২য় সংস্করণ, ২০২২
একজন কমলালেবু
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | একজন কমলালেবু |
| Author | শাহাদুজ্জামান |
| Publisher | প্রথমা প্রকাশন |
| Edition | ২য় সংস্করণ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 240 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.25 Kg |
| ISBN | 9789849140372 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
88 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Abu Backker , Sep 28, 2026
"Great Delivery"
Afrin Aumi , Jul 13, 2026
"জীবনানন্দ কে আরও কাছ থেকে জানতে এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"
Abu Nusraf Mahin , Dec 10, 2025
"জীবনানন্দকে জানতে অসাধারণ একটা বই"
Nusrat Jahan Suha , Nov 24, 2025
"শাহাদুজ্জামানের লেখা সব সময়ই ভালো লাগে। আর বইটা পড়ে লেগেছে কষ্ট।কী নিদারুণ একটা ধূসর,বিবর্ন জীবন কাটিয়ে গেলেন জীবনানন্দ দাশ।পরতে পরতেই খারাপ লেগেছে,লেগেছে বিষাদ।"
Shahriar Rahman Sourav , Mar 2, 2025
"তৃপ্তি পেলাম"
Preeti , Jan 9, 2025
"টাকা উসুল হওয়ার মত একটা বই। Recommended"
SAKIL AHMMED , Jun 29, 2024
"শ্রদ্ধেয়/সম্মানিত লেখক শাহাদুজ্জামান'কে নিয়ে নতুন করে আসলেই কিছু বলার নেই, তার লেখা পড়লে মতে হতে থাকে সামনে টিভি আর আমি রিমোট হাতে কোনো সিনেমা নাটক দেখছি, একদম মগজে একটা একটা ভিডিও ক্লিপের সৃষ্টি হয়। এছাড়া সবচেয়ে আকর্ষণীয় আমাদের জীবনানন্দ দাশ, যিনি লেখার অন্তরনিহিত মুল খোরাক। 🖤🖤"
সোহরাব হোসেন চৌধুরী , May 30, 2023
"একজন জীবনানন্দ। একটি দীর্ঘশ্বাস। চমৎকার হয়েছে। গল্পে পাঠককে আনন্দ দিবে, দু:খ দিবে উদাসীন করে তুলবে"
MD. Samiul Islam , May 27, 2023
"একজন কমলালেবু মিলু, শৈশবের জীবনানন্দ দাশ। বরিশালে কাব্য, প্রজ্ঞা, রূপকথা, ঘাস, ফুল, পাখি মিলিয়ে এক মায়াবী শৈশব ও কৈশোর কেটেছে জীবনানন্দের। জীবনানন্দ ছিলেন নির্জন, নিভৃত, নিম্নকন্ঠ ও মুখচোরা। সবাইকে সন্তুষ্ট করাতে ব্যস্ত। লেখা ছিল তার কাছে মানুষ হবার সমান্তরাল, লোকে না দেখুক , না বুঝুক তবুও লেখার কাজটা করে গেছেন অবিরাম। জগত সংসার বাকি যে কাজই করবার চেষ্টা করেছেন তাদের নাকাল হয়েছেন বারবার। যেকোনো জাগতিক কাজে সাফল্য পেতে হলে যে নূন্যতম সজাগ সতর্ক এক ধরনের প্রবণতা দরকার জীবনানন্দের মগ্ন ব্যক্তিত্বে সেই প্রবণতা ছিল না। প্রবাদ আছে মানুষ স্বপ্ন দেখে আর কোথাও কে একজন হাসে। তাঁর জীবনটাও ছিল ঠিক এমনই। স্ত্রী লাবন্যও সব সময়েই তাকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। ব্যক্তি জীবনানন্দ এবং কবি জীবনানন্দ কোনোটাই তাঁর স্ত্রীকে খুব বেশি প্রভাবিত করতে পারেন নি। আর্থিক দুরবস্থা ছিল চরমে।জীবনানন্দ-লাবণ্য দাম্পত্য ছিল অসুখী , অসফল। জীবনানন্দের প্রথম প্রেমিকা খুড়তুতো বোন বেবি বা শোভনাকে সে ভুলতে পারেনি কোনোদিন। তাঁর লেখা গল্পে ব্যাপারটা ফিরে এসেছে বার বার।১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ আগস্ট দেশভাগ স্থির হওয়ায় কলেজ থেকে ছুটি নিয়ে সপরিবার কলকাতায় ভাই অশোকানন্দের ল্যান্সডাউন রোডের বাড়িতে চলে যান। একান্ত প্রিয় বরিশালে আর ফিরে যাওয়া হয়নি।এটা নিয়েও তাঁর ছিল মনকষ্ট।লিখেছেন প্রচুর। পাঠক প্রিয়তা প্রায় শূন্য।কেউ বুঝেনি তাকে৷ তবুও জীবনানন্দ সাহস হারাননি। আজ না হক মৃত্যুর পর তার সাহিত্য কর্ম আলোড়িত করবে বিশ্বকে এটা তাঁর বিশ্বাস ছিল বরাবরই। কিন্তু মানুষের কাজ এবং সৃষ্টি মানুষকে বড় করে এজন্যই হয়তো বনলতা জীবনানন্দের চেয়েও জনপ্রিয় । জীবনানন্দ জীবনের অন্তিম সময়ে কমলালেবু খেতে চেয়েছিলেন।জড়ানো গলায় বললেন "একটা কমলা লেবু খেতে পারব"।জীবনানন্দ অবশ্য একবার কমলালেবু নামে একটি কবিতাও লিখেছিলেন। লেখক শাহাদ্দুজ্জামানকে জানাতে হয় ধন্যবাদ। এটি আসলে কি একটি উপন্যাস? মনে হয় না , নাকি একটি জীবনকাহিনী, নাকি একজন সাহিত্যিক জীবনানন্দ আর মানুষ জীবনানন্দের বিপন্ন বিস্ময় আখ্যান সেটি পরিষ্কার না হলেও, নিঃসন্দেহে বলা যায়, ‘একজন কমলালেবু’ একটি গবেষণামূলক উপস্থাপনা যা বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। P.S. I am deeply moved and touched. Mr. Das was a mind blowing fated looser."
AMDADUS SOBHAN , Apr 28, 2022
"Not Bad"
Tamim Siam , Apr 9, 2022
"প্রেম ধীরে মুছে যায় নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয় হয় নাকি? নাম জীবনানন্দ হলেও দুঃখ ছিল তার সারাজীবনের সঙ্গী। প্রেমে পড়েছিল মামাতো বোনের। সে প্রেম আর পূর্ণতা পায়নি। প্রেম সফল হোক আর অসফল জীবন থেমে থাকে না। বিয়ে করলেন সংসার হলো। সংসারে চলতে থাকল টানাটানি। জীবনে অশান্তি সংসারে অশান্তি তবু থেমে থাকেনি সাহিত্য চর্চা। বৃষ্টি এসে শুকনো কাপড় ভিজিয়ে দিয়ে চলে গেলো তবু থামেনি লিখা। লিখা প্রকাশ হলো দৈনিক পত্রিকায় কিন্তু সাহিত্য সমাজে সাড়া ফেলতে পারলেন না উল্টো সাহিত্য সমাজ হাসি তামাশ শুরু করলেন। কবি গুরু পর্যন্ত যার প্রতিভা বুঝতে পারল না। বুক ভরা কষ্ট নিয়ে এক দুপুর বেলা হাঁটতে হাঁটতে চাপা পরলেন ট্রামের নিচে। দুর্ঘটনা নাকি সুইসাইড? নিজের সফলতা দেখে না যেতে পারলেও জীবনানন্দ দাশ হয়ে ওঠেন বাংলার নির্জনতম কবি। বাংলা সাহিত্যের এক রত্ন যাকে বলা হল রূপসী বাংলার কবি। যাকে ছাড়া বাংলা সাহিত্য কল্পনা করা যায় না। জীবনানন্দ লিখেছেন হাজার পৃষ্ঠা প্রকাশ করেছে সামান্য অংশ, বাকিটা রেখেছে তালাবন্ধ ট্রাঙ্কে। জীবনানন্দ দাশের কবি হয়ে ওঠার জীবনী গল্প। শাহাদুজ্জামান এক অন্যরকম শক্তিশালী লেখক। কবির জীবন আলোচনা করতে তুলে এনেছেন সেই সময়ের সাহিত্য সমাজকে। কখনো ব্যাখা করেছেন জীবনাননন্দের কবিতা কখনো জীবনানন্দের জীবনী। "একবার যখন দেহ থেকে বার হয়ে যাব আবার কি ফিরে আসব না আমি পৃথিবীতে? আবার যেন ফিরে আসি কোনো এক শীতের রাতে একটা হিম কমলালেবুর করুণ মাংস নিয়ে কোনো এক পরিচিত মুমূর্ষুর বিছানার কিনারে"। শাহাদুজ্জামান কবির এই ইচ্ছাকেই পূর্ণ করতেই বোধহয় বইয়ের নাম রেখেছেন একজন কমলালেবু।"
Mazharul Islam Sojib , Apr 4, 2022
"অসাধারণ।"
Md. Rasel Shahriar , Feb 24, 2022
"nice"
mitu , Feb 22, 2022
"জীবনানন্দ বলতে আমি 'নাটোরের বনলতা সেন' বা 'সুরঞ্জনা' কিংবা 'আবার আসিবো ফিরে' এতটুকুই বুঝতাম। এর বেশি বুঝতে যাবো ভাবিও নি কখনো! একজন কমলালেবু বইটির প্রচ্ছদ আমাকে বুঝতে বাধ্য করলো.... আমি আবার একটু প্রচ্ছদপ্রেমী কিনা!🙈 নামে জীবনানন্দ হলেও জীবনে তার দুঃখ কষ্টের কমতি ছিলো না... বইটা পড়ে লোকটার জন্য খুব মায়া হচ্ছিলো আমার 😥।মানুষটার জীবনে প্রাপ্তি বলতে শুধু দুঃখ আর অবহেলাই ছিলো বলা যায় 😥😥 আরেকটা বিষয় যেটা খুব ব্যথিত করলো তা হলো বনলতা সেন কবিতার নতুন ব্যাখ্যা... এমনটা আশা করা যায় না 😑 বইটাকে কেনো উপন্যাস বলা হলো তাও ঠিক আমার মাথায় আসলো না 🤔"
Md. Rawsan Zadid , Jan 19, 2022
"একজন মানুষের প্রায় পুরোটাই কষ্টের জিবন, কিন্তু অন্যের জন্য রেখে গিয়েছেন প্রশান্তির পরশ। এই একজন মানুষটাই কমলালেবু..."
Shariqa Muram Durdana , Oct 10, 2021
"চমৎকার একটা বই! এক কথায় অসাধারণ.."
Qazi Manzur Karim Mitul , Sep 11, 2021
"জীবনানন্দ দাসকে নিয়ে একটি গোটা উপন্যাস! আমি এটাকে উপন্যাস না বলে বলব জীবনালেখ্য। কী পরিমাণ গবেষণা করে ডা. শাহাদুজ্জামান এ বই লিখেছেন, তা অপরিমেয় হলেও অনুমেয়। জীবনানন্দের নিরানন্দ জীবন, প্রেমে ব্যর্থতা, চাকরিবিহীন কপর্দকহীন যৌবনের দীর্ঘ ৫ বছর, স্ত্রীর সাথে বন্ধনহীন দাম্পত্য আর কবিগুরু সহ বিদগ্ধ সমাজের অনেকের কাছে তীব্র অপমান সহ্য করা - এসব একে একে যাদুকরের টুপির ভেতর থেকে কবুতর বের করার মতো করে পাঠকের সামনে প্রামাণিক দলিলসহ উপস্থাপন করেছেন তিনি। শুধু কবি নন, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক জীবনানন্দ দাশের সাথে পরিচয় করিয়েছেন আমাকে। পাখির নীড়ের মতো চোখ ছিল বনলতা সেনের। নাটোরের সেই নারী গণিকা ছিলেন, না বৃটিশবিরোধী বিপ্লবী ছিলেন, তা নিয়ে আমি ভাবিত নই। তাঁর চোখ নীড়ের মতো কেন, তা নিয়ে আমার ছিল সবিস্ময় কৌতূহল। জানলাম, নীড় নয়, নীড়ত্ব, অর্থাৎ আশ্রয় বোঝাতে এই উপমা ব্যবহার করেছিলেন জীবনানন্দ!!! আজ থেকে ১১ বছর আগে আমার বাবার রহস্যঘন মৃত্যুর পর থেকে "আট বছর আগের এক দিন" কবিতাটি আমার বড় প্রিয়। "যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ" শিরোনামে আমি ৩ কিস্তির প্রবন্ধ লিখেছিলাম আব্বুর ৩ টি মৃত্যু দিবসে। কবিতাটা পড়লেই আমি চোখ খুলেও দেখতে পেতাম লাশকাটা ঘরে আব্বু চিৎ হয়ে শুয়ে আছে টেবিলের 'পরে! আমি প্রায়ই ভাবতাম, জীবনানন্দ এই কবিতা কাকে নিয়ে লিখেছিলেন? অথচ কী আশ্চর্য, এ কবিতা তিনি তাঁর নিজের আট বছর আগের তাঁকে নিয়েই লিখেছিলেন! তাঁর কবিতায় তিনি একদিকে যেমন তাঁর বেকারত্ব আর হতাশায় মুহ্যমান হয়ে আত্মহত্যাপ্রবণ নিজের সত্তাকে তুলে এনে তার মুখ দিয়ে বলিয়েছেন, জীবনে সব পার্থিব কিছু পাওয়া হয়ে গেলেও জীবন অর্থহীন লাগে, মরে যেতে ইচ্ছে হয়; অন্যদিকে সেই সত্তাকে বেঁচে থাকতে অনুপ্রাণিত করেছেন, থেৎলে যাওয়া ব্যাং এর বাঁচতে চাওয়া আর অন্ধ পেঁচারও ইঁদুর ধরার বাসনার কথা বলে, পিতামহীর সাথে জীবনের ভাঁড়ারের শেষ উপভোগ্য উপাচার নি:শেষ করে বেঁচে থাকার আনন্দ উদযাপন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। কী অদম্য তাঁর সেই জীবনকে বাঁচিয়ে রাখার স্পৃহা! কবিতার এই ব্যাখ্যা পড়ে আমি নিজেও ভীষণ উজ্জীবিত। শোভনা আর লাবণ্যকে ছাপিয়ে আমাকে বিমুগ্ধ করেন বুদ্ধদেব বসু আর ভূমেন্দ্র গুহ, যারা না থাকলে জীবনবাবুর কবি জীবনানন্দ দাস হওয়া হতো না। অধ্যাপনা ছেড়ে যিনি আর কোন পেশাতেই যোগ দিতে পারেন নি, জীবনের সুখের সময় যিনি বাংলার প্রকৃতি বন্দনা করেছেন, কষ্টের সময়ও যিনি কবিতা আর গল্পেই খুঁজে পেয়েছেন দু'দন্ড শান্তি, তিনি যেন আমারই আগের জন্মের আমি! মিলু নামের সেই ছোট্ট মাতৃভক্ত ছেলেটির ভেতর, শোভনার ব্যর্থ প্রেমিকের ভেতর, লাবণ্যের অকর্মণ্য স্বামীর ভেতরে আমি আমার এক অদৃশ্য ছায়া খুঁজে পাই। জীবনানন্দ পরিশেষে স্বেচ্ছায় ট্রামের তলায় চাপা পড়লেন, নাকি নিছক দুর্ঘটনা? সেও আমার পিতৃমৃত্যুর মতোই এক প্রহেলিকা! (এখনো আমার পড়া শেষ হয়নি ...। বইটার কয়েকটা রিভিউ বই কেনার আগেই পড়েছি। আমার এই রিভিউ ঠিক রিভিউ নয়, অনেকটা আত্মকথন হয়েই না হয় রয়ে যাক অন্তর্জালের কোন অজানা জটে... বিনীত কাজী মিতুল)"
Md. Naiem Hasan Shoikot , Aug 28, 2021
"প্রেম ধীরে মুছে যায় নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়... আহা জীবনানন্দ দাশ। চমৎকার একটা বই"
Md. Maher , Aug 4, 2021
"জীবনানন্দ সম্পর্কে জানতে হলে এ বইটি পড়তে হবে। খুবই করুন বাংলার শুদ্ধতম কবির জীবন।"
kanak mahmud , Jul 9, 2021
"good"
Mizanur Rahman , Jun 5, 2021
"রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দের কবিতা পড়ে মন্তব্য লিখলেন, "তোমার ভাষায় জবরদস্তি অাছে", "তাকিয়ে দেখার অানন্দ অাছে", "কিচ্ছু হয়নি"। সর্বশেষ মন্তব্য ছিলো "চিত্ররূপময়"। রবীন্দ্রনাথ হয়তো পুরোপুরি বুঝতে পারেননি বনলতা সেনের কবিকে। জীবনানন্দ গুছিয়ে কথা বলতে পারতেননা। লোকের সাথে মিশতে জানতেননা। বারবার চাকরি হারিয়েছেন। নিজের ভাইয়ের পয়সায় চলেছেন। শোভনা নামের এক মেয়েকে ভালোবেসে প্রত্যাখান পেয়েছেন। মানসিক চাপের ভিতর ভারমুক্ত হয়েছে মাস্টারবেশান অার বেশ্যালয়ে ডুকে। ঢ্যাঁড়স অার চিংড়ি খেয়ে সস্তা বোর্ডিং-এ থেকেছেন বছরের পর বছর। বেকার জীবনানন্দ অপমানিত হয়েছেন সবজায়গায়। নিজের বউয়ের সাথে বিছানায় শুতেও পারেননি। পরিবারের সবাইকে মেরে নিজে নিজেকে মেরে ফেলার কথা ভেবেছেন। মাথায় উপর কোনো অাশ্রয় ছিলোনা। লেখক হিসেবে কোনো স্বীকৃতি পাননি ভদ্রমহলে। কবিতা বেঁচতে চেয়েছেন৷ কিনেনি কেউ। কিন্তু লিখে গেছেন একাগ্রতায়। হাজার হাজার পৃষ্ঠা লিখেছেন, প্রকাশ করেছেন সামান্য। তাঁর অার্ট তাকে সোনাও দেয়নি সুখও দেয়নি। হাসপাতালে একটা বেড পাননি ধীরে-সুস্থে মরার জন্য। হাসপাতালে তাঁর শেষ ইচ্ছে ছিলো একটা কমলালেবু খাওয়া। মরার পরে অবশ্য অামরা স্বীকৃতি দিয়েছি তাঁকে। তাঁর দু'টি কথা অামাকে ভাবায়, "অামি এই প্রজন্মের জন্য লিখিনা। পরবর্তী প্রজন্ম এই লিখা খুঁজে নিবে।" "মানুষ মরে গেলে ফ্রী ঔষধে কি লাভ?" শাহাদুজ্জামানের অসাধারণ হাতে উঠে এসেছে জীবনানন্দের অাদ্যোপান্ত। কিন্তু একটা বিষয় তিনি বির্তকিত রেখে গেলেন, জীবনানন্দের মৃত্যু কি অাত্নহত্যা নাকি হত্যাকান্ড? অামরা এখনো উত্তর খুঁজছি।"
ABU MOHAMMAD YOUSUF BIN AHAMMAD , Apr 13, 2021
"ex"
Anika Ishrak Khan , Feb 12, 2021
"order dewa jacchena"
Muhammad Arif Khan , Nov 17, 2020
"জীবনানন্দের সাথে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে আমার প্রথম পরিচয় ক্লাস সেভেনে, বই পড়ার নেশায় বাসার অলিগলি তন্ন তন্ন করে তখন আমি "রিডিং ম্যাটেরিয়াল" খুজছি। পড়ার মত কিছু একটা হলেই তখন হলো। তবে পছন্দের সেই ক্রমানুসারে কবিতার বই সংগত কারনেই একদম শেষের দিকে।তাই বাসার বুক সেলফের পিছনে জীবনানন্দ দাশের একখানা কবিতার বই পেয়ে খুব যে খুশি হয়েছিলাম তা বলবো না। সে যাই হোক, জীবনবাবুর সাথে আমার প্রথম পরিচয় ততটা স্মরনীয় নয়, এটুকু নির্দ্বিধায় বলা যায়। এরপর থেকে জীবনানন্দ দাশের সাথে গড়ে উঠা সখ্যতার ভিত্তি কিছুটা আঞ্চলিকতা দোষে দুষ্ট, যে বগুড়া রোডের পথ ধরে আমি স্কুলে গিয়েছি, সেই পথেই একদা হেটেছেন হাজার বছর ধরে পথ চলা কবি, এই চিন্তার রোমাঞ্চের তুলনা হয় না। কতদিন আনমনে লাশ কাটা ঘর বিড়বিড় করে আবৃত্তি করেছি, ফাগুন মাসের রাতের আধারে পঞ্চমীর চাঁদ খুজেছি, তার ইয়াত্তা নেই। তবুও এই কবির অনেক তথ্যই ছিলো অজানা। নিভৃতচারি এই কবির আসল রুপ কখনোই ধরা পড়েনি আমার কাছে। তার কবিতার এতো অনাদর, এতো সমালোচনা হয়েছে, তা আসলেই জানা ছিলো না। নতুন ধরনের কবিতা বাংলা সাহিত্যে সন্নিবেশে এতো কায়ক্লেশ সহ্য করতে হয়েছে, তবুও কখনো নিজের স্বাত্যন্ত্রতার সাথে আপোষ করেননি, লেখেননি কোন ফরমায়শি লেখা। জীবনানন্দের প্রথম ও একমাত্র বিশুদ্ধ প্রেম (সনাতন ধর্মমতে যা অজাচার), নৈতিক স্খলনজনিত আচরণ (স্বমেহন এবং গনিকালয় গমন),বৈষয়িক জীবনের চরম ব্যর্থতা, জীবন থেকে পলায়ন মুখি প্রবনতা তার প্রতি ভালবাসা কিংবা শ্রদ্ধাকে একবিন্দুও হ্রাস করে না, বরং এক এক আশ্চর্য নির্ভরতা দেয় আমাদের,বলে কবিরাও মানুষ, তাদের জীবনও আমাদের মত আটপৌরে জীবনের পাপে পূণ্যে ভরা। "একজন কমলালেবু" লেখক শাহাদুজ্জামানের পড়া প্রথম বই আমার। বলতে দ্বিধা নেই যে প্রথম মোলাকাতেই আমি এ লেখকের গুনমুগ্ধ পাঠকে পরিনত হয়েছি। ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় মানুষকে অবলম্বন করে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস রচনায় আধুনিক কালে কার্যকরি মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় , এরপর এপার বাংলায় হুমায়ূন আহমেদ ও কিছু কিছু উপন্যাসে তার ভাষায়" সময় ধরে রাখার চেষ্টা" করেছেন। কিন্তু শাহাদুজ্জামানের প্রয়াসের সার্থকতা কিছুটা অন্যরকরম। এক বৈঠকি ভংগীতে তিনি জীবনানন্দের জীবনী বর্ণনা করেছেন, মাঝে মাঝে কবির পক্ষে সাফাই গেয়েছেন, কবিতাগুলোর ব্যাখা দিয়েছেন, আবার ফাকে ফাকে সংলাপের আশ্রয়ে একে নিতান্তই এক জীবনী গ্রন্থ হওয়ার অপবাদ থেকে বাচিয়েছেন। গড়ে তুলেছেন এক অদ্ভুদ সুখপাঠ্য। যেখানে জীবনবাবুর জীবনের শেষ পরিনতি জানার এক আকুল আকাঙ্ক্ষা থাকে, তার কবিতাগুলোর সারমর্ম বোঝার সুযোগ থাকে, আমার কবির প্রতি নিষ্ঠূর ব্যক্তিদের ঘৃণা করার জন্য এক টুকরো জায়গা থাকে। বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতায় উত্তরনে একদল স্বপ্নবাজ কবিদের যে যে তীব্র প্রচেষ্টা, দেশভাগের ফলে রিফিউজিদের কষ্ট, সর্বোপরি পূর্ব বাংলার এক নিভৃতচারী কবির কলকাতার মত মহানগরীর প্রতি মিশ্র অনুভূতি সাবলীলভাবে লেখক বর্ণনা করছেন,যা পাঠকের চোখের সামনে দৃশ্যপট তৈরি করতে বাধ্য।"
Walid Hasan , Sep 26, 2020
"একজন কমলালেবু তে লেখক বিনা যুক্তিতে রহস্য সৃষ্টি করেছে। জীবনান্দ দাশের জীবনের উপর লেখা উপন্যাস, তবে লেখক ধারাভাষ্যকারের মতো কবির জীবন বর্ণনা করেছে, অতি রোমাঞ্চকর বর্ণনা। কবির জীবনের নানান কানাগলিতে পাঠকে পৌঁছে দিয়েছে এই বই। এর পাশাপাশি সম সাময়িক কবি লেখক, সাহিত্য পরিমন্ডল নিয়ে একটা অন্যরকম ধারণা পাওয়া যাবে বইটি থেকে। কবির জীবনের উত্থান – সংগ্রাম – প্রেম – এগুলোর পড়তে পড়তে পাঠক সহজেই নিজেকে সেই সময়ের চরিত্র হিসেবেও অনুভব করতে পারে। তবে শেষের দিকে লেখক লিখেছে, কবির মৃত্যু নিয়ে রহস্য – আত্মহত্যা, দূর্ঘটনা নাকি হত্যাকান্ড। তবে এই তিনটি ধারণার সত্যতা যাচাইয়ের কোনো চেষ্টা লেখক করে নি। হত্যার কথাটা এক্সট্রা একটা মোহ সৃষ্টি করতেই বুঝি যুক্ত করা হয়েছে, কারণ বই এর ফ্লাপেও এই লাইনটা অর্ন্তভুক্ত!"
Arif Mohammed , Sep 23, 2020
"'একজন কমলালেবু' বাংলা সাহিত্যর সবচেয়ে নির্জনতম ও নিসঙ্গতায় ডুবে থাকা কবির বিষণ্ণ জীবনের ভাব-সম্প্রাসারণ৷ সেই কবি— যিনি পৃথিবীর দিকে তাকিয়েছেন বিপন্ন বিস্ময়ে৷ সেই কবি—যার মাথার ভিতর কোনো শান্তি নয়; ভালোবাসা নয়; বোধ কাজ করে৷ সেই কবি— আট বছর আগে একদিন যার লাশকাটা ঘরে ঘুমাবার ইচ্ছা জেগেছিল৷ যিনি প্রেমিকার হৃদয়কে ঘাস বলেছিলেন৷ _ জীবনানন্দ দাশ— বিষাদতার নিপুণ সংজ্ঞা৷ জীবনকে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন প্রজাপতির জীবনের মত— স্বাধীন ও রঙ্গিন কিন্তু যার ডানা ধরে ক্রমাগত টেনে চলছে ডানপিটে ছেলের দল৷ আরো বলেছিলেন জ্যোৎস্নায় ঘাইহরিণীর ডাকে ছুটে আসা, শিকারীর গুলিতে নিহত হরিণের মত অসহায় আমরা সবাই৷ বাংলার প্রকৃতিকে শব্দের জালে বুনেছেন অন্য কোনো চিত্রশিল্পীর রঙিন ক্যানভাসের চেয়েও অধিক নিখুঁত এবং সূক্ষভাবে৷ _ জীবনানন্দ দাশের সারাজীবনে প্রাপ্তি সংখ্যা ছিল সামান্যই৷ অর্থকষ্টে জর্জরিত অবস্থা— চাকরিবিহীন বেকারত্ব সংগ্রাম— ব্যর্থ ভালোবাসা সবকিছু মিলিয়ে হতাশার জীবন৷ তবুও সব তাচ্ছিল্য করে শুধু চেয়েছিলেন কবিতা লেখার জন্য শান্ত নিবিড় জায়গা৷ জীবনানন্দ দাশ তাঁর সমসাময়িক প্রজন্মের জন্য লেখেননি৷ কিংবা তার পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও নয়৷ তিনি লিখেছিলেন তৃতীয় প্রজন্মের জন্য৷ তাই সেই সময়ে সমালোচকের তীব্র নিন্দা ছাড়া কপালে কিছুই জোটেনি৷ অথচ কবিতার নিগূঢ় অর্থ অনুধাবনে ব্যর্থ প্রজন্মের কাছে পাগল-মাতাল উপাধি ঠিকই জুটেছিল৷ _ জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন অনেক কিন্তু তার সামান্যই প্রকাশিত হয়েছে৷ মৃত্যুর পরে খাটের নিচে কালো ট্রাঙ্কে আবিস্কৃত বিশটি উপন্যাস এবং অসংখ্য কবিতাকে 'তুতুনখানেমের গুপ্তধন' বললেও ভুল হবে না৷ উপন্যাসে নিজের বেদনাদায়ক জীবনের প্রতিচ্ছবি স্পষ্ট৷ _ বিস্বাদ জীবনে অনেকবার আত্নহত্যার চিন্তা মাথায় উঁকি দিয়েছিল৷ কিন্তু 'অনেক লেখা বাকি' বলে সেই চিন্তায় কাঁটা দাগ দিয়েছিলেন৷ অবশেষে আদিম সাপের মত ছড়িয়ে থাকা কলকাতার ট্রামলাইনের ক্যাচার নির্ধারিত করেছিল করুণ জীবনের সমাপ্তি৷ _ অতি সুস্বাদু বই৷ বাংলার শুদ্ধতম কবিকে আরো গভীরভাবে চেনা হলো৷ লেখক শাহাদুজ্জানের মতে 'একজন কমলালেবু' উপন্যাস৷ তবে পড়তে গিয়ে উপন্যাসের চেয়ে নন-ফিকশন বললেই বোধগম্য হয়৷ সমস্ত বইজুড়ে জীবনানন্দ দাশের সাথে লেখক এক নিবিড় বোঝাপড়ায় লিপ্ত হয়েছেন৷ জীবনানন্দের ভারী কিছু কবিতার ব্যবচ্ছেদ করেছেন নিপুণভাবে৷ যা বেশ ভালো লেগেছে৷ অতি সূক্ষ এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে বিশ্লেষণ করেছেন জীবনানন্দ দাশের বিচিত্র জীবন৷ অবশ্যপাঠ্য!"
Khandaker Tawheed , Sep 13, 2020
"A well written fiction, mixture of imagination and fact."
Abrar Shahriar Chowdhury , Aug 30, 2020
"Loved it."
da asif , Mar 16, 2020
"আমি জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে আমি সবসময় একটা কথা বলি, যে ব্যক্তি জীবনানন্দ কে পায়নি, সে জীবনের আনন্দ হতে বঞ্চিত। তাই বলা বাহুল্য যে জীবনানন্দ দাশের প্রতি দুর্বলতার স্থানটি আমার ক্ষত ও আরোগ্যের মাঝে। লেখক এমন নাম কেন রাখলেন তা ঠিক আমার বোঝা হয়নি তাই এই বইটি চোখের সামনে থাকতেও আমি কখনও খেয়াল করিনি। কিন্তু একদিন নিজে থেকেই খটকা লাগলো, নামের ভেতর যে ছবিটি ভাসছে সেটি যেন খুব পরিচিত। প্রচ্ছদের এই বিষয়টি আমার খুব অদ্ভুত লেগেছিল। আর ছবিটি খুব পরিচিত কারণ জীবনানন্দ বলতে তার সকল পাঠকের কাছে নিশ্চয়ই এই ছবিটি খেলা করে। আর নামটি নিশ্চয়ই এখান থেকে প্রাপ্ত- "একবার যখন দেহ থেকে বার হয়ে যাব আবার কি ফিরে আসব না আমি পৃথিবীতে? আবার যেন ফিরে আসি কোনো এক শীতের রাতে একটা হিম কমলালেবুর করুণ মাংস নিয়ে কোনো এক পরিচিত মুমূর্ষুর বিছানার কিনারে।" বইটি পড়তে গিয়ে আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয়টি ছিল, আমি যখন পড়ছিলাম আমার মনে হচ্ছিলো আমি জীবনানন্দের চোখ দিয়ে তাকেই দেখছি, লেখকের নয়। বইয়ের শুরু এবং শেষ চমৎকার; বলতে পারতাম কেন কিন্তু বললাম না কারণ গল্পটা জমা থাক। বায়োফিকশন বলতে পারতাম কিন্তু বইয়ের শেষে দেখলাম লেখক ৫৬/৫৭টি বই পড়ে এর একটা মূল অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন তাই এটিকে একটা ডক্যুফিকশন বলা যায়; শ্রম যে সার্থক সেটা উনিও নিশ্চয়ই জানেন। আমার কাছে এটিকে জীবনানন্দের একটি কমপ্লিট হিস্টোরি মনে হয়েছে। যতটুকু প্রয়োজন জানা হয়ে যাবে এমনকি জীবনানন্দকে বুঝতেও সহজ হবে। একটা কথা বললেই নয়, স্তিফেন ডেভিস এর হ্যামার অফ দ্যা গডস(লেড জেপেলিন) এবং লাইফ,ডেথ, লিজেন্ড(জিম মরিসন)-এ বিষয়টি আমি পেয়েছিলাম। শিল্পীর শিল্প কিভাবে তার জীবনের কোন অংশ থেকে এসেছে তা চ্যাপ্টার এর শিরোনামে ছিল; এই বইতেও সেই ব্যাপারটি আছে। ধন্যবাদ লেখককে, আমাদের আবছা জীবনান্দ থেকে জীবনানন্দের সাথে পরিচয় করাবার জন্য। ধন্যবাদ আপনার সেই শিক্ষককে যিনি আপনাকে জীবনানন্দের সাথে পরিচয় করিয়েছিলেন যার কারণে বস্তা বন্দি থেকে বের হয়ে আজ অবধি আপনার জীবনানন্দের চর্চা একটা শৈল্পিক রুপ পেলো।"
Salman Mahadi , Dec 8, 2019
"বইয়ের নাম : একজন কমলালেবু লেখক : শাহাদুজ্জামান বইটি জীবনানন্দের জীবনী বলা চলে কিন্ত এমন ভাবে জীবনীটি লিখা হয়েছে যে "জীবনী"র মতো মনে হবে না। শাহাদুজ্জামানের লিখা নিয়ে অতিরিক্ত কিছু বলার নেই, তার লিখা যতই পড়ছি ততই তার কঠিন ভক্ত হয়ে যাচ্ছি। বইটির প্রচ্ছদ খুবই সুন্দর, সেখানে দুটি চোখ দেখা যাচ্ছে। যা দেখলেই বুঝা যায় যে চোখ দুটো জীবনানন্দের। এই নাম শুনেনি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর এবং তার একটিও কবিতা পড়েননি এইরকম মানুষ পাওয়া ও দুষ্কর। নিজ থেকে না পড়লেও স্কুলের বইতে আমরা কমবেশি সবাই তার কবিতা পড়েছি। আমার বাসায় "জীবনানন্দ কবিতা সমগ্র" আছে, কবিতা পড়ার খুব অভ্যাস নেই তাই নিয়মিত পড়া না হলেও মাঝে মাঝে পড়তাম, ভালোই লাগতো কিন্ত এখন বইটি শেষ করে তার কবিতা পড়তে আরও বেশি ভালো লাগছে। এখন তার কবিতা পড়লে মনে হয় "আরে এই কবিকে তো আমি খুব ভালো করে চিনি"। তখন পড়ার মধ্যে অন্য এক আনন্দ পাওয়া যায়। নামের মধ্যে তার আনন্দ থাকলেও জীবনে তার আনন্দ খুব কমই ছিল। নানান সংগ্রাম করে জীবন কাটিয়েছেন। বইটির নাম "একজন কমলালেবু" এটা দেখে আমার মতো অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে যে "জীবনানন্দে"র সাথে আবার "কমলালেবু"র কি সম্পর্ক? জানতে চান, কি সম্পর্ক? তাহলে সময় এবং সুযোগ বুঝে পড়ে ফেলুন বইটি। সব প্রশ্নের উওর পেয়ে যাবেন। বইটির প্রতি আপনাদের আগ্রহী করার জন্য "জীবনানন্দে"র কিছু তথ্য আপনাদের জন্য পেশ করছি : ১. তার কবিতার মধ্যে নজরুলের ছাপ পাওয়া যেত ২. দলবেঁধে আড্ডা দেওয়া তার কখনোই পছন্দ ছিল না ৩. ১৯২৭ সালে তিনি নিজের টাকায় প্রথম কবিতার বই প্রকাশ করেন ৪. ২০ বছর বয়সে তার প্রথম কবিতা ছাপা হয়। কোনো এক নববর্ষের সংখ্যার প্রথম পাতায় কবিতাটি ছাপা হয় ৫. বাসরঘরে তিনি তার স্ত্রীকে আবদার করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের "জীবন মরণ" গান গাইতে। ৬. বুদ্ধদেব বসুর "প্রগতি" পত্রিকাতে তার অনেক কবিতা প্রকাশ পেয়েছে ৭. সবাই যখন জীবনানন্দের বিপক্ষে ছিলেন তখন বুদ্ধদেব বসু নিজেই স্বার্থহীন ভাষায় "বাংলা কবিতার ভবিষ্যৎ" নামে তার পক্ষে লিখেন। ৮. বইটিতে "শোভনা" নামে একটি চরিত্র আছে যাকে জীবনানন্দ পছন্দ করতেন। তার ডায়েরিরতে তিনি তাকে সংক্ষেপে BY নামে লিখতেন কারণ তার নাম ছিল বেবি ৯. তিনি সরাসরি পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিলেন। তখন তার মা তাকে বলেছিলেন " শুধু স্কুলে পরিক্ষা পাস করলে হবে না বাবা, চোখ কান খোলা রাখতে হবে। ভাবতে শিখতে হবে ১০. ধারণা করা হয়, তার প্রকাশিত - অপ্রকাশিত লিখা যোগ করলে প্রায় আড়াই হাজার কবিতা, ২০টি উপন্যাস, শতাধিক গল্প, ৫০ প্রবন্ধ, ৪০০০ পৃষ্ঠার ডায়েরি তিনি লিখেছিলেন। এই ছিলো বই নিয়ে আমার মতামত.. আসুন নিজে বই পড়ি অন্যকেও পড়তে বলি। পড়বে সারা দেশ,তাহলেইতো এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"একজন কমলালেবু" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: