১ম প্রকাশ, ২০২৪
ইনসান
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ইনসান |
| Author | কিঙ্কর আহ্সান |
| Publisher | পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 87 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 9789849834779 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টিNusrat Nandini , Mar 14, 2025
"অসাধারণ একটা বই। কি যে সাস্পেন্স!"
nas****com , Nov 30, 2024
"গল্পের প্লট,লেখনী সবই ভালো ছিলো।তবে যে আশা নিয়ে শুরু করেছিলাম পড়া। সে আশা কিছুটা ভঙ্গ হয়েছে। এককেন্দ্রিক চরিত্র লক্ষণীয়। চরিত্রগুলো ঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়নি।"
sub****com , Jun 29, 2024
"joss"
Sha****com , Jun 14, 2024
"akta crime petrol er kahini"
ইয়াসির আল সাইফ , Jun 12, 2024
"অহেতুক লম্বা করা,একটা লজিকবিহীন ক্রাইম পেট্রোল এপিসোডের গল্প। বইটার নাম 'সাদিয়া ও একটি ফল কাটার ছুরি' হলেও অবাক হতাম না। কেনো? সে কারন বলছি এক এক করে। প্রথমেই আসি এর কাহিনী সংক্ষেপে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সাদিয়া, যে কিছুদিন আগে তার স্বামী মাসুমকে হারিয়েছে। রাতে একসাথে বাড়ি ফিরছিলো স্বামী-স্ত্রী। হঠাৎ রাস্তায় মাসুমকে গুলি করে বসে এক সন্ত্রাসী। পুলিশের ভাষ্যমতে, দুই সন্ত্রাস দলের কোন্দলের মাঝে ভুলে ঢুকে পড়ায় মরতে হয়েছে মাসুমকে। সাদিয়ার কাছে মনে হয় মাসুমের মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, আর তা খুঁজে বের করতে নিজের গর্ভাবস্থার পরোয়া না করেই বেরিয়ে পড়ে সাদিয়া। স্বামী/স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তার কারণ খুঁজতে বা প্রতিশোধ নিতে কেন্দ্রীয় চরিত্র বেরিয়ে পড়েছে। ফিকশন জগতে এমন গল্প নতুন নয়। তাও লেখকের 'হিজলতলি' পড়ার স্বার্থে মনে হয়েছিলো ভিন্ন কিছু হবে। কিন্তু আমি হতাশ। উপন্যাসে নেই কোনো ভালো গল্প, নেই চরিত্রের গঠন আর না আছে ভালো সংলাপ। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সাদিয়ার কথাই যদি বলি, সে যা খুঁজছে হাতের মুঠোয় পেয়ে যাচ্ছে। সাদিয়ার মনে মাসুমের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হয়েছে, বাজারে কিছু ছেলে মাসুমের হত্যার ভিডিও দেখে মন্তব্য করার পর। পুলিশের সহায়তা না পেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই এগিয়ে আসে সাদিয়াকে সাহায্য করতে। ছোট ভাইয়ের সহায়তায় জানতে পারে, স্বামীর হত্যাকারী ইফতি থাকতে পারে এক নাইটক্লাবে, কিন্তু কোন নাইটক্লাব তা জানা নেই। কাকতালীয়ভাবে, সাদিয়া প্রথম যে ক্লাবেই ঢুকলো সেখানেই পেয়ে গেলো ইফতিকে। ইফতির কাজের বুয়াকে গিয়ে টাকা ধরিয়ে দিয়ে সাদিয়া বলে, পরদিন কাজে না যেতে। মহিলা চালাক হওয়ায় টাকা বেশি চেয়ে রাজি হয়ে যায়, কিন্তু একবারও কারণ জিজ্ঞেস করে না। হুট করে আপনার বাড়িতে ঢুকে একজন টাকা দিয়ে বললো, আপনি কালকে কাজে যাবেন না, তাহলে প্রতিউত্তরে আপনি কারণ জিজ্ঞেস করবেন না? কিন্তু কাজের বুয়া জিজ্ঞেস করেন নি, কারণ তার কাছে নাকি সাদিয়াকে দেখে ভালো মেয়ে মনে হয়েছে। ইফতির বাড়িতে ঢুকে সাদিয়া কোনো প্রশ্নের উত্তর তো পায়ই নি, বরং ইফতিকে হত্যা করেছে অন্য একজন লোক। সাদিয়া সেই লোকটাকে ধরতে না পারলেও তার বাইকের নম্বর মনে রাখে। সেই বাইকের তথ্য বেআইনিভাবে খুঁজে দিতে সাহায্য করে একজন। আবার পরিচিত বলে, এক দোকান থেকে পুলিশের মিথ্যা আইডিও বানিয়ে নেয় সাদিয়া। মানে সবটাই সাদিয়ার হাতের মোয়া। রাস্তায় ছোট বাচ্চাদের মতো নাম্বার মিলিয়ে মিলিয়ে বাইক খোঁজে সাদিয়া। কাকতালীয়ভাবে, এবার বাইকটাও খুঁজে পেয়ে যায় সাদিয়া। মানে, এতো বড়ো শহরে অফিসে আসা যাওয়ার পথে সাদিয়া গাড়িতে বসে রাস্তার বাইকের সাথে নাম্বার মিলাচ্ছে আর দুয়েকদিনের মধ্যে পেয়েও যাচ্ছে! বাইকওয়ালাকে ধরতে না পারলেও, তার ফোন হাতে লেগে যায় সাদিয়ার। ফোনে একটা স্পা-সেলুনের ছবি দেখে সাদিয়া পৌঁছে যায় সেখানে। কেনো? এই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর নেই। স্পা-সেলুনের ভিতরে ঢোকার জন্য সাদিয়াকে পটাতে হয় এর দারোয়ানকে। দারোয়ান তাকে নিজের বাড়িতে ডাকে। প্রথমে লোকটাকে দুশ্চরিত্র দেখানো হলেও, পরে বলা হলো সাদিয়ার চেহারা তার মৃত বউয়ের সাথে মিলে বলে লোকটা ডেকেছে। শুধু এই কারণেই সাদিয়াকে সাহায্য করে সে। দাঁড়ান দাঁড়ান! এখানেই শেষ না। স্পা-সেলুনে ঢুকে এর ভিতরের খবর নিতে গেলে সাদিয়াকে ধরে ফেলে এখানকার মালিক এবং এই লোকটাও আন্ডারওয়ার্ল্ড জগতের। তা সত্ত্বেও, সাদিয়াকে সাহায্য করতে চায়। কেনো? কারণ সাদিয়ার মতো তার একটা বোন ছিলো। মানে একজনের কাছে সাদিয়াকে মৃত স্ত্রীর মতো লাগে বলে, আরেকজনের কাছে মৃত বোনের মতো লাগে বলে, কিংবা কারো কাছে বড় বোনের মতো, কারো কাছে ভালো মেয়ে মনে হয় বলে তাকে সাহায্য করে। উপন্যাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সাদিয়া শুধু প্লট আর্মরের উপর ভর করেই চলেছে। খুবই বিরক্ত লাগছিলো পড়তে, কারণ গল্পে তখনও মোচড় পাইনি। তাও ১৪-১৫ পৃষ্ঠার মতো বাকি ছিলো বলে শুধুমাত্র শেষের রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য বাকিটা পড়লাম এবং আরও বেশি হতাশ হলাম। সামান্য একটা প্লটকে রাবার ব্যান্ডের মতো টেনে লম্বা করে টুইস্ট হিসেবে শেষে লেখক দিলেন প্রতারণা। ফিকশন জগতের সবচেয়ে পুরোনো প্রতারণা। স্পা-সেলুনের সিসি টিভি ঘেঁটে সাদিয়া খুঁজে পায় তুলিকে, যার প্রতি দূর্বল ছিলো মাসুম। যাকে নিজের করে পাওয়ার জন্য মাসুম সাদিয়াকে হত্যার প্ল্যান করে। কিন্তু হত্যাকারী ভুলে সাদিয়ার জায়গায় মাসুমকে গুলি করে। জী, এটাই টুইস্ট। আর মৃত স্বামীর উপর প্রতিশোধ নিতে সাদিয়া কী করে? নিজের গর্ভে থাকা মাসুমের সন্তানকে হত্যা করতে, নিজে আত্মহত্যা করে। ঘণ্টা খানেক সময় ব্যয় করে এই উপন্যাস আমাকে শুধু হতাশাই দিয়েছে। উপন্যাসের একটা বিশেষ চরিত্র হলো 'ফল কাটার ছুরি' । সাদিয়া যেখানেই যায় এই ফল কাটার চুরি নিয়ে যায়, আর মনে মনে পরিকল্পনা করে কিছু একটা এদিক সেদিন হলেই সামনের মানুষটার গলায় চালিয়ে দিবে। ইফতির বাসায়, বাইকওয়ালার পিছু পিছু, দারোয়ানের বাসায়, স্পা-সেলুনে কাজ করতে যাওয়ার সময় সব জায়গায় সাদিয়ার সঙ্গী ছিলো এই ফল কাটার ছুরি। এমনকি উপন্যাসের শেষে যখন নিজের শ্বশুর শ্বাশুড়ীকে মারার পরিকল্পনা করে তখনও সাদিয়া এই ফল কাটার চুরি দিয়ে গলা কেটে দেয়ার কথা ভাবে। এই ছুরির বিষয়টা যেমন বিরক্ত লেগেছে, ইফতির নাম উল্লেখ করার সময় বার বার 'সন্ত্রাসী ইফতি' বলে সম্বোধন করা এবং ইফতি যে সন্ত্রাসী এটা পাঠককে মনে করিয়ে দেয়ার ব্যাপারটাও বিরক্তিকর লেগেছে। আরো কিছু বিরক্তিকর ও লজীকবিহীন বিষয় উল্লেখ করি: • সাদিয়া ইফতির পকেটে একটা নোট খুঁজে পায়। নোটটা মাসুমের এটা সাদিয়া বুঝতে পারে, কারণ সাদিয়া মাসুমের বেতনের সব নোটে নিজের নাম লিখে রাখে। মাসুম ইফতির পূর্বপরিচিত কিংবা সাদিয়াকে হত্যা তাদের দুইজনেরই পরিকল্পনায় আছে, এটা ইঙ্গিত দেয়ার জন্য কি লেখক নাম লেখা নোট বাদে আর কোনো আইডিয়া পাননি? সাদিয়ার ছবিও তো থাকতে পারতো ইফতির পকেটে! • ইফতি যেহেতু সাদিয়াকে মারতে চেয়েছিলো, অবশ্যই সাদিয়ার চেহারা তার মনে থাকার কথা। অথচ সাদিয়া গায়ের রং ময়লা করে কাজের মেয়ে সেজে ইফতির ঘরে ঢুকলে ইফতি চিনতেই পারলো না তাকে? এটা কী সোপ অপেরা চলছে যে একটা লজিক দিলেই হলো? • বাইকওয়ালা কেনো ইফতিকে মারলো তার কোনো কারণ বলা হয়নি। • স্পা-সেলুনের মালিক সিসি টিভিতে দেখার পরই সাদিয়ার সব তথ্য বের করে ফেললো। কিন্তু তার স্পা-তে নিয়মিত আসা মাসুমের কথা তার অজানা। স্পা-তে কাজ করা তুলির কথাও তার অজানা। • আর সাদিয়ার সবাইকে আগে নিজের পরিচয় পর্ব দিয়ে তারপর মাসুমের হত্যার কারণ জিজ্ঞেস করার বিষয়টাও বুঝলাম না। এ বিষয়টাও বিরক্তিকর ছিলো। • সাদিয়া যে গর্ভবতী এ বিষয়টা লেখক নিশ্চই ভুলে যাননি। তা সত্ত্বেও সাদিয়াকে দিয়ে যেমন দৌড় ঝাঁপ দেখানো হয়েছে তাতে অবাক লেগেছে। একবার বলা হচ্ছে বাচ্চার প্রতি সাদিয়ার খেয়াল নেই, তাকে স্বামীর হত্যাকারী ধরতে হবে, হত্যার কারণ জানতে হবে। তার পরের পৃষ্ঠায়ই আবার সন্তানের প্রতি ভালোবাসা দেখানো হচ্ছে। • সাদিয়া তার সন্তানের নাম রাখছে নাইটক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে। লেখকের হয়তো হঠাৎই মনে হয়েছে, শিশুটার একটা নাম না রাখলে তাকে নিয়ে সাদিয়ার সংলাপগুলো লিখতে প্রবলেম হতে পারে। তা না হলে নাম রাখার জন্য উপন্যাসে এমন একটা সময় বেছে নেয়ার কোনো কারণ আছে কি? • সাদিয়ার স্বামী মৃত, বাবার বাড়ির সাথে তার যোগাযোগ বন্ধ, সে নিজে গর্ভবতী। তার অর্থসংকট দেখা যাওয়ার কথা, অথচ উপন্যাসে দেখা যাচ্ছে সে খুব সহজেই টাকা দিয়ে এক একজনের কাছ থেকে কাজ করিয়ে নিচ্ছে। • মূল টুইস্ট অর্থাৎ মাসুম সাদিয়াকে হত্যা করতে চেয়েছিলো কারণ-মাসুমকে বেতন পাওয়ার পর তার টাকা দিয়ে দিতে হয় মা আর বউকে। সংসারে টাকা দিতে গিয়ে মাসুম নিজের জন্য বাড়তি খরচ করতে পারছে না বলে অন্য নারীর দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এমন অযৌক্তিক বিষয় আশা করিনি লেখকের কাছে। অথচ সম্পূর্ণ উপন্যাসে সাদিয়ার স্মৃতিচারণে দেখানো হয়েছে স্বামী হিসেবে মাসুম কতো ভালো, কতো যত্নশীল ছিলো। প্রশ্ন করতে পারেন, উপন্যাসে কি তাহলে ভালো কিছুই নেই? আছে। • প্রতিটা অধ্যায়ের শুরুতেই একটা করে করিতা আছে। এর মধ্যে কয়েকটা ভালো, আর কয়েকটা কবিতা মোটামুটি লেগেছে। কবিতাগুলো প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই লেখা। • সংলাপ, চরিত্রায়ন, দৃশ্যায়ন ভালো না লাগলেও, লেখনীর দিক থেকে যতটুক অংশ ভালো ছিলো তা হলো গল্প বলার অংশ। সমাপ্তির দিকে নিয়ে যেতে এটাই যা একটু সাহায্য করেছে। বইটার ভূমিকা অংশে লেখক বলেছেন, ২০২৪ সালের বইমেলায় কোনো বই আনার প্ল্যান ছিলো না, কাছের মানুষদের আব্দারে আনতে হলো। আমার মতে, লেখক এ উপন্যাস চটজলদি না লিখলেই পারতেন। সময় নিয়ে লিখলে হয়তো একটা ভালো গল্প দাঁড় করানো যেতো, চরিত্রগুলোর সাথে কানেক্ট করা যেতো, আন্ডারওয়ার্ল্ড এর যে বিষয়টা তুলে ধরতে চেয়েছিলেন সেটার আয়োজনটা বড়ো করা যেতো। • ব্যক্তিগত রেটিং: ২/৫ (বইটার প্রোডাকশন বেশ ভালো। প্রচ্ছদটাও সুন্দর লেগেছিলো। যদিও গল্পের সাথে প্রচ্ছদের মিল থাকলেও, প্রচ্ছদে দেয়া চরিত্রগুলো বিদেশি ঘরণার লাগছে, যেখানে উপন্যাসটা দেশীয় প্রেক্ষাপটে লেখা।) এক নজরে, • বই: ইনসান • লেখক: কিঙ্কর আহ্সান • ধরণ: সমকালীন উপন্যাস • প্রকাশনী: পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি. • প্রচ্ছদ: সুদীপ্ত ব্যানার্জি • প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ • পৃষ্ঠা: ৮৭ • মুদ্রিত মুল্য: ২০০ টাকা [নট রেকমেন্ডেড] ~ইয়াসির আল সাইফ"
mub****com , Mar 12, 2024
"alhamdulillah priyo boi peyechi"
Zahedul Alam Refat , Feb 28, 2024
"আজ এক বসাতেই পড়ে শেষ করলাম প্রিয় লেখকের নতুন বই ইনসান। বইটার ভূমিকা পড়তে গিয়ে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে এসেছে! আঙ্কেলের অসুস্থতা, পারিবারিক চাপ, ব্যবসার ক্ষতি, নিজের ব্যস্ততার মাঝেও লেখক আমাদের মাঝে ইনসান কে হাজির করার জন্য কৃতজ্ঞতা। জিন্দাবাজারের নতুন বাড়ীর নাম কি বলবো এই মুহুর্তে জানা নেই। তবে আপনি যে নাম দিবেন সেটা নুহাশ পল্লীর মতোই হৃদয়ে গেঁথে রাখবো আজীবন। গল্পের শুরুতে মাসুম আর সাদিয়ার যুগল জীবন নিয়ে সাদিয়ার শুশুর-শাশুড়ীর যে আবেগ ভালোবাসা দেখেছি তাতে মনে হয়েছিল মাসুম খুব সুন্দর মনের মানুষ। মাঝপথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মাসুম নিহিত হওয়ার পর সাদিয়া রহস্যের জট খুলতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে সাদিয়াকেই খুন করার জন্য মাসুম এইসব মাস্তান ভাড়া করেছিল! গুলি লক্ষ্যভেদ হওয়ায় মাসুম মারা গিয়ে সাদিয়া বেঁচে যায়। সাদিয়ার অনাগত সন্তান মিনির দিকে তাকিয়ে সে দীর্ঘদিন সময় অপেক্ষা করেছিলেন। মাসুম প্রতারক প্রমাণিত হওয়ায় ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে সাদিয়া চিরঘুমে চলে যায়। সেই সাথে তাঁর সঙ্গী হয় মিনি। মানুষের জীবন আসলেই খুব সংক্ষিপ্ত!"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ইনসান" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: