জুন ২০২৩
ড. জেকিল ও মিঃ হাইড
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
কিডন্যাপড
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
Treasure Island
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
The Strange Case of Dr Jekyll and Mr Hyde
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
The Strange Case of Dr. Jekyll Mr. Hyde
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
ট্রেজার আইল্যান্ড
রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ড. জেকিল ও মিঃ হাইড |
| Author | রবার্ট লুইস স্টিভেনসন |
| Publisher | আজকাল প্রকাশনী |
| Edition | জুন ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 64 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.19 Kg |
| ISBN | 984 569 102 1 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Shasoto Biswas , Feb 10, 2020
"বইটির গল্প অসাধারণ । যারা সায়েন্স ফিকশন পছন্দ করেন তাদের অবশ্য পাঠ্য একটি বই । এটি সায়েন্স ফিকশন ঘরানার গল্প । সমাজের একজন সম্মানিত ব্যক্তি মি, জেকিলের রূপান্তর নিয়ে গল্প । রাসায়নিক প্রয়োগের মাধ্যমে তার সজ্জন মনোভাব কিভাবে পৈচাশিক মনোভাবে পরিণত হয় এবং পারিপার্শ্বিকের উপর তার রূপান্তরের প্রভাব নিয়েই গল্পটি।"
Asif Rahman , Jun 8, 2017
"আমরা ভেবে নিই পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ বাস করে। একদল ভালো আর আরেকদল খারাপ। শুধু ভালো আর খারাপ শব্দদুটোর আগে একটা করে 'শুধু' লাগিয়ে দেওয়া হয়! এখানে অর্থ্যাৎ, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে খারাপ লোকেরা শুধু খারাপ কাজই করে; আবার ভালো লোকেরা কখনো খারাপ কাজ করতে পারে না। কিন্তু আদতে ভাবনাটা ভাবনাই। বাস্তবে বিষয়টি পুরো উল্টো। কোনো মানুষই একেবারে ভালো হওয়ার ক্ষমতা যেমন রাখে না, তেমনি কোনো খারাপ মানুষও একেবারে খারাপ হয় না। মানুষ মুখোশধারী প্রাণী! কারো মুখোশ খুলতে তেমন বেগ পেতে হয় না, আবার কারো মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকে আরো কয়েকটা মুখোশ! গাঢ় এবং নিচ্ছিদ্র! মাঝে মাঝে সেই মুখোশগুলো খুলে যায়! আমরা অবাক হই! শুধু আমরা না; যে মানুষের মুখোশ খুলে যায় সেও অবাক হয়! ধরুন, আপনি সকালবেলা হাঁটতে বের হলেন। হাঁটতে গিয়ে হুট করে তৃষ্ণায় ক্লান্তি অনুভব করায় একটা খালি জায়গায় বসে পড়লেন। তৃষ্ণা দূর করার জন্য পানির বোতলটা যখন মুখের কাছে নিলেন পাশে তাকিয়ে দেখলেন একজন কঙ্কালসার ব্যক্তি আপনার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছে। আপনি আস্তে করে পানির বোতলটা তার পাশে রেখে এলেন। আপনি জানেনও না যদি পানি না পেতো লোকটি কয়েকমিনিটের মাথায় মারা যেতো! একঘন্টা পর যে রিকশাওয়ালা ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা করায় আপনার হাতের মার খেয়ে হাসপাতালে গেলো সে কিন্তু জানে না আপনি খারাপ নাকি ভালো। আপনি যে কিছুক্ষন আগে একজনের প্রাণ বাঁচিয়েছেন সেটাও সে জানে না। মানুষের এই বহুরূপী সত্ত্বাকে উপজীব্য করেই এগিয়েছে ড. জেকিল ও মিঃ হাইডের গল্প। ড. জেকিল। নামের মধ্যেই ফুঁটে আছে এক অদ্ভুত গাম্ভীর্য আর অভিজাত্য। গল্পের শুরুটা ড. জেকিলের আর ফ্লোরিনার কথোপকথনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় যেখানে ড. জেকিলের উপর ফ্লোরিনার অভিমানের বিষয়টি ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ড. জেকিলের পৃথিবীর শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী ও আবিষ্কার হওয়ার হওয়ার জন্য ফ্লোরিনাকে এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু লেখক প্রথম থেকে লেখায় একটা রহস্য রাখার চেষ্টা করেছেন বিধায় পল নামের আরেকটি সহকারী চরিত্রকে গল্পে জায়গা দিয়েছেন। মজার বিষয় হচ্ছে, পড়ার সময় কারো মাথায়ই আসবে না, এ গল্প টেনে নেওয়ার সব ক্ষমতা পল নামের একটি সাধারন চরিত্রের হাতে ছিলো। এ গল্পের চরিত্র কয়টি? এ গল্পের চরিত্র হাতে-গোনা! ড. জেকিল, ফ্লোরিনা, পল, ডা. ব্রাউন, মি. এনফিল্ড এবং আরো গুটিকয়েক। তবে তাদের প্রত্যেকের ব্যপ্তি বা গুরুত্ব খুব কৌশলে এড়িয়ে গেছেন লেখক। মাঝে মাঝে এটা ভেবেই অবাক হতে হয় এতো কম চরিত্র দিয়ে, চরিত্রের এতো কম ব্যপ্তি দিয়ে এতো বিশদভাবে মানুষের ভালোমন্দের দিকগুলি রূপক অর্থে প্রকাশ করা চাট্টিখানি কথা নয়। এ গল্পের মূল চরিত্র কে তবে? নিশ্চয়ই ড. জেকিল? উহু! এ গল্পের মূল চরিত্র একটি সৃষ্ট চরিত্র? সৃষ্ট চরিত্র মানে? মানে যে চরিত্র গল্পে নতুন করে সৃষ্টি করা হয়! মানে? হ্যাঁ.. ঐ সৃষ্ট চরিত্র হচ্ছে, মি. হাইড! মি জেকিলের হাতে তৈরী যে চরিত্র এ গল্পের প্রানবিন্দু! মন্দের প্রতীক। একটা বইয়ে থ্রিল আনতে কি প্রয়োজন? যা যা প্রয়োজন তার সবটুকুই আনতে সক্ষম হয়েছেন রবার্ট লুই স্টিভেনস। একদিকে যেমন এটি একটি মানসম্মত থ্রিলার। অন্যদিকে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির রূপক বহিঃপ্রকাশও বটে। এখন পর্যন্ত যতবার পড়েছি একবারও বিরক্ত লাগেনি। বরং শেষেরদিকে অদ্ভুত এক ভালো লাগা ছুঁয়ে গেছে বারবার। যেন এই গল্প আমার কথা বলে। আমাদের কথা বলে। আমাদের ভালো সত্ত্বা, খারাপ সত্ত্বার কথা বলে। আমাদের মুখোশের কথা বলে।"
Wasifa Zannat , Jun 16, 2016
"“এবং আমার সত্ত্বা ভালো ও মন্দ এই দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল। হয়তো এই দ্বিমুখী স্বভাব নিয়েই মানুষের সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্ব গড়ে উঠে।” ভালো এবং মন্দের মিশেলে মানুষ- এটি কোন নতুন বিষয় নয়। কিন্তু ভালো এবং মন্দকে বোধের জায়গা থেকে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখলাম বেশ জটিল এবং অস্পষ্ট একটি বিষয়কে আমরা খুব সহজেই বুঝে ফেলার ভান করি। “ভালো এবং মন্দ”- এই বিষয় দুইটি সর্বময়ভাবে আপেক্ষিক। আমার কাছে যা ভালো তা আমার সবচেয়ে কাছের জনের কাছে মন্দ হতে পারে। আবার কোন বিষয়ের একটি অংশকে আমি যতটা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছি তা আরেকজনের কাছে একেবারেই নেতিবাচক। অনেকসময় এমনও হয় পরিবেশ ও পরিস্থিতির পরিবর্তনে একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেল। ফলে গতকাল যা তার জীবনে সবচেয়ে সত্য ছিল তা এখন নিকৃষ্ট থেকে নিকৃষ্টতর বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তাই প্রত্যেক বিষয়কে নিরপেক্ষভাবে দেখলে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া মুশকিল। কারণ মানুষের প্রত্যেকটি কাজের পেছনেই যুক্তি থাকে। প্রত্যেকটি আচরণের পিছনে কোন না কোন গল্প থাকে। অনেক সময় তা অবচেতন মনে লুকিয়ে থাকে, ফলে চেতন মন জানান দেয় যে কাজটি তুমি কোন যুক্তি ছাড়াই করেছো, মন যা চেয়েছে তা-ই করেছো। এভাবেই চেতন মন কোন কোন ভয়ংকর সত্যের হাত থেকে আমাদের জীবনকে বাঁচিয়ে রাখে। যে যুক্তির উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হলো তার মধ্যেও ইতিবাচক ও নেতিবাচকতার বিষয় থাকে। তাই আমরা সমাজ স্বীকৃত কিছু ধারণাকে শৈশব থেকেই চেতনার মাঝে লালন করি। তাতে সমাজেরই স্থিতিশীলতা আসে। আমরা নিজের অজান্তে, বাকিদের মতো করে অনেকটা সহজেই পথ চলতে আরম্ভ করি। ”ভালো এবং মন্দ” সত্ত্বা মানব চরিত্রে পাশাপাশি অবস্থান করে।খাপে খাপ মিলিয়ে থাকে। পরিস্থিতি অনুসারে তার একটি সত্ত্বা আরেকটি সত্ত্বার তীব্রতাকে দমিয়ে রেখে নিজে অধিকতর জাগ্রত হয়ে ওঠে। কিন্তু একটি সত্ত্বাকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য আরেকটি সত্ত্বা একেবারেই হেরে গেল, অবচেতন মন কখনোই এরকমটি হতে দেয় না। কিন্তু কোনপ্রকারে কিছুক্ষণের জন্য হলেও যদি এই স্বত্তা দুটিকে একেবারে আলাদা করে দেওয়া যায় তাহলে বিশাল বিপর্যয় ঘটে।কারণ একটানা সত্য বা মিথ্যা বলে যাওয়া যেমন অসম্ভব তেমনি একটানা সহজ সরল ভাবে জীবন যাপন করা বা একটানা নৃশংস জীবন যাপন করে যাওয়াও অবাস্তব এবং অকল্পনীয়। ”ড. জেকিল ও মি. হাইড” একজন মানুষের পূর্ণাঙ্গ মানুষ হয়ে ওঠার গল্প। লেখক যেন একটি সাজানো বিষয়কে ভেঙেচূড়ে দিয়ে আবার সেই মতো গড়ে তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করে দেখিয়ে দিলেন যে, “নৈতিকতার অস্তিত্ব অস্থিতিশীলতায় পরিপূর্ণ।” বইটি বেশ গতিশীল। ঘটনাগুলো বিরামহীন ভাবে পরপর ঘটছে। কোন কোন সময়ে ঘটনাপ্রবাহ স্বস্তির মুহূর্ত এনে দিলেও পরমুহূর্তেই তা গল্পের চরিত্রগুলোর ব্যাপারে পাঠকের নেওয়া সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনতে বাধ্য করছে। সবচেয়ে সঠিক পরিণতি নির্ণযে এক ধরণের বিভ্রম সৃষ্টি করে ঘটনার আকাশে কালো মেঘ জমিয়ে বেশ রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা- বইটির অন্যতম শক্তির জায়গা।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ড. জেকিল ও মিঃ হাইড" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: