১ম প্রকাশ, ২০১৪
চিতা বহ্নিমান
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | চিতা বহ্নিমান |
| Author | ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় |
| Publisher | জোনাকী প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 9789849040781 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Sultan , Nov 5, 2019
""সময় গেলে সাধন হবেনা" এই কথাটা আমরা সবাই জানি।সময়কে সময় না দিলে সময়ের কাজ সময়ে না করলে জীবনে আর যাই হোক কোন সুফল যে লাভ করা যায়না এটা আমরা প্রত্যেকটা মানুষ জানি,এবং বুঝি। নব্য আধুনিকতার পরিনাম,চিরাচরিত টানপোড়ন, সময় গেলে সাধন হবেনা সেরকম একটা অর্থই বহন করে "চিতা বহ্নিমান"। শিক্ষিতা,আধুনিকা এবং প্রগতিবাদিনী তপতী চ্যাটার্জি।বাবা-মায়ের একমাত্র আদুরে সন্তান সে।যেমন রূপবতী, তেমনি নাচে গানে পারদর্শী সকল গুণের অধিকারিনী তপতী।যাকে পাওয়ার জন্য তপস্যা করে সভ্য সমাজের বিত্তশালী মিঃ বোস,মিঃ অধিকারী, মিঃ রায়ের মত হাজারও পুরুষ। অন্য আট দশটা মেয়ে যেরকমভাবে বিবাহ উপযুক্ত হলে বিয়ের জন্য আলাদা একটা স্বপ্ন লালন করতে থাকে বুকে, তপতী তার বিপরীতে।বিয়ের জন্য তার আলাদা কোন উৎকন্ঠা নেই।সে মনে করে বিয়েটা একটা শাস্তি। যা একসময় না একসময় পেতেই হবে। তপতীর বাবা তার জন্য শিক্ষিত, অর্থবিত্ত সম্পন্ন একজন পাত্রের সাথে তার বিয়ে ঠিক করে। কিন্তু বিয়ের সময় বেঁধে যায় যত গোলযোগ। নগদ পণের টাকার জন্য একপর্যায়ে বিয়েটা ভেঙ্গে দেন পাত্রের পিতা। কিন্তু কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা চিন্তায় পরে যান। আর তখনি ঘটনাক্রমে বিয়ের আসরেই আগমন ঘটে বাল্যকালের বন্ধুর ছেলে তপজ্যোতি গোস্বামীর। তপন পৈতৃক দলিলপত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আসে" তপতী নিবাসে"। অন্যদিকে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা কোন উপায় অন্তর না দেখে বাল্যকালের বন্ধুকে দেয়া কথা মনে করে, চালচুলোহীন, অনাথ,দরিদ্র তপনের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয় তপতীর। কিন্তু তপতীর মত শিক্ষিতা,সুন্দরী,আধুনিকা মেয়ের পক্ষে তপনের মত স্বামীকে মেনে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে।ঔদ্ধত্যতায়, অহংকারে সে তপনকে অবহেলা,অপমানের সাথে নানাভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে থাকে। ভদ্রসমাজের সামনে সে তপনকে স্বামীর স্বীকৃতি দেয়না।এমনকি স্বামীর পদবীটুকুও সংযুক্ত করেনা তপতী। কিন্তু তপন যে এক সাধনার ধন,এক অমূল্য রতন এটা তপতী বুঝতে না পারলেও তারই নিকটতম বন্ধু শিখা বুঝতে পেরে তপনকে দাদা বলে দেবতার আসনে বসিয়ে দেয়। সে বুঝতে পারে তার বন্ধু তপতী তার এই দাদাকে অসম্মান,অপমানে জর্জরিত করে রেখেছে,এবং সে বুঝতে পারছেনা কি অমূল্য ধন সে হারাচ্ছে। কিন্তু এতকিছুর পরেও তপন নিরব,নির্বাক।সে কোন প্রতিবাদ করেনা।তার কোন অভিযোগ নেই তপতীর বিরুদ্ধে।কারণ সে তপতীকে ভালোবাসে।তাই সে অপেক্ষা করে তপতী হয়তো একসময় তাকে বুঝতে পারবে,চিনতে পারবে। কিন্তু অপরাধ আকাশচুম্বী হলেও সে তপনের কাছে নত স্বীকার না করে উল্টো মুক্তি চেয়ে বসে।আর তপতীর ইচ্ছাতেই তাকে মুক্তি দিয়ে দেয় তপন। কিন্তু সময় বহমান। একসময় তপতী নিজের ভুল বুঝতে পারে,তার সমস্ত ঔদ্ধত্য, অহংকার ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়।তপন যে তার জীবনের আসল হীরে সেটা সে যখন বুঝতে পারে ততদিনে তপন তার নাগালের বাইরে চলে যায়। তবুও সে আশায় বুক বাঁধে।সে চায় তপন তাকে গ্রহণ করুক।নানাভাবে সে তপনের মনরঞ্জন করার চেষ্টায় থাকে। কিন্তু তপনের কাছে তার সত্য বজ্রের মত কঠিন।রবীন্দ্রনাথের, "সত্য যে কঠিন রে ভালোবাসিলাম"এই কথাটারই জয়জয়কার করে দিয়ে তপন তার সত্যের পথেই অগ্রসর হয়। কিন্তু দিনশেষে, যে তপতীকে সে তপতীর ইচ্ছেতেই মুক্তি দিয়েছে সে কি কখনো আর তার সত্যকে মাটিচাপা দিয়ে সমস্ত কাঠিন্য ভেঙ্গে তাকে গ্রহণ করবে কখনো? নাকি তপতীর দহনে চিতা বহ্নিমান করে রাখবে আমরণ? প্রিয় কিছু উক্তি: ১।যে আমায় মূর্খ ভেবে গ্রহণ করলে না,আমাকে পন্ডিত দেখে গ্রহণ করবার তার আর কোন অধিকার নেই। ২।ত্যাগ বলে কোন বস্তু তো নেই।আমরা যাকে ত্যাগ বলি,সেটার মানে এড়িয়ে যাওয়া।আর সত্যিকারের ত্যাগ মানে বন্দীত্ব থেকে মুক্তি অর্থাৎ বিস্তার,ক্ষুদ্র থেকে বৃহতে,লঘিষ্ট থেকে গরীয়ানে। ৩।প্রেম যখন অন্তরে সত্য-সত্যই জাগিয়া উঠে তখন অনেক কথাই বলি-বলি করে বলা হয় না। ৪।আমার সত্য বজ্রের চেয়ে কঠিন, মৃত্যুর চেয়ে নিষ্ঠুর। ৫। তোমায়-আমায় মিলেছি, প্রিয়_ শুধু চোখের জলের ব্যবধান টুকু রইলো। পাঠ প্রতিক্রিয়া: বইটা সাধু ভাষায় দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম এটা নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র যুগের কোন লেখখের বই হবে।পরে বইয়ের প্রথম পাতা উল্টিয়ে দেখলাম এটা এই যুগেরই এক লেখকের বই।যদিও জানি লেখকের নামের জায়গায় লেখক লেখিকার নামের গোপন আশ্রয় নিয়েছেন।যাই হোক,লেখক বা লেখিকা যেটাই হোক না কেন বইটা এক কথায় অসাধরণ।বইয়ের একটার পর একটা পাতা আমাকে কি ঘটবে কি ঘটবে এরকম একটা আগ্রহে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।বইয়ের কোন অংশেই লেশ মাত্র বিরক্তি হওয়ার মত কোন অবকাশ রাখেনি লেখক।যারা পড়েন নি এই বইটা তারা অনায়াসেই পড়ে ফেলতে পারেন।আশাকরি আপনাদেরও আকৃষ্ট এবং মন্ত্রমুগ্ধ করবে।"
Abdullah Al Kafi , May 17, 2018
"এক কথায় অসাধারণ একটি বই। ফাল্গুনী দেবী তাঁর কলমের স্পর্ষে এক অতুলনীয় উপন্যাস সৃষ্টি করেন।যেখানে ফুটিয়ে তুলেন চরিত্রগুলোর মধ্যকার নিজস্ব এক পরিচয়।তপন ও তপতী মধ্যকার বিশাল তফাত-পাথক্য; অবজ্ঞা-অবহেলা;প্রেম-বৎসনা;প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির বেদনা ইত্যাদি। সবকিছু মিলিয়ে তারিফ করার মতো একটা সৃষ্টি।"
TASFIA PROMY , Jun 8, 2017
"বই- চিতা বহ্নিমান লেখক – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় পৃষ্ঠা সংখ্যা – ১৬১ মুল্য – ১০০ ৳ ধরণ – সমকালীন উপন্যাস কাহিনিঃ ধনী পিতার একমাত্র কন্যা তপতী, রূপসী , শিক্ষিতা, গুণী, সাঁতার, গান, পড়াশোনা সবেতেই প্রথম।বি এ পড়ার সময় তার বাবা মিঃ শঙ্কর চ্যাটার্জি মেয়ের বিয়ে দিতে চান। বিয়ে নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তপতীর। সে বি.এ. পরীক্ষা দিবে; সেটা নিয়েই ব্যস্ত। তপতীর জন্য ভদ্র ঘরের সুন্দর শিক্ষিত ছেলে ঠিক করা হলেও পনের টাকা দিতে দেরি করায় ছেলের বাবা তার বাধ্য ছেলেকে বিয়ের আসর থেকে তুলে নিয়ে যান। ঠিক বিয়ের প্রস্তুতির সময় শঙ্কর চ্যাটার্জির পুরানো বন্ধু মহাদেবের ছেলে তপন আসে বাবার মৃত্যুর পরে তার বেশ কিছু জরুরী কাগজপত্র ফেলতে গিয়ে শঙ্কর সাহেবের কিছু দরকারী দলীল পেয়ে সেগুলো ফেরত দিতে। শান্ত- সৌম্য চেহারার তপনকে দেখে শঙ্কর চ্যাটার্জির মনে পড়ে যে, তার বন্ধু মহাদেবকে কথা দিয়েছিলো তার ছেলেকে নিজের জামাই বানাবে। বিয়ের পাত্র পক্ষ চলে যাওয়ায় তৎক্ষনাৎ তপনের সাথে তপতীর বিয়ে দেন মিঃ চ্যাটার্জি। তপতী ক্ষণিকের জন্য তপন কে দেখেনি ...। শঙ্কর বিয়ের পরে জানতে পারেন অভাবের কারনে তপনের লেখাপড়া বেশিদুর আগায় নি। তপতীর বন্ধুরা তপন কে হাসির পাত্র বানায়, টিকি কেটে দেয়, নানা ভাবে নানা অপমান করে । তপন নিরুত্তাপ, শুধু শাশুড়ির সাথেই তার যত কথা! প্রচন্ড অহঙ্কার তপতী আর তার বন্ধুদের, তাদের মতে অশিক্ষিত তপন কে সমাজে মেশানোর মত না। প্রতি পদে পদে অপমান সহ্য করে ৭ মাস টিকে থাকে , কিন্তু একদিন সীমা ছাড়িয়ে তপনকে চুড়ান্ত অপমান করার জন্য মিঃ ব্যানার্জির কোলে মাথে রেখে বললো, 'আমাকে মুক্তি দাও।' মিঃ ব্যানার্জি , মিঃ বোস, মিঃ অধিকারী তার মিঃ এর অভাব নেই। কি হয়েছিল শেষমেশ ? পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ পুরো বই জুড়ে মুগ্ধতার শেষ নেই, মন্ত্রমুগ্ধ। আমি একটা কথায় বলব “আমার সত্য বজ্রের চেয়ে কঠোর, মৃত্যুর চেয়ে নিষ্ঠুর” । আমি মুগ্ধ!!! কেন এত দিন পড়িনি? বইটা? তপন চরিত্র যে কাউকে টানবে , টানবেই.....................। আমি আগে জানতাম না “লেখিকা” আসলে লেখিকা নন, একজন লেখক, আসল নাম তারাদাস। আগে পরে কি আছে জানিনা, তবে লেখক হিসেবে সার্থক। রেটিংঃ ৫/৫"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এইটা হার্ডকাভার?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"চিতা বহ্নিমান" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: