১ম প্রকাশ, ২০১৯
এরচেয়েও বেশিকিছু, অতঃপর....
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | এরচেয়েও বেশিকিছু, অতঃপর.... |
| Author | আবিয়ার মারিয়া |
| Publisher | ছাপাখানা প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 128 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.35 Kg |
| ISBN | 9789843469847 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
13 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Mahin Taraji , Mar 18, 2021
"বই টা খুবই সুন্দর, মনকাড়া একটা প্রচ্ছদ। এটা একটা রোমান্টিক উপন্যাস।"
Novera Ahmed , Dec 22, 2019
"ভালো লেগেছে। সামনে আরো ভাল কিছু চাই"
Reshmee Md. Rafique , Dec 20, 2019
"পাঠ প্রতিক্রিয়া মুলত বইয়ের পাতায় আবদ্ধ লেখাগুলোকে নিয়ে হলেও সবার আগে আমি বইটার বাহ্যিক মান সম্পর্কে বলতে চাই। খুব সুন্দর, মনকাড়া একটা প্রচ্ছদ। এই প্রচ্ছদ শিল্পীর আরো কয়েকটা প্রচ্ছদ আমি দেখেছি। সবগুলোই সুন্দর! ভালো লেগেছে প্রচ্ছদের উপর বইয়ের নাম লেখার ধরণটাও। “বেশিকিছু” শব্দটা হাইলাইট এবং বোল্ড করা হয়েছে। এটা আমার কাছে শুধুমাত্র একটা স্টাইল মনে হয়নি। বরং মনে হয়েছে “বেশিকিছু” শব্দটার উপর জোর দেবার সাথে বইয়ের লেখাগুলোর কোনো সম্পর্ক আছে বলেই এটাকে হাইলাইট এবং বোল্ড করা হয়েছে। পরবর্তীতে বইয়ের পাতা উল্টাতে গিয়ে এর যথাযথ প্রমাণ পেয়েছি। সাধারণতঃ প্রচ্ছদশিল্পী কোনো বইয়ের প্রচ্ছদ আঁকতে গিয়ে বইটা সম্পুর্ণ পড়েন না। প্রকাশক অথবা লেখক তাকে উপন্যাসের সারমর্ম বলেন। তার উপর ভিত্তি করেই প্রচ্ছদ আঁকা হয়। কিন্তু এই বইটার ক্ষেত্রে আমার কেন জানি মনে হয়েছে, প্রচ্ছদ আঁকবার আগে প্রচ্ছদশিল্পী অবশ্যই পুরো উপন্যাসটা পড়েছেন এবং আমরা পাঠকরা উপন্যাস পড়ার পর যেমন পাঠ প্রতিক্রিয়া জানাই, তেমনি তিনিও তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তার কাজে। এবারে বলি প্রকাশকের কাজ নিয়ে। তিনি বইটা খুব যত্নের সাথে ছাপিয়েছেন। লেখকের কাছে যেমন বইটা একটা সম্পদতুল্য, তেমনি তিনিও বইটাকে নিজের সম্পদ ভেবেই কাজ এগিয়েছেন। বইটাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে এবং বইটা পড়ার সময় পাঠকের আরাম অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে তিনি এক ধরনের গ্লোসি কাগজ ব্যবহার করেছেন, যাকে আমরা ম্যাগাজিন পেইজ বলে চিনি। এটা আমার কাছে কিছুটা এক্সেপশনাল মনে হয়েছে। কারণ সচরাচর বই পড়তে গিয়ে আমরা এ ধরনের কাগজ দেখি না। কাগজটা ওজনে ভারী কিন্তু বইয়ের পাতা উল্টাতে গিয়ে বিন্দুমাত্র সমস্যা হয়নি। এবং হ্যা, বইটা পড়তেও আরাম লেগেছে। তবে একটা গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার বাদ পড়ে গেছে। তা হলো, সম্পাদনা ঠিকমত করা হয়নি। এবং বানান ভুলও চোখে পড়েছে বেশ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শব্দের আধিক্য লক্ষ করেছি। এবং যতিচিহ্নের ব্যবহারও ঠিক ছিল না। লেখকের প্রথম বই হিসেবে এটুকু ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করাই যায়। এবং আমি একটা ব্যাখ্যা দাড় করিয়ে ফেলেছি। তা হলো, বইয়ের পাতায় লেখকের লেখার সাবলীলতা পাওয়া গেছে। লেখক নিজের মত করে লিখে গেছেন যেন এটা তার বই নয়, ডায়েরি। এবং তিনি আপনমনে স্মৃতিচারণ করছেন। লিখতে গিয়ে তিনি নিজেই গল্পের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলেন। নিজেই গল্পের একটা জীবন্ত চরিত্র হয়ে গিয়েছিলেন। পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল, এটা তার নিজেরই জীবন কাহিনী। এতটা সুন্দর আর নিখুঁতভাবে অন্য কারো জীবন কাহিনী লেখা সম্ভব না। যেহেতু এটা একটা উপন্যাস মাত্র এবং বইয়ের কোথাও লেখা নেই এটা সত্য কাহিনী, সেহেতু নিঃসন্দেহে বলা যায় লেখক তার কল্পনা জগতের বিচরণটাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখায়। উপন্যাসটা পড়তে গিয়ে মনেই হবে না এটা একটা উপন্যাস মাত্র, একজন লেখকের কল্পনাগুলোর লিখিত রুপ মাত্র! যা বলছিলাম, লেখক আপনমনে লিখে গেছেন ঠিক যেমনটা কেউ একজন তার ডায়েরিতে লিখে। এবং প্রকাশক সম্ভবতঃ লেখকের এই অনুভূতিটাকে লুকোতে চাননি। তিনি লেখকের স্বরুপটাই বইয়ের পাতায় হুবহু তুলে ধরেছেন, যার কারণে বইটা পড়তে গিয়ে আপনার কাছে এলোমেলো লাগবে। যারা পাঠক হিসেবে আমার মত খুঁতখুঁতে, সুক্ষ্ম থেকে সুক্ষ্মতর ভুল যাদের চোখে পড়ে, তারা অতি অবশ্যই পেন্সিল নিয়ে বসবেন। কারণ, পড়তে গিয়ে আপনাকে অনেক দাগাদাগি করতে হবে। অনেক কারেকশন করতে হবে। উপন্যাসের মুল চরিত্র রাইসা আমান, একজন আটত্রিশ বছর বয়সী নারী, এক মেয়ের মা এবং স্বামী রাইয়ানের অর্ধাঙ্গিনী। কোনো এক বৃষ্টিমুখর দিনে, অলস দুপুরে এক কাপ ধুমায়িত কফি নিয়ে আপনমনে স্মৃতিচারণ করে চলছে। তার জীবনের সব কথা, যেগুলো এতকাল যাবত লুকানো ছিল মনের গোপন কুঠুরিতে। আজ সেগুলো রীতিমত বিদ্রোহ শুরু করেছে। স্মৃতিগুলো অবাধ্য, তারা আর লুকিয়ে থাকতে চায় না। প্রশ্ন হচ্ছে, হঠাৎ কী এমন ঘটনা ঘটল যে আজ এই স্মৃতিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে? কেন রাইসার অনুমতি ছাড়াই মনের আকাশে অবাধে উড়াউড়ি শুরু করে দিয়েছে? উত্তরটা আমিই বলে দিই। রাইসার সামনে আজ তার একটা অতীত এসে দাঁড়িয়েছে। এই অতীতটা রাইসার জীবনের অনেকটা জুড়ে। এবং কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না তাকে। অথচ একটা সময়ে তাকে জীবন থেকে বাদ করে দিতে হয়েছিল। এবং আজ সে বিনা বাক্যব্যয়ে হাজির হয়ে গেছে রাইসার সাথে দেখা করতে। কিন্তু রাইসা দেখা করবে না। এতকালের জমানো অভিমানের সাথে আত্মসম্মান মিশে একত্রে সোচ্চার হয়েছে, কেন এসেছে সে? কেন? ভালোই তো ছিল সে। নিজের দুনিয়াতে নিজের আপন মানুষটাকে নিয়ে। তবে আজ এতকাল বাদে কোন অধিকারে হাজির হলো? কিন্তু অতীত বড়ই ঘাড়ত্যাড়া। সে রাইসার সাথে দেখা না করে যাবেই না। ঘাড় গোঁজ করে বসে আছে। এদিকে বৃষ্টি ঝমঝম করে পড়ছে। আর রাইসা পড়েছে মহা মুসিবতে। না পারছে অতীতটাকে তাড়াতে, না পারছে স্মৃতিগুলোকে শাসন করতে। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে স্মৃতিচারণ করতে লেগে গেল। হয়তো তার মনটা হালকা হলো তাতে। আর আমরা পাঠকরাও জানলাম, এই মানুষটা কীসব ভয়ংকর অতীত পেরিয়ে এসেছে। রাইসার স্মৃতিচারণের শুরু তার স্কুলজীবন থেকে। সেটা আর দশটা মেয়ের মত গতানুগতিক ছিল না একজন বন্ধুর কারণে। আমাদের সমাজে একটা মেয়ে সাধারণতঃ মেয়েদের সাথেই তার স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব পার করে। সেখানে রাইসার জীবনে এসেছিল একটা ছেলে, তার সমবয়সী একজন। ছেলেটা তার জীবনে বন্ধু কম, ভাই ছিল বেশি। বন্ধুর মাঝে সে তার মৃত জমজ ভাইকে খুঁজত এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করত, জন্মের সময় তার জোড়া ভাইটা মারা গেলেও আল্লাহ তাকে বন্ধুরুপে ফিরিয়ে দিয়েছেন এই দুনিয়াতে। বন্ধু তাকে নিরাশ করেনি। স্কুল, কলেজ পেরিয়ে ইউনিভার্সিটিতেও রাইসার পাশে ছিল। সমাজ ওদের দিকে আঙ্গুল তুলত। আড়ালে কিংবা সামনে হাহা-হিহি করত এই বলে, ডুবে ডুবে জল খাওয়া হচ্ছে!! উপর দিয়ে মানুষকে বন্ধুত্বের মুলা দেখিয়ে বেড়ানো হচ্ছে। মানুষ কী অতই বোকা যে, বন্ধুত্বের মুখোশ পরলেই সেটাকে বিশ্বাস করে নেবে? এই নিয়ে অবশ্য রাইসা আর তার বন্ধুর বিশেষ মাথাব্যাথা ছিল না। দুজনের পরিবারই জানত এই বন্ধুত্বের কথা। এবং কে কী ভাবছে তা নিয়ে ওরা ভাবেইনি কোনোদিন। একদিন সময় দিয়ে দিল সমুচিত জবাব। তারা দুজন থেকে তিনজন হলো এবং সমস্ত গুজবের অবসান ঘটল। মানুষ অবাক হয়ে জানল, আদতেই তারা বন্ধুই ছিল! তবে হ্যা, তাদের দুজনের মধ্যে কিন্তু ভালোবাসা ছিল। মানুষ স্রেফ ওই ভালোবাসার রুপটাকে বুঝতে পারেনি। সময়ের কালে কালে ওরা তিনজন থেকে চারজন হলো। ফাইনালি রাইসার জীবনে এলো বিশেষ একজন। এবং এই বিশেষ একজনের আগমন নিশ্চিত করতে এবং তাদের মধ্যে ভালোবাসার বিচ্ছুরণ ঘটাতে রাইসার বন্ধুরুপি ভাইয়ের অবদান অনেকখানি। কারণ রাইসার জন্মদিনের সারপ্রাইজ প্ল্যানটা ছিল তারই। কথায় আছে, জীবনের সবটুকু সময় ভালো যায় না। কিছু যায় খারাপ, কিছু আসে ভালো। রাইসার বেলাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খারাপ সময় এসেছে এবং সবাই তাকে ছেড়ে দূরে সরে গেছে। একজন গেছে স্বেচ্ছায়, অন্যজন অনেকটাই বাধ্য হয়ে। বাকিরা প্রতিকুলে ছিল। অতি আপন মানুষগুলোও তখন নিজেদের আসল রুপ দেখিয়েছে। একসময় ভয়ংকর, গা-শিউরে উঠা এক দুর্ঘটনা তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ বানিয়ে দিল। পরিবার সাপোর্ট দেবার বদলে আরো দূরে সরে গেল। রাইসা হয়ে গেল পাথরসম। সে ভেবেছিল তার জীবনের এখানেই ইতি। এখন শুধু প্রাণটা বেরোবার জন্য আজরাইলের অপেক্ষা। কিন্তু আল্লাহ ওর জন্য আরো কিছু লিখে রেখেছিলেন। সেটা কী ভালো কিছু ছিল? নাকি আরো খারাপ কিছু অপেক্ষা করছিল রাইসার জন্য? উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে বলা এখানেই শেষ করছি। কারণ লেখক বইয়ের প্রতিটা ধাপে টুইস্ট রেখেছেন আর একটু একটু করে পাঠকের সামনে উদঘাটন করেছেন। উপন্যাসের শেষ পর্যন্ত টুইস্ট ছিল। অনেকদিন পর ব্যতিক্রম ধারার একটা উপন্যাস পড়েছি। একটা গতানুগতিক প্লটকে কীভাবে সুবিন্যস্ত করে টুইস্ট আর সাসপেন্স বজায় রেখে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করতে হয়, সেদিকে লেখক ভালোই পটু। এখানে প্রেম আছে ভালোবাসা আছে; বিরহ, বিচ্ছেদ বেদনা, দুঃখ, কান্না, হাসি, আনন্দ বলা যায় জীবনের প্রতিটা উপাদান লেখক বইয়ের পাতায় তুলে এনেছেন। খুব সুন্দর সাবলীল তার বর্ণনা। কোনো কঠিন শব্দ নেই। আমাদের মুখের ভাষাতেই যেন লেখা হয়েছে। লেখকের এটাই প্রথম উপন্যাস। আমার ধারণা, এটাই তার লেখা প্রথম গল্প। প্রথম বই হিসেবে লেখক বেশ ভালোভাবেই উতরে গেছেন। তার মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভার অনেকখানি প্রকাশ পেয়েছে এই উপন্যাসে। লেখকের প্রতি আমার উপদেশ, প্রচুর পড়তে হবে তোমাকে। যতটা পারো, পড়তে থাক। ইনফরমেটিভ নলেজ আছে তোমার। কিন্তু বানানে খুব দুর্বল। এবং কিছু শব্দের মাঝে তুমি স্পেস দিয়েছ, যেটা আসলে একটা শব্দ হবে। যতিচিহ্নের ব্যবহারটা ঠিক করতে হবে। দাড়িতে তোমার এলার্জি আছে বোধহয়। দাড়ির জায়গায় কমা চালিয়ে দিয়েছ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। কিছু শব্দ সুবিন্যস্ত করতে হবে। সবসময় সাবলীল লেখা পাঠকের ভালো লাগবে না। তাই কিছু উচ্চ ধাপের শব্দ প্রয়োগ করতে হবে। মোট কথা বানানের উপর কোমর বেঁধে পড়াশুনায় নামতে হবে। এজন্য বই পড়া অনেক জরুরী। ডিকশনারী বা বাংলা অভিধানেও চোখ বুলাতে পারো অবসর সময়ে। তবে হ্যা, বেশি কঠিন করে ফেলো না যেন। কঠিন শব্দগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হয়তো পাঠক অনুধাবন করতে পারবে না। তোমার বইয়ের সাথে পাঠক একাত্ম হতে পারবে না তাহলে। আরেকটা গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, নাম্বার এবং ইংলিশ শব্দ অবশ্যই বাংলায় লেখার চেষ্টা করবে। নাম্বারগুলো বানান করে লিখবে এবং ইংলিশ শব্দ বা লাইনগুলো বাংলাতেই ইংলিশ উচ্চারণে লিখবে। যেমন আই অ্যাম ফাইন, হাউ আর ইউ ডুয়িন। আর হ্যা, উপন্যাসের নেগেটিভ রিভিউগুলোর উপর মনোযোগ দিও। একজন লেখক হতে গেলে নেগেটিভ রিভিউগুলোকে হাসিমুখে গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখবে, নেগেটিভ রিভিউদাতা তোমার পরম শুভাকাংক্ষী। কারণ তিনি তোমার লেখাকে ভালোবেসেছেন এবং ভালোবাসার জিনিষটাকে নিখুঁত করতেই সময় নিয়ে তোমার ভুলগুলো, তোমার লেখার ফাঁকফোঁকরগুলো খুঁজে বের করেছেন যাতে করে তুমি এগুলো শুধরে নিতে পারো পরবর্তী লেখায়। তাই ঘরের লক্ষীকে যেমন দূর দূর করতে হয় না। সেভাবেই নেগেটিভ রিভিউদাতাকে তুমি আপন করে নিবে এবং তাকে আরো উৎসাহ দেবে তোমার লেখার ভুল ধরতে। ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে তার পড়াশুনা। এজন্যই বোধহয় বাংলায় খানিকটা দুর্বল। তবে সেটুকু অল্পদিনেই কভার করে নিতে পারবে সে। আবিয়ার মারিয়া, বাংলা সাহিত্যে তোমার যাত্রা শুভ হোক। নিজগুণে এগিয়ে যাও সামনের দিকে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"এরচেয়েও বেশিকিছু, অতঃপর...." বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: