১ম প্রকাশ, ২০২২
ইসলামে দাস দাসী ব্যবস্থা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ইসলামে দাস দাসী ব্যবস্থা |
| Author | ডা. শামসুল আরেফীন |
| Publisher | মাকতাবাতুল আযহার |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 264 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.44 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
21 Ratings and 8 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৮টিMD.SHADDAM HOSSAIN , Sep 6, 2026
"আপনার জানার কোন শেষ নেই। আদিকাল থেকে ইউরোপের বাস্তবতা আর ইসলামের বাস্তবতা একেবারে ভিন্ন। ইউরোপ সমতার কথা বললেও সে কায়েম করে শোষনের দুনিয়ার। আর ইসলাম কায়েম করে ন্যায্যতার দুনিয়া। আমাদের সমস্যা হলো আমরা ইউরোপের চশমা দিয়ে ইসলাম দেখার চেষ্টা করি। এই বইটি ইউরোপের চশমা সরিয়ে আপনাকে এই একটি বিষয়ে বাস্তব দুনিয়া দেখাতে চেষ্টা করবে। পড়ে দেখতে পারেন। আশা করছি আশাহত হবেন না।"
Tahsin Abdullah , Nov 25, 2025
"sera"
Mehedi hasan Siam , Aug 4, 2025
"A must read book"
md. murad chowdhury , Apr 7, 2025
"অসংখ্য ধন্যবাদ লেখক ভাইকে। এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কলম ধরার জন্য। আল্লাহ যেন আপনাকে নেক হায়াত দান করেন এবং সুস্থ রাখেন ইসলামের খেদমত করার জন্য।"
Md.Mahbub Anam Tanim , Jun 29, 2022
"অসাধারণ আলোচনা"
জুবায়ের আহম্মেদ , Jun 2, 2022
"অসাধারণ! একটা সাধারণ বিষয়কে কিভাবে পাতি খগেণরা মিথ্যাচার করে! বর্তমানে হিন্দুরাও এটা নিয়ে চুলকানি হচ্ছিল।দাসী বিষয়টার কনসেপ্ট একদম ক্লিয়ার।কিন্তু কিছু প্রশ্ন রয়েছে আমার মনে।যাইহোক দাস দাসী নিয়ে ক্লাস ২-৩ তে পড়ানো হইছিল।তবে তখন দাস কি জানতাম না।সবার উচিত এই বইটি পড়া যারা একটু সন্দেহে আছেন।এরকম কিছু বিশ্লেষণধর্মী বিষয়ক বই চাই যেমন - ১/Concept of evil,আদম হাওয়া আ: এনাদের নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ নিয়ে হিন্দুদের/নাস্তিকদের চুলকানি। ২/তকদির নিয়ে। তকদির নিয়ে বেশি কানাঘুষা হচ্ছে।"
MUHTASIM , Mar 11, 2022
"❝বই রিভিউ❞ বইয়ের নাম : ইসলামে দাস-দাসী ব্যাবস্থা: যুদ্ধমনস্তত্ত্ব, জেনেভা কনভেনশন ও বাস্তবতা লেখক : ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আযহার ক্যাটাগরি : নন-ফিকশন, তাত্ত্বিক আলোচনা ধরন : মৌলিক পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২৬৪ (হার্ডকভার) মূল্য : ৪৮০ টাকা (মুদ্রিত) নাস্তিক্যবাদীরা ইসলামের বিরুদ্ধে মোটাদাগে যে অভিযোগ গুলো করে থাকে, তার মধ্যে দাস-দাসী ব্যাবস্থা একটা। ইসলামি দাস-দাসী ব্যাবস্থাপনা নিয়ে নাস্তিক্যবাদী-লিবারেলদের লাইভ গুলোতে ইসলামকে প্রচন্ড নোংরা ভাষায় আক্রমন করে কথাবার্তা বলা হয়। অনেক মুসলিম ভাই-বোনেরাও তাদের কথাবার্তা শুনে নিয়মিত বিভ্রান্ত হন, ভাবতে থাকেন, 'দাসপ্রথার মতো বর্বর, জঘন্য ও নির্মম একটা প্রথাকে আল্লাহ কিভাবে অনুমোদন দিলেন!' ইসলামের দাস-দাসী ব্যবস্থা মূলত ইসলামি যুদ্ধনীতির অংশ, যা ইসলামী যুদ্ধ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেই কেবল প্রযোজ্য। অথচ দেখা যায় যুদ্ধনীতিকোষ সম্পর্কে ন্যূনতম একাডেমিক পড়াশোনা না থাকা গন্ডমূর্খ লোকেরাও ইসলামী দাসপ্রথা নিয়ে তর্ক করতে চলে আসে। এই বিষয়ে বিভ্রান্তির উৎস মূলত মূর্খতার কারণেই। মূলত তাদের লেখাগুলো পড়ার পর আমি নিজেও পাগলের মত এই প্রশ্ন গুলার উত্তর খুজছিলাম। তাদের লাইভ গুলো দেখে খুব খারাপ লাগতো, কারন দেখতাম মুসলিমরা ভালো জবাব দিতে পারছে না, বা জবাব দিতে গিয়ে ইসলামের বিভিন্ন সুপ্রতিষ্ঠিত বিষয়াদিকেও অস্বীকার করে বসছে! তাই আমি বিভিন্ন ইসলামিক ব্লগ থেকে নিয়মিত আর্টিকেল পড়তে থাকি, একাধিক আলেমের কাছে যাই এই বিষয়ে পরিষ্কার হতে, কিন্তু কেউই তেমন গ্রহণযোগ্য উত্তর দিতে পারেননি। পরবর্তীতে একদিন ফেসবুকের নিউজফিডে ডা. শামসুল আরেফীন ভাইয়ের লেখা উক্ত বইটির একটি রিভিউ সামনে আসে। দ্রুত বইটি কালেক্ট করেই পড়া শুরু করি। এই বইটি পড়ার আগে যতটুকু উত্তর আশা করেছিলাম, বাস্তবে তার থেকে অনেক বেশি পেয়েছিই, আলহামদুলিল্লাহ। এতো ক্রিটিক্যাল টপিকে বাংলায় এমন গোছানো ও তথ্যসমৃদ্ধ বই লেখা থাকতে পারে, এটা আগে কখনো ভাবিনি। ▐ প্রচুর রেফারেন্স ও তথ্যসমৃদ্ধ এই বইটি আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে বিবেকের প্রতি সৎ থাকা প্রত্যেক চিন্তাশীলকে বিস্তর চিন্তার খোরাকি দিবে আশা করি। ইসলামের বিরুদ্ধে প্রাচ্যবাদীদের বিভিন্ন লেখাজোকা থেকে নকল করে তৈরি করা নাস্তিকদের দাসপ্রথা কেন্দ্রিক বস্তাপচা অভিযোগগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর জ্বালিয়ে দিতে এই বইটাই যথেষ্ট ইনশাআল্লাহ্।▐ রিভিউ লেখাতে আমি নতুন, গুছিয়ে বইয়ের সামগ্রী বিষয়বস্তু উপস্থাপন আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বইয়ের কিছু মৌলিক পয়েন্ট বলি— 【১】 ইসলামে মূলত ইসলামে দাসপ্রথা বলে কিছু নাই, যেটা আছে তা হলো "যুদ্ধবন্দী সিস্টেম"। অর্থাৎ যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে যুদ্ধবন্দী-ব্যবস্থাপনা। আর আভিধানিক অর্থে ইসলামে কোনো মানুষ অন্য মানুষের দাস বা দাসি হতে পারেনা, কেননা প্রত্যেক মানুষ ও প্রাণীই এক আল্লাহর দাস বা গোলাম। 'দাস-দাসী' শব্দটি বাংলায় প্রচলিত হওয়ায় আমরা এই শব্দটি ব্যাবহার করি, কিন্তু এর মূল আভিধানিক অর্থ ইসলামী পরিভাষার সাথে যায় না। রাসূল (ﷺ) স্বয়ং নিজে যুদ্ধবন্দীদের দাস-দাসী (গোলাম) বলতে নিষেধ করেছেন, বরং নিজের ছেলে বা মেয়ে বলে সম্বোধন করতে বলেছেন। বিষয়টা এখানেই পরিষ্কার হয়ে যায়। 【২】 ছোটবেলা থেকেই মিডিয়া ও পারিপার্শ্বিক সমাজ থেকে যে প্রাচীন দাসপ্রথাকে আমরা যিনি, সেটার কনসেপ্টই ইসলামে সুস্পষ্ট হারাম। দাসপ্রথা বা দাস-দাসী ব্যবস্থা বলতে যদি এই 'প্রাচীন পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে ও সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বে প্রচলিত দাসপ্রথা'কে বোঝানো হয়, তবে বলতে হয় ইসলাম অবশ্যই এই নিকৃষ্ট দাসপ্রথাকে বিলুপ্ত করেছে। ইসলামি আকিদায় মানুষ অবশ্যই শুধু আল্লাহর গোলাম বা দাস। অর্থাৎ পশ্চিমপন্থী নাস্তিক্যবাদী, লিবারেলদের বলা দাসপ্রথার কনসেপ্ট ও ইসলামি দাসপ্রথার কনসেপ্টই সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। 'দুটো জিনিস শুনতে এক হলেও বাস্তবে যে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হতে পারে, তা এই বই থেকে বুঝতে পারবেন।' একটা সমাজকে টিকে থাকতে হলে প্রত্যেকেই কারো না কারো অধীনস্থ হতে হয়। যেমন একটা পরিবার তার মূল পুরুষ ব্যক্তিত্বের অধীনস্থ, চাকুরীজীবী তার অফিস বসের অধীনস্থ, দোকানের কর্মচারী তার ব্যবসায়ী প্রধানের অধীনস্থ, প্রত্যেক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য তার উচ্চতর কর্তার অধীনস্থ। তেমনিভাবে ইসলামি দাস-দাসী ব্যবস্থা ক্ষেত্রেও এই পরিভাষা প্রযোজ্য, যেখানে দাস-দাসী অর্থ কেবল তার মনিবের অধীনস্থ! এখানে মনিব তার সাথে যা ইচ্ছা তাই করার ক্ষমতা বা সুযোগ রাখেনা, যেটা নিকৃষ্ট প্রাচীন দাসপ্রথায় আমরা দেখি। 【৩】 দাসপ্রথা নিয়ে বলতে গিয়ে বইয়ের শুরুতে লেখক রক্ষণাত্মক অবস্থান না নিয়ে বরং উল্টো আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেছেন। যারা ইসলামের এই বিধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে থাকে, শুরুতেই তাদের নিজস্ব অবস্থান ও আইডিওলজিতে তিনি আঘাত করেছেন। একইসাথে দ্বীন ইসলামে জিহাদুত ত্বলাব (আক্রমনাত্মক জিহাদ) ও এর ফলে অবশ্যম্ভাবীভাবে যুদ্ধবন্দী তৈরীর পেছনে যে বাস্তবিক দর্শন রয়েছে, তা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। 【৪】 যুদ্ধ পরবর্তী প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবন্দী-ব্যবস্থাপনা হিসেবে ইসলামি সিস্টেম ছাড়া বাকি সব সিস্টেম যে ব্যর্থ, এমনকি সাম্প্রতিক সময়ের জেনেভা কনভেনশনের অবস্থানও যে এক্ষেত্রে বাস্তবে অগ্রহণযোগ্য, লেখক তা প্রমান করেছেন পশ্চিমাদের বিভিন্ন একাডেমিক ও সাইন্টিফিক জার্নালের রেফারেন্স দিয়েই। একই সাথে বইতে পশ্চিমা বিশ্বের ভয়ংকর স্লেভ ট্রেড ও নব্য-উপনিবেশবাদের ভয়ংকর অধ্যায়কে ফুটিয়ে তুলেছেন— যেটাকে মূলত নাস্তিকরা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার সময় সম্পূর্ণ গোপন করে রাখে। বর্তমান বিশ্বে যারা সভ্যতার দাবিদার হয়ে ইসলামকে সভ্যতা শেখাতে আসে, আমাদের দ্বীনকে অসভ্য, বর্বর, সেকেলে প্রমাণ করতে চায়— তারা যে বাস্তবে কত সভ্য, মানবিক ও আধুনিক— তা পুরো বইতে বিভিন্ন রেফারেন্সের আঙ্গিকে নিজেই অনুধাবন করতে পারবেন। 【৫】 ইসলামকে আক্রমণ করা হলে সব মুসলিমরাই ডিফেন্ড করার চেষ্টা করে— হোক সে জ্ঞানী বা মূর্খ। তেমনিভাবে দাসপ্রথা বিষয়ে ইসলামের পক্ষে বলতে গিয়ে অনেকের লেখায় জঘন্য রকমের কৈফিয়ৎবাদী মানসিকতা দেখা যায়, যেটায় মূলত ইসলামের পক্ষে বলা হলো বাস্তবে তা ইসলামবিদ্বেষীদের চিন্তাকেই প্রতিনিধিত্ব করে। যেমন এমনটা মনে করা যে— ইসলামের এই দাস-দাসীর বিধান তৎকালীন সেসময়ের কেবল জন্যই ছিল, অর্থাৎ কুরআনের এই বিধান আর বর্তমান সময়ে উপযোগী নয়! নাউযুবিল্লাহ্। এভাবে বলে মূলত তারা ইসলামকে নাস্তিকদের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে চায়, ফলশ্রুতিতে মূল ফান্ডামেন্টাল ইসলাম বিকৃত হয়ে পড়ে। 'ইসলামে দাস-দাসী ব্যবস্থা' বইয়ের ভাষাভঙ্গিতে এই কৈফিয়ৎবাদী (অ্যাপোলোজেটিক) মানসিকতাকে একেবারে গোড়া থেকে উৎপাটন করা হয়েছে, তাই যারাই এমন মানসিকতা রাখেন তাদের জন্য বইটি জরুরী। ইসলামের এই বিধান কেন বর্তমান বিশ্বে নেই, অতীতে কখন বন্ধ হয়ে গেছে, কখন আবার ভবিষ্যতে প্রযোজ্য হবে— ইত্যাদি বিষয়গুলো জানার জন্য হলেও উনাদের এই বইটি পড়া দরকার। ▐ বইটিতে উপরোক্ত আলোচ্য প্রসঙ্গ গুলো ছাড়াও মানব সভ্যতায় যুদ্ধের অনিবার্যতা, যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংগ্রামের বাস্তবতা, মানুষের যুদ্ধকালীন মনস্তত্ত্ব, দাস মুক্তির প্রসঙ্গ, মানবাধিকার ও আধুনিক দাসপ্রথা, আধুনিক দাসপ্রথা রক্ষায় পশ্চিমা বিশ্বের অবদান, যুদ্ধে নারীর নিয়তি, যুদ্ধবন্দী নারীদের উপপত্নি হিসেবে গ্রহণের বিধান' সহ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ 'ইসলাম ও দাসপ্রথা' প্রসঙ্গে আপনার সব প্রশ্ন ও সংশয়ের উত্তর এই বইতেই পেয়ে যাবেন, ইনশাআল্লাহ্।▐ *বইয়ের কোনো গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারার যোগ্য নই এখনো। তবে একটা কথা, বইয়ের ভিতরে লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছক, ডায়াগ্রাম ইত্যাদির ছবিগুলো প্রচন্ড রকম ঘোলা হয়ে গেছে কেন বুঝলাম না! ভিতরে ছোট লেখাগুলো পড়া যাচ্ছিল না একদমই। এই বিষয়টা প্রচন্ড বিরক্তিকর লেগেছে শুধু। আশাকরি পরবর্তী এডিশনে প্রকাশনী এই বিষয়টায় লক্ষ্য রাখবে। আর লেখককে নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। অনলাইনে বইয়ের লেখক ডা. শামসুল আরেফীন শক্তির বিভিন্ন লেখা ইতিমধ্যে পড়েছি। অবাধ্যতার ইতিহাস, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড সিরিজ, কষ্টিপাথর সিরিজ সহ উনার অন্যান্য বইগুলোও শীঘ্রই পড়বো ইনশাআল্লাহ্। প্রিয় লেখক ভাইকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। আল্লাহ আমাদের শ্রদ্ধেয় দাঈ ভাইকে দ্বীনের জন্য কবুল করুন, এবং উম্মাহের জন্য এই ধরনের কাজ আরো বেশি বেশি করার তৌফিক দান করুন, আমীন। - মুহাম্মাদ মাহিম - ০২ ডিসেম্বর, ২০২২"
Anas Bhuiyan , Mar 11, 2022
"💚💚"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ইসলামে দাস দাসী ব্যবস্থা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: