১ম প্রকাশ, ২০১৯
গুহা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | গুহা |
| Author | সানাউল্লাহ সাগর |
| Publisher | অনুপ্রাণন প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.35 Kg |
| ISBN | 9789849374008 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
10 Ratings and 10 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১০টি
আতিকুর ফরায়েজী , Feb 1, 2025
"বইটি পড়ে আমার বেশ ভালো লেগেছে। লেখকের জন্য শুভ কামনা।"
Shah Riar Hasan , May 26, 2021
"Failed to express exact theme of described things!"
anindodip , Mar 25, 2019
"প্রারম্ভে লিখে যাই পথরেখাঃ পথে নামতে গেলে ঠিকানা জানা থাকা ভালো। খেই হারানোর সম্ভাবনা কমে যায়। যদিও অজানার মধ্যে আবিষ্কারের আনন্দ আছে, রোমান্টিকতা আছে, এ্যাডভেঞ্চার আছে! যদি অচেনার কুয়াশায় জড়াতে জড়াতে হঠাৎ আলোর জ্বলকানী দেখে আনন্দে মনের পেখম খুলে মানতে চান তবে অহেতুক প্যাচালে কান দিয়ে লাভ নাই। আপনি গুহায় প্রবেশ করুন... এইসব পথরেখা শুধু তাদের জন্য যারা পড়ার আগে পরম্পরায় খোঁজ চান, শিকারীর চোখে পদচিহ্নের ছাপ দেখে দেখে পৌছে যেতে চান শিকারের কাছে! গুহায় প্রবেশের আগে পথচিত্র আঁকতে আপনি 'মেমসাহেব'এর সঙ্গী হতে পারেন, আপনার জন্য 'সবিনয় নিবেদন'। আবারো বলে রাখি এই পথ রেখা শুধু তাদের জন্য প্রযোজ্য যারা পরম্পরা খুঁজতে চান, ঐতিহ্যের নিরিখে বোধ নির্মাণ করেন, অগ্রজের পথ নির্দেশনাকে মনে করেন মানদন্ড। গুহার সাথে পত্র উপন্যাসের যে মিল তা শুধুমাত্র আঙ্গিকগত। উপস্থাপনার ঢঙ, ভাষার দক্ষতা, বর্ণনার ধারাবাহিকতা, চারিত্রের প্রকাশ ভঙ্গি একান্ত সানাউল্লাহ সাগরের। গুহার স্বাতন্ত্র্যতা হচ্ছে পরম্পরা সূত্র না জেনেও গুহায় প্রবেশ করতে, আবিষ্কার করতে, গুহাবাসী হতে আপনার অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই, গুহার টান আপনাকে জ্ঞানের দিকে নিয়ে যাবে! ঘটনার ঘনঘটায় হারিয়েছি খেইঃ 'গুহা'র অবয়ব চিঠির আড়ালে চতুষ্কোণ প্রেমের জাল। যেই জাল শুভ্রর আশ্রয়ে লেখক নিজেই ছড়িয়েছেন। ঋতু,সেতু,রূপা,পরী, স্বাতীর পিছনে ছুটতে ছুটতে শেষ আশ্রয়ে শুভ্র কার কাছে ফিরবে? যদিও শুভ্রকে সবচেয়ে বেশি শান্ত করতে পেরেছে স্বাতী! কিন্তু শেষ চাওয়া তো মায়ের কাছে! যে মা তাকে মা ডাক শেখার আগেই ফেলে চলে গেছে। বাবাকে ঘিরে তার আবর্তন কিন্তু একটা সময়ে এসে আমরা ঠিক বুঝতে পারিনা কিভাবে কেন্দ্রহীন হয়ে পড়ছে চরিত্রগুলো। উপলব্ধি করতে পারি শেষ পর্যন্ত মানুষ কোথাও ফিরতে পারেনা, নিজের ভেতরে পাক খেতে খেতে, স্মৃতির ভেতরে ডুবতে ডুবতে বর্তমানের আয়নায় ভেসে উঠে চমকে যাই। আমার আমিকে না চিনতে পারার বেদনায় কেটে যায় একটা জীবন! 'গুহা'র নায়ক কে? শুভ্র নাকী শুভ! নায়িকা কে?সেতু,ঋতু, রূপা, পরি না স্বাতী! আমরা একের পর এক পৃষ্ঠা উল্টে যাই, খেই হারিয়ে ফেলি। শেষ পর্যন্ত কাউকেই প্রধান চরিত্রে বসাতে পারিনা! চরিত্রের আধিক্য, নাম ও একাধিক সম্বোধন ঘটনাকে জটিল করে তোলে। পদ, পদবী মনে রেখে চরিত্র মনে রাখা কঠিনতর! কিন্তু ভাষার প্রাঞ্জলতা ঘটনাকে আটকে দেয় না। সামনে চলতে চলতে খুলে যায় জট। জট খুলতে খুলতে আমরা গুহার ভেতরে আটকে পরি। পরিশেষে আবিষ্কার করি 'গুহা'র নায়ক হচ্ছে নিয়তি আর নায়িকা মায়া। মায়া মোহে নিয়তি গাট বাঁধতে চেয়েছে, নোঙর ফেলতে চেয়েছে যে কোন হৃদ বন্দরে কিন্তু শুধুই ছুটে চলা। যদিও ঘটনার বর্ননায় স্বাতীতে কিছুটা থিতু হতে দেখা যায়। সংসার, অর্থনৈতিক ভিত ঘরে ওঠে কিন্তু অন্তঃসার শূন্যতা টের পাই! স্বাতী চরিত্রটাকে বড্ড বেশি কল্পনা মনে হয়, নিজেকে আড়াল করার উপলক্ষ্য মনে হয়। ঋতু,সেতু,রূপার কাছ থেকে আড়াল। এমনকি নিজের শান্তনার আড়াল মনে হয় স্বাতীকে। স্বাতী চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখক জীবনের নির্বাণলাভ করতে চেয়েছিলো। কল্পনা বাস্তবতার কাছে হারিয়ে যায় বলেই আশ্রয় খুঁজতে ফিরে আসতে হয় পুরনো প্রেমিকার নামে। শেষ ভরসায় শুধুই মা! অপ্রাপ্তির বায়োডাটা লিখে যাই মহাকালঃ পাঠ উপলব্ধিতে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির বায়োডাটা লিখে রাখতে পারি। লিখতে পারি আত্মতৃপ্তির ঢেকুর! মহাকাল লিখে রাখা যায়না। সমালোচক মহাকালের লিজ দিয়ে দেন কাউকে কখনো, তবে তার বাস্তব সত্যও আমাদের জানা আছে! ইদানিং দেখা যাচ্ছে মোটা অংকের টাকায় এইসব বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে! আখেরে কি হয় জানা যায়নি তবে কালে এইসব সার্টিফিকেটে মুড়িমুড়কি বিক্রি হচ্ছে! রেডিও-টেলিভিশন-খবরের কাগজে কনডমের বিপরীতে লেখকের হাসিমুখ। এই সব বিজ্ঞাপনের বাইরে 'গুহা' আবিষ্কার করতে হয়! প্রথম পাঠে চমকে যেতে হয়! ভাঙনের ঘোরে শেষ পৃষ্ঠায় এসে আবার উল্টে নিতে হয় পাতা, মনের পাতায় লিখে রাখতে হয় ঝড়! এইসব ঝড় কতদূরে পৌছে যাবে...অঙ্কে কাঁচা! ভালো লাগা, ভালোবাসা লিখে যাই মহাকাল..."
Simanto Helal , Mar 25, 2019
"সানাউল্লাহ সাগর মূলত কবিতার মানুষ। কবিতায় নিজেকে প্রমান করেছেন সময়ের মেধাবী কবি হিসেবে।' গুহা' সানাউল্লাহ সাগরের নতুন পরিচয়েরর প্রকাশ। কবি থেকে কথাসাহিত্যিক হওয়ার মাইলফলক হয়ে থাকবে গুহা। তাই গুহা নিয়ে আমাদের আগ্রহ ও প্রত্যাশার কমতি ছিলোনা। তাই মেলায় গিয়ে কিনে আনলাম। চিঠি চালাচালির এই সময়ে গুহা পাঠককে পত্রের সম্মোহনি আবেগে প্রবেশ করার স্বাদ দিতে সক্ষম হয়েছে। উপন্যাসের গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে প্রত্রোপন্যাস পাঠের নতুন স্বাদ দিতে পারবে আশা করি। বইটি অন্তত পত্রপোন্যাসের নতুন ধারার বই হিসেবে সংগ্রহে রাখার মতো বই। তাই আর দেরি না করে গুহা সংগ্রহ করা উচিত।"
Tanjima Trisha , Mar 25, 2019
""গুহা"-সানাউল্লাহ সাগর। আপনার লেখা গল্প পড়ে প্রথম ভালো লাগে প্রায় দুইবছর আগে।এরপরে আপনার অনেক গল্প শুনেছি,পড়েছি।"গুহা"নিয়ে আপনার মতো আমিও খুব আশাবাদী ছিলাম।কিন্তু এটা পাঠকের কাছে কতদুর পৌছেছে জানিনা।তবে যাদের কাছে এখনো পৌছায় নি, আমার মত একজন 'না পাঠকের' মনে হয় খুব তাড়াতাড়িই পৌছা উচিত।উপন্যাসের শেষে এসে কাঁদতে বাধ্য হয়েছি।বুঝে কেঁদেছি কি না বুঝে কেঁদেছি জানিনা তবে 'ফিল' করে কেঁদেছি। উপন্যাস, গল্প এসব পড়ার মতো ধৈর্য্য আমার খুব কমই আছে,তারপরও পড়া শুরু করলাম,কখন শেষ হয়ে গেলো বুঝিনি।না পড়লে সত্যিই শেষ এ এসে ফিল করতে পারতাম না উপন্যাসটা। পরের উপন্যাস এর অপেহ্মায় রইলাম। "গুহা" সব পাঠকের কাছে পৌছে যাক,এই প্রত্যাশায়... ' --একজন না পাঠক।'"
Monalisa Munmun , Mar 25, 2019
"চিঠি আমার খুব প্রিয়। চিঠি লিখতে ও পড়তে ভাল লাগে। কিন্তু এখন তো সবাই চ্যাট করে। ইমেইল করে। ইস্ আমাকে যদি কেউ চিঠি লিখত? প্রায়ই এমন কথা ভাবি। মনে মনে অপেক্ষা করি প্রিয় মানুষের চিঠির জন্য। কিন্তু সবাই বিজি। কারও সময় নাই চিঠি লেখার। গত কয়েকদিন আগে সানাউল্লাহ সাগরের গুহা উপন্যাস পড়লাম। চিঠি পাওয়ার তৃপ্তি পেলাম। অশ্লীল শব্দ আর ধর্ম সম্পর্কে উল্টাপাল্টা চিন্তা বাদে সবকিছুই ভাল লেগেছে। পরবর্তী উপন্যাসের অপেক্ষায় থাকলাম।"
riaz hosen , Mar 24, 2019
"অনেক বছর পর চিঠি পড়লাম। তাও আবার প্রেমের চিঠি। খুব ভালো লেগেছে। চিঠিগুলোর মধ্যে শুধু প্রেম নয় কিছুটা বিষাদও আছে। তবে ভালো লেগেছে গুহা উপন্যাসের গল্প। কিন্তু লেখক একটি উপন্যাসের মধ্যে এতো গল্প দিয়েছেন যে চরিত্রগুলো চিনে রাখা কষ্টকর হয়ে যায়। তারপরও লেখকের প্রথম উপন্যাস হিসেবে অনেক ভালো লিখেছেন বলা যায়। তবে অশ্লীল শব্দগুলো না থাকলে ভালো হত। আর মুয়াজ্জিনকে এভাবে ছোট করা উচিত হয়নি। একটি মুসলিম দেশের লেখক হিসেবে তার কাছে আমরা এটা প্রত্যাশা করি না।"
tahmida moni , Mar 23, 2019
"হয়তো প্রথম দিকে একটু বিরক্ত লাগতে পারে উপন্যাস টি পড়ে কিন্তু পুরোটা পরার পর সেই ভুল টা ভেঙে যাবে। এটাই হয়তো একজন লেখকের লেখার আর্ট। আমাদের সমাজে যখন একটা মেয়ে খুব খারাপ পথে চলে যায় তখন আমরা তাকে নষ্ট, বেশ্যা এসব বলে গালি দেই। কখনো খুজে দেখিনা তার এই পথে আসার কারন। প্রত্যেক টা মেয়ে ই চায় সুন্দর করে বাঁচতে ।কিন্তু সবার হয়ে উঠেনা। কি দোষ ছিলো এই গল্পের মেয়েটির? একবার নয় 2 বার নয় বার বার তাকে ঠকতে হয়েছে। আর যখন তার দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তখন আর নিজেকে মানুষ বলে মনে হয়নি। এভাবে রিতু, সেতু, স্বাতী সবাই কে ঠকতে হয়েছে। আসলে আমাদের সবার মধ্যেই কোন না কোন কষ্ট লুকিয়ে থাকে। তেমনি এদের ও ছিলো না পাওয়ার কষ্ট । ভালো থাকার জন্য সবাই অভিনয় করে কিন্তু পুরোটা ভালো কেউ ই থাকতে পারেনা। পেছনের ভুল গুলো যখন উপলব্ধি করে তখন আর শুধরানোর সময় থাকেনা। প্রতিটা চরিত্র ই ছিলো এখানে এক একটা মানুষের মনের কোনে লুকিয়ে থাকা কষ্টের স্মৃতি । তাদের কে কাঁদিয়ে সেই কষ্ট টা কিছু কমাতে চেয়েছে এটাই হয়তো একজন লেখকের স্বার্থকতা।"
samina rahman , Mar 23, 2019
"যাদের সস্তা বই এড়িয়ে ভালো বইয়ের প্রতি আগ্রহ আছে তারা এই বইটি কিনতে পারেন। আর যাদের চিঠি পড়ার প্রতি আগ্রহ আছে তারাও চোখ বন্ধ করে গুহা কিনতে পারেন। কারণ এই উপন্যাসের পুরোটাই চিঠিতে লেখা। প্রথম দিকে গল্পের মধ্যে ঢুকতে একটু কষ্ট হতে পারে। আবার কিছু স্ল্যাং শব্দের ব্যবহারে বিরক্তও হতে পারেন। কিন্তু পড়া থামিয়ে দিবেন না। যতেটা সামনে যাবেন ততই মনে হবে গুহার মধ্যে ঢুকে পরছেন। মনে হবে এ যেন চেনা জগতের মধ্যেই এক অচেনা জগত। আবার কখনো শুভ্র ও সেতুর ধর্মীয় চিন্তা আপনার হজম নাও হতে পারি। কিন্তু নিজেকে তার জায়গায় রেখে চিন্তা করে দেখবেন আপনি তাদের থেকে আরো কঠিন করে ভাবতেন। শুভ্র, সেতু, ঋতু, পরি, স্বাতী বা শুভ্রর মা-বাবা কেউই আমাদের অপরিচিত চরিত্র না। কিন্তু লেখক এদের ভেতরের কথাগুলোকে এমনভাবে সামনে নিয়ে এসেছেন যে আপনার মনে হবে সত্যিই তো তাই ! এরকমই তো হচ্ছে। উপন্যাসটি পড়তে পড়তে কখন যে গল্পের আড়ালে মাকে খুঁজতে থাকবেন তা নিজেও টের পাবেন না। নিজের অজান্তেই চোখের পাতা ভিজে যাবে। শেষ পর্যন্ত না কেঁদে পারবেন না।"
Sujit Sajib , Mar 3, 2019
"গুহা উপন্যাসটি অসাধারণ। সানাউল্লাহ সাগর বিংশ শতকের শেষ ভাগ ও একবিংশ শতকের শুরুর সময়ের কাছাকাছি কিন্তু দুই অচেনা মনোভাবনাকে মিলিয়ে মিশিয়ে একাকার করেছেন তার উপন্যাসে। এমন কাজ বাংলা সাহিত্যে বিরল। এছাড়া আমাদের চিরচেনা প্রেমের অন্তর্মুখী অচেনা জগতের একটি দ্বার খোলার চেষ্টা লেখক করছেন, এটি আমার বেশ লেগেছে। এমন ভাবে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটকে সাহিত্যে তুলে আনাটা অনেক সাহসী পদক্ষেপ। যে কাজটিতে লেখক পুরোপুরি না হলেও অনেকাংশেই সফল হয়েছেন। শুভ কামনা সানাউল্লাহ সাগরকে, এমন একটি উপন্যাস আমাদের সামনে নিয়ে আসার জন্য।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"গুহা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: