1st published,august 2023
দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট পাকিস্তান
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ডেভিড কপারফিল্ড
ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
রবিনসন ক্রুসো
ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
নির্বাচিত মুক্তিযুদ্ধের গল্প
ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
মুক্তিযুদ্ধের নির্বাচিত কিশোর গল্প
ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
স্পাই স্টোরিজ ২
মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
২৪-এর গণঅভ্যুত্থান : স্মৃতিচারণ ও ইতিহাস
আবদুল্লাহ আল মাসউদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট পাকিস্তান |
| Author | ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল |
| Publisher | আফসার ব্রাদার্স |
| Edition | 1st published,august 2023 |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 344 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | রাজনীতি |
| Weight | 0.53 Kg |
| Translator | ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল |
| ISBN | 9847016600029 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
32 Ratings and 15 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৫টিMd. Tanjilur Rahman , Sep 25, 2026
"Informative books"
Jahid Hasan Mahmudi , Sep 17, 2026
"আলহামদুলিল্লাহ"
Sami Abdullah , Aug 6, 2021
"Its a good book regarding histry, Niazi is desperate in this book. We never know the truth but it will atleast give us statements to overview comparing with other information regarding 1971"
Aumit hassan , Sep 19, 2020
"না জানা অনেক information পাবেন যা আমাদের ইতিহাস এ নেই, তবে নিয়াজি অনেক অসত্ত, বনোয়াট ও নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টা করেছেন।"
Khandaker Abdullah Al Mahmud , Sep 16, 2020
"অসাধারণ বই। যুদ্ধকালীন অনেক অজানা কথাই জেনেছি এই বইটি পড়ে। আপনারাও পড়তে পারেন।"
syeed sazzad ali , Sep 6, 2020
"good"
মোঃ মমিনুল ইসলাম , Feb 22, 2020
"মুদ্রার যেমন দুটা পিঠ থাকে ঠিক তেমনি ইতিহাসেরও দুইটা বা বহু দিক অথবা পক্ষ থাকে। কোন বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করবার জন্য সব পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি গভীর ভাবে মূল্যায়ন খুবই জরুরি। এই দৃষ্টি ভংগিতে আমি এই বইটি গভীর ভাবে অধ্যয়ন করে খুবই উপকৃত হয়েছি।"
Tamal , Dec 30, 2019
"Nice one. He praised about our air and navy"
M.Aktaruzzaman hasan , Dec 7, 2019
"বইটি পড়ে মনে হলো এক পরাজিত জেনারেল সারাক্ষণ অজুহাত খুঁজে বেড়িয়েছে। লক্ষ লক্ষ মৃত্যুর যৌক্তিকতা তো উপস্থাপন করা হয়নি।"
ABDULLAH AL EMON , Nov 12, 2019
"১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে। কিন্তু অবশেষে এই ঘটনার জন্য যে প্রধান নায়ক যুদ্ধে পরাজয়ের জন্য দায়ী তিনি নিজের যুদ্ধের সময়ের নানাদিক বর্ননা করেছেন বইটির লেখনির মাধ্যমে। বইটি ইতিহাসমূলক একটি বই তারপরেও আত্বপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা কম ছিলোনা। তথ্যমূলক একটি বই পাঠকদের ভালো লাগবে।"
Khandaker Maidur Rahman , Aug 8, 2019
"জঘন্য একটি বই।পাকিস্তানিরা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু জাত।এই বইয়ে তারই প্রতিফলন আছে সব মিথ্যা ও বানোয়াট কথা ছাড়া আর কিছুই না।ত্রিশ লক্ষ মানুষকে ইসলামের নামে হত্যা করার কোন অনুশোচনা নাই বরং সাফাই গাওয়া হয়েছে।পাকিস্তানীরা হচ্ছে মুনাফিকি মুসলিম। হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন পাকিস্তানীরা যদি ফুল নিয়েও আসে তবুও বিশ্বাস করবেননা।পাকিস্তান না থাকলে মুসলিম জাহান অনেক শান্তিতে থাকবে।"
Habib imran , Sep 4, 2018
"চমৎকার একটা বই! প্রকৃত ইতিহাস জানতে ইচ্ছুক এমন ব্যক্তিকে অবশ্যই বইটা পড়া উচিত । এক পক্ষের ইতিহাস পড়ার চেয়ে দুই পক্ষেরই ইতিহাস পড়া উচিত । এতে জ্ঞান বাড়বে । মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কোনো সমস্যা হবেনা । সুবিধাবাদীরা অনেক কিছুই বলবে । কান দেয়ার সময় কই?"
Rahman Ferdinand , Aug 25, 2017
"মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইন্টার্ন কমান্ডার ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী। তিনি দাবি করেন, তদানীন্তন ইয়াহিয়া খানের সরকার জুলফিকার আলী ভুট্টোর পরামর্শেই পরিকল্পিতভাবে ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান পরিত্যাগ করেছে। জেনারেল নিয়াজী তার ‘দ্য বিট্রেয়াল অব ইস্ট পাকিস্তান’ বইয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের জন্য ইয়াহিয়া ও ভুট্টোকেই দায়ী করেন। পূর্ব পাকিস্তানে তিনি আট মাস দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনিই পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় ও পাকিস্তানি সেনাদের পরাজয়ের গ্লানি তাকেই বরণ করতে হয়েছে। তারই নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনী মিত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। পরাজয়ের গ্লানি কেউই বরণ করতে চায় না। তিনিও চাননি। সেজন্যই বুঝি ‘দ্য বিট্রেয়াল অব ইস্ট পাকিস্তান’ বইয়ে মাথার ওপর থেকে অভিযোগ ঝেড়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর চাপাতে চাইলেন তিনি। অথচ নিয়াজীর নেতৃত্বেই পাকিস্তানি হানাদাররা এখানে গণহত্যা চালায়। নিয়াজীর পরিচালিত গণহত্যা পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম বলে সমধিক পরিচিত। পাকিস্তানি বাহিনী এখানে শুধু সামরিক শক্তিই প্রয়োগ করেনি, তারা প্রথাগত যুদ্ধের সমস্ত রীতি-রেওয়াজও ভঙ্গ করেছে। তারা বেসামরিক লোকদের ওপর হামলা করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে, নারী ধর্ষণ করেছে, শিশুদেরও নির্বিচারে হত্যা করেছে। লিপ্ত হয়েছে গণহত্যা ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি সব কর্মকাণ্ডে। কিন্তু নিয়াজী বাহিনী এসব করেও নিজেদের শেষ রক্ষা করতে পারেনি। বাঙালির কাছে তাদের পরাজয় বরণ করতেই হলো। রণাঙ্গনে তার এ পরাজয়ের দায় নিয়াজী যেমন চাপিয়েছেন পাকিস্তান বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের ওপর, তেমনি সমানভাবে দায়ী করেছেন ভুট্টোকেও। বাস্তবতা বলবে, পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত অপরাধের জন্য নিয়াজী কোনোভাবেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করতে পারেন না। বরং তিনি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও গণহত্যার জন্য সরাসরি দায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত সব অপরাধের সঙ্গে তিনি জড়িত। তার নেতৃত্বে তার আদেশ-কমান্ডেই যে হানাদার বাহিনী এখানে ঘৃণ্যতম তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। নিয়াজী দাবি করেছেন, ওই তিনজন (ইয়াহিয়া-ভুট্টো-জে. হামিদ) সঠিক পদক্ষেপ নিলে বাঙালিদের পরাজয় ছিল নিশ্চিত। যুদ্ধে তিনিই জয়ী হতেন। যদিও তার এ দাবি নয় মাসের যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক-অতি কথনমাত্র বলেই প্রতীয়মান হয়। পূর্ব পাকিস্তানের কমান্ডার নিযুক্ত হওয়ার সময় নিয়াজী ছিলেন উর্ধ্বতন দ্বাদশ কর্মকর্তা। এতো জুনিয়র অফিসার হওয়া সত্ত্বেও তিনি সেনাবাহিনীর তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত হন। এই নিয়াজী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সময় বার্মা সেক্টরে ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে জাপানিদের বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে ‘টাইগার উপাধি’ লাভ করেছিলেন। তার খেতাব অনুসারে তাকে নাকি ‘টাইগার নিয়াজী’ বলা হতো। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধেও নিয়াজী একরকম সাফল্যই দেখিয়েছেন। ইস্টার্ন কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ.এ.কে. নিয়াজি হলেন সেই ব্যক্তি যাকে এমন এক দুর্ভাগ্যজনক অপারেশনের নেতৃত্ব দিতে হয়েছিল যার ফলে পাকিস্তানের বিভক্তি ঘটেছে। পাকিস্তানের ইতিহাসে সেই অবিস্মরণীয় ইতিহাসে সেই অবিস্মরণীয় বছর ১৯৭১ সম্পর্কে অনেক বই লেখা হয়েছে। কিন্তু অবশেষে এই ঘটনার অন্য যে প্রধান নায়ক যুদ্ধে পরাজয়ের জন্য দায়ী ঘটনাবলী সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। এই বই ইতিহাসের অনেক শূন্যতা পূরণ করবে।"
Nira jahan , Aug 20, 2017
"দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট লে.জে.এ.এ.কে.নিয়াজী ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটো দেশ আলাদা হয়ে যায় শুধু মাত্র ধর্ম ভিত্তি করে। পূর্ব বাংলাও তখন পাকিস্তানের সাথে যোগ হয় একমাত্র ধর্মীয় গত এক জাতি হওয়ার কারনে। সংস্কৃতিগত কোন দিক দিয়ে পূর্ব বাংলার কোন মিল ছিলো না পাকিস্তানের সাথে। তাছাড়া রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান পূর্ব বাংলার মানুষের সাথে বিমাতা সুলভ আচরণ করা শুরু করে প্রতি ক্ষেত্রে। শোষিত হতে হতে একসময় পূর্ব বাংলার মানুষ প্রতিবাদী হয়ে উঠে। তাদের সেই প্রতিবাদের দাবী না মেনে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী সামরিক বাহিনী দ্বারা অপারেশন সার্চলাইট নামক নারকীয় গনহত্যার পরিচালনা করে। তারই ফল শ্রুতিতে বাংলার মানুষ রুখে দাড়ায়। শুরু হয় মুক্তির জন্য যুদ্ধ। একে একে নয় মাস পেরিয়ে যায় রক্ত গঙ্গায়। নয় মাস পর স্বাধীনতার পতাকা ছিনিয়ে আনে বাংলার দামাল ছেলেরা। যুদ্ধের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে। যুদ্ধ শেষ হয়। কিন্তু পিছনে পড়ে থাকে এক লাল রঙা ইতিহাস। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর আদেশে যে অপারেশন সার্চলাইট নামক হত্যাকান্ড রচিত হয় সেই অপারেশনের নেতৃত্ব দেন, ইস্টার্ন কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ.এ.কে. নিয়াজি। যার ফলে পাকিস্তানের বিভক্তি ঘটেছে। মুক্তিযুদ্ধ এবং তার আগে ও পরের কাহিনী নিয়ে অনেক বই রচিত হয়েছে। দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট পাকিস্তান" তেমনি মুক্তিযুদ্ধ সম্বলিত একটা বই। তবে আকর্ষনীয় বিষয় এই যে মুক্তিযুদ্ধ ঘটনোর জন্য দায়ী অন্যতম প্রধান নায়ক পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অধিনায়ক নিয়াজী এই বই লিখেছেন। তিনি এই বইয়ে যুদ্ধে পরাজয়ের জন্য দায়ী যারা তাদের কথা এবং বিভিন্ন ঘটনাবলী সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। লে. জেনারেল নিয়াজি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বেশি পদকপ্রাপ্ত সৈন্যপ্রাপ্ত একজন। তিনি ছিলেন কোয়েটায় স্কুল অভ ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিক্স এর কমান্ডার এবং কোয়েটায় কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজের ইনস্ট্রাকটর। তিনি এই বই শুরু করেন সামরিক বাহিনীতে প্রাথমিক জীবনের বর্ণনার মধ্য দিয়ে। এর পর ১৯৬৫ সালের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের বিবরণ। সেই সাথে বিচ্ছিন্নতার জন্য দায়ী ঘটনাবলীর বিবরন। তারপরই পূর্ব বাংলাকে চুপ করিয়ে দিতে নারকীয় হত্যাকান্ড । পূর্ববাংলার মুক্তিবাহিনী ও বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরোধ এবং যুদ্ধ পরিকল্পনা। শুরু হলো যুদ্ধ একসময় পূর্বপাকিস্তানের সেক্টরওয়ারি যুদ্ধ শুরু হয়।এতে করে সৃষ্টি হয় পাকিস্তানের ভাঙন। বিভিন্ন পরিকল্পিত পরিকল্পনার বিপর্যয়। ১৬ ই ডিসেম্বর মুক্তিও মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ ও পাকিস্তান প্রত্যাবর্তন। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তির পর যুদ্ধবন্দীরা পাকিস্তানে ফিরে আসে। নিয়াজীও এসময় পাকিস্তান ফেরেন। জুলফিকার আলী ভুট্টো নিয়াজীকে তার সামরিক পদ থেকে অব্যাহতি দেন এবং তার খেতাবগুলো কেড়ে নেয়া হয়। এছাড়াও যুদ্ধে আত্মসমর্পণের জন্য তাকে দোষারোপ করা হয়। বিচারপতি হামুদুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বপালনের সময় নিয়াজীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অন্যায়ের অভিযোগ আনে। বই শেষ করেন বেসামরিক জীবনের বর্ণনা দিয়ে। তাছাড়া বইয়ের শেষে বার্ষিক গোপনীয় রিপোর্ট, জেনারেল আবদুল হামিদ খানের রিপোর্ট, একটি গোপনীয় দলিল প্রকাশ, সরদার ফারুক আহমেদ খান লেঘারি, যুদ্ধের সম্পর্কে ধারণা, ডা. মালিকের চিঠি, ভারতীয় আমেরিকান পত্রিকার সঙ্গে নিয়াজীর সাক্ষাৎকার, ভারতীয় বিশেষজ্ঞ শর্মিলা বসুর দৃষ্টিতে নিয়াজী এবং হামুদুর রহমান কমিশনের অংশিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। এই হলো পুরো বই আলোচনা। মুক্তি যুদ্ধের আগে নিয়াজী "টাইগার নিয়াজী" বলে পরিচিত ছিলেন। আত্মসমর্পণের পর তাকে পাকিস্তানে "বাংলার শৃগাল" বলা হয়। পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান ভাগ বা যুদ্ধে হেরে যাওয়ার জন্য তিনি এই বইয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে। ১৯৯৮ সালে নিয়াজীর লেখা এই বই দ্য বিট্রেয়াল অব ইস্ট পাকিস্তান প্রকাশিত হয়। এতে তিনি ইয়াহিয়া খান, রাও ফরমান আলি, টিক্কা খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোকে পাকিস্তানের বিভক্তির জন্য দায়ী করেন।কিন্তু যতই তিনি অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন না কেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় গনহত্যার মতো বর্বরোচিত কর্মকান্ড তার নির্দেশেই হয়েছিলো।কিন্তু তিনি বইয়ে এটাও অস্বীকার করেন। তিনি বলেন সর্বপ্রথমে এই গনহত্যার বিরোধীতা করেছিলেন প্রকাশ্যে। কিন্তু সেই তিনিই এই নির্বিচার গনহত্যার নেতৃত্ব দেন। ব্যপারটা কেমন ভজগন্ডুল হয়ে গেলো না! বুঝতে তেমন কষ্ট হয়না, আত্মসমর্পণ আর পরাজয়ের গ্লানি তার মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছিলো, আর তাই তিনি গনহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ এর দায় ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর ঘাড়ে চাপাতে চান। অথচ তিনিই পূর্বপাকিস্তানে গনহত্যা পরিচালনা করেন, যা ইতিহাসে এক কলঙ্কময় অধ্যায় সৃষ্টি করে। সামরিক বাহিনীর অন্তর্ভূ্ক্ত হয়েও তারা রীতি বিরুদ্ধ ভাবে নিরস্র মানুষের উপর গুলি চালিয়েছে, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে, নারী ধর্ষণ করেছে, নারী ও শিশু হত্যা চালিয়েছে। যার সবকিছু আইন বিরোধী। চাইলেই কি দায় এড়ানো যায়? বাংলার মানুষ কি এসব ভুলে আছে? এতকিছু ধংস্বযজ্ঞ সৃষ্টি করেও বাঙালিদের যখন রুখতে পারেনি । পরজয় তখন কাঁধে তুলে নিতে খুব বেশি যন্ত্রণার হয়ে গেলো বলে নিয়োজি দায় চাপিয়ে দিলো ইয়াহিয়া আর ভুট্টোর উপর। কিন্তু এতোকিছুর পর নিয়োজি কি কোন অংশ থেকে নির্দোষ থাকতে পারে? তার ভাষ্য মতে পাকিস্তান থেকে নির্দেশে সে যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। আর তার নেতৃত্ব এবং আদেশে হানাদার বাহিনীরা এসব বর্বরোচিত কাজে লিপ্ত হয়েছে। এটা সত্য যে, সামরিক বাহিনীর আগে, এর দায় অবশ্যই ইয়াহিয়া আর ভুট্টোকেই নিতে হবে। কেন না তারা দুজনের ষড়যন্ত্রেই রাজনৈতিক অবস্থা সংকটে পরে। এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই দুইজনই সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। যুদ্ধে পরাজয় এর জন্য নিয়োজী তাদের দায়ী করেন। কেন না কোন কিছু না জেনে না বুঝেই তারা পাকিস্তান থেকে নির্দেশনা পাঠাতেন আর সেই মোতাবেক তিনি একের পর অপরেশন চালিয়েছেন। যাই হোক, যতোই তিনি দায় এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করুন না কেন। কোনভাবেই তিনি তা থেকে মুক্ত নন। বাংলার মানুষের চোখে তারা চিরকাল ঘৃনিত, ঘৃনিত এবং ঘৃনিত।"
Tultul Zabin , Jan 19, 2017
"‘দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট পাকিস্তান’ পুর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান এর যুদ্ধ ও তার কারন সমুহ ও ফলাফল নিয়ে এই যুদ্ধের পাকিস্তানের অপারেশন এর নেতৃত্ব দেওয়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি এর নিজের লেখা একটি বই । ইস্টার্ন কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ.এ.কে. নিয়াজি হলেন সেই ব্যক্তি যাকে এমন এক দুর্ভাগ্যজনক অপারেশনের নেতৃত্ব দিতে হয়েছিল যার ফলে পাকিস্তানের বিভক্তি ঘটেছে । লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙ্গালীর ওপর তাদের বাহিনী নিয়ে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করেন । তিনি ছিলেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সবথেকে বেশী পদকপ্রাপ্ত অফিসার । তাকে টাইগার নিয়াজী বলে ডাকা হত । তার পুরা নাম আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী । তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোহিমাতে মিলিটারি খেতাব পান ও ভারতের সাথে যুদ্ধ করে তিনি দুইবার হিলাল-ই-জুরত খেতাব লাভ করেন । তার লেখা দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট পাকিস্তান বইটি বাংলা তে অনুবাদ করে প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে । বইটি অনুবাদ করেন ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল । বইটি প্রকাশিত হয় আফসার ব্রাদার্স প্রকাশনী থেকে এবং বইটির প্রকাশক আসমা আরা বেগম । প্রচ্ছদ করেছেন মশিউর রহমান । বাংলাদেশ পাকিস্তান যুদ্ধ একটি বিরাট ইতিহাস পৃথিবীর ইতিহাসে । পাকিস্তান বাংলাদেশ এর উপর শোষন চালাতো এক পর্যায়ে বাঙ্গালীরা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে তখন পাকিস্তান অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করে ঘৃন্য ইতিহাস রচনা করে । এ ঘটনা অনেকের লেখা অনেক রকম বই রয়েছে । এই বইটি পাকিস্তানের বাহিনীর প্রধান স্বয়ং লিখে প্রকাশ করেছেন তাই বইটি অনেক তথ্যবহুল একটি বই । ইতিহাস জানতে আগ্রহী পাঠক দের সকলেরই ভালো লাগবে ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দ্য বিট্রেয়াল অভ ইস্ট পাকিস্তান" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: