১ম প্রকাশ, ২০২৩
গ্রিন কফি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
সোহাইল রহমান
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
প্রেমের গল্প
হুমায়ূন আহমেদ
জীবন জাগার সিরিজ -৬ (আমি যদি পাখি হতাম)
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | গ্রিন কফি |
| Author | সোহাইল রহমান |
| Publisher | ভূমিপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.29 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
16 Ratings and 12 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১২টি
MM Rahman , Mar 4, 2025
"facebook writer should stay on facebook."
Rabbi Talukder , Jan 8, 2025
"ফেসবুক পোস্ট হিসেবে যথেষ্ট উপভোগ্য.... বই আকারে ক্ষেত্রে পাঠকের প্রত্যাশা একটু বেশি থাকে."
Zamsedur Rahman , Dec 11, 2023
"“তাজমহল প্যারিসের একদম প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। সবে সূর্য উঠেছে। এখনই গরম শুরু হয়ে গেছে। ইস্তাম্বুলে যেমন ঠাণ্ডা, ফ্রান্সে তেমন গরম। প্রকৃতির কী অদ্ভুত খেয়াল। মাত্র আঠারো কিলোমিটার জায়গা পার হলেই বদলে গেছে আবহাওয়া। সকালে পরে আসা ভারী শীতের পোশাক খুলে ফেলা লাগল সবার। সূর্যের আলোয় চকচক করছে তাজমহলের চূড়া। মরক্কোর সম্রাট শাহজাহানের অপূর্ব এক স্থাপত্যের নিদর্শন এই তাজমহল। শোনা যার সম্রাট উনার স্ত্রীদের ঝামেলা থেকে শান্তি পাওয়ার জন্য তাজমহল নির্মাণ করেন। এখানকার প্রত্যেকটা ঘর সাউন্ড প্রুফ। আরেক ঘর থেকে সম্রাটের স্ত্রী যতই বকবক করুক, কিছুই সম্রাটের কানে আসবে না। আহা! কী দুর্দান্ত নির্মাণ।” সামান্য এই কয়েকটা লাইন পড়েই যারা কপাল কুঁচকে, চোখ উল্টে, ঠোঁট বাকিয়ে ভাবা শুরু করেছেন- ‘আরে ভাই এসব কী? পাগল টাগল হলেন না-কি? অদ্ভুত তো!’ তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ‘রুকো জারা! সবুর করো। পিকচার আভি বাকি হ্যায়।’ এটা তো কেবলই একটি গল্পের অংশ ছিল। বইয়ের নাম বললে আরেকবার অস্ফুটস্বরে বলতে হবে- অদ্ভুত তো! জি হ্যাঁ, খানিক অদ্ভুতই বটে। কারণ বইয়ের নাম ‘গ্রিন কফি’। গ্রিনটি কিংবা ব্ল্যাক কফি নয়। এমনকি টি-কফির সঙ্গে বইটির শত আলোকবর্ষ দূরত্বের কোনো সম্পর্কও নেই। তাহলে বইয়ের এমন অদ্ভুত নাম কেন? খুব সিম্পল জবাব। বইয়ের গল্পগুলো অদ্ভুত, তাই। অন্তত লেখকের সেটাই দাবি। লেখক কেন এমন দাবি করেছেন, সে প্রসঙ্গে যাবার পূর্বে চলুন গল্পগুলো সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাক। তারপর নাহয় আপনারাও বিচার করবেন, গল্পগুলো কতটা অদ্ভুত! (স্পয়লার ফ্রি বর্ণনা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করব। সেইসাথে নিজের অভিমত জানাব। তবুও যদি ঈষৎ পরিমাণে স্পয়লার হয়ে যায়, এলাকার ছোটভাই ভেবে ক্ষমা করে দেবেন; আর হাতে তুলে দিবেন দুই টাকা দামের চকোচকো) ০১। ভিটামিন ডি: অনিক-নীতুর মিষ্টি প্রেমের গল্প। খালুর খামখেয়ালী আর খালার হেয়ালীপনার মাঝখান দিয়ে ব্যাঙের ছাতার মতো অনিকের প্রেম গজিয়ে ওঠে। চাওয়া পাওয়া এবং আশা প্রত্যাশার জট বাঁধলেও শেষপর্যন্ত সবকিছুর সমাধান মিলে যায়। রম্য রোমান্টিক টোনে লেখা। পড়ার পর পাঠকও ভিটামিন-ডি এর অভাব অনুভব করবে। তবে গল্পটা একটু বেশিই প্রেডিক্টেবল। ০২। অদ্ভুত মন: আবার প্রেমের গল্প। এবার তামিম-ফারিয়া। এটা ঠিক রম্য নয়। খুব সিম্পল, স্বাভাবিক একটি গল্প। লেখকের ভাষায়- কারো জীবনের সঙ্গে মিলে গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না টাইপ গল্প। চরিত্রের মাঝে যেমন মুড সুইং দেখতে পাওয়া যায়, পড়ার সময় পাঠকের মাঝেও মুড সুইং দেখা যেতে পারে। গল্পের শেষদিকে হালকা মোড় থাকলেও তা সঠিক রাস্তায় নিয়ে যায় না। এভারেজ টাইপ। ০৩। অনুভূতি সমগ্র: আবারও প্রেমের গল্প। এবার আসিফ ও তৃণা। তবে প্লট একটু ব্যতিক্রম। বইয়ের সবচাইতে বড় গল্পও এটি। হতদরিদ্র, হতভাগা আসিফের স্ট্রাগলের শেষ নেই। পরিবার ও প্রিয় মানুষদের আগলে রাখার জন্য একটা চাকরি তার বিশেষ দরকার। কিন্তু চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে অদ্ভুত মানুষের খপ্পরে পড়ে। ছোট্ট এক শর্তে কোটিপতি হবার সুযোগ পায়। যার ফলাফল আসিফের সবকিছু ওলট-পালট করে দেয়। গল্পের শুরুটা সাদামাটা মনে হলেও শীঘ্রই তা ভিন্নদিকে মোড় নিতে শুরু করে। পুরোপুরি রম্য হয়নি। তবে ফিল-গুড টাইপ গল্প। ০৪। মুহূর্ত: ওয়ান্স এগেইন, প্রেমের গল্প। এবার অনিক-তিথি। বইয়ের গল্পগুলো উদ্ভট আর রম্য দাবি করা হলেও এই গল্পটি তার কোনো কাতারেই পড়ে না। এটি রোমান্টিক ধরনের, খানিকটা বিষাদময়। তবে বেশ সুন্দর। লেখক ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন, গল্পটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘স্বপ্ন লজ্জাহীন’ উপন্যাস হতে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা। ০৫। একটি ভ্রমণ কাহিনি: বইয়ের সবচাইতে উদ্ভট গল্প। আবার ঠিক গল্পও নয়, ভ্রমণ কাহিনি আরকি! লেখক তার মনের মাধুরী মিশিয়ে দেশ-বিদেশ, বিভিন্ন স্থাপনা, ঐতিহাসিক নিদর্শন, ইতিহাস সংস্কৃতির সাড়ে সর্বনাশ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি তো ভীষণ মজা পেয়েছি। হাসতে হাসতে মূর্ছা যাচ্ছিলাম বারবার। কিন্তু যারা ভ্রমণপিপাসু, টুকটাক ভূগোল ও ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন; তারা এটি পড়ার পর সপ্তাহখানেক অজ্ঞান থাকলে অবাক হবো না। পড়ুন এবং নিজের চুল ছিঁড়ুন। ০৬। হিরো: ভাইরে, আবারও প্রেমের গল্প। এবার হাসান ও মহুয়া। অবশ্য এই গল্পে প্রেম জমে ক্ষীর হয়নি। ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হবার পরেও জীবনে একজন সত্যিকারের হিরো হওয়ার সাধ কম-বেশি সবারই থাকে। আর তাইতো সাড়ে ছয় বছর পর প্রাক্তনের সঙ্গে দেখা হলে হাসান নিজেকে হিরো হিসেবেই তুলে ধরে। আসলে বাস্তবতা যেমনই হোক, ভাবনা কিংবা কল্পনার রাজ্যে আপনি-আমি সবাই হিরো। না-কি হিরোইন, কে জানে! ০৭। বউয়ের বিয়ে: বর্তমান সময়ের আলোচিত ইস্যু- ডিভোর্স। আর এ নিয়ে লেখক যেন বহুকাল আগে থেকেই ভাবনাচিন্তা করছেন। যার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে গল্পটিতে। ডিভোর্স সংক্রান্ত জটিলতা এবং তার সমাধান খুঁজে গল্পে রীতিমতো প্রয়োগও করেছেন। যেখানে দেখা যায়, শ খানেক বছর পর নিয়ম তৈরি করা হয়েছে প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর স্বামী-স্ত্রী পুনরায় পৃথক বিয়েতে অংশ নেবে। একবার চিন্তা করেন অবস্থা। চিন্তা করতে না চাইলে গল্পটা অন্তত পড়ে দেখুন। ভেরি ইন্টারেস্টিং। ০৮। ভূত হওয়ার সহজ উপায়: ট্রেন জার্নিতে আজহার সাহেব এক অদ্ভুত লোকের পাল্লায় পড়েছেন। যে কিনা গায়েপড়ে এসে ভূত হবার উপায় বাতলে দিচ্ছে। শুধু কি তাই? ভূত হবার কতরকম সুযোগ-সুবিধা, একের পর এক তার বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটি হতে পারতো আদর্শ ভুতুড়ে গল্প। কিন্তু আফসোসের বিষয়, গল্পটা জমেনি। হুট করেই শুরু, হুট করেই শেষ। বইটা শেষ করার পর মনে হয়েছে, এটা যেন জোর করে ঢোকানো। যা বাদ দিলেও বইয়ের বিশেষ কোনো ক্ষতি ছিল না। ০৯। বারো এপ্রিল: আমরা অনেকেই কুসংস্কার, সুপারন্যাচারাল ঘটনা কিংবা অন্ধ বিশ্বাস পুষে রাখি। বিশেষ কোনো ব্যাপারে এমন বিশ্বাস তেরি করি, যা কেউ খণ্ডন করতে পারে না। অনেকটা রাশিফলের মতো, যারা নিউমারলজি অনুসরণ করেন; তারা বিশেষ সংখ্যায় বিশ্বাসী। এই গল্পের প্রধান চরিত্রও তেমন। তার কাছে সংখ্যাটা ১২, এপ্রিল মাসের বারো তারিখ। যার সঙ্গে জীবনের সাফল্য, প্রেম, সংসার, পেশা, জরুরি সবকিছু জড়িত। আপনি যদি কো-ইন্সিডেন্স ব্যাপারটাতে সামান্য হলেও বিশ্বাস রাখেন, তাহলে সেটাকে মগবাজার টু মঙ্গলগ্রহে নিয়ে যাবে গল্পটা। ১০। একটি চিরায়ত প্রেমের গল্প: বাংলা সাহিত্যে প্রেম-ভালোবাসা যেন গদবাঁধা নিয়মে আটকা। ঘুরেফিরে একই কাহিনি, একই বর্ণনা। যেখানে নায়ক ভরদুপুরে অসম্ভব রূপসী, দেখতে অপ্সরীর মতো নায়িকার প্রেমে পড়ে। শুরু হয় আদিখ্যেতা, সংগ্রাম, ভালোবাসার লড়াই। শুধু কি সাহিত্য? গল্প, উপন্যাস থেকে শুরু করে নাটক, সিনেমা, সিরিজ সবখানে একই ক্যাচাল। কিন্তু এই গল্পের আবির চরিত্রটা একদম ভিন্ন। সেকেলে প্রেম-ভালোবাসায় সে বিশ্বাসী নয়। তার পরিবর্তন দরকার, নতুন কাহিনি দরকার। কিন্তু গল্পের মারপ্যাঁচে পড়ে সে এতটুকু স্পষ্ট উপলব্ধি করতে পারে, কাল্পনিক জগৎ আর বাস্তব জগতে বিস্তর ফারাক আছে। এরপর কী হয়? জানতে হলে পড়তে হবে। ইউনিক আছে গল্পটা। শেষের দিকে ব্রেকিং দ্য ফোর্থ ওয়ালের যে টুইস্টটা, এক কথায় অসাধারণ। ১১। পাশাপাশি দুইজন: মাসুম ও জায়েদ দুই বন্ধু। তাদের একসাথেই বেড়ে ওঠা, একসাথে লেখাপড়া, একসাথে ফেল করা... মানে সবকিছুই একসাথে। যেন দুটি দেহে একটি প্রাণ। আর সেই প্রাণ নিয়েই টানাটানি লেগে যায় যখন তারা ‘কৌন বানেগা আলসেমির রাজা’ টাইপ কার্যক্রম শুরু করে। গল্প বাঁকবদল করলে আরও চরিত্র যুক্ত হয়। তখন গিয়ে পরিষ্কার হয় মূল কনসেপ্ট। তুলনাহীন এই গল্পই শেখাবে ‘তুলনা করতে নেই’। ১২। দাবাড়ু: স্যোশাল সাইটে এখন হরহামেশাই আইওয়াশ, ডাবল মিনিং, মাইন্ড চেক টাইপের ছবি বা পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়। তা দিয়ে আপনার চিন্তাধারা স্বাভাবিক না-কি নোংরা, সেটার পরীক্ষা চলে। যেমন খুব কমন একটা ভাইরাল টেম্পলেট হলো- ‘লিজেন্ডরা বুঝবে, বাকিরা খুঁজবে’। এতকিছু বলছি কারণ, গল্পে শারমিন ও মনির অফিস কলিগ। যারা নিজেদের পৃথক পরিবার থাকা সত্বেও হোটেল ভাড়া করে একসাথে সময় কাটায়। নাহ, যা ভাবছেন তা নয়। তারা মূলত খেলে! ভাইরে, বোনরে; প্লিজ গালি দিয়েন না। তারা কী খেলে, সেটা গল্প পড়লেই বুঝতে পারবেন। আর গল্পের যেমন বর্ণনা, পড়ার পর নিজের মন ও ভাবনাকে ইচ্ছেমতো তুলোধুনো করতে ইচ্ছে করবে। মারাত্মক এক্সিকিউশন। ১৩। শখের গোয়েন্দা: মারুফ আহমেদ ছোটবেলা থেকেই গোয়েন্দা গল্প-উপন্যাস পড়ে। ব্যাটা নিজেও গোয়েন্দা হবার জন্য একপায়ে খাড়া। সুযোগ বুঝে ‘নো মোর সিক্রেট ডিটেকটিভ হাউজ’ নামে একটা সংস্থাও খুলে বসে। কথায় আছে- শখের তোলা আশি টাকা। তাই শখের পেছনে ছুটতে গিয়ে হুজুগে ঝাঁপিয়ে পড়ে এলাকার এক খুনের তদন্তে। তারপর যা ঘটে, জানার পর হাসবেন না কাঁদবেন ঠিক বুঝেই উঠতে পারবেন না। অস্ফুটস্বরে মুখ থেকে হয়তো বেরিয়ে আসবে- ‘বিশ্বাস করবেন না রাসেল ভাই, একেবারে যা-তা অবস্থা!’ ১৪। ম্যাসেজ: শেষ গল্পটা মোটামুটি ধরনের। তমাল নামের একটি ছেলে সবকিছুতেই শিক্ষণীয় কিছু খোঁজে। ম্যাসেজ বা বার্তা, শিক্ষা পাওয়া যাবে এমন আশায় নাটক-সিনেমা দেখে, গল্প-উপন্যাস পড়ে, গেমস খেলে, ফেসবুক চালায়। সবই করে, শুধুমাত্র স্কুল-কলেজে যায় না। এরপর ঘটনাক্রমে রম্যলেখক সোহাইল রহমানের পাল্লায় পড়ে এবং তাকে আলোর পথে আনার চেষ্টা-তদবির চালায়। বইয়ে শিক্ষণীয় কিছু না থাকলেও এই গল্পের শেষ কয়েকটি লাইনে শিক্ষণীয় কিছু দেওয়ার বৃথা চেষ্টা করা হয়েছে। এই ছিল বইয়ের ১৪টি গল্প। অল্পবিস্তর জানলেন তো। এবার পুরো বই নিয়ে কিছু বলার পূর্বে ভিন্ন একটি প্রসঙ্গে আলোকপাত করতে চাই। বইটি প্রকাশের পর থেকে গুডরিডস, প্রগতি সাইটসহ বিভিন্ন গ্রুপে এটির রিভিউ পড়ে যা বুঝতে পেরেছিলাম, পাঠকদের বৃহৎ একটি অংশ কিঞ্চিত হতাশ হয়েছেন। এবার যখন আমিও পড়লাম, হতাশার কারণসমূহ অনুসন্ধানের চেষ্টা করলাম। সবচাইতে বড় যে লুপহোলটি নজরে এসেছে, তা হলো- প্রগতিতে বইটির জনরা দেওয়া আছে ‘রম্য গল্প’। প্রকাশনী এবং লেখকও রম্য গল্পের বই হিসেবে ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং করেছেন। আর লেখক যখন সোহাইল রহমান, নিঃসন্দেহে পাঠকের এক্সপেক্টেশন ছিল তারা আগাগোড়া রম্য গল্পের বই পেতে যাচ্ছে। কেননা বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় রম্যলেখক বলতে সবার প্রথমে সোহাইল রহমানের নামই আসে। অথচ বইটি পড়ার পর আমার মনে হয়েছে, এটি পুরোপুরি রম্য গল্পের বই নয়। আবার এটাকে সমকালীন গল্পগ্রন্থও বলা যায় না। কেননা সমকালীন গল্প এরকম অদ্ভুত বা উদ্ভট হয় না। আমার ধারণা, লেখক এখানে যৎকিঞ্চিত এক্সপেরিমেন্ট করেছেন। নিজের চিরাচরিত গল্প বলার ঢং থেকে বাইরে গিয়ে ভিন্ন কিছু লিখতে চেয়েছেন। তাই রম্যের চাইতে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে প্রেম-ভালোবাসা, জীবনের অতি সাধারন ঘটনার ভিন্ন উপস্থাপন। জনরাও তাই রম্য থেকে কখনো স্যোশাল, রোমান্টিক, ফ্যান্টাসি, সাইফাই, থ্রিলারে শিফট হয়েছে। হ্যাঁ, প্রতিটি গল্পেই লেখকের সিগনেচার লিখনশৈলী ও সেন্স অব হিউমারের উপস্থিতি ছিল। কিন্তু তারপরও প্রতিটি গল্প রম্য ছিল না। এমনকি বেশকিছু গল্পে যত্নের অভাবও ছিল। সেইসাথে ছিল এক্সিকিউশনের তাড়াহুড়ো। পাঠকের হতাশ হবার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। তাই অনেকেরই হয়তো রম্য গল্প পড়ার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। কিন্তু তাই বলে কি বইটি বাজে হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে বই নিয়ে আমার অনুভূতি জুড়ে দিচ্ছি। প্রতিটি লেখকেরই নিজের পছন্দ অনুযায়ী লেখার স্বাধীনতা রয়েছে। নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে ভিন্ন কিছু লেখার অধিকার রয়েছে। সোহাইল রহমান ‘গ্রিন কফি’তে ঠিক সেটাই করেছেন এবং ব্যাপারটিকে সাধুবাদ জানাই। এই প্রথম তার চিরাচরিত রম্যের বাইরেও ব্যতিক্রম কিছু পড়ার সুযোগ হলো। তবে এখানে বড় দুটি প্রশ্নও তৈরি হয়। রম্য লেখক হিসেবে সোহাইল রহমান কেমন? উত্তর- অনবদ্য। কিন্তু গল্পকার হিসেবে? এই বই বিবেচনায় তিনি খুব সহজেই পাশ নম্বর পাবেন। কিন্তু ভালো নম্বর দেওয়া মুশকিল। গল্পগুলো নিয়ে লেখকের আরও চিন্তাভাবনা করা উচিত ছিল। আরেকটু যত্ন ও সময় দিলে বইটি অসাধারণ হতে পারতো। অভার-অল কেমন ছিল পাঠ অভিজ্ঞতা? আমার তো বেশ ভালোই লেগেছে। সুন্দর সময় কাটিয়েছি বইয়ের সঙ্গে। বানানে বেশকিছু ভুল ছিল। তবে সেটা নজর আন্দাজ করাই যায়। এই জমানায় লেখকেরা যেখানে থ্রিলারের পেছনে ছুটছেন, বাকিদের কেউ কেউ বইয়ের মাধ্যমে শিক্ষণীয় বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, আর কেউ-বা সুযোগ পেলেই জ্ঞান কপচে যাচ্ছেন; সেখানে ব্যতিক্রম এই লেখক বইয়ের প্রচ্ছদেই উল্লেখ করে দিয়েছেন- ‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই বইয়ে শিক্ষণীয় কিছু নেই।’ কথা সত্য। তবে বইতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিনোদন রয়েছে। এই ব্যস্ত শহরে, শত ঝুট-ঝামেলার মাঝে খানিক হাসিখুশি সময় কাটাতে চাইলে গ্রিন কফি নিয়ে বসে পড়তে পারেন। চমৎকার প্রোডাকশনে বইটি প্রকাশ করেছে ভূমিপ্রকাশ। প্রচ্ছদ করেছেন পরাগ ওয়াহিদ। খুব সহজেই ঘরে বসে বইটি প্রগতি সাইট থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। . বই: গ্রিন কফি লেখক: সোহাইল রহমান প্রচ্ছদ: পরাগ ওয়াহিদ প্রকাশনী: ভূমিপ্রকাশ মুদ্রিত মূল্য: ৩৬০ টাকা"
Saif Islam , Aug 31, 2023
"nice book"
Md. Mahamudun Arif Joy , Aug 25, 2023
"nice read"
Md.Sharif Al Mahmud , Aug 11, 2023
"এক স্টার এর কম দেয়ার উপায় থাকলে ভালো হতো মাইনাস হইলে আরো ভালো। পুরাই হতাশ, আসলে এই রকম গল্প ফেসবুকের জন্যই ভালো বই আকারে পড়ার জন্য নয়। সময় এর অপচয়।"
Md Nadim Hassan , Feb 22, 2023
"আগের দুইটা বই এর চেয়ে ভালো ছিলো। তবে সোহাইল এর রসবোধ বরাবরই উচ্চমানের।"
Ashraful Alam , Feb 10, 2023
"খুব আগ্রহ নিয়ে বইটা পড়েছি। কিন্তু মজা পেলাম না। লস আইটেম। আমি গল্প এবং গল্প লেখক দুটোকে নিয়েই হতাশ। ভবিষ্যতে দুই জনেরই উন্নতি কামনা করছি। ধন্যবাদ।"
Onsua , Jan 23, 2023
"waiting"
Rukaiya Sharif Rushi , Jan 11, 2023
"Finally! 🤩"
Monjur A Sharif Gourob , Jan 11, 2023
"Big fan of Sohail bhai's sense of humour, can't wait to get this book 🖤"
foysal , Jan 10, 2023
"অধীর আগ্রহে বসে আছি।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"গ্রিন কফি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: