১ম সংস্করণ, ২০২৩
একটু দাঁড়াও, যমদূত!!
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | একটু দাঁড়াও, যমদূত!! |
| Author | জশ ব্যাযেল |
| Publisher | নয়া উদ্যোগ |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 288 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.38 Kg |
| Translator | সামিউল রুমী |
| ISBN | 978984969932 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
49 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টিZamsedur Rahman , Apr 13, 2023
"“লিফটের দৃশ্য। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি খানিক আগে আকাম ঘটিয়ে আসা সেবাশ্চিয়ান স্ট্যান (চিনছেন তো লোকটাকে? ওই যে মারভেলের “উইন্টার সোলজার” খ্যাত চরিত্র) তার পাশে দাঁড়ানো মেগান ফক্সের সঙ্গে কথোপকথন এবং কর্মকাণ্ড দ্বারা উত্তাপ ছড়াচ্ছে। সিনেমার নাম “বিট দ্য রিপার” আর তাদের চরিত্রের নাম ড. পিটার ব্রাউন এবং স্টেসি। পরিচালনা করেছেন পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান খ্যাত নির্মাতা গোর ভার্বিন্সকি এবং সহ-প্রযোজকের দায়িত্বে আছেন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও।” বুঝলাম না! আপনার এখন প্রশ্ন করার কথা- বুক রিভিউয়ের নামে অযথা কেন সিনেমার তথ্য কপচাচ্ছি? তা-না করে আপনি ছুটলেন আইএমডিবি’তে; সিনেমার খোঁজ নিতে। সত্যি করে বলেন- মেগান ফক্সের নাম শুনে মাথা ঠিক নেই, তাইতো? দুষ্টু কোথাকার! অথচ এই মেগান ফক্সের তথ্য বাদে সবকিছুই কিন্তু সত্যি। তবুও আপনি সিনেমাটির কোনো হদিস পাবেন না। কেননা এটা এখনো নির্মাণই হয়নি। আমি মূলত সিনেমাটির চিত্রনাট্য দেখছিলাম (পড়ছিলাম আরকি)। যেটা লিখেছেন আমাদের স্বদেশি লেখক সামিউল রুমী। আরও স্পষ্ট করে বললে- তিনি চিত্রনাট্যের রূপান্তর করেছেন। মূল লেখক জশ ব্যাযেল। তার লেখা উপন্যাস বিট দ্য রিপার অবলম্বনেই সিনেমাটি তৈরি হবে। যার বাংলা অনুবাদ এসেছে “একটু দাঁড়াও, যমদূত!!” নামে। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, মূল লেখক ও অনুবাদকের এটিই প্রথম বই। আর দুজনই প্রথম বইয়ে রীতিমতো বাজিমাৎ করেছেন। থ্রিলার উপন্যাসের কাহিনি বর্ণনা করা আর বর্তমান প্রেমিকার কাছে নিজের অতীত বা সাবেক প্রেমিকার সত্য (!?) স্মৃতিকথা বর্ণনা করা একই বিষয়! একটু উনিশ-বিশ হলেই কেল্লাফতে। তার উপর স্পয়লারের ভয় তো থাকেই। তবে আপনি জেনে খুশিতে অন্যকারো সাবেক প্রেমিকাকে জড়িয়ে ধরবেন যে, এই উপন্যাসের কাহিনি-ঘটনা এতটাই জটিল; সাধারন ব্যাখ্যায় স্পয়লারের কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং ঘটনার ঘনঘটা এবং কাহিনির ঝড়-বৃষ্টি-বজ্রপাতের ঠিক মধ্যিখানে নিজেকে আবিষ্কার করবেন। তাও আবার খোলা মাঠে, খোলা আকাশের নিচে। একশন, চৌকস সংলাপ, প্রেম, যৌনতা, মানবীয় জীবনের অকিঞ্চিতকর দর্শন, চিরন্তন সাদা কালো দ্বন্দ্ব, মাফিয়া জগতের উত্থান, নাৎসি হলোকাস্ট, হিউম্যান ট্রাফিকিং, নারকীয় বীভৎসতা, খুন-খারাপী আর রক্তারক্তির ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে তুখোড় বৃষ্টিতে আপনি একেবারে ভিজে জবজবে হয়ে যাবেন। মাথার উপরে এড্রেনালিন থ্রিলারের গর্জনসহ বিদ্যুত চমকানো আপনার হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেবে। আর বোনাস হিসেবে থাকছে বাজ কিংবা ঠাডার ন্যায় গুটিকতক টুইস্ট, সারপ্রাইজ। এই দ্যাখো! অলংকার কপচাতে গিয়ে কাহিনির কিছুই তো বলা হলো না। সেইটা এবার সংক্ষেপে বলা যাক- “এক দেশে ছিল এক মাফিয়া, যার অন্তর গেল কাঁপিয়া, আপন কর্মযজ্ঞে হাঁপাইয়া, সব ছাইড়া গেল পলাইয়া। মাগার অতীত কী আর পিছু ছাড়ে, এরে রাইখা ওরে ধরে, একদিকে নতুন জীবন কড়া নাড়ে, অপরদিকে পুরান পাপী ধাওয়া মারে। নায়ক মশাই সিস্টেমে জীবন চালায়, বারবার কেবল ঝামেলায় জড়ায়, কখনো-বা পথ হারায়, হোঁচট খেয়েও উঠে দাঁড়ায়। কিন্তু কোথায় এসব নাটকীয়তার ইতি, জানতে হলে পড়তে হবে বইটি।” মাগো মা! ছন্দ মেলাতে গিয়ে ঘাম ছুটে গেছে। আপাতত এইটুকুন কাহিনি পড়ে সন্তুষ্ট থাকুন। বইটি শুরু করলে সন্তুষ্টি চরমে গিয়ে ঠেকবে। সুখ সাগরে হাবুডুবু খাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারেন। চরিত্র নিয়ে কিছু বলার পূর্বে উপন্যাসের কাহিনি বিন্যাস ও গল্প বলার ঢং নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। দুটি ভিন্ন টাইমলাইনে গল্প এগিয়েছে। একটিতে শৈশব-কৈশোর পেরিয়ে নায়কের তারুণ্যে পদার্পণ, অতঃপর মাফিয়া জগতে প্রবেশ। অপরটিতে সবকিছু ছেড়ে-ছুঁড়ে একদম ব্র্যান্ড নিউ জীবন-যাপন, ডাক্তারি পেশার রোজনামচা (এইরে! স্পয়লার কি দিয়েই দিলুম না-কি কে জানে)। একটু অলংকার মিশিয়ে বললে- নায়ক যখন কাঁচা মরিচ আর নায়ক যখন পাকা মরিচ; দুটি ভিন্ন সময়ের, দুটি ভিন্ন সত্তার, দুটি ভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক জায়গা থেকে গল্প বলা হয়েছে। কিন্তু ব্রো! কাঁচা হোক বা পাকা, মরিচ তো মরিচই। তাতে ঝাল থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। ঝাল আর থ্রিলারের স্বাদে পাঠকদেরকে হাঁ মুখে ফোঁপাতেই হবে। কোনো মিস নেই। লিনিয়ার স্টোরিটেলিং বা গল্প বলার ঢং সরলরৈখিক হলেও বারবার অতীত-বর্তমানে সুইচ হওয়ায় পড়তে ভীষণ মজা লেগেছে। খুব যত্ন সহকারে খোলা হয়েছে পেঁচানো সুতোকে। কাজেই আপনার মস্তিষ্কে গিঁট লাগার কোনো সম্ভাবনা নেই। বেশকিছু জায়গায় ক্লিফ হ্যাঙ্গার বিদ্যমান থাকায় উপন্যাসটি খুব সহজেই আকর্ষণ ধরে রাখে। যেহেতু স্থান-কাল-পাত্রের পরিবর্তন ও একাধিক বিষয়-ইতিহাসের বর্ণনা রয়েছে, লিনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও কমপ্লেক্সিটি তৈরি হয়েছে কাহিনিতে। পড়ার সময় মনে হচ্ছিল নেটফ্লিক্স সিরিজ “নার্কোস” দেখছি। খানিক ন্যারেশন, তারপর একের পর এক ঘটনার বিবরণ। যাকে বলে- একদম জমে ক্ষীর। এইবার চরিত্র। কাহিনিটা পিয়েত্রো ব্রুনোয়া ওরফে ড. পিটার ব্রাউন ওরফে ভল্লুকের থাবা ওরফে ইশমায়েল এর। আমি জানি আপনি কী ভাবছেন। মনে মনে হয়তো বলছেনও- ‘হোয়াদ্দা ফুচকা! এর মানে কী? একটা চরিত্রের কেন এতগুলো নাম থাকবে? আর নামেরই বা কী হাল, কোনো মানুষের নাম কী করে ভল্লুকের থাবা হয়? দিজ ইজ ঠু মাচ!’ সহমত ভাই, আসলেই ঠু মাচ। তবে এসবের পেছনে কাহিনি তো অবশ্যই আছে। প্রতিটা নাম ও চরিত্রের পূর্ণদৈর্ঘ্য ইতিহাস বেশ সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা হয়েছে। স্পয়লারের ভয়ে সেই ইতিহাস হয়তো তুলে ধরতে পারবো না। তবে ইন্টারেস্টিং চরিত্র এবং তার চাইতেও বহুগুণে ইন্টারেস্টিং তাদের নামগুলো বলা যায়। যেমন- ডিউক মোজবি, আদিল আখতার, নিকোলাস লোব্রুতো ওরফে এডি স্কুইলান্তে ওরফে এডি কনসোল, ডাক্তার ফ্রেন্ডলি, এডাম লোকানো ওরফে চামড়ার ব্যাপারী, ডেভিড লোকানো, ডাক্তার আর্যদেব, ম্যাগদালেনা, কার্ট লিম্যে, স্যাম ফ্রিডসহ অসংখ্য ছোট-বড় চরিত্র; যারা তাদের কর্মকা- দ্বারা আপনাকে পুরোদস্তুর মাতিয়ে রাখবে। ও হ্যাঁ, আপনি যদি সুপারহিরো লাভার হয়ে থাকেন; তাহলে আপনার জন্য একটি সারপ্রাইজ আছে। মাকড়শা মানব, বাদুড় মানব, পিঁপড়া মানব, লোহা মানবের মতো ফিল্মি অতিমানবের ভিড়ে নতুন একজনকে আবিষ্কার করতে পারবেন। যার নাম- “....মানব”। ইয়ে মানে, শূন্যস্থান পূরণ করতে পারলাম না। পড়ার সময় পূরণ করে নিয়েন। আর নামটি পড়ে হাসতে হাসতে কোমায় চলে গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না! বইয়ের সবচাইতে দুর্দান্ত দিকটি হচ্ছে- এর লেখনশৈলী। সেটাকে অক্ষুণ্ন রাখতে সম্পাদনায় যারা ছিলেন, তারা বেশ প্রশংসাযোগ্য অবদান রেখেছেন। তবে ‘প্রাওরিটি অব রিডিং নেটিজেন’রা (পি.ও.আর.এন) জেনে আফসোস করবেন যে, বইয়ে বেশকিছু “বানাম” ভুল রয়েছে। কিন্তু এটাকেও আমি লেখকের সার্থকতা হিসেবে দেখব। একে তো প্রথম বই, তার উপর তিনি এটা প্রমাণ করেছেন যে- ‘মানুষ মাত্রই ভুল, ম্যান ইজ মরটাল!’ আমরা কেউ ভুলের উর্ধ্বে নই। তাছাড়া শাহরুখ চাচ্চু তো জোর গলায় বলেছেন- ‘বড় বড় দেশে এমন ছোট ছোট ব্যাপার ঘটেই।’ বইয়ের প্রোডাকশন নিয়ে কী বলব? ক্রিম কালারের ৮০ গ্রাম কাগজে ঝাঁ তকতকে ছাপা, রয়্যাল বা ক্রাউন সাইজের বইটি হাতে নিলে তৃপ্তিতে ঢেঁকুর তুলে দু’চোখে ঘুম নেমে আসে এমন কিছুই ঘটে নাই। এভারেজ প্রোডাকশন। তবে ছাপা স্পষ্ট, পড়তে অসুবিধা হয় না। যদিও বইয়ের কোয়ালিটি তুলনায় প্রোডাকশন আরও ভালো হতে পারতো। কিন্তু খরচের কথাও তো চিন্তা করতে হবে। এখন বেশি দামে বই কিনতে যদি বউয়ের গহনা, প্রেমিকের কিডনি বন্ধক রাখতে হয়; তাহলে তো বিপদ। এতকিছুর পরেও একটা বিষয় অবশ্য না বললেই নয়। বইটার প্রচ্ছদ। আপাতদৃষ্টিতে নজরকাড়া প্রচ্ছদটির আবেদন হুট করেই বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে যখন বইটা পড়ে শেষ করেছি। কনটেন্ট অনুযায়ী এমনভাবে প্রচ্ছদের এলিমেন্টগুলো বসানো হয়েছে, বলতেই হয়- প্রচ্ছদশিল্পী পরাগ ওয়াহিদ দারুণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। বইয়ের প্রতি যে জাস্টিসটি তিনি করেছেন, তাকে অনায়াসে ডিসি কমিকসের জাস্টিস লীগের সদস্য হিসেবে নথিভুক্ত করা যায়। বিদ্যা বালান আন্টি বলেছিলেন, ‘বই (সিনেমা আর বই তো অলমোস্ট একই জিনিস) শুধু তিন জিনিসের কারণে চলে। এন্টারটেইনমেন্ট, এন্টারটেইনমেন্ট, এন্টারটেইনমেন্ট।’ বলতে দ্বিধা নেই, “একটু দাঁড়াও, যমদূত!!” বইটি সত্যিই এন্টারটেইনমেন্টে ভরপুর। লেখকের ভাষায়- ‘এড্রেনালিন ফুয়েলড থ্রিলারের সাথে ডার্ক হিউমারের এক কমপ্লিট প্যাকেজ। যেন কুয়েন্তিন তারান্তিনোর এক মারদাঙ্গা সিনেমার সাথে; কোনো মেডিক্যাল সিটকমের গোলাপ ফুল টোকাটুকির ফসল- এই উপন্যাস।’ যেটা সত্য। সেইসাথে আমার আরও এক উপলব্ধি- ‘ভালো লেখক হতে চাইলে আগে ভালো পাঠক হওয়া জরুরি।’ যার উদাহরণ- লেখক সামিউল রুমী। কেননা তাকে প্রথম চিনেছি একজন পাঠক হিসেবেই। প্রচুর বই পড়েন তিনি। বইয়ের গঠনমূলক রিভিউ লেখেন নিয়মিত। সেগুলো আমার নিয়মিত পড়া হয়। তার লেখনশৈলীর সঙ্গে এভাবেই পরিচিত হয়েছিলাম। যার পূর্ণতা মিলেছে তার প্রথম অনুবাদে। মুগ্ধতার রেশ বেড়েছে বহুগুণে। সম্পূর্ণ বিদেশি ভাষায় লেখা একটা সাহিত্যকে দেশি ভাষায় রূপান্তর এবং তা স্বদেশি পাঠক উপযোগী করে তোলা চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। ভিন্ন ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভিনদেশি মানুষের জীবন-যাপন, আচার-আচরণ, আবেগ অনুভূতি, অন্যায়-অবিচার-অপরাধ-বিবেকের মতো বিষয়গুলোকে স্বদেশি পাঠকের বোধগম্য করে ফুটিয়ে তোলা নিজে থেকেই কঠিন এক সংগ্রাম। যা লেখক সফলভাবে করতে পেরেছেন। উপন্যাসের ডার্ক, হিউমার উপাদানগুলো অক্ষুণ্ন রেখে অসংখ্য পপ কালচার রেফারেন্স, সমসাময়িক স্ল্যাং, ভাইরাল ট্রেন্ড আর চলিত সংলাপ ব্যবহার করা হয়েছে; যেখানে উঠে এসেছে চেনা-পরিচিত গান, কবিতা, সিনেমা, জনপ্রিয় ব্যক্তি ও ঘটনাসমূহ। যা আপনার পাঠ অভিজ্ঞতাকে আরও তৃপ্তিদায়ক করবে। লেখকের ভাষায়- পাঠক হিসেবে তার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার কিছু ইনপুট তিনি দিয়েছেন। অনেকগুলো সিকোয়েন্স তৈরি করেছেন নিজের মতো করে। তাই বইটি যতটা না অনুবাদ, তার চাইতে বেশি রূপান্তর হিসেবেই বেশি গ্রহণযোগ্যতা পায়। ‘বিট দ্য রিপার’ জশ ব্যাযেল এর হলেও, এটার রূপান্তর ‘একটু দাঁড়াও, যমদূত!!’ একান্ত এবং সম্পূর্ণই লেখক সামিউল রুমী’র। তাহলে কেমন ছিল বইটির রিডিং এক্সপেরিয়েন্স? সহজ জবাব- দুর্দান্ত এক ফান রাইড। আমি ঠিক যে ধরনের বই পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, যে ধরনের বই আমাকে পাঠক করে তুলতে বাধ্য করে, যে ধরনের লেখনশৈলী আমাকে মুগ্ধ করে; এটি ঠিক সেই ধরনের বই। বরং আমি বলব, এটি একটি ওষুধ। ‘ভাল্লাগে না’ রোগের ওষুধ। যা পড়লে আপনার অতি অবশ্যই ভালো লাগবে। তবে ওষুধের গায়ে যেমন লেখা থাকে- ‘শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন’, তেমনি এই বইটাকেও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা ফরজ। তবে চাইলে আপনার বাবু-সোনা-জানুকে বইটি পড়তে দিতে পারেন (যদি না ব্রেকআপের ভয় থাকে)। কেননা বইটি প্রাপ্তমনস্কাদের উপযোগী করে লেখা। এর বোল্ড কনটেন্ট এবং ভাষার ব্যবহার আপনার ভেতরটা নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই গাল হঠাৎ লালবর্ণ ধারণ করা, কান দিয়ে ধোঁয়া বেরুনো এবং মুখ দিয়ে অস্ফুটস্বরে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বেরিয়ে আসাটা খুবই সাধারন বিষয় বলে গণ্য হবে। তাছাড়া বইয়ের ব্যাক কভারেই লেখা আছে- ‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: দূর্বল, কোমল এবং সুশীল হৃদয়ের পাঠকরা এই বই থেকে এক আলোকবর্ষ দূরে থাকুন।’ উপরোক্ত বিধি নিষেধ মেনে বইটি যদি পড়তে পারেন, তাহলে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। পড়ার পর ভালো লাগলে আমাকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না। আর যদি খারাপ লাগে, সামান্য সম্মানীর বিনিময়ে লেখকের সোশাল আইডি দেওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। হ্যাপি রিডিং। রেটিং: ৫/৫ বা ১০/১০ অথবা ১০০/১০০ (পেইড রিভিউ ফিল হচ্ছে না? হোক, আমি অনেককিছু ইগ্নোর করা লোক; আইমিন- পাঠক)"
shakilur rahman , Mar 14, 2023
"জঘন্য অনুবাদ।মনে যা আসছে লিখে দিছে। অনুবাদ না বলে খেয়াল মত রুপান্তর বলা যায়।"
Farabi Islam , Mar 2, 2023
"বেস্ট থ্রিলার 💞"
Titu Abir , Feb 27, 2023
"প্রচ্ছদ সুন্দর হয়েছে , বেস্ট অনুবাদ ❤️"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"একটু দাঁড়াও, যমদূত!!" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: