১ম প্রকাশ, ২০১৫
দেবদাস
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দেবদাস |
| Author | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
| Publisher | বুকস্ ফেয়ার |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 64 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.18 Kg |
| ISBN | 9847015800512 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
17 Ratings and 17 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৭টিilh****com , Sep 11, 2026
"এটা নিয়ে বলার কিছুই নাই । বাংলা সাহিত্যের সেরা সৃষ্টির তালিকায় অন্যতম উপরের কাতারে ।"
880****175 , Aug 8, 2026
"শরৎচন্দ্র বইয়ের ক্রান্তীলগনে শুধু কষ্টই দিবে!!!"
Md Hasan , Apr 14, 2025
"❤️"
Asad Sheikh , Mar 27, 2025
"দেবদাস একটি আইকনিক চরিত্র। মাস্টারপিস দেবদাস পড়েননি পাঠকমহলে এমন পাঠক খুব কমই পাওয়া যাবে। আমার অনেক প্রিয় একটি উপন্যাস।"
Rohan King , Apr 26, 2024
"it is a very good book"
Tanvir Hossain , Mar 14, 2024
"আহ, কি অসাধারণ লেখা! আমার জীবনে ভরা উপন্যাসের বইগুলোর মধ্যে সেরা একটি।"
Unknown guy , Sep 14, 2023
"very nice book"
Araf Mostofa Masum , Aug 14, 2023
"উপন্যাসটা আসলে একটা কিংবদন্তি উপন্যাস উপন্যাসটা এতোটা সুন্দর যা বলার অপেক্ষা রাখে না দেবদাস বা দেবদাস মুখার্জি বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে তৎকালীন ব্রাহ্মণ জমিদার বংশের একমাত্র সন্তান। আর, পারু বা পার্বতী এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। তারা দুই পরিবার পাশাপাশি বাস করতো বাংলার তালসোনাপুর গ্রামে। যার কারণেই তাঁদের ভেতরে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ ও অন্তরঙ্গ সম্পর্ক এবং একজন অপরকে ” পারু ” ও ” দেবদা ” বলে ডাকে। স্কুলে পড়া থেকে শুরু করে পুকুরে মাছ ধরা পর্যন্ত প্রত্যেকটি কাজই তারা একসঙ্গে করতো। এমনকি পারু কোন কাজে ভুল করলে দেবদাস তাকে মারতোও। কিন্তু, তাঁদের এই সাজানো প্রজাপতির জীবন থাকলো না বেশিদিন। দেবদাসকে পড়াশোনার জন্য পাঠানো হল কলকাতায়; আর সেখান থেকে কয়েক বছর পর ছুটির সময় ফিরে আসে দেবদাস; আর ফিরে এসে দেখে তার পারু বদলে গেছে; পার্বতী স্বপ্ন দেখে দেবদাসকে নিয়ে। সে তাঁদের ছোটবেলার বন্ধুত্ব আর কৈশোরের গোপন প্রেমকে বিবাহবন্ধনে পরিস্ফুটিত করতে চায়। এবং, দেবদাসের বংশ পরম্পরা অনুযায়ী পার্বতীর বাবা- মাকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে হবে দেবদাসের বাড়িতে। পার্বতীর কথায় তার মা দেবদাসের মা হরিমতির কাছে প্রস্তাব নিয়ে যায়। কিন্তু পার্বতীর পরিবার অ-জমিদার হওয়াতে দেবদাসের পরিবার তাতে বিশেষ উৎসাহ দেখায় না। আর বহুকালের প্রথা অনুযায়ী পার্বতীর পরিবার থেকে ” পণ ” গ্রহনের প্রথা থাকায় দেবদাসের মা তাঁদের পরিবারকে ” বেচা-কেনা ছোটঘর ” মনে করে নিজে ও দেবদাসের বাবা নারায়ণ মুখার্জি কেও সেই যুক্তিতে সমর্থিত করেন; এবং দেবদাস ও পারুর বিয়ের সম্পর্কে জড়ানোকে নাকোচ করেন। এবং তাতে পার্বতীর পিতা নীলকণ্ঠ চক্রবর্তী অপমানিত বোধ করেন ও পার্বতীর জন্য দেবদাসের চেয়ে সম্ভ্রান্ত পরিবারে সাথে তাদের মেয়ে পার্বতীর বিবাহ ঠিক করেন। বিষয়টা পার্বতী জানার পর; ভাবে দেবদাস অন্তত তাকে গ্রহন করবে; সেই আশায় পার্বতী গৃহ ত্যাগ করে ছুটে যায় দেবদাসের কাছে; আর দেবদাসও মনস্থির করে তার বাবাকে বলার জন্য কিন্তু তার বাবা অরাজি হন। আর, সেই সিদ্ধান্তে বিভ্রান্ত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে যায় কলকাতায়; পার্বতী যেতে চাইলেও তাকে ছেঁড়ে যায় দেবদাস। আর, তারপর দেবদাস তাকে কলকাতায় তার কাছে যেতে বললেও সে আর যেতে চায় না দেবদাসের কাছে। সেইদিনে দেবদাসের কাপুরুষতার কারণে পার্বতী তাকে ধিক্কার দেয়। এবং, সেই সময় সে দেবদাস থেকে একটি প্রতিজ্ঞা করে নেয়। পারু দেবদাস কে বলে; ” তার মৃত্যুর আগে যেন দেবদাস কে একবার দেখতে পায় ” দেবদাস তার এই অনুরোধে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়।বিয়ের প্রস্তুতি চলে পার্বতীর; তার বিয়ে হয় হাতিপোতা গ্রামের জমিদার ভুবন চৌধুরীর সাথে তার বিয়ে হয়। তাঁর পূর্বের স্ত্রী মারা গেছেন ও তার তিনজন সন্তান রয়ে গেছে। তারা আবার কেউ পারুর সমবয়সী; আবার কেও পারুর চেয়ে বড়। দেবদাস চলে যায় কলকাতায়; সেখানে বন্ধুত্ব হয় চুনীলালের সাথে আর, চুনীলালের মাধ্যমে দেবদাসের সাথে পরিচয় হয় চন্দ্রমুখীর সাথে। সে একজন বাইজী; চন্দ্রমুখী দেবদাসের প্রেমে পড়ে কিন্তু, দেবদাস তাকে ঘ্রীনা করে। হতাশাগ্রস্থ হয়ে দেবদাস অত্যাধিক মদ্যপান শুরু করলে তখন দেবদাসের ক্রমশ ভেঙ্গে পড়া শরীর এর সেবা করে চন্দ্রমুখী। দেবদাস চন্দ্রমুখীকে প্রতিনিয়ত পারুর কথা শোনাতো; তার সাথে পারুর তুলনা দিত। কিন্তু; তাতে বাড়তেই থাকে দেবদাসের দুঃখ। আর, দুঃখ বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে দেবদাসের মদ্যপান। তাই, দিন দিন মন্থর হতেই থাকে দেবদাসের শরীর। তখন চন্দ্রমুখী বুঝতে পাড়ে তার ভেতরের মানুষের পতন ঘটেছে। শেষ পর্যন্ত লক্ষহীন দেবদাস চন্দ্রমুখীর প্রেমে পড়তে বাধ্য হয়। শীঘ্র আসন্য মৃত্যু টের পেয়ে দেবদাস পারুর কাছে চলে গেল সেই কথাটা রাখতে। দেবদাস গিয়ে হাজির হল হাতিপোতা জমিদার বাড়ির সামনে এক শিশির সিক্ত ভোর রাতে। কিন্তু, শরীরের শেষ অবনতিতে মৃত্যু হয় দেবদাসের। প্রবল মানসিক আর শারিরীক যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে মৃত্যু হয় তার। পারু এই কথা শুনতে পেয়ে ছুতে যাওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু; তাকে আর যেতে দেয়া হয় না। এমনকি পারুকে অতিক্রম করতে দেয়া হয় না বাড়ির চৌকাঠ।"
Rafi Ahmed , Oct 4, 2022
"আমার পড়া শ্রেষ্ঠ উপন্যাস"
Emtiaz Rahman Tamim , Aug 24, 2022
"fine"
Nafisa Tabassum , May 2, 2022
"good"
Bakhtiar Hasin Didar , Feb 18, 2022
"অসাধারণ একটি বই,,শরৎচন্দ্র আসলেই একজন অসাধারণ প্রতিভাধর ঔপন্যাসিক🖤"
Wasi Hasan , Nov 4, 2021
"ভালো, শরৎচন্দ্র মানিই বলার অপেক্ষা রাখে না। দেবদাস অনেক সিনেমা দেখছি। কিন্তু তেমন ফিল পাইনি,বই পড়লে ভাবনার জগতে উঁকি দেয়া যায়।তাই বই পড়তে পারাটায় নতুন অভিজ্ঞতা হয়,এডভেঞ্জার এডভেঞ্জার ভাব আসে।আসুন বই পড়ি,জানার পরিধি বাড়াই। সাথে থাকুন সোহাগ স্যার ❤️ রকমারী কে নিয়ে 😍😍"
Al Amin Sarker , Jun 16, 2021
"দেবদাস হচ্ছেন উপন্যাসের নায়ক, আর নায়িকা হলেন পার্বতী, যার ডাক নাম পারু।দেবদাস জমিদার ঘরের আর পারু একটু নিচু ঘরের, পাশাপাশি বাড়ি ছোট বেলা থেকে একসাথে খেলাধুলা, পাঠশালায় যাওয়া, কড়া রোদে গিয়ে মাছ ধরা ইত্যাদির মাধ্যমে পার হচ্ছিল দেবদাস ও পারুর শৈশব। মাস্টার মশাইকে জব্দ কড়ার কারণে দেবদাসের পাঠশালা যাওয়া থেকে মুক্তি মেলে কিন্তু পরে তাকে পাঠানো হয় কলকাতায় পড়াশোনা করার জন্য। এদিকে পারুও মাস্টার মশাইয়ের নামে মিথ্যে অভিযোগ দিলে তাকেও পাঠশালায় যেতে হয় না আর। কিন্তু দেবদাস কলকাতায় চলে গেলে পারুর একাকী সময় কাটে না পরে সে নিজ ইচ্ছায় পাঠশালায় যেতে শুরু করে। কলকাতায় কিছুদিন থাকার পরে শহরের সব কিছু মানিয়ে চলতে থাকা শিখে যায় দেবদাস, কিন্তু গ্রামে পারু দেবদাসকে নিয়েই স্বপ্ন বুনে যায়। গরমের ছুটিতে দেবদাস বাড়ি আসলে পারুকে দেখে দেবদাস এই কি সেই পারু যার সাথে কত খুনশুটি করেছি, কত বড় হয়ে গেছে পারু। এখন পারুর সাথে কথা বলতে শৈশবের মত সহজ হয়ে উঠে না, দুজনকেই লজ্জা এসে বাধা দেয়। ছেলেমেয়ে বড় হলে অভিভাবকদের মধ্যে বিয়ের চিন্তা এসে যায়, তাই পারুর দাদী দেবদাসের মাকে জানায় দেবদাস পারু একসাথে বড় হয়েছে দুজনের কত মিল তাদের বিয়ে দেয়া যায় কিনা। কিন্তু দেবদাসের মা জানায় এ কিছুতেই হতে পারে না, বাড়ির পাশে আত্মীয়তা করে লোক হাসানোর মত কোন কাজ করাতে পারব না। আর তাছাড়া পারুরা একটু নিচু জাতের বেচা-কেনা ঘরের কিনা। এসব কথা পারুর বাবার কানে গেলে তিনি ভীষণ রেগে যান তার মায়ের উপর কেন তিনি যেচে বিয়ের সমন্ধ নিয়ে গিয়ে ছোট হতে হলেন, তিনি বলেন মা আমাদের মেয়ে কি কম সুন্দর, এর থেকে ভালো ঘরে পারুর বিয়ে দেব আমি। এদিকে দেবদাসের মা তার বাবাকে জানায় যে পারুর দাদী দেবদাসের সহিত পারুর বিয়ে সমন্ধ... দেবদাসের বাবা এতটুকুই শুনে থামতে বলেন তার মাকে বাড়ির পাশে আত্মীয়তা করে লোক হাসাবো কোন দুঃখে। দেবদাসের মা স্বামীর কথা শুনে আরও দুশ্চিন্তা মুক্ত হন কেননা তারই তো এ সমন্ধে মন বসছে না। দেবদাসকেও সব আদ্যোপান্ত জানান, দেবদাস জিজ্ঞেস করে বাবার কি মত, মা জানায় বাবার কোন মত নেই লোক হাসানোর মত কাজ তিনি করতে পারবেন না। পারু একদিন মধ্য রাতে দেবদাসের ঘরে এসে জানায় যে সে তাকে ভালবাসে। কিন্তু দেবদাস জানায় যে বা-মায়ের অমত এ কিছুতেই হতে পারে না। পারুর সব স্বপ্ন ভেঙে যায়, যাকে সে এতদিন ধরে আপন-আর ভেবে স্বপ্ন বুনছে সে-ই সব আশা ভেঙে দিলো, পারু চলে যায় নিজের বাড়িতে। দেবদাস কলকাতায় চলে যায় কিন্তু সে আর পড়শোনা বা কলকাতা কোন কিছুতেই তার ভালো লাগে না, যে মানুষ টা তাকে ভালবাসে তাকে কষ্ট দিয়ে ভাল থাকতে পারে না, সে আবার বাড়ি চলে আসে। এরই মধ্যে পারুর বিয়ে ঠিক হয় জমিদার ঘরে, বরের বয়স চল্লিশের কিছু বেশি আগের বউ মারা গেছেন। বাড়ি এসে দেবদাস পারুর দেখা আর পায় না, একদিন পুকুর ঘাটে পারুর সহিত দেখা হয় দেবদাসের, সে জানায় তাকে ছাড়া সেও থাকতে পারছে না, বলে পারু তুমি যদি রাজি থাকো মা-বাবা যেভাবেই হোক রাজি করাবো আমি। কিন্তু পারু জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে আর তাছাড়া সে আর এখন তাকে চায় না পথ ছেড়ে দিলে সে বাড়ি যায়, দেবদাস পারুর এমন ছলনায় অবাক হয়ে যায় এই কি সেই পারু যে মধ্য রাতে তাহার সহিত দেখা করতে এসেছিল। রাগে দেবদাস পারুর কপালে আঘাত করে রক্ত বের হলে নিজের জামা ছিড়ে পারুর কপালে বেধে দেয়। চাঁদের যেমন সৌন্দর্য আছে এবং আছে তার কলঙ্ক, তেমনি তোমার কপালে দিলাম কলঙ্ক। পারু বলে এ আমার কলঙ্ক নয় দেবদা এ আমার গৌরব, কারণ পারু দেবদাসকেই যে ভালবেসে মনে প্রাণে। কিন্তু দেবদাস তাহা যানে না। পারুর বিয়ে হয়ে যায়, জমিদার গৃহিণী হয়ে উঠে সে। আর দেবদাস মদে আসক্ত হয় এবং চন্দ্রমুখীর সহিত পরিচয় ঘটে চুনিলালের মাধ্যমে। চন্দ্রমুখী হলেন একজন পতিতা, তাহার সহিত কত মানুষের ঘনিষ্ঠতা কিন্তু দেবদাসকে সে ভালবেসে ফেলে যদিও সে নিজের অবস্থা সম্পর্কে জানেই যে সে কাউকে ভালবাসতে পারে না, কেননা সে একজন পতিতা। দেবদাসও তা বুঝতে পারে যে তার প্রতি চন্দ্রমুখীর দূর্বলতা কিন্তু দেবদাস তো পারুকেই ভালবেসেছে তার মনে অন্য কারো স্থান নাই। দেবদাসের পিতার মৃত্যু ঘটলে জমিদারি ভাগ হয়ে যায়, জমিদারির ভাগ পেয়ে দেবদাস আরও বেশি মদে আসক্ত হয়, এর ফলে সে লিভার প্লীহায় আক্রান্ত হয় এবং সে বুঝতে পারে যে তাহার সময় শেষ। কিন্তু পারুকে সে কথা দিয়েছিল সে মৃত্যুর পূর্বে আর একবার দেখা দিবে প্রতিজ্ঞা করেছিল, তাই পারুর ঠিকানায় গরু গাড়ি করে রওনা দেয়, গাড়ির পারুর বাড়ির কাছে আসে কিন্তু ততক্ষনে নড়াচড়ার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে দেবদাস। গাড়োয়ান তাকে গাছতলায় রেখে যান এবং সেখানেই মৃত্যু ঘটে দেবদাসের। পরদিন সকালে পুলিশ এসে চিহ্নিত করেন এটি দেবদাস মূখুযে্যর লাশ। খবর শুনে তাকে দেখতে ছুটে আসে পারু কিন্তু ততক্ষনে দেবদাসের লাশের শেষ ক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে যায়। (ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন প্লিজ) (আমার মতামত, দেবদাস হতে হলে শুধু চুল দাড়ি-মোছ রাখলেই হয় না, বাপের জমিদারি থাকা লাগে)😊"
মোঃ আতিকুল ইসলাম সাগর , Apr 5, 2021
"অনেক ভালো"
Zayed Bin Ali Sporso , Nov 15, 2020
"এক কথায় অসাধারণ।"
Ferdusi rumi , Aug 26, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নাম- দেবদাস জনরা-উপন্যাস ঔপন্যাসিক-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পৃষ্ঠা-৬৪ মূল্য-৮০ উপন্যাসের পটভূমি তালসোনাপুর। দশ বছর পর ফিরেছে জমিদারপুত্র দেবদাস। তার মা তাকে বরণ করবে বলে অপেক্ষা করছে। অথচ, গ্রামে পৌছেই দেবদাস প্রথমে পা রাখল তা ছোট বেলার সাথী পার্বতীর বাড়ি। দেবের মা তাতে ভীষণ কষ্ট পায়। এমন কি রাগও হয়। পারোর বাবা জমিদার না হলেও ততটা খারাপ অবস্থা নয়। পারো আর দেব ছোটবেলাকার বন্ধু। ঝগড়াঝাটি, মারামারি, রাগ অভিমান করেই বড় হয়েছে দুটিতে। দশ বছর আগে দেবের বাবা তাকে বিলেত পাঠিয়ে দেয় পড়বার জন্য। দশ বছর পর্যন্ত একে অপরের জন্য অপেক্ষা করেছে প্রতিনিয়ত। ওদের এতো মেলামেশা দেখে পারোর মা এই দুটিকে বিয়ে দেবার কথা ভাবে। কিন্তু, দেবের মায়ের কাছে সম্মন্ধের কথা নিয়ে গেলে দেবের মা তাকে নিচুজাত বলে অপমান করে। এই অপমান মাথায় বয়ে নিয়ে আসে সুমিত্রা। প্রতিজ্ঞা করে দেবের থেকে ভালো অবস্থানে তার মেয়েকে বিয়ে দেবে। এতকিছুর পর, পারো দেবকেই ভালোবাসে। রাতের অন্ধকারে দেবের কাছে যায়, দেবের মতামত জানতে। বাবা মায়ের অবাধ্য হয়ে দেব পারোর হাত ধরতে অস্বীকৃতি জানায়। পারো এটা জেনে ভেতর থেকে ফুসে উঠে। নিজের ভালোবাসার অপমান, মায়ের অপমান এতো কিছুর শোধ নিবে সে। তাই মায়ের পছন্দ করা বাবার বয়সী জমিদারকে বিয়ে করতে রাজী হয়। কিন্তু দেব ফিরে আসে, পার্বতীকে ভালোবাসার কথা বলে। এবার, পার্বতীকি মায়ের অপমানের পরও ফিরবে দেবের কথায়! ব্যক্তিগত মতামতঃ ১৯১৭ সালে রচিত শরৎচন্দ্রচট্টোপাধ্যায়ের রচিত অন্যতম উপন্যাস "দেবদাস"। ছোটকাল থেকে নিজেদের মধ্যে ভালোলাগা ভালোবাসার সম্পর্ক দেব-পার্বতীর। তখন সেখানে কোন কুল, মান, মর্যাদার প্রশ্ন আসেনি। অথচ বড় হয়ে যখন একসাথে হতে চাইলো, তখন সম্পর্কের থেকে বংশের উঁচু নিচু, অসামঞ্জস্য তাদের মাঝে বাধা হয়ে দাড়ালো। কিন্তু এসবের পরেও তাদের প্রেম ভালোবাসা পাঠকের চোখে তীক্ষ্ম হয়ে ধরা পড়বে। লেখকের ১৭ বছর বয়সের সময় লেখা এই উপন্যাস। তাতে ফুটে উঠেছে ভালোবাসার করুণ রূপ। অবশ্য এর জন্য হয়তো দেব অনেকটা দায়ী কিন্তু ভোগতে তো পার্বতীকেও হয়েছে। যে দ্বীপ জালিয়েছিলো, তা হয়ত সামলে রেখেছিলো সব সময় কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি জ্বেলে রাখা সম্ভব হয়েছিলো! বাংলা সাহিত্যে অন্যতম উপন্যাস। এবং লেখকের প্রথম দিককার সৃষ্টি। বেশ ভালো লাগার একটি উপন্যাস। পার্বতী এবং দেবদাসকেও বেশ ভালো লাগে আরো একটা চরিত্রের প্রতি ভালো লাগা কাজ করে সে হলো চন্দ্রমুখী। উপন্যাস অবলম্বনে বেশ কয়েকটা চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে। https://www.progoty.com/book/14955/দেবদাস?ref=srbr_pg0_p3"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
4 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি কত পৃষ্ঠা
স্টকে আছে এটা?
ayta ki hard cover ar
বইটি কি সাদা কাগজ নাকি নিউজ কাগজ এর?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দেবদাস" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: