পঞ্চম সংস্করণ : ১০ ফেব্রুয়ারি,২০২৫
ইতিহাসের ধুলোকালি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
তাফসীর ও মুফাসসিরদের ইতিহাস ১-৩ খন্ড
ড. গোলাম আহমাদ হারিরি (র.)
খেলাফতে রাশেদা : তারিখে মিল্লাত- ২য় খন্ড
কাজী যাইনুল আবেদীন সাজ্জাদ মিরাঠী
মুক্তিযুদ্ধের বয়ানে ইসলাম
পিনাকী ভট্টাচার্য
ওয়েদার মেকার
পিনাকী ভট্টাচার্য
ওয়েদার মেকার
পিনাকী ভট্টাচার্য
সোনার বাঙলার রূপালী কথা
পিনাকী ভট্টাচার্য
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ইতিহাসের ধুলোকালি |
| Author | পিনাকী ভট্টাচার্য |
| Publisher | গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস |
| Edition | পঞ্চম সংস্করণ : ১০ ফেব্রুয়ারি,২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 168 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইতিহাস ঐতিহ্য |
| Weight | 0.36 Kg |
| ISBN | 9789848254042 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
77 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিÃbú Tãlhã , Oct 1, 2025
"good"
Md Mizan , Nov 9, 2024
"wonderful"
সাইফুল্লাহ যুবাইর , Mar 4, 2022
"এক কথায় অসাধারণ! খুবই ভালো লেগেছে।"
Md. Sakibul Hasan , Feb 16, 2022
"Very informative.."
Moynul Islam , Nov 20, 2021
"Average book"
Dr. Momen Ali Khan , Sep 1, 2021
"Nice"
Parvez Masud , Jul 3, 2021
"চমৎকার তথ্যবহুল বই।"
Tahmid Nasif , Jun 10, 2021
"I really like this book. The writer takes some really good points. I really like this book."
Abdullah Noman , May 15, 2021
"অসাধারণ"
MIRZA MOHD YEASIN ALI , Apr 11, 2021
"to know our history, very helpful"
Md.Kayum Khan , Apr 10, 2021
"Excellent"
Farid Uddin , Mar 22, 2021
""কোন জাতিকে ধ্বংস করার জন্য পারমাণবিক বোমা কিংবা রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োজন নেই, সে জাতির নতুন প্রজন্মের মস্তিষ্কে মিথ্যা ইতিহাসের ভীত গড়ে দেওয়াই যথেষ্ট" প্রত্যকটা জাতি গড়ে উঠার পেছনে রয়েছে সে জাতির পূর্ব পুরুষদের এক ত্যাগ তিতিক্ষার ইতিহাস। কালের বিবর্তনে সে ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কখনো সত্য কখনো আংশিক সত্য আংশিক মিথ্যা রুপে উপস্থিত হয়। আর এ মিথ্যা কিংবা আংশিক সত্য রুপে উপস্থিত হওয়ার পেছনে এক রাজনৈতিক কারন জড়িয়ে থাকে। ঠিক তেমনি আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে পেছনে এক বিশাল ইতিহাস জড়িয়ে আছে। কালের পর্যায়ে সে ইতিহাস আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে কাটাছেঁড়া করে। যেখানে হীনস্বার্থন্যগোষ্ঠী মুসলমানদের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস বাদ দিতে চেষ্টা করছে বারংবার। সে ইতিহাসের ধুলোকালিগুলো কলমের তুলিতে ধুয়ে মুছে শুধরে নিতে পিনাকী ভট্টাচার্যের লেখা বই 'ইতিহাসের ধুলোকালি'। মাদ্রাসা প্রসঙ্গ, হিন্দু মুসলিম প্রসঙ্গ, রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ, বাংলাদেশ ভারত সম্পর্কসহ প্রায় ২০টি মত অনুচ্ছেদ উঠে এসেছে বইটিতে। ইতিহাস তৈরি হয় ইতিহাস বেত্তাদের বয়ানে। যে যেমনি পারে সেভাবে উপস্থাপন করে। অনেক সময় সত্য থেকে দূরে সরে গিয়ে তার স্বীয়চিন্তা, দর্শন ও আদর্শকে উপস্থাপন করে। কালানুক্রমে তা হয়ে উঠে ইতিহাস। ভারতের রাম মন্দির ভেঙে মুসলিম শাসকরা বাবরি মসজিদ নির্মান করেছিলো। এমন একটা আজগুবি তথ্যের উপর ভিত্তি করে কিছুদিন আগে ভারতীয় শিবসেনা আদালত বাবরি মসজিদের স্থানে রাম মন্দির বানানোর অনুমতি দিয়েছে। অথচ মুসলিম শাসকরা রাম মন্দির ভেঙে মসজিদ করা ত দূরে থাক বরং ঐ সময়ে সম্রাট আওরঙ্গজেব হাজার হাজার মন্দির তৈরি করে দিয়েছিলো হিন্দুদের। অথচ তিনিই সবচেয়ে বেশি গালমন্দের স্বীকার হয়েছেন এদেশের সেক্যুলার ও উগ্রপন্থী হিন্দুদের দ্বারা। তিনি অন্য শাসকদের থেকে একটু বেশি ধর্মভীরু ছিলেন। সম্ভবত এটিই তার কারণ! আমাদেরকে ইতিহাস বইতে জানানো হয়, ইচ্ছে করে নালন্দা বিশ্বিবদ্যালয় ভেঙেছিলো ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি। কিন্তু এ কথা যে ভুল এবং মিথ্যা তা লেখক বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে। বখতিয়ারের হামলার আগেও দুইবার হামলা করা হয়েছে নালন্দা বিশ্বিবদ্যালয়। অথচ সে ইতিহাস মুচে আমাদেরকে জানানো হয় বখতিয়ার ধ্বংস করেছে নালন্দা বিশ্বিবদ্যালয়। লেখকের ভাষ্যমতে, ইতিহাস বই আর তথ্য উপাত্ত ঘাটাঘাটি না করে মুখে মুখে ইতিহাস শুনবেন আর বিদ্বেষ ছড়াবেন তা হতে পারে না। আজকে টিভি ক্যামরার সামনে কমিউনিস্ট নেতারা বিভিন্ন বুলি আওড়ায়। মুক্তিযুদ্ধে তাদের অনেক অবদান। আসলে কতটুকু অবদান রয়েছে তা শুনা যাক তাদেরি এক নেতা নির্মল সেনের মুখে। যা তিনি 'আমার আত্মজীবনী' বইতে লিখেছেন- '৭১-এর সংগ্রামে আমাদের তেমন কোনো ইতিবাচক ভূমিকা ছিলনা। আমরা আমাদের শ্রমিকদের নিয়ে ৭১-এর সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম কি? আদৌ নয়। আমি ইতিঃপূর্বে বারবার উল্লেখ করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা। এ ব্যাপারে তখনকার বিভিন্ন আত্মগোপনকারী বামপন্থি দলসহ ছাত্রলীগের নেতারাও আমাদের সাথে কথা বলেছেন। আমরা বারবারই বলেছি, স্বাধীন বাংলাদেশের রুপরেখা আমরা জানতে চাই। আর আমরা আরেকটা পাকিস্তান গড়তে চাই না। আমরা শোষণমুক্ত বাংলাদেশ চাই। এ কথায় আমাদের সঙ্গে আলোচনা ভেঙে গেছে। আমাদের ভূমিকা ওই পর্যন্তই। এরপরে আমরা দেশ স্বাধীন করার নিজস্ব কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করিনি। হাত-পা গুটিয়ে বসে থেকেছি। ১৯৭১ সালে সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর আমরা গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সেজেছি। আমার জানা মতে, এটাই ছিল মোটামুটিভাবে বামপন্থিদের ভূমিকা।' শেষের লাইনটি ধারা বুঝা যায় কতবড় বেইমান আর নিমকহারাম ছিলো। অথচ আজ তারাই টিভি টকশোতে বড় বড় কথা বলে। যেন মুক্তিযুদ্ধে শুধু তাদেরই অবদানে পাওয়া। রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ অধ্যায়টিতে লেখক রবীন্দ্রনাথকে মুসলিম বিদ্বেষী হিসাবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টাকে ভুল হিসবে ব্যাখ্যা করেছেন। মুসলমানের রবীন্দ্র বিদ্বেষটা স্পর্শকাতর। বলা যায় অনেক বেশি। বেশিরভাগ মুসলামানই না জেনে, না বুঝে রবীন্দ্রনাথকে ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে সাব্যস্ত করে থাকে। লেখক এর ঘোর বিরোধিতা করেছেন। বরং নবীজির (সা.) জন্মদিন উপলক্ষে নবীজিকে উদ্দেশ্যে লেখা রবীন্দ্রনাথের বেশ কিছু বাণীর কথা স্পষ্ট তুলে ধরেছেন। যা রবীন্দ্র বিদ্বেষকে কিছুটা হলেও স্তম্ভিত করবে৷ ধর্ম ও সভ্যতা অধ্যায়ে লেখক বলেন, নাস্তিকরা আলেম ওলামাদেরকে গালি দেয় মৌলবাদ বলে। অথচ তারা জানে না মৌলবাদ একটি আমেরিকান শব্দ যার উদ্ভব হইছে বাইবেল থেকে। এ নাস্তিকদের উদ্দেশ্য লেখক বলেন, পানিতে ঢিল ছুড়ে মারলে পানির উপরে যেমন মৃদু তরঙ্গ সৃষ্টি হয় পানির গভীর প্রবেশ করতে পারে না ঠিক তেমনি নাস্তিকতা সমাজের উপরে স্তরে থাকে সমাজের গভীরে প্রবেশ করে না তাদের কর্মকাণ্ড। বরং সমাজ আরো বেশি রক্ষণশীল হয়ে উঠে। সাহিত্য কখনো হিন্দুয়ানী কিংবা মুসলিময়ানী হয়না। বাংলা সাহিত্যের সাথে মুসলিমদের সম্পর্ক কতটা গভীর তা লেখক তুলে ধরেছেন। বাংলা সাহিত্য উৎকর্ষে জড়িয়ে আছে মুসলিম মনীষীদের ইতিহাস। অথচ সে ইতিহাস আজ মুচে ফেলা হয়েছে আমাদের কাছে। সে সব বিষয় উঠে এসেছে বইটিতে। আমাদেরকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির ইতিহাস হিসেবে জানানো হয়, দ্বিজাতী তত্ত্বের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ অথচ এ দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েছেন শাবারকার। ভারতের সাথে বাংলাদেশের ইস্যু এ অধ্যায়টিতে উঠে এসেছে হিন্দু-মুসলিমের এক লজ্জাজনক ইতিহাস। এখানে যেমন সাম্প্রদায়িকতা স্থান পেয়েছে তেমনি স্থান পেয়েছে বিভিন্ন চুক্তি, কপটতা এবং ভারতে স্বার্থপরতা। হিন্দু-মুসলিম প্রসঙ্গ এ অধ্যায়টিতে লেখক তুলে ধরেছেন সাম্প্রদায়িকতার কারণগুলো এর পাশাপাশি আরেকটি বিষয় লিখেছেন, আমাদের দেশে সংখ্যালঘু হিসেবে হিন্দু নির্যাতিত হলে তারা রাষ্ট্রের কাছে সমাধান না চেয়ে ভারতের কাছে চায়। তারা তাদের পলিটিক্যাল এজেন্ট হিসেবে ভারতকে ভাবে। এর কারণ হলো অভারতীয়রা অর্থাৎ ভারত ব্যতিত অন্যদেশের হিন্দুরা তাদের পিতৃভূমি বা পবিত্র ভূমি হিসেবে ভাবে ভারতকে। এটি একটা দেশের স্বাধীন সত্ত্বার পরিপন্থী। অন্যদিকে ভারতে সংখ্যালঘু হিসেবে মুসলিমরা নির্যাতিত হলে তারা নিজ দেশের মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে চায়। ওরা অন্য দেশের হস্তক্ষেপ কামনা করে না। বইয়ের শেষের দিকে এসে লেখক দেখিয়েছেন কিভাবে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোকে সাম্প্রদায়িকভাবে উসকে দেওয়া হয়। মুক্তমনা ব্লগের একটা উদাহরণ লেখক পেশ করেছেন। মুক্তমনা ব্লগ একটি ছবি দিয়েছে যেখানে দেখা যায় কিছু পাঞ্জাবি পরা লোক একজনকে মারছে। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিলো, নির্মল পাঠক নামে একজন হিন্দুকে মসজিদে মারছে আলেমরা। আর চারদিক খেকে অন্যান্যরা বলছে কাফের মার, কাফের হত্যা কর, আল্লাহু আকবর। অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং মিথ্যা। আসল ঘটনা ছিলো, জামায়াতের কর্মী সন্দেহে ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা দুইজন লোককে ধাওয়া করছে। তারা প্রাণে বাঁচতে মসজিদে আশ্রয় নিয়েছে। যা পরেরদিন একাধিক জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। যার প্রমাণ হিসেবে লেখক পত্রিকার ছবিগুলো সংযোজন করেছেন বইতে। এছাড়াও পর্দা, হিজাবসহ অসংখ্য বিষয় উঠে এসেছে বইটিতে। এতসব তথ্য উপাত্তে ভরা বইটিকে সংক্ষেপে তুলে ধরা আসলে কষ্টসাধ্য। বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের নাম দেখে মনে হবে বিক্ষিপ্ত। কিন্তু পুরো বইটি পড়ার পর মনে হবে সবগুলোই একসূত্রে গাঁথা। প্রচলিত ইতিহাস থেকে সেঁকে সেঁকে সঠিক ও সত্য ইতিহাস তুলে ধরেছেন পাঠকের সামনে। লেখক হিসেবে দায়বদ্ধতার জায়গায় সঠিক ইতিহাস তুলে এনেছেন লেখক। যার ফলে পরবর্তী প্রজন্ম এক কঠিন সত্যর মুখোমুখি হবে।বাংলাভাষী সকলের উচিৎ বইটি সংগ্রহ করা। একজন বাঙালি হিসাবে নিজেদের দায়মুক্তি জানতে বইটি পড়া জরুরী৷ তাই বইটি পড়ুন, জানুন সঠিক ও সত্য ইতিহাস। ব্যক্তিগত রেটিং: ৯.৫/১০ বই : ইতিহাসের ধুলোকালি লেখক : পিনাকী ভট্টাচার্য প্রকাশনি : গার্ডিয়ান মূল্য : ২৭০ টাকা #পিনাকী_ভট্টাচার্য_ইতিহাসের_ধুলোকালি #Pinaki_Bhattacharya #ইতিহাসের_ধুলোকালি"
Zubair , Mar 21, 2021
"Books are good. Delivery is okay."
Sumon AhmEd💙 , Feb 24, 2021
"পিনাকির বই মানে বেস্ট।"
Anisuzzaman Mazumder , Feb 6, 2021
"It's excellent."
Delower Hossan , Jan 2, 2021
"একটা মাস্টারক্লাস বই। চলতি অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন দলিলসহ।"
Fahim Khan , Dec 24, 2020
"লেখক বইটিতে ইতিহাসের কিছু পাতায় লেপ্টে থাকা ধুলো সরিয়ে দিয়েছেন। লেখক এর বর্ণনা ভঙ্গি অসাধারণ। বইটি পড়া উচিত সবার।"
MD. Fakhrul Islam , Dec 10, 2020
"তথ্য বহুল বই"
Md Shahidul Islam Riaz , Dec 8, 2020
"I just read and read.. i finished in 2days.Usually i don’t like history but i surprised when i started reading i didn't feel boaring.i discover myself how much i love to read book."
Nafiyu Hossain Faria , Oct 15, 2020
"বই: ইতিহাসের ধুলোকালি লেখক: পিনাকী ভট্টাচার্য প্রকাশনী: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন ক্যাটাগরি: ইতিহাস ও ঐতিহ্য: গবেষণা ও প্রবন্ধ মূল্য: ১৯০ টাকা পৃষ্ঠা:১৬৪ ধরণ: হার্ডকভার ~ইতিহাস তৈরি হয় ইতিহাসবেত্তাদের বয়ানে। যে যেমন করে পারে, তার স্বীয় চিন্তা, দর্শন ও আদর্শকে উপস্থাপন করে। সময়ের ব্যবধানে তার নাম হয় ‘ইতিহাস’। ~ইতিহাসের এক ধরনের নিজস্ব রং আছে। পুরাে পৃথিবী। একজোট হয়েও সে রং বদলাতে পারে না; উলটো নিজের মতাে করে রাঙিয়ে যায় পৃথিবীকেই। অবশ্য বর্ণচোরা শ্রেণি ক্ষণিক সময় কৃত্রিম রঙের কারসাজির আয়ােজন করতে পারে। কিন্তু ইতিহাস তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় কারসাজির খেলাঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সেখান থেকে বেরিয়ে খাঁটি ও পরিশুদ্ধ ইতিহাস মাথা উঁচু করে ঘােষণা করে- 'আমি সত্যের পক্ষে। ইতিহাসের দেয়ালে মিথ্যার প্রলেপ দেওয়ার অপচেষ্টা পৃথিবীর শুরু থেকেই চলমান। বিপরীতে একশ্রেণির সত্যাশ্রয়ী মানুষ সে মিথ্যা প্রলেপ সরানাের লড়াই জারি রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে কেউ প্রলেপ না সরালে স্বভাবতই ইতিহাসের গায়ে ধুলােকালির স্থূপ জমে যায়। এমন সন্ধিক্ষণে কাউকে না কাউকে ধুলােকালি সরানাের দায়িত্ব নিতে হয়। মিথ্যায় চাপা পড়া ইতিহাসকে ধুয়ে-মুছে নতুন করে সত্যের চাদর পরিয়ে দিতে হবে। জোর করে চেপে দেওয়া ইতিহাসকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে হয়। ~লেখার ঢং অনেকটাই সামাজিক যোগাযােগের মতো করে। আবার এই ২০টি অধ্যায়ের উপর অনুচ্ছেদ আছে, বলা যেতে পারে.... ভারত ও বাংলা ওপর দায় এই বিষয় উপর লিখতে গিয়ে লেখক দ্বি-জাতি তত্ত্বের জন্ম নিস্ত্রে আলােকপাত করেছেন। সেকুলার সমাজ বি-কাঠি তন্ত্রের জন্য মুসলিম লীপ কে দায়ী করে কিন্তু লেখক এই রায় দেন হিন্দু সাতারকার কে, সামার হিন্দু শন্সের জ্ঞায়িত করেছেন জাতি হিসাবে, He wlpo considers India as both his Fatherland and Holy | land", কিন্তু অন্যদিকে মুসলমানদের আলীগড় আন্দোলনের নেতা সৈয়দ আহমেদ ১৮৮৩ সালে বলেছেন, ধর্মাধর্ম ভেদে গুর৩শর্ষে বসির সকলেই *একটি জাতি" এই দ্বিজাতি তত্বের ধারণা হিন্দু জাতির তন্তু দিয়ে শুরু হয়েছে বলে নেহরু তার অটোবায়োগ্রাফিতে লিখেছেন... এভাবে এই বইতে বাংলা ত্রাণ দায় কাৰু, ভারতের স্বাধীনতা প্রায় মুসলমানদের অবদান বক্র শুরু করে নানান বিষয়। আলােকপাত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ, ভারত ও পাকিস্থান এই বিষয় লিখতে গিয়ে লেখক পাকিস্থান ক্ষমা চেয়েছে কিনা এই বিষয় কলম ধসেন। তিনি লিখেন পাকিস্থানের প্রক্রিয়া ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ” {My) Government condemned and deeply regretted any crimes that may have been committed to ' এলিয়ে পাখি হয়ে প্রধানমলী , ' 0,' to forgive and forget the mistales of the past in order to promote | rootxiliatioxi, ' এই দুই বাংলার গল্পগ্রোঙ্গতে বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় Not to rance with trials as an act of clemency এছাড়া নানা বিষয়ের সাথে সাথে লেখক রীনাথ প্রসঙ্গ নিয়ে লিখেছেন। বিশেষ আমরা দেখল্ড পাই প্রান্তিক জনগােষ্ট্রীয় মায়ে রবীন্দ্র বিরুদ্ধে কথা বলা কে ধর্মীয়ু দৃষ্টিভঙ্গি হিসাবে চর্চা করে কিন্তু লেখকের অভিমত রবীন্দ্রনাথ 'ইসলাম বিরােধী ছিলেন না। বরং হযরত মুহাম্মদ (স) কে নিয়ে রবীন্দ্রনাথের নানা বিন্নি তুলে ধরেন। এছাড়া বীন্দ্রনাথ নি8ে ফরহাদ যাঞ্চের পুল ও থ্যৈ উপস্থাপন তুলে ধরে। পাশাপাশি পত্র পাঠ বীনাথের পিতামহ যে যাংক লুট কগ্ৰেছেন 'এই তন্য গাওয়া যাবে। মঞ্চে শেষে কিছু ভুল ধারণা সম্পর্কে লেখক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। যেমন সুমনা ব্লগে ভুল তথ্য উপস্থাপন ঘরে ছবি ছিন্ত্রে বলা হয়েছে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের চিত্র। যদিও সে তুবিটি ছিলাে বায়তুল মোকারমে শাসনতন্থে হতে জামায়াত কণী নির্যাতনের ছুৰি.... পরে সেই ছবি দিয়ে ইমরায়েল ভিডিও তৈরি ঝরে। ~এই উপমহাদেশেও ইতিহাসকে কেটে-ছিঁড়েই নির্মাণ করা হয়েছে। সত্যের গায়ে মিথ্যার চাদর পরিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকাংশেই। সময় এসেছে তার ব্যবচ্ছেদ করার। জনপ্রিয় সােশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট, সমাজচিন্তক ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য ইতিহাসের ধুলােকালি মুছতে কলম হাতে তুলেছেন। প্রচলিত ভুল ইতিহাস থেকে ছেকে হেঁকে পরিশুদ্ধ ইতিহাস বের করে এনেছেন। ~ইতিহাসের ধুলোকালি বইটি একটু ব্যতিক্রম এখানে সমস্ত বিষয় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে যা জানা থাকলে আপনি নিজেকে জ্ঞান সম্পন্ন মানুষ মনে করতে পারেন তাই আমি মনে করি অন্যান্য সকল বই থেকে আলাদা সম্পন্ন হওয়ায় এই বইটি আপনি সংগ্রহ করে রাখতে পারেন তাছাড়া বইটি দামও কিন্তু অন্যান্য বই থেকে অনেক কম।"
Sanowar Morshed , Oct 7, 2020
"ভালো বই। ইতিহাসের ছোট-খাটো আনেক কিছু জানার আছে।"
barakat foysal , Sep 24, 2020
"লেখক ভালোই লিখেছেন।প্রসংশা পাওয়ার যোগ্য।"
Zahidul Islam , Aug 12, 2020
"good book"
Shoheb Fazlul , Aug 5, 2020
"চেপে রাখা ইতিহাসের দুরন্ত প্রকাশ। বইটিতে নতুন অনেক তথ্য জানার সুযোগ হয়েছে।"
Karimul Hasan , Jul 23, 2020
"সত্য কে জানবার অদম্য ইচ্ছা যাঁদের তাঁদের জন্য।"
কাজিরুল , Jan 28, 2020
"সত্য কথনে ডর কিসের?"
md tarekul islam , Dec 24, 2019
"শুরুতেই ধন্যবাদ জানাই লেখক জনাব "পিনাকী ভট্টাচার্য" কে এই বইটিতে তিনি সুস্থ, সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণার সুন্দর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি "পিনাকী ভট্টাচার্য" এই বইটি লেখার পূর্বে অবশ্যই কোনো মুসলিম লেখকদের, ইতিহাস এবং মুসলিমদের অবদান বিষয়ে লেখার প্রয়োজন ছিল, (যেটা বর্তমান সময়ে অনেক অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর সম্বলিত থাকবে) যেটা কোন মুসলিম লেখক করতে পারে নাই। আমরা প্রচলিত ইতিহাস পড়ে যা জানতে পারি, "পিনাকী ভট্টাচার্য" তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে নির্ঘাত সত্যটাকে ধুলোময়লা থেকে পরিষ্কার করে সময় এবং স্রোতের বিপরীতে ইতিহাসের ধুলোবালি বইটিতে উপযুক্ত তথ্য এবং প্রমাণ দিয়ে ইতিহাস কে উল্লেখ করেছেন। তাই আমি মনে করি প্রত্যেকের এই বইটি একবার হলেও পড়ে দেখা উচিত। বইটা পড়ে জানতে পারলাম আমরা প্রচলিত যে ইতিহাস জানি অনেকাংশ উদ্দেশ্যমূলক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তৈরি করা। তিনি প্রমাণ এবং যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছেন ভারত ভাগ মুসলিমরা কখনো চায় নাই, যেটা চেয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ এর দায়ভার মুসলিমদের দিয়ে নিজেদের সাধু হিসেবে পরিচয় দিতে চায়। মুসলিমরা কখনো ভারত ভাগ চাই নাই, তারা শুধু নিরাপত্তা ও শান্তিতে বসবাস করতে চেয়েছিল। জাতীয়তাবাদের কথা বলে ভারত ভাগের রাজনীতিকে তৎকালীন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ত্বরান্বিত করেছিল। অনেকেই এই দায়ভার মুসলিমদের উপর এককভাবে দেয়। আমরা দেখতে পারি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলিমদের তেমন কোনো অবদান নেই, কিন্তু পিনাকী ভট্টাচার্য বিভিন্ন রেফারেন্স দিয়ে বুঝিয়েছেন ভারত স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলিমদের অবদান কোন অংশে কম ছিলনা। ভারতবর্ষে মুসলমান সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন, বলেছেন পর্দাপ্রথা শুধু আরবের সংস্কৃতি নয় প্রাচীন ভারতের সংস্কৃতি ও বটে। সত্যিকারে সুশিক্ষিতদের পক্ষে কথা বলেছেন, তিনি বলেছেন সত্যিকারে সুশিক্ষিতদের উচ্চশিক্ষার জন্য এদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এর একটিতে সুশিক্ষিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীর সাথে বৈষম্যমূলক আচরণের কথা। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সম্পন্ন বৈষম্যমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণীত। অনেকে বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশে যে অপরাধ করেছে তার ক্ষমা চেয়ে কোনো বিবৃতি প্রদান করে নাই তিনি তার জবাব দিয়েছেন। ঐতিহাসিকভাবে মুসলিমরা আক্রমণকারী হিসেবে ভারতবর্ষ আসেন কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন অনেক আগে থেকে মুসলিমরা আরব থেকে ভারতবর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য এসেছিল। অনেকে মনে করে ইসলাম শুধুমাত্র নামাজ রোজার মধ্যে সীমাবদ্ধ । তিনি "ফিলোসফি অফ সাইন্স" বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন "বিজ্ঞানকে আজ আমরা যেভাবে জানি, ইসলামিক বিজ্ঞান ছাড়া অকল্পনীয় ছিল" সুতরাং অনেক ইতিহাস না জেনে মনগড়া বক্তব্য দিয়ে থাকেন। এছাড়া তিনি আরো অন্যান্য বিষয় নিয়ে উপযুক্ত দলিল সহ কথা বলেছেন, তার কথাগুলো অনেক সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় রচনা করা। তিনি তার এই বইয়ের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সর্বশেষে বলছি এই বইটার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ রিভিউ দেওয়ার সাধ্য আমার নেই। তাই কোনো ভুলভ্রান্তি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।"
Khandoker Jayed , Dec 20, 2019
"ইতিহাস এমন একটা বিষয় যা কখনো পরিবর্তন করা যায় না কিন্তু অনেকে নানা সময়ে ইতিহাস বিকৃত করে থাকে নিজেদের স্বার্থে । ইতিহাসের ধুলোবালি বইটি পড়ে ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। এমন অনেক বিষয় যেগুলো বিকৃত তথ্য আগে জানা ছিল বইটি পড়ে সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পেরেছি। লেখক যত সাবলীলভাবে তার বইয়ে বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছেন তা সত্যিই অসাধারণ।"
Rakib Hasan , Dec 6, 2019
"বন্ধুর কাছ থেকে নিয়ে পড়লাম। খুব ভালো লেগেছে। একজন ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে নিজের কাছে রাখার জন্য আজ একটা অর্ডার দিয়ে দিলাম।"
Mohammad Jakaria , Nov 23, 2019
"পিনাকী ভট্টাচার্য লিখিত "ইতিহাসের ধুলোকালি" বইটির নাম দেখে ভেতরের মূল বিষয় সম্পর্কে বোঝা যায় না। আমি পড়ার শুরুতে ভেবেছিলাম ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন ইতিহাস নিয়ে লিখিত বই। আসলে লেখক এখানে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিমদের ওপর যুগযুগ ধরে চলা মিথ্যা অভিযোগগুলোর সঠিক তথ্য ধুলোকালি ঝেড়ে তুলে এনেছেন৷ সেইদিক বিবেচনায় বইটির নাম যথার্থ। পাঠকদের ভালো করে বুঝতে নামের সাথে লেখার বিষয়বস্তুর ট্যাগ লাইন দেওয়া জরুরি ছিল। এই বইটিতে সুলতান মাহমুদ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের মুসলিমদের ওপর ভারতীয় এবং এদেশীয় সেক্যুলার সম্প্রদায় কীভাবে মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে রেখেছে সেটা সুন্দরভাবে তথ্য দিয়ে তুলে ধরেছেন। আমরা ইতিহাসে পড়ি লালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করেছিল সুলতান মাহমুদ! আসলেই কি তাই? লেখক প্রমান করেছেন একেবারে মিথ্যা এই অভিযোগ। মুসলিম শাসকরা মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ দূরের কথা বরঞ্চ হাজার হাজার মন্দির বানিয়ে দিয়েছে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব। অথচ এই সম্রাটকে সবচেয়ে বেশি গালাগাল করে হিন্দু ও এদেশীয় সেক্যুলার সমাজ। কারণ, তিনি অন্যান্য সম্রাটের থেকে একটু বেশি আল্লাহ ভীরু ছিলেন। মুসলিমদের ওপর হিন্দু এবং সেক্যুলার সমাজের আরোপিত মোটাদাগের অভিযোগ গুলো কতটা যে মিথ্যা সেটা লেখক অসংখ্য তথ্য দিয়ে প্রমান করে দিয়েছেন। বাংলাভাষী সকল মুসলিমদের উচিৎ বইটি সংগ্রহ করা। একজন মুসলিম হিসাবে নিজেদের দায়মুক্তি জানতে বইটি পড়া জরুরি৷"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
পৃষ্ঠা সংখ্যা কত
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ইতিহাসের ধুলোকালি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: