চতুর্থ মুদ্রণ,২০২৪
দেবদাস
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দেবদাস |
| Author | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
| Publisher | বাংলাপ্রকাশ |
| Edition | চতুর্থ মুদ্রণ,২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.24 Kg |
| ISBN | 9783000006921 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
MH Shrijon , Sep 10, 2025
"দেবদাস” বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ট্র্যাজেডি। উপন্যাসটি ভালবাসা, অহংকার, সামাজিক নিয়ম, এবং হারানোর যন্ত্রণা নিয়ে লেখা। বই টা আমার কাছে ভাল লাগছে। বইটা আপনারা পড়তে পারেন"
Al Amin Sarker , Jun 16, 2021
"দেবদাস হচ্ছেন উপন্যাসের নায়ক, আর নায়িকা হলেন পার্বতী, যার ডাক নাম পারু।দেবদাস জমিদার ঘরের আর পারু একটু নিচু ঘরের, পাশাপাশি বাড়ি ছোট বেলা থেকে একসাথে খেলাধুলা, পাঠশালায় যাওয়া, কড়া রোদে গিয়ে মাছ ধরা ইত্যাদির মাধ্যমে পার হচ্ছিল দেবদাস ও পারুর শৈশব। মাস্টার মশাইকে জব্দ কড়ার কারণে দেবদাসের পাঠশালা যাওয়া থেকে মুক্তি মেলে কিন্তু পরে তাকে পাঠানো হয় কলকাতায় পড়াশোনা করার জন্য। এদিকে পারুও মাস্টার মশাইয়ের নামে মিথ্যে অভিযোগ দিলে তাকেও পাঠশালায় যেতে হয় না আর। কিন্তু দেবদাস কলকাতায় চলে গেলে পারুর একাকী সময় কাটে না পরে সে নিজ ইচ্ছায় পাঠশালায় যেতে শুরু করে। কলকাতায় কিছুদিন থাকার পরে শহরের সব কিছু মানিয়ে চলতে থাকা শিখে যায় দেবদাস, কিন্তু গ্রামে পারু দেবদাসকে নিয়েই স্বপ্ন বুনে যায়। গরমের ছুটিতে দেবদাস বাড়ি আসলে পারুকে দেখে দেবদাস এই কি সেই পারু যার সাথে কত খুনশুটি করেছি, কত বড় হয়ে গেছে পারু। এখন পারুর সাথে কথা বলতে শৈশবের মত সহজ হয়ে উঠে না, দুজনকেই লজ্জা এসে বাধা দেয়। ছেলেমেয়ে বড় হলে অভিভাবকদের মধ্যে বিয়ের চিন্তা এসে যায়, তাই পারুর দাদী দেবদাসের মাকে জানায় দেবদাস পারু একসাথে বড় হয়েছে দুজনের কত মিল তাদের বিয়ে দেয়া যায় কিনা। কিন্তু দেবদাসের মা জানায় এ কিছুতেই হতে পারে না, বাড়ির পাশে আত্মীয়তা করে লোক হাসানোর মত কোন কাজ করাতে পারব না। আর তাছাড়া পারুরা একটু নিচু জাতের বেচা-কেনা ঘরের কিনা। এসব কথা পারুর বাবার কানে গেলে তিনি ভীষণ রেগে যান তার মায়ের উপর কেন তিনি যেচে বিয়ের সমন্ধ নিয়ে গিয়ে ছোট হতে হলেন, তিনি বলেন মা আমাদের মেয়ে কি কম সুন্দর, এর থেকে ভালো ঘরে পারুর বিয়ে দেব আমি। এদিকে দেবদাসের মা তার বাবাকে জানায় যে পারুর দাদী দেবদাসের সহিত পারুর বিয়ে সমন্ধ... দেবদাসের বাবা এতটুকুই শুনে থামতে বলেন তার মাকে বাড়ির পাশে আত্মীয়তা করে লোক হাসাবো কোন দুঃখে। দেবদাসের মা স্বামীর কথা শুনে আরও দুশ্চিন্তা মুক্ত হন কেননা তারই তো এ সমন্ধে মন বসছে না। দেবদাসকেও সব আদ্যোপান্ত জানান, দেবদাস জিজ্ঞেস করে বাবার কি মত, মা জানায় বাবার কোন মত নেই লোক হাসানোর মত কাজ তিনি করতে পারবেন না। পারু একদিন মধ্য রাতে দেবদাসের ঘরে এসে জানায় যে সে তাকে ভালবাসে। কিন্তু দেবদাস জানায় যে বা-মায়ের অমত এ কিছুতেই হতে পারে না। পারুর সব স্বপ্ন ভেঙে যায়, যাকে সে এতদিন ধরে আপন-আর ভেবে স্বপ্ন বুনছে সে-ই সব আশা ভেঙে দিলো, পারু চলে যায় নিজের বাড়িতে। দেবদাস কলকাতায় চলে যায় কিন্তু সে আর পড়শোনা বা কলকাতা কোন কিছুতেই তার ভালো লাগে না, যে মানুষ টা তাকে ভালবাসে তাকে কষ্ট দিয়ে ভাল থাকতে পারে না, সে আবার বাড়ি চলে আসে। এরই মধ্যে পারুর বিয়ে ঠিক হয় জমিদার ঘরে, বরের বয়স চল্লিশের কিছু বেশি আগের বউ মারা গেছেন। বাড়ি এসে দেবদাস পারুর দেখা আর পায় না, একদিন পুকুর ঘাটে পারুর সহিত দেখা হয় দেবদাসের, সে জানায় তাকে ছাড়া সেও থাকতে পারছে না, বলে পারু তুমি যদি রাজি থাকো মা-বাবা যেভাবেই হোক রাজি করাবো আমি। কিন্তু পারু জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে আর তাছাড়া সে আর এখন তাকে চায় না পথ ছেড়ে দিলে সে বাড়ি যায়, দেবদাস পারুর এমন ছলনায় অবাক হয়ে যায় এই কি সেই পারু যে মধ্য রাতে তাহার সহিত দেখা করতে এসেছিল। রাগে দেবদাস পারুর কপালে আঘাত করে রক্ত বের হলে নিজের জামা ছিড়ে পারুর কপালে বেধে দেয়। চাঁদের যেমন সৌন্দর্য আছে এবং আছে তার কলঙ্ক, তেমনি তোমার কপালে দিলাম কলঙ্ক। পারু বলে এ আমার কলঙ্ক নয় দেবদা এ আমার গৌরব, কারণ পারু দেবদাসকেই যে ভালবেসে মনে প্রাণে। কিন্তু দেবদাস তাহা যানে না। পারুর বিয়ে হয়ে যায়, জমিদার গৃহিণী হয়ে উঠে সে। আর দেবদাস মদে আসক্ত হয় এবং চন্দ্রমুখীর সহিত পরিচয় ঘটে চুনিলালের মাধ্যমে। চন্দ্রমুখী হলেন একজন পতিতা, তাহার সহিত কত মানুষের ঘনিষ্ঠতা কিন্তু দেবদাসকে সে ভালবেসে ফেলে যদিও সে নিজের অবস্থা সম্পর্কে জানেই যে সে কাউকে ভালবাসতে পারে না, কেননা সে একজন পতিতা। দেবদাসও তা বুঝতে পারে যে তার প্রতি চন্দ্রমুখীর দূর্বলতা কিন্তু দেবদাস তো পারুকেই ভালবেসেছে তার মনে অন্য কারো স্থান নাই। দেবদাসের পিতার মৃত্যু ঘটলে জমিদারি ভাগ হয়ে যায়, জমিদারির ভাগ পেয়ে দেবদাস আরও বেশি মদে আসক্ত হয়, এর ফলে সে লিভার প্লীহায় আক্রান্ত হয় এবং সে বুঝতে পারে যে তাহার সময় শেষ। কিন্তু পারুকে সে কথা দিয়েছিল সে মৃত্যুর পূর্বে আর একবার দেখা দিবে প্রতিজ্ঞা করেছিল, তাই পারুর ঠিকানায় গরু গাড়ি করে রওনা দেয়, গাড়ির পারুর বাড়ির কাছে আসে কিন্তু ততক্ষনে নড়াচড়ার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে দেবদাস। গাড়োয়ান তাকে গাছতলায় রেখে যান এবং সেখানেই মৃত্যু ঘটে দেবদাসের। পরদিন সকালে পুলিশ এসে চিহ্নিত করেন এটি দেবদাস মূখুযে্যর লাশ। খবর শুনে তাকে দেখতে ছুটে আসে পারু কিন্তু ততক্ষনে দেবদাসের লাশের শেষ ক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে যায়। (ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন প্লিজ) (আমার মতামত, দেবদাস হতে হলে শুধু চুল দাড়ি-মোছ রাখলেই হয় না, বাপের জমিদারি থাকা লাগে)😊"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
Hardcover?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দেবদাস" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: