১ম প্রকাশ, ২০২২
হয়তো প্রেমেরই জন্য
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | হয়তো প্রেমেরই জন্য |
| Author | বন্যা হোসেন |
| Publisher | অনুজ প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 224 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.42 Kg |
| ISBN | 9789849675716 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Sakib , Jan 14, 2023
"#হয়তো_প্রেমেরই_জন্য #পাঠ_অনূভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ হয়তো প্রেমেরই জন্য •লেখকঃ বন্যা হোসেন •ধরনঃ রোমান্টিক, মনস্তাত্ত্বিক •প্রকাশনীঃ অনুজ প্রকাশন •প্রচ্ছদঃ মো: সাদিতউজজামান •মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৯৫ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২২৪ •প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২৩ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি যেন একটা নিত্য ব্যবহার্য বস্তু হয়ে গিয়েছে । এই যে হঠাৎ করেই মনে হলো সারাটা দিনের মোবাইল ফোনে থাকা নেট একদমই কাজ করছে না, কি করা যায়! সেই সময়েই মনে হলো একটা বই পড়া যায় । যে বই আমাকে বাধ্য করবে অন্য কিছু নিয়ে ভাবাতে, অন্য কিছু নিয়ে উপলব্ধিতে ভেসে যেতে । ঠিক সে জন্য কিনা জানি না, আমি হঠাৎ করেই একটা বই নিয়ে বসে পড়লাম । যে বইটা কবে পড়বো তা আমি কল্পনায়ও ভাবতে পারিনি এতগুলো দিনে । ♦নামকরণঃ উদাসীন অনুভবে উপলব্ধিতে একজন মানুষের জীবনে হঠাৎ করেই বন্ধুর মতো করে সম্পর্কের শুরু দিয়ে অদ্ভুত কিছু বিশেষণ আসে । যার জীবনে সম্পর্কের বিশেষণে জড়িত থেকেও ভালোবাসাকে নিজস্ব স্থানের মণিকোঠায় আবদ্ধ রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ । তার জীবনে হঠাৎ করেই সম্পর্কের ঘনঘটায় প্রেম আসলেও তা সে বুঝতে পারে অথবা একেবারেই বুঝতে চায় না । এই পরিস্থিতি কিংবা সন্দেহ নিয়েই থাকা সম্ভাবনার জোয়ারে ‘হয়তো প্রেমেরই জন্য’ এর প্রারম্ভে হয়তো শব্দটা এসেছে । যা বেশ মানিয়ে যায় । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ গ্রীষ্মের দাবদাহ আর অন্তরের পোড়া অনল প্রায় একই রকম । ছাতিম গাছটা যেন এ বাড়ির সব অন্যায়ের সাক্ষী । পত্ররাজির শীতলতার ছায়ায় মুঠোবন্দী করতে সচেষ্ট যেন পিতা পুত্রের সুসম্পর্ক তৈরি হয় । এক মা যেন তার মমতায় সাজানো সংসারে ফিরে আসে । গাছগুলোর সাথে শুভসম্ভাষণ বিনিময় শেষ হলে তিনতলার নিজস্ব ভুবনে প্রবেশ করে চন্দন । গোসল সেরে জলপাই সবুজ শর্টস আর ছাই রঙ্গা কেলভিন ক্লেইন টিশার্ট পরে আয়নার সামনে দাঁড়ায় । দাঁড়ি কাটতে গিয়ে চিবুকে সামান্য কেটেছে । আফটারশেভটা ধরল খুব । ‘জ্বলছে ? বোরোলিন লাগাতে পারো ।’ ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল কেউ নেই । কেউ থাকবার কথাও নয় । পুরো বাড়িতে আনিস চৌধুরী আর সে ছাড়া তিনজন সাহায্যকারী রয়েছে । সবাই পুরুষ । নারী স্পর্শবিবর্জিত এ বাড়িতে নারীকণ্ঠ কোত্থেকে? বৃতিকে দেখার পর থেকেই এমন বিভ্রম হচ্ছে । চন্দন আঘাত পেয়েছে জানলে মমতাময়ী মেয়েটার স্নেহের পরশ একবার হলেও পাওয়া যেতো । অথবা চন্দন জোর করে আদায় করে নিত । কী এক আলগা কাঠিন্য দেখাল বৃতি! অভিনয় করে তাকে চিনতে অস্বীকার করল । কারণটা কী ? নানা রঙের মিশেলে জীবন্ত কয়েকটি শক্তিশালী চরিত্র আর অপ্রতিরোধ্য গল্পের টান যতটা মুগ্ধ করে, ততটাই ভাবায় । ‘হয়তো প্রেমেরই জন্য’ প্রেমের গল্প হলেও আসলে জীবনেরই গল্প । ♦প্রচ্ছদঃ প্রচ্ছদ শিল্পী সাদিত ভাইয়ের করা এই প্রচ্ছদটা একদিন হঠাৎ করে নিউজফিডে দেখেই আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম । আমার মনে হয়েছিল, আমি প্রথমেই নামটার প্রতি ধাপে ধাপে আবেশিত হয়ে পড়েছিলাম । এই নামের গানটা আমার বেশ প্রিয় । যাহোক এই প্রচ্ছদটাও বেশ সুন্দর, বিশেষ করে প্রচ্ছদের সাথে রংটা বেশ মানিয়ে গিয়েছে । যা চোখে বেশ মুগ্ধতা তৈরি করে । তাছাড়া প্রচ্ছদের নামলিপিটাও বেশ বেশ সুন্দর । ♦চরিত্র বর্ণনাঃ এই উপন্যাসে বেশ অনেকগুলো চরিত্র আছে । যাদের নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে । যদিও ছোট করে লিখবো এখন । •চন্দনঃ হাসিখুশি স্বভাবের বন্ধুত্বপূর্ণ একজন মানুষ । যার জীবনে সম্পর্কের বিশেষণে বাঁধা পড়ার থেকেও নিজের জীবনে নিজেকে নিয়েই দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ানোর এক মানসিকতা আছে । •বৃতিঃ বেশ আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্ব এর সম্পর্ককে সম্মান করা একজন নারী । যার অসাধারণ আত্মসম্মানবোধ তাকে নিয়ে ভাবতে বেশ বাধ্য করে । •জিনিঃ জিনি বেশ হাসিখুশি স্বভাবের বন্ধুত্বপূর্ণ একজন নারী । যার মিষ্টি স্বভাবে সবার সাথে সে মিশে যায় । •জরিনা খালাঃ এই মানুষটির ধৈর্য বোধ অসাধারণ । জীবনের যুদ্ধে জয়ী হতে চাওয়া অসাধারণ একজন মানুষ তিনি । যার অসাধারণ সাহায্য করার মানসিকতা বেশ মুগ্ধকর । ♦টুকিটাকিঃ এছাড়াও অনেকগুলো চরিত্র আছে উপন্যাসে যারা উপন্যাসকে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ করে তোলে । আনিস চৌধুরী এর পরিবারের প্রতিটি মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার পাশাপাশি অদ্ভুত উদাসীন স্বভাব বেশ ভালো লাগায় । উদয় এর বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের পাশাপাশি বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিটি পরিস্থিতিতে সমর্থন করা বেশ ভালো লাগার মতো । তাছাড়া ওসমান এর সাহায্য করার মানসিকতা কিংবা হাসিখুশি স্বভাবে সবার সাথে মিলেমিশে থাকা বেশ সুন্দর । প্রীতা এর আদো আদো কথা বেশ মধুর কিছু স্মৃতি রাখতে সাহায্য করে । এর পাশাপাশি সুযোগসন্ধানী ইয়াসমিন কিংবা আজমল চৌধুরী উপন্যাসে বেশ অন্যরকম কিছু মুহূর্ত তৈরি করে । ♦প্রিয় চরিত্রঃ এই উপন্যাসে খুব ছোট্ট একটা চরিত্র আছে । যার অসাধারণ ছোট কিছু মুহূর্ত দিয়েই তিনি আমার প্রিয় চরিত্র হয়ে গিয়েছেন । তিনি হলেন জরিনা খালা । তার সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, ধৈর্য ধরেই জীবন কাটিয়ে দেখা তাকে প্রকৃত সম্মান দিতে বাধ্য করেছে । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √উপন্যাসের পটভূমি বেশ অন্যরকম ভাবে সাজানো হয়েছে । তেমন একটা আবহ উপন্যাসে না থাকলেও জীবনধারার চলমান গভীরতাই উপন্যাসে আবহ না থাকলেও ধাপে ধাপে আবহ এনেছে । পটভূমি হিসেবে উপন্যাসকে বেশ কিছু অন্যরকম মুহূর্ত এনেছে । জীবনধারার নতুন রকম পরিস্থিতিতে এই সমাজের পথচলার গতিকে বেশ প্রভাবিত করেছে । উপন্যাসে অহরহ বয়ে চলা কাহিনীর ঘনঘটা বেশ দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে । যা বর্তমানে সামাজিক প্রেক্ষাপটে মানুষের সম্পর্কের ওঠাপড়া কিংবা টানাপোড়েনে বেশ দেখা যায় । এই প্রেক্ষাপটে থাকা জীবনধারার কিছু পটভূমির গভীরতা আমার কোনো কোনো স্থানে কম কম লেগেছে বলেও মনে হয়েছে । এছাড়াও সম্পর্কের অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গি, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে অন্যরকম ভাবে বাঁচতে চাওয়ার প্রেমের আখ্যানে এই উপন্যাস ভেসে আসে । মুক্তিযুদ্ধের সময়ের কিছুটা প্রেক্ষাপট উপন্যাসে সামান্য সময়ের জন্য হলেও অদ্ভুত এক মনস্তাত্ত্বিক আবহ নিয়ে আসে । যা উপন্যাসকে নতুন ভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে । √এই উপন্যাসের চরিত্রের উপস্থিতি কিংবা গঠন নিয়ে আমার মনে হয়েছে আরো একটু ভালো হতে পারতো । মূখ্য চরিত্র চন্দন ছাড়া অন্যান্য প্রতিটি চরিত্রের পটভূমি অনুযায়ী জীবনধারায় আরো গভীরতা থাকতে পারতো । কিন্তু তাদের তেমন গভীরভাবে আকর্ষণ করার সুযোগ কিংবা উপস্থিতি একটু হলেও কম লেগেছে আমার কাছে । চরিত্রগুলো আসার জন্য আবহ সৃষ্টি কিংবা পটভূমিতে সংযোগ স্থাপন কিছু কিছু জায়গায় বেশ অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে । আরো সময় নিয়ে সুন্দর ভাবে চরিত্র গঠন কিংবা উপস্থিতি তৈরি করা যেতে পারতো । ♦প্রকাশনীঃ প্রকাশনী হিসেবে অনুজ প্রকাশন এর বই বাইন্ডিং আমার সব থেকে প্রিয় হয়ে যাচ্ছে ইদানিং । তারা এত সুন্দর করে বই এর পৃষ্ঠা আর বইটাকে তৈরি করে যা বেশ প্রশংসার দাবিদার । সাথে পৃষ্ঠার অদ্ভুত সুন্দর ঘ্রাণ আমাকে আরো মুগ্ধ করে । তেমন একটা টাইপিং মিস্টেক উপন্যাসে নেই । যে কারণে এই ঝরঝরে শব্দের উপন্যাসটি পড়তে বেশ লাগে । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ লেখক বন্যা হোসেন এর লেখা আমি প্রথম যেদিন পড়েছিলাম সেটি ছিল তার লেখা ‘মাইনী নদীর বাঁকে’ । আমি জানি না কেনো কোনো আশা কিংবা আকাঙ্ক্ষা ছাড়া পড়েছিলাম বলে কিনা, আমার সেই উপন্যাসটি পড়তে এত ভালো লেগেছিল আমি আজও সেই উপন্যাসটির আবহ খুঁজি । তার লেখা রূপকথন উপন্যাসটিও আমার বেশ ভালো লেগেছে । এই দুইটি উপন্যাস পড়েই আমি মুগ্ধ হচ্ছিলাম ধীরে ধীরে । বারবার মনে হচ্ছিল তার সহজ শব্দের ঝরঝরে বাক্যালাপের উপন্যাসগুলো আমার পাঠকমনকে বেশ আকর্ষিত করেছে । এই উপন্যাসটিও আমাকে তেমনই ভালো লাগাবে । এই উপন্যাসেরও কিছু কিছু দৃশ্য অসাধারণ ভাবে লেখক সাজিয়েছেন । যা বেশ মুগ্ধকর । প্রেক্ষাপটকেও বেশ দারুণভাবে দেখানো হয়েছে । তবে জীবনধারার প্রেক্ষাপটের কাহিনী গভীরতায় আরেকটু থাকতে পারতো । তবে এই উপন্যাসের শেষের পৃষ্ঠাটি আমার অনেক অনেক প্রিয় । এবং শেষের পৃষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত বাক্য প্রয়োগ আমাকে ভালো লাগায় ভাসিয়ে দিয়েছে । লেখকের পরবর্তী লেখা এবং উপন্যাসগুলোর জন্য শুভকামনা রইলো । ♦রেটিংঃ ৩.৯/৫ ♦উপসংহারঃ দেখতে দেখতে লেখকের তিনটা উপন্যাস পড়ে ফেললাম । আরো একটি উপন্যাস আমার সংগ্রহে আছে, নিভৃতি । হয়তো এরকমই কোনো একদিন হঠাৎ করে সেই উপন্যাসটিও পড়ে ফেলবো । পড়ে ফেলার পরে একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে অবাক হয়ে বসে থাকবো । হয়তো আমাকেই পাঠক মনে ভেসে যেতে বাধ্য করতে হবে ।"
উম্মে হুমাইদা মীরা , Aug 13, 2022
"লেখিকা বন্যা হোসেন এর এই বইটা পয়সা উসুল বই। আমি প্রি-অর্ডার থেকে নিয়েছি। অনলাইনে এই গল্পটার সাথে ছিলাম। অফলাইনেও আছি। যারা মনে করেন অনলাইনে ফ্রি পড়া পাঠক বই কেনে না, তাদের ধারণা মোটেও ঠিক নয়। পড়ুয়া পাঠক সব মাধ্যমের বই পড়ে। বই-ই তাদের প্রথম পছন্দ। বইয়ের নামকরণ নিয়েও প্রচুর মজা করেছি আমরা। নাম পরিবর্তন হওয়ার পরেও বইয়ের আকর্ষণ কমেনি। এই গল্পের চরিত্রদের আমরা অনেকেই চিনি। বৃতি, চন্দন, প্রীতা, তিনজন কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও সম্পর্কের গল্পটা পরিবর্তনশীল পরিবারের, পরিবর্তনময় প্রেমের। সময়ের সাথে পরিবর্তনকে মেনে নিয়ে সুন্দর পথচলার গল্প। পরিবর্তন এবং অপরাধ দুটো আলাদা ব্যাপার এখানে মুন্সিয়ানায় তুলে এনেছেন লেখক। বৃতি-চন্দনের সম্পর্ক এবং আজমলদের অপরাধ। আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে এখানে চমৎকার এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গির দেখা মেলে। বন্ধু, ভাই-বোন, বাবা-মা, মা-ছেলে, ফুপু-ভাতিজা প্রত্যেকটা সম্পর্ক একটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে পাঠকের মনে। জীবনকে ইতিবাচকভাবে দেখার একটা অনুশীলনও হয়ে যাবে এই বইয়ের ইতিবাচক চরিত্রগুলোর সাথে। শুধুমাত্র প্রীতার জন্য হলেও বইটা হাতের কাছে রাখা যায় অনায়াসে। এবং এই বইটাতে জীবন দেখা যায়। সাহিত্য সমাজের দর্পন ধরনের কথা কোথাও পড়েছিলাম বোধহয়, এই বইটা হচ্ছে জীবনের আয়না। খুব সহজে অনেক রকম জীবন এতে দেখা যায় এবং বারবার পড়া যায়। বইয়ের প্রচ্ছদ অসম্ভব রকম সুন্দর। আমার বর এবং আমি দু'জনেই প্রচ্ছদটা নেড়েচেড়ে দেখে মুগ্ধ হয়েছি। বইটা বরকে গিফট করেছি। সে এখনও পড়ার সুযোগ পায়নি। আমি সংক্ষেপে নিজের অনুভূতি জানিয়ে গেলাম। হ্যাপি রিডিং। ---উম্মে হুমাইদা মীরা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"হয়তো প্রেমেরই জন্য" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: