১ম প্রকাশ, ২০১৯
চন্দ্রগ্রহণ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
টিফিন উদ্ভিদবিজ্ঞান
রাজীব হোসাইন সরকার
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | চন্দ্রগ্রহণ |
| Author | রাজীব হোসাইন সরকার |
| Publisher | প্রিয়মুখ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 94 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.21 Kg |
| ISBN | 9879848078082 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
26 Ratings and 20 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২০টি
Md. Rahat Hassan Ratul , Jul 6, 2025
"অসাধারণ"
t , Apr 26, 2024
"Sherlock Holmes of Biology."
Alien Zeus , Apr 4, 2024
"রাজীব হোসাইন সরকার আমার অনলাইন এর শিক্ষক, মেন্টর এবং একজন পারফেক্ট গাইড। আমি তার বায়োলজির ফ্যান। ক্লাসে তিনি বলেন তার শরীরটা বায়োলজিতে ভরপুর। তার লেখায়ও যেখানে যেভাবে পেরেছেন বায়োলজি টেনেছেন। তার লেখা পড়ে বুঝলাম বায়োলজি অনেক সুন্দর। ডাক্তারী জিনিসটাও অনেক সুন্দর।"
Rejoyan Islam , Mar 10, 2022
"best......"
Raisa Islam , Feb 4, 2022
"অসাধারণ একটি বই। খুবই সুন্দর লেখার ধরন। এবং, অনেক তথ্যবহুল🤍✨"
MD. NAZMUL HASAN , Jan 26, 2022
"besh valo"
Sharmin Sultana , Sep 17, 2021
"খুবই ভালো বই।কয়েক মাস আগে কিনেছি কিন্তু রিভিউ দেওয়া হয়নি।এটাকে ঠিক রিভিউ বলব না।আমার ভালো লাগা প্রকাশ করতে এসেছি।রাজীব হোসাইন সরকার আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।এভাবেই হাজার হাজার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিন,আরও বই লিখুন।পাঠকের তৃপ্ত করুন।এইটুকুই চাওয়া।"
Soptorshi Official , Sep 4, 2021
"#সপ্তর্ষি_প্রগতি_বুকরিভিউ_প্রতিযোগ ◾ এক নজরে বইয়ের তথ্যসমূহঃ বইঃ চন্দ্রগ্রহণ লেখকঃ রাজীব হোসাইন সরকার প্রকাশনাঃ প্রিয়মুখ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা,২০১৯ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯৪ ধরণঃ সাইকোলোজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার,রহস্য ◾লেখক পরিচিতিঃ ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি তার বড় পরিচয় হলো তিনি বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় একজন লেখক।চন্দ্রগ্রহণ উপন্যাসটি একুশে বইমেলা ২০১৯ এ প্রকাশ হয়।তিনি সাধারনত সাইকোলজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার,রহস্য এইসব বেশি লেখেন। এতো কম বয়সে তার লেখা ও সাক্ষাৎকার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে ইরানভিত্তিক রেডিও চ্যানেল রেডিও পারসটুডো এর মতো বিখ্যাত পত্রিকায়। এইটুকু বলতে পারি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানুষের কাছে জনপ্রিয় লেখকের নামের তালিকায় রাজীব হোসাইন সরকার থাকবেই। ◾কাহিনী সংক্ষেপঃ গল্পের মূল নায়ক সাবের সাহেব। দ্রুতযান ট্রেনে করে দিনাজপুর হতে ঢাকা ফিরছিলেন। সাইকিয়াট্রিস্ট সাবের সাহেবের বিশেষত্ব হলো তিনি অন্যান্য দুই চারজন সাইকিয়াট্রিস্ট এর মতোন কিছু লক্ষ্মণ দেখেই একজন মানুষকে স্কিজোফ্রেনিক বলে দাবি করেন না। কাহিনী সেই ট্রেনের কেবিনেই শুরু হয়। মিতু নামের এক মেয়ে এসে কেবিনে বসে। অন্যান্য অনেক কিছুর মতোই সাবের সাহেব সেই মেয়ের বয়স নিয়েও ধারণা করেন। চব্বিশ পঁচিশ হবে। এক পর্যায়ে জানা যায় মিতু প্ল্যানিং করেই সাবের সাহেবের সাথে কিছু সমস্যা নিয়ে দেখা করতে এসেছেন।সে সমস্যার সমাধান চায়। সে চায় একজন স্বাভাবিক মানুষ হতে। কেউ তাকে স্কিজোফ্রেনিক বলবেনা। মিতুর সমস্যাটা আসলে কি ছিলো? ইলা মিতুর বড় বোন। বয়স ২৭।কিছুদিন আগে মারা গিয়েছে।মিতু খুব খুশি হয়েছিলো সে রান্না করে খাইয়েছিলো আত্মীয়দের।কিন্তু সমস্যা সেখানে নয়।সমস্যা হলো বেশ কিছুদিন ধরে মিতু ইলার রুমে গেলে 'why me why me?' শুনতে পায়।অথচ রুম তো ফাঁকা। অন্য কেউ সেই শব্দ শুনতে পায়না।কেন আসে? এর সুস্পষ্ট ব্যাখা চায় মিতু।সাবের সাহেবের স্যার আলি জাফর এই সমস্যাকে অডিটরি হ্যালুশিনেসন বলে আখ্যা দিয়েছেন তবে সাবের সাহেব চান না এই ব্যাপারটাকে অডিটরি হ্যালুশিনেসন বলে সমাধান করতে।তিনি আরো যুক্তি দাড়া করাতে চান। এতো সহজেই তিনি ব্যাখা দিবেন না।তিনি আরো কিছু ব্যাপার জানতে চান আরো চান ইলার মৃত্যুকে এই সমস্যার সাথে সম্পর্কিত করতে। কিন্তু মিতু এতে বাধা দেয়।মিতু চায়না ইলার মৃত্যু নিয়ে ঘাটাঘাটি করা হোক যেহেতু ইলার মৃত্যু নাকি স্বাভাবিক হার্টঅ্যাটাক বলে আলি জাফর ব্যাখা দিয়েছেন। কিন্তু সাবের সাহেব এই মাধ্যম ছাড়া ব্যাপারটিকে ব্যাখা করতে পারবেনা জানান এবং দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে মিতুর বাড়ি এসে পৌছান। ঘটতে থাকে রহস্যের উন্মোচন। সামনে আসে নানা তথ্য। শেষ পর্যন্ত পারবে কি সাবের সাহেব মিতুর সমস্যার সমাধান করতে?শেষটা কেমন হবে? বইটি পড়লেই পরিষ্কার। ◾পর্যালোচনাঃ বইয়ে কিভাবে একজন পাঠককে ধরে রাখতে হয় তা লেখক খুব ভালোভাবে জানেন।পুরো বই যেন একটা টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে একজন পাঠকের সময় কাটবে।নেই কোনো অতিরিক্তি অপ্রয়োজনীয় লাইন। আছে নানান বৈজ্ঞানিক ব্যাখা।সেগুলো জানতে পেরে আপনি হবেন অনেকটাই অবাক।এছাড়া বইয়ের পাতায় পাতায় আছে যুক্তির পর যুক্তি। এছাড়া এই বইয়ে পিতৃসত্তা কে দুইভাবে দেখানো হয়েছে।সাবের সাহেবের তনু নামের দুই বছরের কন্যা ১০ বছর ধরে দূরে আছেন।তবুও সাবের সাহেব তাকে প্রায়ই স্বপ্নে দেখতে পান। কন্যা থেকে পিতার দূরে থাকার যে যন্ত্রনা তারও এক চিত্র ফুটে উঠেছে। সব মিলিয়ে বইটি যারা ক্রাইম থ্রিলার, সাইকোলোজিক্যাল রহস্য পছন্দ করেন তাদের কাছে বেশ ভালো লাগবে এইটুকু বলতে পারি। ◾চরিত্রায়নঃ সাবের সাহেব যেহেতু মূল নায়ক তাই তাকে বই এর প্রাণ বলা যেতে পারে।মিতু নামের মেয়েটির চরিত্রও বেশ আকর্ষণমূলক।এছাড়া প্রতিটি চরিত্র কিছুটা রহস্য মেলানো দেখা গেলেও এর পেছনেও যুক্তি দিয়ে গেছেন লেখক এই জন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ◾ভাষাশৈলীঃ খুবই সহজ ভাষায় বইটি লেখা। তবে লেখকের শব্দভান্ডার বেশ চমৎকার এইটুকু বলতে পারি। বেশ কিছু নতুন শব্দ শিখেছি এবং ব্যাখা জেনেছি। ◾বইয়ের কিছু প্রিয় লাইনঃ ♦️❝ট্রেনের সাথে কিসের মিল আছে? - মাইগ্রেটরি বার্ড? অতিথি পাখি? সাইবেরিয়া থেকে যখন দক্ষিণে আসে তখন পাখিরাও ট্রেনের মতো লাইন ধরে আসে। তাদের লাইন হলো জল ও পর্বত।❞ ♦️❝গোধূলি রঙ এর বৈশিষ্ট্য কি? -বৈশিষ্ট্য নেই। তবে এই রঙ টি দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়❞ ♦️❝যে মেয়েরা শাড়ি পরতে অভ্যস্ত নয় তারাও দুটো সময় শাড়ি পরে। যখন মন ভালো থাকে আর যখন মন খারাপ থাকে ❞ ♦️❝মানুষের কয়েকটি সংবেদী অঙ্গ আছে। নাক-কান-চোখ-জিহবা। যদি এগুলো বিবর্তিত হয় তাহলে মানুষের ক্ষমতা হবে অকল্পনীয় পর্যায়ের।মানুষেরা দেখতে পাবে অস্বাভাবিক জিনিস।সেটা শব্দতরঙ্গের প্রবাহ হতে পারে কিংবা অব্যাখেয় কিছু।❞ ◾প্রচ্ছদঃ প্রচ্ছদ অসম্ভব সুন্দর। করেছেন রহমান আজাদ।তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ◾ফ্ল্যাপের কিছু লেখাঃ আমি বাংকার থেকে নেমে মিতুর সিটে সামনাসামনি বসলাম। হাঁটু মুড়লাম মুনি-ঋষিদের মতো। ঈগলের তীক্ষ চোখে চোখ রাখলাম।আমার দীর্ঘ জিবনে কোনো তরুণীর চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো ঘটনা কখনো ঘটেনি। নির্জন প্রান্তরে কোনো জীবনন্দীয় চোখে চোখ রেখে কথা বলার ব্যাপারটিকে সম্ভবত আমার সব ধরনের অতীত স্মৃতিকে ম্লান করে দিচ্ছে।মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত। আমি বিভ্রান্ত মস্তিষ্কে ফিসফিস করে তনুকে বললাম, রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জটিলতর পদ্ধতি হলো কোয়েশচেন গেম।আমি প্রশ্ন করবো সাব্জেকট উত্তর দিবে। 'আমি আপনার সাব্জেক্ট?' 'হ্যা।' 'আমি উত্তর দিলে গেমের কি দরকার? 'দরকার আছে।তুমি মুখে নয়, উত্তর দিবে চোখে। তুমি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবে।চোখ সরাবেনা। পলক যত কম ফেলবে তত ভালো। আমি তোমার চোখ থেকে উত্তর খুঁজে বের করবো।' বইটি যারা পড়েননি তাদেরকে পড়ার আহবান জানিয়ে শেষ করছি। ধন্যবাদ। রিভিউ লিখেছেনঃ তাসমিন আহমেদ জিলাঃ দিনাজপুর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ email: tasminahmed51@gmail.com ©Tasmin Ahmed"
Abdullah Mohammad Sa'ad , Aug 30, 2021
"সজীব লেখনী! 💙"
tasmin Ahmed , Aug 16, 2021
"#priyomukh_Progoty_book_club_review_2021 ◾ এক নজরে বইয়ের তথ্যসমূহঃ বইঃ চন্দ্রগ্রহণ লেখকঃ রাজীব হোসাইন সরকার প্রকাশনাঃ প্রিয়মুখ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা,২০১৯ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯৪ দামঃ দুইশত টাকা ধরণঃ সাইকোলোজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার,রহস্য ◾লেখক পরিচিতিঃ ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি তার বড় পরিচয় হলো তিনি বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় একজন লেখক।চন্দ্রগ্রহণ উপন্যাসটি একুশে বইমেলা ২০১৯ এ প্রকাশ হয়।তিনি সাধারনত সাইকোলজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার,রহস্য এইসব বেশি লেখেন। এতো কম বয়সে তার লেখা ও সাক্ষাৎকার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে ইরানভিত্তিক রেডিও চ্যানেল রেডিও পারসটুডো এর মতো বিখ্যাত পত্রিকায়। এইটুকু বলতে পারি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানুষের কাছে জনপ্রিয় লেখকের নামের তালিকায় রাজীব হোসাইন সরকার থাকবেই। ◾কাহিনী সংক্ষেপঃ গল্পের মূল নায়ক সাবের সাহেব। দ্রুতযান ট্রেনে করে দিনাজপুর হতে ঢাকা ফিরছিলেন। সাইকিয়াট্রিস্ট সাবের সাহেবের বিশেষত্ব হলো তিনি অন্যান্য দুই চারজন সাইকিয়াট্রিস্ট এর মতোন কিছু লক্ষ্মণ দেখেই একজন মানুষকে স্কিজোফ্রেনিক বলে দাবি করেন না। কাহিনী সেই ট্রেনের কেবিনেই শুরু হয়। মিতু নামের এক মেয়ে এসে কেবিনে বসে। অন্যান্য অনেক কিছুর মতোই সাবের সাহেব সেই মেয়ের বয়স নিয়েও ধারণা করেন। চব্বিশ পচিশ হবে। এক পর্যায়ে জানা যায় মিতু প্ল্যানিং করেই সাবের সাহেবের সাথে কিছু সমস্যা নিয়ে দেখা করতে এসেছেন।সে সমস্যার সমাধান চায়। সে চায় একজন স্বাভাবিক মানুষ হতে। কেউ তাকে স্কিজোফ্রেনিক বলবেনা। মিতুর সমস্যাটা আসলে কি ছিলো? ইলা মিতুর বড় বোন। বয়স ২৭।কিছুদিন আগে মারা গিয়েছে।মিতু খুব খুশি হয়েছিলো সে রান্না করে খাইয়েছিলো আত্মীয়দের।কিন্তু সমস্যা সেখানে নয়।সমস্যা হলো বেশ কিছুদিন ধরে মিতু ইলার রুমে গেলে 'why me why me?' শুনতে পায়।অথচ রুম তো ফাঁকা। অন্য কেউ সেই শব্দ শুনতে পায়না।কেন আসে? এর সুস্পষ্ট ব্যাখা চায় মিতু।সাবের সাহেবের স্যার আলি জাফর এই সমস্যাকে অডিটরি হ্যালুশিনেসন বলে আখ্যা দিয়েছেন তবে সাবের সাহেব চান না এই ব্যাপারটাকে অডিটরি হ্যালুশিনেসন বলে সমাধান করতে।তিনি আরো যুক্তি দাড়া করাতে চান। এতো সহজেই তিনি ব্যাখা দিবেন না।তিনি আরো কিছু ব্যাপার জানতে চান আরো চান ইলার মৃত্যুকে এই এই সমস্যার সাথে সম্পর্কিত করতে। কিন্তু মিতু এতে বাধা দেয়।মিতু চায়না ইলার মৃত্যু নিয়ে ঘাটাঘাটি করা হোক যেহেতু ইলার মৃত্যু নাকি স্বাভাবিক হার্টঅ্যাটাক বলে আলি জাফর ব্যাখা দিয়েছেন। কিন্তু সাবের সাহেব এই মাধ্যম ছাড়া ব্যাপারটিকে ব্যাখা করতে পারবেনা জানান এবং দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে মিতুর বাড়ি এসে পৌছান। ঘটতে থাকে রহস্যের উন্মোচন। সামনে আসে নানা তথ্য। শেষ পর্যন্ত পারবে কি সাবের সাহেব মিতুর সমস্যার সমাধান করতে?শেষটা কেমন হবে? বইটি পড়লেই পরিষ্কার। ◾পর্যালোচনাঃ বইয়ে কিভাবে একজন পাঠককে ধরে রাখতে হয় তা লেখক খুব ভালোভাবে জানেন।পুরো বই যেন একটা টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে একজন পাঠকের সময় কাটবে।নেই কোনো অতিরিক্তি অপ্রয়োজনীয় লাইন। আছে নানান বৈজ্ঞানিক ব্যাখা।সেগুলো জানতে পেরে আপনি হবেন অনেকটাই অবাক।এছাড়া বইয়ের পাতায় পাতায় আছে যুক্তির পর যুক্তি। এছাড়া এই বইয়ে পিতৃসত্তা কে দুইভাবে দেখানো হয়েছে।সাবের সাহেবের তনু নামের দুই বছরের কন্যা ১০ বছর ধরে দূরে আছেন।তবুও সাবের সাহেব তাকে প্রায়ই স্বপ্নে দেখতে পান। কন্যা থেকে পিতার দূরে থাকার যে যন্ত্রনা তারও এক চিত্র ফুটে উঠেছে। সব মিলিয়ে বইটি যারা ক্রাইম থ্রিলার, সাইকোলোজিক্যাল রহস্য পছন্দ করেন তাদের কাছে বেশ ভালো লাগবে এইটুকু বলতে পারি। ◾চরিত্রায়নঃ সাবের সাহেব যেহেতু মূল নায়ক তাই তাকে বই এর প্রাণ বলা যেতে পারে।মিতু নামের মেয়েটির চরিত্রও বেশ আকর্ষণমূলক।এছাড়া প্রতিটি চরিত্র কিছুটা রহস্য মেলানো দেখা গেলেও এর পেছনেও যুক্তি দিয়ে গেছেন লেখক এই জন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ◾ভাষাশৈলীঃ খুবই সহজ ভাষায় বইটি লেখা। তবে লেখকের শব্দভান্ডার বেশ চমৎকার এইটুকু বলতে পারি। বেশ কিছু নতুন শব্দ শিখেছি এবং ব্যাখা জেনেছি। ◾বইয়ের কিছু প্রিয় লাইনঃ ♦️❝ট্রেনের সাথে কিসের মিল আছে? - মাইগ্রেটরি বার্ড? অতিথি পাখি? সাইবেরিয়া থেকে যখন দক্ষিণে আসে তখন পাখিরাও ট্রেনের মতো লাইন ধরে আসে। তাদের লাইন হলো জল ও পর্বত।❞ ♦️❝গোধূলি রঙ এর বৈশিষ্ট্য কি? -বৈশিষ্ট্য নেই। তবে এই রঙ টি দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়❞ ♦️❝যে মেয়েরা শাড়ি পরতে অভ্যস্ত নয় তারাও দুটো সময় শাড়ি পরে। যখন মন ভালো থাকে আর যখন মন খারাপ থাকে ❞ ♦️❝মানুষের কয়েকটি সংবেদী অঙ্গ আছে। নাক-কান-চোখ-জিহবা। যদি এগুলো বিবর্তিত হয় তাহলে মানুষের ক্ষমতা হবে অকল্পনীয় পর্যায়ের।মানুষেরা দেখতে পাবে অস্বাভাবিক জিনিস।সেটা শব্দতরঙ্গের প্রবাহ হতে পারে কিংবা অব্যাখেয় কিছু।❞ ◾প্রচ্ছদঃ প্রচ্ছদ অসম্ভব সুন্দর। করেছেন রহমান আজাদ।তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ◾ফ্ল্যাপের কিছু লেখাঃ আমি বাংকার থেকে নেমে মিতুর সিটে সামনাসামনি বসলাম। হাঁটু মুড়লাম মুনি-ঋষিদের মতো। ঈগলের তীক্ষ চোখে চোখ রাখলাম।আমার দীর্ঘ জিবনে কোনো তরুণীর চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো ঘটনা কখনো ঘটেনি। নির্জন প্রান্তরে কোনো জীবনন্দীয় চোখে চোখ রেখে কথা বলার ব্যাপারটিকে সম্ভবত আমার সব ধরনের অতীত স্মৃতিকে ম্লান করে দিচ্ছে।মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত। আমি বিভ্রান্ত মস্তিষ্কে ফিসফিস করে তনুকে বললাম, রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জটিলতর পদ্ধতি হলো কোয়েশচেন গেম।আমি প্রশ্ন করবো সাব্জেকট উত্তর দিবে। 'আমি আপনার সাব্জেক্ট?' 'হ্যা।' 'আমি উত্তর দিলে গেমের কি দরকার? 'দরকার আছে।তুমি মুখে নয়, উত্তর দিবে চোখে। তুমি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবে।চোখ সরাবেনা। পলক যত কম ফেলবে তত ভালো। আমি তোমার চোখ থেকে উত্তর খুঁজে বের করবো।' বইটি যারা পড়েননি তাদেরকে পড়ার আহবান জানিয়ে শেষ করছি। ধন্যবাদ। রিভিউ লিখেছেনঃ তাসমিন আহমেদ #priyomukh_Progoty_book_club_review_2021 ◾ এক নজরে বইয়ের তথ্যসমূহঃ বইঃ চন্দ্রগ্রহণ লেখকঃ রাজীব হোসাইন সরকার প্রকাশনাঃ প্রিয়মুখ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা,২০১৯ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯৪ দামঃ দুইশত টাকা ধরণঃ সাইকোলোজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার,রহস্য ◾লেখক পরিচিতিঃ ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি তার বড় পরিচয় হলো তিনি বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় একজন লেখক।চন্দ্রগ্রহণ উপন্যাসটি একুশে বইমেলা ২০১৯ এ প্রকাশ হয়।তিনি সাধারনত সাইকোলজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার,রহস্য এইসব বেশি লেখেন। এতো কম বয়সে তার লেখা ও সাক্ষাৎকার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে ইরানভিত্তিক রেডিও চ্যানেল রেডিও পারসটুডো এর মতো বিখ্যাত পত্রিকায়। এইটুকু বলতে পারি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানুষের কাছে জনপ্রিয় লেখকের নামের তালিকায় রাজীব হোসাইন সরকার থাকবেই। ◾কাহিনী সংক্ষেপঃ গল্পের মূল নায়ক সাবের সাহেব। দ্রুতযান ট্রেনে করে দিনাজপুর হতে ঢাকা ফিরছিলেন। সাইকিয়াট্রিস্ট সাবের সাহেবের বিশেষত্ব হলো তিনি অন্যান্য দুই চারজন সাইকিয়াট্রিস্ট এর মতোন কিছু লক্ষ্মণ দেখেই একজন মানুষকে স্কিজোফ্রেনিক বলে দাবি করেন না। কাহিনী সেই ট্রেনের কেবিনেই শুরু হয়। মিতু নামের এক মেয়ে এসে কেবিনে বসে। অন্যান্য অনেক কিছুর মতোই সাবের সাহেব সেই মেয়ের বয়স নিয়েও ধারণা করেন। চব্বিশ পচিশ হবে। এক পর্যায়ে জানা যায় মিতু প্ল্যানিং করেই সাবের সাহেবের সাথে কিছু সমস্যা নিয়ে দেখা করতে এসেছেন।সে সমস্যার সমাধান চায়। সে চায় একজন স্বাভাবিক মানুষ হতে। কেউ তাকে স্কিজোফ্রেনিক বলবেনা। মিতুর সমস্যাটা আসলে কি ছিলো? ইলা মিতুর বড় বোন। বয়স ২৭।কিছুদিন আগে মারা গিয়েছে।মিতু খুব খুশি হয়েছিলো সে রান্না করে খাইয়েছিলো আত্মীয়দের।কিন্তু সমস্যা সেখানে নয়।সমস্যা হলো বেশ কিছুদিন ধরে মিতু ইলার রুমে গেলে 'why me why me?' শুনতে পায়।অথচ রুম তো ফাঁকা। অন্য কেউ সেই শব্দ শুনতে পায়না।কেন আসে? এর সুস্পষ্ট ব্যাখা চায় মিতু।সাবের সাহেবের স্যার আলি জাফর এই সমস্যাকে অডিটরি হ্যালুশিনেসন বলে আখ্যা দিয়েছেন তবে সাবের সাহেব চান না এই ব্যাপারটাকে অডিটরি হ্যালুশিনেসন বলে সমাধান করতে।তিনি আরো যুক্তি দাড়া করাতে চান। এতো সহজেই তিনি ব্যাখা দিবেন না।তিনি আরো কিছু ব্যাপার জানতে চান আরো চান ইলার মৃত্যুকে এই এই সমস্যার সাথে সম্পর্কিত করতে। কিন্তু মিতু এতে বাধা দেয়।মিতু চায়না ইলার মৃত্যু নিয়ে ঘাটাঘাটি করা হোক যেহেতু ইলার মৃত্যু নাকি স্বাভাবিক হার্টঅ্যাটাক বলে আলি জাফর ব্যাখা দিয়েছেন। কিন্তু সাবের সাহেব এই মাধ্যম ছাড়া ব্যাপারটিকে ব্যাখা করতে পারবেনা জানান এবং দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে মিতুর বাড়ি এসে পৌছান। ঘটতে থাকে রহস্যের উন্মোচন। সামনে আসে নানা তথ্য। শেষ পর্যন্ত পারবে কি সাবের সাহেব মিতুর সমস্যার সমাধান করতে?শেষটা কেমন হবে? বইটি পড়লেই পরিষ্কার। ◾পর্যালোচনাঃ বইয়ে কিভাবে একজন পাঠককে ধরে রাখতে হয় তা লেখক খুব ভালোভাবে জানেন।পুরো বই যেন একটা টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে একজন পাঠকের সময় কাটবে।নেই কোনো অতিরিক্তি অপ্রয়োজনীয় লাইন। আছে নানান বৈজ্ঞানিক ব্যাখা।সেগুলো জানতে পেরে আপনি হবেন অনেকটাই অবাক।এছাড়া বইয়ের পাতায় পাতায় আছে যুক্তির পর যুক্তি। এছাড়া এই বইয়ে পিতৃসত্তা কে দুইভাবে দেখানো হয়েছে।সাবের সাহেবের তনু নামের দুই বছরের কন্যা ১০ বছর ধরে দূরে আছেন।তবুও সাবের সাহেব তাকে প্রায়ই স্বপ্নে দেখতে পান। কন্যা থেকে পিতার দূরে থাকার যে যন্ত্রনা তারও এক চিত্র ফুটে উঠেছে। সব মিলিয়ে বইটি যারা ক্রাইম থ্রিলার, সাইকোলোজিক্যাল রহস্য পছন্দ করেন তাদের কাছে বেশ ভালো লাগবে এইটুকু বলতে পারি। ◾চরিত্রায়নঃ সাবের সাহেব যেহেতু মূল নায়ক তাই তাকে বই এর প্রাণ বলা যেতে পারে।মিতু নামের মেয়েটির চরিত্রও বেশ আকর্ষণমূলক।এছাড়া প্রতিটি চরিত্র কিছুটা রহস্য মেলানো দেখা গেলেও এর পেছনেও যুক্তি দিয়ে গেছেন লেখক এই জন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ◾ভাষাশৈলীঃ খুবই সহজ ভাষায় বইটি লেখা। তবে লেখকের শব্দভান্ডার বেশ চমৎকার এইটুকু বলতে পারি। বেশ কিছু নতুন শব্দ শিখেছি এবং ব্যাখা জেনেছি। ◾বইয়ের কিছু প্রিয় লাইনঃ ♦️❝ট্রেনের সাথে কিসের মিল আছে? - মাইগ্রেটরি বার্ড? অতিথি পাখি? সাইবেরিয়া থেকে যখন দক্ষিণে আসে তখন পাখিরাও ট্রেনের মতো লাইন ধরে আসে। তাদের লাইন হলো জল ও পর্বত।❞ ♦️❝গোধূলি রঙ এর বৈশিষ্ট্য কি? -বৈশিষ্ট্য নেই। তবে এই রঙ টি দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়❞ ♦️❝যে মেয়েরা শাড়ি পরতে অভ্যস্ত নয় তারাও দুটো সময় শাড়ি পরে। যখন মন ভালো থাকে আর যখন মন খারাপ থাকে ❞ ♦️❝মানুষের কয়েকটি সংবেদী অঙ্গ আছে। নাক-কান-চোখ-জিহবা। যদি এগুলো বিবর্তিত হয় তাহলে মানুষের ক্ষমতা হবে অকল্পনীয় পর্যায়ের।মানুষেরা দেখতে পাবে অস্বাভাবিক জিনিস।সেটা শব্দতরঙ্গের প্রবাহ হতে পারে কিংবা অব্যাখেয় কিছু।❞ ◾প্রচ্ছদঃ প্রচ্ছদ অসম্ভব সুন্দর। করেছেন রহমান আজাদ।তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ◾ফ্ল্যাপের কিছু লেখাঃ আমি বাংকার থেকে নেমে মিতুর সিটে সামনাসামনি বসলাম। হাঁটু মুড়লাম মুনি-ঋষিদের মতো। ঈগলের তীক্ষ চোখে চোখ রাখলাম।আমার দীর্ঘ জিবনে কোনো তরুণীর চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো ঘটনা কখনো ঘটেনি। নির্জন প্রান্তরে কোনো জীবনন্দীয় চোখে চোখ রেখে কথা বলার ব্যাপারটিকে সম্ভবত আমার সব ধরনের অতীত স্মৃতিকে ম্লান করে দিচ্ছে।মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত। আমি বিভ্রান্ত মস্তিষ্কে ফিসফিস করে তনুকে বললাম, রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জটিলতর পদ্ধতি হলো কোয়েশচেন গেম।আমি প্রশ্ন করবো সাব্জেকট উত্তর দিবে। 'আমি আপনার সাব্জেক্ট?' 'হ্যা।' 'আমি উত্তর দিলে গেমের কি দরকার? 'দরকার আছে।তুমি মুখে নয়, উত্তর দিবে চোখে। তুমি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবে।চোখ সরাবেনা। পলক যত কম ফেলবে তত ভালো। আমি তোমার চোখ থেকে উত্তর খুঁজে বের করবো।' বইটি যারা পড়েননি তাদেরকে পড়ার আহবান জানিয়ে শেষ করছি। ধন্যবাদ। রিভিউ লিখেছেন তাসমিন আহমেদ"
Alif Muntasir , Aug 11, 2021
"#priyomukh_Progoty_book_club_review_2021 🔰বইয়ের নাম- চন্দ্ৰগ্রহণ 🔰ধরন- রহস্যোপন্যাস 🔰প্রকাশনী- প্রিয়মুখ মুদ্রিত 🔰মূল্য-২০০ টাকা 🔰পৃষ্ঠা সংখ্যা-৯৩ ((বুক রিভিউয়ার> আলিফ মুনতাসির)) কিছু বই শেষ করার পর বুকের ভেতর অদ্ভুত একটা শূন্যতা তৈরী হয়। তেমন একটা বইয়ের রিভিউ লেখার চেষ্টা করছি। ✍ বইটির গল্পসংক্ষেপঃ শূন্য রহস্যময় একটা ব্যাপার।সংখ্যার আগে বসলে কিছুই হয় না অথচ পরে বসলে প্রতি দশকে দশকে সংখ্যার মান বাড়াতে থাকে।আবার কোন স্থান হঠাৎ বায়ুশূন্য হওয়ার অর্থ সেখানে ঘূর্ণিঝড় হবে। প্রচন্ড শীত পরছে।মাল্টিপল পার্সোনালিটির এক সম্মেলন শেষে মধ্যরাতে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন একজন প্রফেসর কাম সাইক্রিয়াটিস্ট। কিন্তু অদ্ভুতভাবে ট্রেনের পুরো কামরাটাই ফাকা।রহস্যময় ব্যাপার-স্যাপার। রহস্য আরো ঘনীভূত করে মাঝরাতে ট্রেনে উঠে অপরিচিত এক তরুণী। জানতে চায়,তার জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু প্রশ্নের উত্তর। তরুণীর ডাকে সাড়া দিয়ে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রফেসর হাজির হন তার বাড়িতে। দ্রুত ঘটনা মোড় নিতে থাকে অন্যদিকে। উন্মোচন হয় এক নির্মম সত্যের। বইটা শেষ করার পর অদ্ভুত এক বিষণ্ণতায় মন ছেয়ে গেছে। যদিও অসাধারণ এন্ডিং তারপরও মনে হয়েছে এমন না হলেও পারত।শেষের টুইস্টটার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে আপনাকে। ✍ অসম্ভব ভাললাগার কিছু লাইনঃ কিছু মানুষের চোখের দিকে না তাকানোই ভালো।সৃষ্টি জগৎ সম্পর্কে ভুল ধারণা চলে আসে। আপনি সেই চোখের মানুষ। নিজের বানানো স্বপ্নের নিখাদ আনন্দ কিংবা গভীর বেদনায় চোখ ভিজে যাওয়া বরাবরই ছেলেমানুষি আবেগ। এমন আবেগ গুরুত্বহীন। ✍পজেটিভ দিক- বইটির পজেটিভ দিক অনেক।খুব সুন্দর ভাবেই ধীরে ধীরে প্লটটি সাজিয়েছেন লেখক।খুব বেশী চরিত্রের আনাগোনা দেখা যায় নি।কিন্তু,প্রত্যেকটি চরিত্র স্বমহিমায় উজ্জ্বল। গল্প টেনে হিঁচড়ে বাড়ানোর ও কোন প্রবনতা লক্ষ্য করা যায় নি। এককথায়,পারফেক্ট একটি বই। ✍নেগেটিভ দিকঃ থ্রিলার গল্প সংকলনের কোন এক বইয়ের ভূমিকায় (সম্ভবত ৪র্থ পার্ট) নাজিম উদ্দীন ভাই দারুণ একটা কথা বলেছিলেন আপনি যে অনেক কিছু জানেন সেটা পাঠককে বোঝানোর দরকার নেই। কিন্তু লেখক- রাজীব হোসাইন সরকার"ডাক্তার+বায়োলজির শিক্ষক হওয়ায় অনেকগুলো বায়োলজিক্যাল কঠিন শব্দের অবতারণা করেছেন। যদিও বিজ্ঞানের ছাত্রদের ভালই লাগবে কিন্তু অন্যদের বিরক্তিও লাগতে পারে যেহেতু বইটি সবার জন্যই লেখা। থ্রিলার এমনিতেই জটিল একটি বিষয়। এছাড়া মুদ্রনে পরিচ্ছদ ৬ আর ৭ দুইবার করে এসেছে। এসব ছাড়া আর কোন নেগেটিভ দিক চোখে পরে নি। 🔹তো পাঠকবন্ধুরা, পড়ে দেখতে পারেন রাজীব হোসাইন সরকারের দারুন একটি বই- "চন্দ্রগ্রহণ" পৃথিবী বইয়ের হোক।🙂"
Hridoy al Raad , Aug 11, 2021
"#priyomukh_Progoty_book_club_review_2021 বইয়ের নামঃ চন্দ্রগ্রহণ লেখকঃ রাজীব হোসাইন সরকার প্রকাশনীঃ প্রিয়মুখ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯৪ প্রচ্ছদঃ রহমান আজাদ মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা ধরণঃ সমকালীন উপন্যাস বইয়ের জনরা সমকালীন উপন্যাস-এ অন্তর্ভূক্ত হলেও এটা রহস্য বা থ্রিলার ঘরনার উপন্যাস। অবশ্যই এর সাথে যুক্ত করতে হবে সাইকোলজিকাল শব্দটা। কেন? তা এখনি আলোচনা করছি। গল্পের নায়ক সাবের সাহেব। পেশায় একজন প্রফেসর কাম সাইক্রিয়াটিস্ট। এর পরেই যার স্থান সে হলো মিতু। এই তরুণিকে ঘিরেই গল্প। গল্প না কেবলই, ধীরে ধীরে তা রহস্যে জট পাকাতে থাকে। ভিলেনরূপী চরিত্রও আছে এই গল্প-রহস্যে। নতুনত্ব হিসেবে যেটা চিহ্নিত করা যায়, তা হলো সাইকিয়াট্রিস্ট বলেই যে চিরায়ত মনোবিশ্লেষণ দেখতে পাবেন তা একেবারেই নয়। সাবের সাহেব পছন্দ করেন ঘটনার সূক্ষ পর্যালোচনা। যেটা থ্রিলিং এর স্বাদ দেয়। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ এদানিং কিছু বিদেশি বই পড়তে গিয়ে দেখা যায় অপ্রাসঙ্গিক কথা লিখে রাখেন। হয়তো এটা কোনো স্ট্র্যাটেজি হতে পারে। কিন্তু পাঠক হিসেবে আমার কাছে বিরক্তির। এই বইয়ে এরকম ব্যাপার একদমই নাই। দ্রুত পাঠ করা যায়। ন্তবে একেবারেই যে সাবলীল সেটা বলতে পারছি না। কারণ লেখক অনেক বিদেশি শব্দ ব্যাবহার করেছেন। আর অনেক বায়োলজিজাল টার্ম জটিল করে উপস্থাপন করেছেন। আমার কাছে মনে হয় এখানে লেখক-পাঠকের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। যদি হতো ড্যান ব্রাউনের মতো সহজ ভাষায় বিগ ব্যাঙ্ক থিয়োরি বুঝিয়ে বলার মতো তাহলে নিঃসন্দেহে আরেকধাপ এগিয়ে থাকত আমার কাছে। তবে অনেক কিছু জানারও আছে এখানে। আপনি যদি সেগুলো আগে থেকে না জেনে থাকেন। গল্প ছোট হওয়ায় খুব দ্রুতই শেষ করা যায়। কিন্তু শেষ করার পর মনে হবে কেন শেষ হলো! এভাবেই শেষ হতে হলো! কাহিনী অন্যরকম কেন হলোনা কেন! মানে শেষটা ধারণার বাইরে। মেনে নেওয়ার মানসিক প্রস্তুতি থাকা দরকার। নিঃসন্দেহে বলা যায় ভালো রকমের সাসপেন্স ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। 📋"আমার দীর্ঘ জীবনে কোনো তরূণীর চোখে চোখ রেখে কথা বলার মত কোনো ঘটনা ঘটেনি। নির্জন প্রান্তরে কোনো জীবনান্দনীয় চোখে চোখ রেখে কথা বলার ব্যাপারটি সম্ভবত আমার সব ধরনের অতীত স্মৃতিকে ম্লান করে দিচ্ছে।" -ফ্ল্যাপ থেকে । 🔹নিজের বানানো স্বপ্নের নিখাদ আনন্দ কিংবা গভীর বেদনায় চোখ ভিজে যাওয়া বরাবরই ছেলেমানুষি আবেগ। এমন আবেগ গুরুত্বহীন। 🔹নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে থাকে ব্যাক্তি অসৎ হওয়ার সাথে সাথে। ভালো লাগবে এই লাইনগুলো।"
Tanjina tabassum Rafi , Aug 10, 2021
"#priyomukh_Progoty_book_club_review_2021 বইয়ের নাম : চন্দ্র গ্রহণ লেখক : রাজীব হোসাইন সরকার প্রকাশক : প্রিয়মুখ প্রকাশনী মুদ্রিত মূল্য : ২০০ টাকা পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৯৪ ব্যক্তিগত রেটিং : ৫/৫ রিভিউ করছি : তানজিনা তাবাস্সুম নামকরণ এবং প্রচ্ছদ : ' চন্দ্রগ্রহণ ' নামটা শুনেই হয়ত ইতিমধ্যেই অনুমান করতে পেরেছেন বইটা রহস্য রিলেটেড হবে, তাই না! হ্যা, বইটি হলো রহস্যময় সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। কিন্তু, এই নামকরণের যথার্থতা আপনি পুরো বইটি না পড়া অব্দি বুঝে উঠতে পারবেন না। শুধু এটুকুই বলব, লেখক নিজের অসাধারণ সৃজনশীলতা ব্যবহার করে এই নামের আড়ালে এক ভয়ংকর অপ্রত্যাশিত পাশবিকতার গল্পকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। হলুদ এবং কালো রংয়ের কম্বিনেশনে তৈরি করা রহস্যময় আবহের কারণে বইয়ের প্রচ্ছদটি সহজেই পাঠকের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম। উৎসর্গ : বইয়ের উৎসর্গ অংশটুকু পড়লেই আপনার মনটা মুহূর্তের মধ্যেই একরাশ মুগ্ধতায় ছেয়ে যাবে। একদম ভিন্ন ধাঁচে লেখা এই অংশটুকুতে উঠে এসেছে, একজন একনিষ্ঠ ভক্তের জন্য লেখকের অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা, যে কোমরের নিচ থেকে প্যারালাইজড। ভক্তের ধারণা, লেখকের সাথে কোন একদিন দেখা হওয়াটা হবে তার জন্য আনন্দদায়ক। অথচ ভক্তের অজান্তেই লেখক ঐ ভক্তকে বইটি উৎসর্গ করে বসেছেন এবং লেখকের জন্য মহানন্দের ব্যাপার হবে যদি তিনি ঐ ভক্তের দেখা পান। পড়ার পরপর ই মনে হয়, ইশ! কী সুন্দর! কাহিনি সংক্ষেপ : প্রফেসর সাবের সাহেব ; যার শুন্য থেকে তথ্য উদ্ভাবনের নিজস্ব কিছু কৌশল আছে। বিভিন্ন সাইকোলজিক্যাল হ্যাকস, ডিডাকশন এবং লজিক ব্যবহার করে তিনি হরেক রকমের প্যারানরমাল রহস্যের সমাধান করেন। এমনই এক রহস্যের সমাধান করতে গিয়ে তিনি সম্মুখীন হন অপ্রত্যাশিত এক ভয়ংকরতম সত্যের। ২৪/২৫ বছর বয়সী নাস্তিক মাতৃহীন মিতু তার বড় বোন ইলার মৃত্যুর পর মাঝরাতে ইলার রুমে অদ্ভুত কিছু শব্দ শুনতে পায়। যেটাকে বিখ্যাত সাইকিয়াট্রিস্ট আলি জাফর অডিটরি হ্যালুসিনেশন হিসেবে ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু, সাবের সাহেব মিতুর ঘটনাকে কেবল সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার হিসেবে বিবেচনা না করে ভিন্ন কিছুর গন্ধ পান। কেননা, মিতুর বলা কথাবার্তায় তিনি বুঝতে পারেন, ইলার মৃত্যু নিচক হার্ট অ্যাটাক নয়, বরং লুকিয়ে আছে অস্বাভাবিক কোনো সত্য ! তার মাথায় অনেক প্রশ্ন জট পাকাতে থাকে। কেন মিতু তার পিতা এবং মাতৃসম বড়বোনকে ভীষণ অপছন্দ করে ? কেন ইলা ভয়াবহ রকমের ডিপ্রেসড থাকত? কেন সাবের সাহেবের প্রতি মিতুর পিতা আজগর খান বিরক্ত? ইলার মৃত্যুর দিন মালি ই বা কেন পালিয়ে গেল? মিতু ই বা কেন ইলার মৃত্যুতে ভীষণ খুশি ছিল? এ সবকটা প্রশ্নের যোগসূত্রে উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি এমন এক কদর্য সত্যকে মাটি খুঁড়ে বের করেন যা পড়ার জন্য পাঠকেরা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। অপ্রত্যাশিত এই সত্য অবশেষে বইয়ের লাস্ট পার্টে এসে ধরা দেয় এবং পাঠকের যাবতীয় সব কৌতূহল নিবৃত্ত হয়। প্লট গঠনের প্রয়োজনে, গল্পে উঠে এসেছে একামত মিয়া, ফুলির মা র মত কয়েকটা চরিত্র। পাঠ পর্যালোচনা : সাধারণত, একটা থ্রিলার বই পড়ার সময় প্রত্যেকটা মুহূর্ত ই হয় শ্বাসরুদ্ধকর। এই বইটা পড়ার সময় ও তার ব্যতিক্রম হয় নি। ব্যক্তিগতভাবে, আমার মনে হয়, একজন লেখকের কৃতিত্ব হলো, বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠকের আগ্রহকে ধরে রাখা যেন পাঠক বই শেষ না হওয়া অব্দি স্বস্তি না পায় এবং এক্ষেত্রে লেখক যারপরনাই সফল হয়েছে বলে আমি মনে করি। বইটাকে যদি মোটা দাগে স্রেফ থ্রিলার গল্পের বই বলা হয়, তবে তা খানিকটা বেমানান মনে হবে কেননা পিতা হিসেবে প্রফেসর সাবের সাহেবের নিজের কন্যার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, তাকে কাছে পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খার অংশটুকু দিয়ে পিতৃস্নেহের অসাধারণ মানবীয় দিকটি উপস্থাপন করা হয়েছে। যা বইয়ের খুব কম অংশজুড়ে থাকলেও তা পাঠকমনে প্রচ্ছন্ন বিচ্ছেদ কিংবা বিষাদের আভাস দিতে সক্ষম। বইটা পড়ে আরো বুঝতে পারলাম, আমাদের জীবনাকাশের চন্দ্র স্বরুপ কিছু মানুষ ও কখনো কখনো নিজেদের বর্বর আচরণের দরুন গ্রহণ লাগা কলঙ্কিত চন্দ্রে রুপ নেয়! ভালোলাগা : প্রথমত, অনেকগুলো চরিত্রের সমাবেশ ছিল না বিধায় মেইন ক্যারেক্টারগুলো যথাযথভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। চরিত্র নির্মাণে সতর্কতা, শব্দের ব্যবহারে মুন্সিয়ানা, ঘটনার ধারাবাহিক অগ্রগতির দক্ষতা বইয়ের লেখাকে পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। নবীন লেখক হিসেবে ভাষা ও শব্দশৈলীর পরিমিত ব্যবহার প্রশংশনীয় এবং পাঠককে স্বেচ্ছায় বইটা পড়ে শেষ করতে উদ্বুদ্ধ করবে। তাছাড়া, যথেষ্ট সময় নিয়ে রহস্যের জট খোলা হয়েছে বিধায় বেশ তৃপ্তির সাথেই বইটা পড়ে শেষ করেছি। বইয়ের কিছু লাইন বেশ ভালো ও লেগেছে। যেমন ; ** শুন্য ব্যাপারগুলো সবসময় রহস্যময়। সংখ্যার আগে শুন্য বসা অর্থহীন, কিন্তু সংখ্যার পেছনে বসলেই সে রহস্যময়। ** নিজের বানানো স্বপ্নের নিখাঁদ আনন্দ কিংবা গভীর বেদনায় চোখ ভিজে যাওয়া বরাবরই ছেলেমানুষী আবেগ। এমন আবেগ গুরুত্বহীন। ** কিছু মানুষের চোখের দিকে না তাকানোই ভালো। সৃষ্টিজগৎ সম্পর্কে ভুল ধারণা চলে আসে। নেগেটিভ দিক : বইয়ে বেশ কিছু সাইকোলজিক্যাল লাইন ব্যবহৃত হয়েছে। যেটা মাঝে মধ্যে ' পরের পেইজে কি রহস্যের সমাধান হবে ' এরকম টাইপের উত্তেজিত অবস্থায় খানিকটা বিরক্তির উদ্রেক করছিল ( হয়ত আমার ধৈর্য্য কম তাই )। ব্যস এটাই। আর কোনো নেগেটিভ দিক চোখে পড়ে নি। এটুকু নিশ্চিত হয়ে বলতে পারে , বইটি পড়ে নিরাশ হবেন না। হ্যাপি রিডিং! বই সার্বক্ষণিক সঙ্গী হোক বইয়ের মায়া আগলে রাখুক 💙"
Razoana Shik Anta , Aug 10, 2021
"#priyomukh_Progoty_book_club_review_2021 বই:চন্দ্রগ্রহণ লেখক:রাজীব হোসাইন চৌধুরী প্রকাশকঃ প্রিয়মুখ প্রকাশন রিভিউয়ার: রেজওয়ানা সাহিক আন্তা উৎসর্গপত্রঃএকজন লেখকের পরিচয় তার পাঠকের মাধ্যমে। পাঠক তার লেখা কিভাবে গ্রহণ করছে সেটা অনেক বড় প্রভাব ফেলে লেখকের জীবনে। চন্দ্রগ্রহণ বইটি লেখক তার সেই পাঠককে উৎসর্গ করেন যে লেখকের সাথে দেখা করতে চেয়েছিলেন কিন্তু শারীরিক ত্রুটির জন্য পারেনি। তাই লেখক বইটি উৎসর্গ করেন এবং বইটা নিয়ে নিজে তার সাথে দেখা করেন।এভাবেই প্রানবন্ত থাকুক সকল লেখক-পাঠক সম্পর্ক বিষয়বস্তুঃচন্দ্রগ্রহণ মুলত থ্রিলার ধর্মী।আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছে, যারা দায়িত্ব গ্রহণ করে কিন্তু পালন করে না। বরং দিন শেষে রক্ষক হয়ে ভক্ষকের কাজ করে।একজন পিতা চাঁদের মতো উজ্জ্বল হয় সন্তানের জীবনে, অথচ সেই চাঁদের গ্রহণের গ্রাস অন্ধকার করে দিলো সন্তানের জীবন। গল্পে এক অসহায় পিতার তার কন্যাকে দেখার আকুতি খুব কম অংশ জুড়ে থাকলেও এর তীব্রতা অনেক ছিলো। চরিত্র আলোচনাঃপ্রধান চরিত্র হচ্ছে অধ্যাপক সাবের আহমেদ আর মিতু।অধ্যাপক সাবের সাইক্রিয়াটিস্ট হলেও, তার কাছে সমস্যা নিয়ে আসা মানুষকে গতানুগতিক সাইকোলজিক্যাল ব্যাখ্যা দেয়ার চেয়ে ঘটনার সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষন করে নতুন ব্যাখ্যা দিতে ভালোবাসতেন। মিতু তার সমস্যার সমাধানের জন্য শরণাপন্ন হন অধ্যাপক সাবের আহমেদের। নৃশংস চরিত্র ছিলো আজগর খান,ওনাকে নীরব ঘাতক বলাও চলে।তার দুই কন্যা ইলাও মিতু। এছাড়াও ছিলো তনু, আলী জাফর,একামত আলী, ফুলির মা প্রমুখ। কাহিনি সংক্ষেপঃকনফারেন্স শেষ করে যাত্রীশূন্য কেবিনে করে ঢাকা ফিরছেন অধ্যাপক সাবের। আকস্মিক ভাবে এক তরুণীর প্রবেশ।এটা কি কাকতালীয় না পরিকল্পিত? ঘটনা চক্রে আজগর খানের বাড়ি যান অধ্যাপক সাবের। আজগর খান হুইল চেয়ার বন্দী, তার আদরের বড় কন্যা ইলার মৃত্যুর পর স্ট্রোক করে সে।তার ছোট্ট মেয়ে মিতু, মৃত ইলার আওয়াজ শুনতে পায়।এই আওয়াজের সমাধান করতেই এই বাড়িতে পা রাখেন অধ্যাপক সাবের।অনেক প্রশ্ন দাড়িয়েছে এখন,"মা মরা মেয়ে মিতু এথিস্ট হয়েও কেনো তার বোন ইলার মৃত্যু কামনা করতো?" "তবে কি ইলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়? খুন? প্রিয় লাইনঃ১."কিছু মানুষের চোখে না তাকানোই ভালো। সৃষ্টিজগৎ সম্পর্কে ভুল ধারণা চলে আসে।আপনি সেই চোখের মানুষ। " ২."একজন প্রচন্ড প্রতাপশালীর মানসিক ও শারীরিক শক্তির পরিসমাপ্তি দেখার মাঝেও একধরনের আনন্দ আছে। " পাঠক প্রতিক্রিয়াঃ"আমাদের সমাজে এমন অনেক অন্যায় ও পাপাচার আছে, যার তথ্য বা প্রমাণ মানুষের কাছে থাকেনা তাই লোকচক্ষুর আড়ালে রয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতি তার শাস্তি দিতে ভুলে না।"এই কথাটি লেখক খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করছেন বইয়ের কিছু অংশে বায়োলজিকাল টার্মগুলো বিস্তৃত আকারে আছে, যা সাধারণ মানুষের পড়তে বিরক্তি আসতে পারে।কিন্তু শেষের দিকে এমন রোমাঞ্চকর অবস্থা সৃষ্টি হবে যে বই শেষ না করে উঠতেই পারবেন না। থ্রিলার প্রেমীদের কাছে এটি অবশ্যই ভালো লাগবে।"
Mayesha Tarannum , Aug 9, 2021
"বইয়ের নামঃ চন্দ্রগ্রহণ লেখকঃ রাজীব হোসাইন সরকার প্রকাশনীঃ প্রিয়মুখ পৃষ্ঠা সংখ্যা ঃ৯৪ প্রচ্ছদঃ রহমান আজাদ মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা রিভিউ করছিঃ মায়েশা তারান্নুম রিচি 🔴উৎসর্গঃ গাজীপুরের এক হুইলচেয়ারে বন্দি তরুণ খোকন। লেখকের মহানন্দের ব্যাপার হবে এই বই নিয়ে খোকনের সাথে দেখা করতে যাওয়া। 🔴বইয়ের ধরণঃ সাইকোলজি ও ডিডাকশন সমন্বয়ে লেখা একটি থ্রিলারধর্মি কাহিনি। বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে একটি রহস্য সমাধানের কাহিনি বইটিতে বর্ণনা হয়েছে। 🔴চরিত্র ঃ প্রধান চরিত্র দুইটি, সাইকিয়াট্রিস্ট সাবের সাহেব, যার শূন্য থেকে তথ্য উদ্ভাবনের নিজস্ব কৌশল রয়েছে এবং রহস্যময়ী মিতু নামক তরুণী। এছাড়া রয়েছেন কিংবদন্তি পর্যায়ের সাইকিয়াট্রিস্ট আলি জাফর। আরো রয়েছেন আজগর খান(মিতুর বাবা),কাজের লোক একামত মিয়া, ফুলির মা,মালি, ড্রাইভার সিরাজ উদ্দিন,ইলা, তনু। 🔴কাহিনী সংক্ষেপঃ রাতের ট্রেনে করে ঢাকায় ফিরছেন সাবের সাহেব(কথক)। পুরো কেবিন একা,জনশূন্য। শূন্য রহস্যময় একটা ব্যাপার।সংখ্যার আগে বসলে তা র্অথহীন, অথচ পেছনে বসলেই রহস্যময়। তেমনি কেবিনে হঠাৎ মিতু নামের এক তরুণী প্রবেশ করে এবং শুরু হয় রহস্যের। বিভিন্ন ডিডাকশন, প্রশ্ন ও সাইকোলজিক্যাল টার্মের মাধ্যমে উদ্ভাবন হয় রহস্যের কারণ। মিতুর বড় বোন ইলার হঠাৎ মৃত্যুর কারনে মিতুর বাবা স্ট্রোক করেন, কিন্তু মিতু সবচেয়ে বেশি খুশি হয়। কিন্তু অদ্ভুত শব্দ শুনতে পায় সে মৃত বোনের, সাইকোলজিস্ট আলি জাফর এটিকে হ্যালুসিনেশন বলে চালিয়ে দিতেও চাইলেও কথক রহস্যের সমাধানে মিতুর বাড়িতে যান। সেখানে বিভিন্ন যুক্তি, সাইকোলজি, ডিডাকশন এর মাধ্যমে বের করে আনেন নির্মম সত্যর। 🔴নিজস্ব অনুভূতিঃ বইটি শেষ করে মনে হয়, এমন না হলেও পারতো। রহস্যের সমাধানে সেই নীরব ঘাতক এর মতো সমাজে এমন অনেক নিকৃষ্ট মানুষ রয়েছে,যাদের রহস্য ভেদ হয় না,সত্য লুকিয়ে থাকে,প্রকাশ হয় না। এরকম থ্রিলার বই গুলো আমার প্রিয় হওয়ার কারণে এই বইটি অনেক ভালো লেগেছে। কাহিনির প্লটটি লেখক খুব সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন। এই ধরনের বই এর প্রতি আগ্রহ থাকলে এটি এক বসায় শেষ করার মতো একটি বই,কিন্তু অনেক ইফেক্টিভ। লেখক একজন ডাক্তার এবং বায়োলজি নিয়ে কাজ করেন বলে বইটিতে অনেক বায়োলজিক্যাল টার্ম এসেছে। যা সবার ই জানা উচিত। যেমনঃচোখের বৃত্তাকার পেশি সংকোচন ও প্রসারণে পিউপিল ছোট ও বড় হয় ইত্যাদি। সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার ও অনেক কিছু শিখা যায় এই বই থেকে।আফ্রিকান ক্যাট-ফাইবার ঘাস সম্পর্কে এই আমি প্রথম জানলাম।এরকম ছোট ছোট বিভিন্ন তথ্য শিখা যায় এই বই থেকে। 🔴পছন্দের কিছু লাইনঃ 🔹জ্ঞানের অহংকার খুবই সংবেদনশীল ব্যাপার। 🔹নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে থাকে ব্যাক্তি অসৎ হওয়ার সাথে সাথে। 🔹কিছু মানুষের চোখের দিকে না তাকানোই ভালো,সৃষ্টিজগৎ সম্পর্কে ভুল ধারণা চলে আসে। 🔴রেটিংঃ ১০/১০"
Shamsuddoha Islam Pervej , Mar 26, 2021
"অসাধারণ"
Neon , Feb 26, 2021
"Awesome"
Marzan Mehreen , Feb 24, 2021
"অসাধারণ একটি বই,,,অনেকটা প্যারাসাইকোলজিক্যাল টাইপ বই হলেও বিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞান এবং রহস্যে ঘেরা একটি অসাধারণ সুন্দর বই। লেখককে ধন্যবাদ এমন একটি সুন্দর বই আমাদের উপহার দেয়ার জন্য। Really worth it!❣️"
Samium , Jan 7, 2021
"বইটা পড়া শুরু করলে শেষ না করে উঠা সম্ভব না😊"
Anjon Roy , Dec 24, 2020
"দূঃখের বিষয় এই যে আমি যখন বইটা কিনেছিলাম আমার ৩০ টাকা বেশি দিয়ে কেনা লাগছিলো। এখন বইয়ের দাম কমে গিয়েছে কিন্তু মান কমে যায় নি। আমি বইয়ের এই গল্প লেখকের ফেসবুক পেইজে আগেও পড়েছি। তবে হার্ডকপিতে উপভোগ করার মজাই আলাদা। লেখকের লেখা অসাধারণ লেগেছে। বাংলাদেশের হাতে গোনা কয়েকজন লেখকের মধ্যে রাজিব হোসাইন সরকার খুবই উচ্চমানের। তার প্রায় সকল গল্প/উপন্যাস আমার পড়া শেষ হয়েছে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
aita ki topic boi 🙂
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"চন্দ্রগ্রহণ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: