১ম প্রকাশ, ২০২৩
এক পশলা বৃষ্টি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
প্রেমের গল্প
হুমায়ূন আহমেদ
জীবন জাগার সিরিজ -৬ (আমি যদি পাখি হতাম)
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
অল্প বিদ্যা ভয়ংকর
মাওলানা মুনীরুল ইসলাম
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | এক পশলা বৃষ্টি |
| Author | ছাপাখানা প্রকাশনী |
| Publisher | ছাপাখানা প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 176 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.33 Kg |
| ISBN | 978984353748 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Sakib , Feb 28, 2023
"#এক_পশলা_বৃষ্টি #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •ছাপাখানা গল্প সংকলনঃ এক পশলা বৃষ্টি •লেখকঃ বন্যা হোসেন, ফারজানা ইসলাম, আফিফা পারভীন, ঝিনুক চৌধুরী, তৃধা আনিকা, হাসিন রেহেনা •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ ফাইজা ইসলাম •মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৫০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৭৬ •প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২৩ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ সদা উপন্যাসে আসক্ত এই পাঠক মনটা যখন খুবই আলগোছে একটা গল্প সংকলন বের করে পড়তে বসে । তখন আমার বাইরের এই মানুষের খোলসটা ভীষণ ভয়ে থাকে । অনুভূতি না বুঝিয়ে তুলতে পারার ভয় । লেখকগণ সঠিক ভাবে অনুভূতির জাগরণ করতে পারবে তো! আমার মনে একটা অজানা আশংকার ভয়ের মতো আবেশের রেশ আনাগোনা করবে তো । এই আনাগোনা করাটাতেই তো আমার ভালোলাগা, আর ভালোবাসা । গল্প সংকলন তাই পড়তে বসার আগে আমি খুব ভাবনা চিন্তা করে পড়তে বসি । ♦নামকরণঃ ভালোবাসা মানুষের জীবনে সুখ নিয়ে আসে । সেই সুখের সাথে বৃষ্টির একটা আদর আদর ভাব থাকে যেন । মনের রাজ্যে রাজ করে থাকে যেন একটা অচিন পাখি । সেই অচিন পাখি শীতল সুরে যেভাবে ভালোবাসায় আচ্ছন্ন হয়ে ডাকে সেরকমই মিষ্টি এক পশলা বৃষ্টি যেন শীতল এক আবহ মনের রাজত্বে আবেশ দিয়ে দেয় । এই ভালোবাসার গল্পগুলো সেভাবেই মনের রাজত্বে শীতল হয়ে শান্তির নিঃশ্বাস দেয়া সেই গল্পগুলি । ♦প্রচ্ছদঃ এই প্রচ্ছদটা যেদিন প্রথম দেখেছিলাম সেদিন মনে হয়েছিল এই প্রচ্ছদটা এত্ত সুন্দর কেনো! দেখলেই যেন মনে হয় বৃষ্টির ফোঁটারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সব কোণে, প্রতিটি শহরের অলিগলিতে । মায়া ভরা এই বৃষ্টির ফোঁটাগুলো যেন মনের অলিগলিতে পৌঁছে বয়ে যায় শীতল বাতাসের আবাহন নিয়ে । এত সুন্দর প্রচ্ছদটা তাই দেখলেই মায়া লাগে । হাত দিয়ে ধরে দেখতে ইচ্ছে করে । ♦উৎসর্গঃ এটার উৎসর্গ পড়ে আমি থেমেছি । বারবার মনে হয়েছে এত সুন্দর উৎসর্গ বর্ণনা করে লেখা অনেকদিন পরে পড়লাম । এত ভালো লাগায় আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলাম যে মনে হয়েছিল ভীষণ ভাবে ভালোলাগায় ভাসছি । এই বইয়ের অনেক অনেক প্রিয় কিছুর মাঝে এই একটা উৎসর্গ অসাধারণ ভাবে ছিল । ♦গল্প সংখ্যাঃ এই গল্প সংকলনে মোট গল্প সংখ্যা ছয়টি । প্রতিটি গল্পেরই কিছু কিছু বিশ্লেষণ করতে চেয়েছি । ♦গল্প বিশ্লেষণঃ ♣গল্পের নামঃ অন্য যুগের সখা (বন্যা হোসেন) ✓কাহিনী সংক্ষেপঃ বিয়ে মানুষের জীবনে এমন একটা বন্ধন । যা মানুষের মনে কিছু একটা জুড়ে দেয় । সেই জুড়ে দেয়ার মাঝে বন্ধনে অনেককিছুই জড়িয়ে যায় । দুজন নর-নারীর আদতে বিয়ের কথা চলা শুরু হয়ে তা দেখা সাক্ষাৎ পর্যন্ত যাওয়ার সময়টা খুবই সাধারণ । খুবই নিত্যনৈমিত্তিক । সেরকম করেই অদীপ-ঋতি এর বিয়ের কথাবার্তা হয় । তারা দেখা করে । হয়তো দুজন দুজনকে পছন্দ করে, অনুভূতিতে আটকে থেকেও বিয়েটা ভেঙ্গে দেয় । গল্পে নতুন মোড় আসে । সেই মোড়ে সবকিছু ছাপিয়ে ভেঙে যাওয়া সুর থাকে । সুরে থাকে ভালোবাসা পাওয়া না পাওয়ার সুর, কাছেপিঠে দেয়াল ভাঙার আওয়াজ কিংবা মোহ এবং ভালোবাসা অনুভব করার সাহস । এই গল্পে দোলা এরই অবস্থান বা কোথায়, সেটাই শুধু জানার । ✓অনুভূতিঃ সাধারণত গল্প সংকলন পড়া নিয়ে আমি ভয়ে থাকি । বারবার মনে হয় একটা গল্প উপন্যাসের মতো আমাকে বাঁধবে তো । গল্পে এত কম সংখ্যক শব্দ দিয়ে আটকে রাখতে পারবে তো । এই গল্পের পটভূমি বেশ ভালো ছিল । প্রথমে সমসাময়িক ভাবে আসলেও ভালোবাসা কিংবা কিভাবে অনুভূতি আসে তা দেখানো হয়েছে । হয়তো উপন্যাসে আরো অনুভূতির দিক থেকে গল্পে গভীরতা দেখানো যেতে পারতো । কোথাও একটা সূক্ষ্ম টান লেগে গল্পের পটভূমিতে মায়া লাগতে পারতো । তা লাগেনি । শেষের দিকে বারবার মনে হয়েছে আরেকটু বিশ্লেষণ দরকার ছিল । মায়া, মোহ কিংবা সম্পর্কে জড়ানো আবেগ ভালোবাসার কে কতটা কাছে বা পাশে তা আরেকটু ভালো করে বুঝানো যেতে পারতো । ✓রেটিংঃ ৩.৪/৫ ♣গল্পের নামঃ এমনই বরষার দিন ছিল (ফারজানা ইসলাম) ✓কাহিনী সংক্ষেপঃ জীবনে বিয়ে মানুষের জীবনে যেভাবে নতুন অনুভূতি নিয়ে আসে । সেভাবে নতুন নতুন কিছু আনকোড়া মুহূর্তে মানুষ পাশে চোখ বুঁজে বিশ্বাস করতে পাওয়ার চেষ্টা করে । সব বিয়েই কি আদৌ সুখের হয়! মুনিয়া পরিবারের পছন্দে বিয়ে করে ফেলে । সেই বিয়ের পরে রাগ, ভালোবাসা অভিমান সবই হয় । একটা পর্যায়ে জীবনভর সবসময়ের পাশে থাকা মানুষটার বিভিন্ন দোষের সাথে পরিচয় হয় তার । আলাদা হয়ে যায় মুনিয়া । নতুন বিশেষণের সাথে আখ্যায়িত হয়ে মুনিয়া কিভাবে বেঁচে থাকে বর্তমান সময়ে! কতটা এগিয়ে চলে বর্তমান সমাজের সাথে ভালোবাসার মিশ্রণ । মুনিয়া, নিউটন, তমাল এর এই জীবনে চিত্রার ভূমিকাই বা কতটুকু । এই ভালোবাসা, বর্ষার ফোঁটাগুলো, পাশে থাকা না থাকা নতুন নতুন আখ্যায় কিভাবে দিন কেটে যায় তাই দেখার । ✓অনুভূতিঃ আমার মূলত গল্প সংকলন পড়ার সময়ে মনে হয় যে গল্পের শেষের লাইনটা পড়ার সময়েও আমি মনের মাঝে থেকে বলতে পারবো, আমার রেশ কেনো কাটছে না । কেনো এই রেশ নিয়ে নিজেই অনুভব করতে পারবো । তখন মনে হবে এই গল্পটা খুবই বিশেষ । এই গল্পটির পটভূমিও বেশ ভালো ছিল । খুব সাধারণ ভাবে পটভূমি অনুসারে গল্পটি এগিয়েছে । প্রথম দিকে গল্পটা যেন নিজ আবহে এগিয়ে গিয়েছে । যেন পাঠ করার মতো করে, কিন্তু কোনো গভীরতা নেই । এইরকম গল্পগুলো পড়তে থাকলে মাঝে মাঝে ভয়ে আচ্ছন্ন হতে হয় নিজের জন্য । কিন্তু একটা সময়ের পরই গল্পটার ভোল পাল্টে গিয়েছে । বিভিন্ন মোড়ে গল্পটার নতুন নতুন মোড়ে গল্পটার আবহ পরিবর্তনে গভীরতা বেশ খানিকটা চলে এসেছে । এই গল্পের বরষার আবহটা কিংবা প্রকৃতির আমেজ গল্পে এসে নতুন নতুন এক ভালোলাগা দিয়ে দেয় । এই গল্পটা তাই আমাকে একটুখানি ভালোলাগা দিয়েছে । ✓রেটিংঃ ৩.৮/৫ ♣গল্পের নামঃ দেনা পাওনা (আফিফা পারভীন) ✓কাহিনী সংক্ষেপঃ সহসা কথা বলতে না পারা গম্ভীর চুপচাপ ধরনের মেয়ে নিঝুম এর বিতার্কিক জীবনে যেন বিতর্ক প্রতিযোগিতার ঝড়ের মতো করে রওনক নামের একটা ছেলের আগমন ঘটে । সেই আগমনে তার জীবনে ঝড় ওঠে নাকি শান্ত হাওয়ার মিষ্টি সুবাতাস বয়ে যায় কেউ তা খেয়াল করে না । কিন্তু কিছু পাওনা যেন জীবন বয়ে দিয়ে যেতে হয় তা নিঝুমের খেয়াল থাকে না । এই দেনা পাওনা এর হিসেব কে কতটুকু দিতে পারলো তাই শুধু দেখার । শান্তা এর মতো অসাধারণ একজন চরিত্রই বা কিভাবে জুড়ে বসে থাকে নিঝুম-রওনকের জীবনে । বিভিন্ন ঝড়ের মুখোমুখি এই দেনা পাওনার হিসেবে বিতর্ক সবসময়ই থেকে যায় । ✓অনুভূতিঃ এই গল্পটা এখন না পড়লে বোধহয় ভুল হয়ে যেতো । এই ভুল কিভাবে সামলে নিতে হয় আমার তা জানা নেই । তবে হতো । গল্পের পটভূমি এবং তাকে ঘিরে বয়ে চলা প্রতিটি আবহ গল্পে অসাধারণ কিছু মুহূর্ত দিয়েছে । সংলাপের মাঝেই যেন আমি মুগ্ধতা পাই । গল্পের গভীরতা যদিও কম ছিল, কিন্তু এর আবহে রেশ রয়ে যাওয়ার মতো স্নিগ্ধতা থাকার কারণে গল্পটা আমার সবসময়ই মনে হয়েছে ভালো লাগবে । বারবার পড়ার সময়ে মনে হয়েছে, এই গল্পটার পটভূমি ওদিকে গেলে আরো ভালো লাগবে । সেরকমই লেগেছে । এই মিষ্টি সুখের গল্পটা আরেকটু বড় হলে যেন আরো আরো বেশি ভালো লাগতে পারতো । ✓রেটিংঃ ৪.৪/৫ ♣গল্পের নামঃ তপ্ত ভালোবাসা (ঝিনুক চৌধুরী) ✓কাহিনী সংক্ষেপঃ মৌরীর জগতে বাবা মা বেঁচে নেই । ফুফু-ফুফার কাছে বড় হওয়া মেয়েটির জীবনে হঠাৎ করেই প্রেম আসে । সেই প্রেম ধীরে ধীরে ভালোবাসায় রূপ নেয় । এই ভালোবাসার অনুভূতিতে সে কতটা জড়িয়ে যায় বাবা হারানো চয়ন এর সাথে সেটাই দেখার । মৌরীর জীবনে সোহান কিংবা পাপন এর ধাপই বা কোথায় । মৌরী-চয়ন এর ভালোবাসার গল্পের শুরুটা কি আদৌ হয়? নাকি তাদের ভালোবাসা হারিয়ে যায়, তপ্ত কিংবা প্রকাশিত আর হয় না সেটাই দেখার । ✓অনুভূতিঃ এই গল্পটা যেভাবে সাজানো হয়েছে সেটা বেশ মিষ্টি । যেভাবে দুই কেন্দ্রীয় চরিত্রের অনুভূতি আলাদা আলাদা ভাবে সাজিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তা বেশ ভালো লাগার মতো ছিল । গল্পের পটভূমিটা বেশ মজাদার ছিল । হাস্যোজ্জ্বল, সুখী হওয়া গল্পের আবহটিও অসাধারণ । বেশ সুন্দর করে গল্পটা সাজানোর কারণে গল্পটা মনের কাছে গিয়ে লেগেছে । তবে গল্পে টাইপিং মিস্টেক আছে । চরিত্রের নামে টাইপিং মিস্টেক থাকাটা খুবই আশাহত করে দেয় । ✓রেটিংঃ ৪.৫/৫ ♣গল্পের নামঃ অনিচ্ছা পূরণ (তৃধা আনিকা) ✓কাহিনী সংক্ষেপঃ মানুষের জীবনে ভালোবাসা হুট করে হয়ে যায় । জীবনের ধাক্কায় মানুষের জীবনে কতকিছু বদলে যায় । জীবনের গতিপথে কতশত আলোড়ন করে । এই আলোড়ন কখনও কখনও হেসে খেলে ভেসে বেড়ায় । মিষ্টি, চুপচাপ স্বভাবের রুমঝুম হঠাৎই কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে চোখের চশমা হারিয়ে ফেলার মতো করে নিজের মনটাও ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে । হয়তো কোনো এক আচানক পরিস্থিতিতে ভালোবেসে ফেলে । এই ভালোবাসার রাজ্যে পারফিউম এর ঘ্রাণ কতটুকু! সেই ঘ্রাণের নির্যাস মনের রাজ্যে কতটা সুঘ্রাণ ছড়ায় তাই দেখার । স্বপন কিংবা রক্তিম কার অনুভূতির যোগ্য সঙ্গ পেতে রুমঝুমের মনের ভালোবাসা অনিচ্ছা পূরণ করতে চায় । ভালোবাসা যথার্থ পরিপূর্ণতার আবেগ কার পুরোটা পূর্ণ করে দিতে ইচ্ছে করে । পুরোটা জানা যাবে অনিচ্ছা পূরণ নামের এই রাজ্যে । এই পূরণে আসলে কতটুকু পূর্ণতা তাই দেখার । ✓অনুভূতিঃ তৃধা আপুর গল্পের সবথেকে বড় বিষয় হলো, মানুষের জীবনের নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনাকেই এতটা সুন্দর করে বলা হয় তখন শুনলে মনে হয় এটা যেন আমাদের পাশের বাড়ির কোনো গল্প । আমারই পৃথিবীর, আমার চোখের পাশে বয়ে চলা, চোখ দিয়ে দেখতে থাকা কোনো জীবনের গল্প । তখন এত অদ্ভুত লাগে, বারবার মনে হয় এত সুন্দর করে তাহলে সবই ফুটে উঠে । মানুষের জীবন সুন্দর । যাহোক এই গল্পের পটভূমিটা আমাদের রোজকার জীবনের সুন্দরের মতোই সুন্দর । যেভাবে গল্পে মোড় এনে ভালোবাসার মতো বিষয়টা দেখানো হয়েছে তা বেশ ভালো ছিল । বিশেষ করে গল্প যেহেতু ছোট, সেক্ষেত্রেও সম্পর্কের টানাপোড়েন কিংবা ভালোবাসা দেওয়ার সুখ সুখ অনুভূতি দেখানোর বিষয়টা অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । গল্পের বর্ণনা কিংবা তার আবহ বেশ সুন্দর ছিল । ✓রেটিংঃ ৪.৭/৫ ♣গল্পের নামঃ অতঃপর পূর্ণতা (হাসিন রেহেনা) ✓কাহিনী সংক্ষেপঃ পরিবারের সিদ্ধান্তে পড়াশোনায় ভীষণ মেধাবী তৌহিদকে বিয়ে করে রুমিন । হয়তো একসাথে থাকতে থাকতে মনের অনুভবে ভালোবাসার মতো অনুভূতি হয় তাদের । উচ্চতর ডিগ্রি নিতে তৌহিদ দেশ ছাড়লে আস্তে আস্তে দুজনের মাঝে দুরত্ব তৈরি হয় । এই দূরত্ব কি সাময়িক নাকি স্থায়ী তা কেউ টের পায় না । ভালোবাসার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিয়ের সম্পর্কের মাঝে ফাটল ধরে । নর্থ ডাকোটায় গিয়ে পিএইচডি করতে যাওয়া রুমিন এর জীবনে ভালোবাসা ফিরে আসে কিনা তাই দেখার । বর্ণ কিংবা বৃত্ত এর হাসিখুশি স্বভাব কতটা জুড়ে বসে রুমিনের জীবনে । তারা রুমিনের জীবনে কতটা গুরুত্ব নিয়ে থাকে । তৌহিদ রুমিনের জীবনে কিভাবে ফিরে আসে জুবায়েরের উপস্থিতিই বা কতটুকু রেশ ছড়ায় পূর্ণতায় । এই পূর্নতার গল্পে প্রতিটি চরিত্র একে একে আসতে থাকে । ✓অনুভূতিঃ আমি এই লেখকের লেখা আগে কখনও পড়িনি । তাই ধারণাও ছিল না তিনি কেমন লিখেন । আজকে তার লেখা প্রথম পড়ে মনে হলো, বেশ ভালোই লিখেন । অসাধারণ একটি গল্পের পটভূমি ভেবেছেন । যার মতো করে সুন্দর আবহ সাজিয়েছেন । বিদেশের সংস্কৃতি কিংবা তার প্রকৃতি বেশ ভালো করে ফুটিয়ে তুলেছেন । এই গল্পে তার শব্দপ্রয়োগ কিংবা বর্ণনা করার যে ধরন তা বেশ ভালো ছিল । তাই এই গল্পটা আমার কেনো যেন ভালোই লেগেছে খুব । ✓রেটিংঃ ৪.৮/৫ ♦একত্রে অনুভূতিঃ এই বইটি যত এগিয়েছে তত ভালো লাগা দিয়েছে । যত পৃষ্ঠা এগিয়েছে তত ভালো লেগেছে । যত গল্প এগিয়েছে তত আমার মনে ভালোলাগার রেশ ছড়িয়েছে । একেবারে শেষ পর্যন্ত পড়ে তারপর মনে হয়েছে এটি একটি অসাধারণ গল্প সংকলন ছিল । ♦প্রিয় গল্পঃ প্রতিটি গল্পই অসাধারণ ছিল । তবে কিছু আরো ভালো হতে পারতো । কিছুতে আরো রেশ থাকতে পারতো । গল্পে ‘শেষ না হয়েও শেষ’ এর মতো অনুভূতি সবসময় বিরাজ করে রাখে । সেইরকম অনুভূতিতে থাকতে পারতো । তবুও ‘অতঃপর পূর্ণতা’ আমার এই বইয়ের সবথেকে প্রিয় গল্প হয়ে রইলো । ♦প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী এর বই বাঁধাই এবং প্রচ্ছদের কাজ তারা অসাধারণ ভাবে করে । তারা দারুণ ভাবে বইটি ফুটিয়ে তুলে । প্রচ্ছদটা যেভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তা অসাধারণ ছিল । টাইপিং মিস্টেক তেমন একটা নেই । তবে কিছু কিছু টাইপিং মিস্টেক যা আছে, তা আশা করি ঠিক হয়ে যাবে । ♦পূর্ণ রেটিংঃ ৪.২/৫ ♦উপসংহারঃ গল্প সংকলন পড়তে পড়তে আমার আজকে মনে হচ্ছে মাঝে মাঝে গল্প সংকলন পড়া সত্যিই উচিত । অল্পতেই কিছু কিছু পটভূমি কিংবা তার রেশ মনে জায়গা করে নেয়া দরকার । সেজন্য হলেও গল্প সংকলন পড়ে বিভিন্ন লেখককে আমরা খুঁজে পাই ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"এক পশলা বৃষ্টি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: