ্ছাপুরণের তার শান্তি। এতেই তার সুখ। সংসার এতোটা সচ্ছল না থাকলেও ছেলেপুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার বেশ চিন্তা হতো। সে চিন্তাতেই তার দিন রাত কেটে যেতো। কিন্তু এই এতোটুকু সুখে ভাটা পরলো যখন তার স্বামী মালিকের টাকা চুরি করতে দায়ে জেলে গেলো। সর্বসান্ত শ্যামা তার সন্তানদের নিয়ে তার ননদের বাড়িতে আশ্রয় নিলো। এই এক কঠিন সময়। লড়াই শুরু হলো বেঁচে থাকার। সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার। কি করে সম্ভব হয়েছিলো একা শ্যামার পক্ষে এই কঠিন সময় পাড়ি দেবার? ব্যক্তিগত মতামতঃ মমতাময়ী মা। সন্তান জন্ম দেওয়াই যার একমাত্র কাজ নয়। সন্তানের লালন পালন করে পৃথিবীতে বসবাসের উপযোগী করে যাওয়া পর্যন্ত তার সাধনা। কি করে এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর যাতাকল থেকে তার সন্তানকে আগলিয়ে একটু সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকবার উপায় করতে পারবেন। এটাই থাকে তার চিন্তা ভাবনা। জননী উপন্যাসের শ্যামার গল্পটাও তেমনি। যে স্বামী কোন কাজের নয়, সেখানে তাকে মা এবং বাবা দুটোর দায়িত্বই তাকে বহন করতে হয়েছে। সাহস দেবার কেউ নেই। সাহায্য করবার কেউ নেই। সন্তানদের দুমুটো খাবার, আর ভালো থাকার নিশ্চয়তায় কি না কি করতে হয়েছে শ্যামাকে। কোন কিছুতে সে দমে যায়নি। নিরন্তন এগিয়ে চলা তার। আর এই জীবন সংগ্রাম মানিক বেশ স্পষ্ট ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন জননী উপন্যাসে। এখানেই উপন্যাসের সার্থকতা। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস "জননী"। একজন বালিকার বধু থেকে জননী হওয়ার গল্প এটা। একজন মায়ের আত্মত্যাগের গল্প। বেশ ভালো লাগার একটা গল্প। ভালোবাসা, মায়া লাগাবার একটা গল্প। মায়েরা তো এমনি হয়। এভাবেই তাদের ত্যাগে সন্তান গুলো পৃথিবীতে পরিপুষ্ট হয়। শীতলের প্রতি বিরক্ত লাগাটাই স্বাভাবিক। শ্যামা চরিত্রটার প্রতি মায়া, ভালোবাসা যেমন ছিলো রাগটাও লেগেছে। তার লড়াইয়ে আমিও যেন সঙ্গী ছিলাম। একজন মায়ের লড়াই সন্তানের জন্য। দুনিয়া ভেসে গেলেও তার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে। সব মিলেয়ে বেশ ভালো লেগেছে। মানিকের বর্ণনা শৈলী নিয়ে নতুন করে কিছু বলবার নেই। তার অসাধারণ এক উপন্যাস হলো "জননী"। https://www.progoty.com/book/99715/জননী?ref=srbr_pg0_p14"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"জননী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: