১ম সংস্করণ
চেতনা-চড়ুই
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
চিলড্রেন বুক - ২ বাংলা ছড়া
ফারজানা কাইয়ুম সুবর্ণা
সিলেটের উপভাষাঃ ব্যাকরণ ও অভিধান
শ্যামল কান্তি দত্ত
লাল সাগরের ঢেউ
মুহিব খান
প্রেম বিরহের মাঝে
মুহিব খান
নতুন ঝড়
মুহিব খান
অচিনকাব্য
মুহিব খান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | চেতনা-চড়ুই |
| Author | শ্যামল কান্তি দত্ত |
| Publisher | খড়িমাটি (চট্রগ্রাম) |
| Edition | ১ম সংস্করণ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 64 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ছড়া, কবিতা ও আবৃতি |
| Weight | 0.22 Kg |
| ISBN | 9789848241363 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 5 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৫টিTapati , Feb 16, 2024
"চমৎকার লাগছিল"
Biplob Datta , May 11, 2022
"Fine"
Fazlul Karim , May 11, 2022
"ভালো"
MD. MOHIUDDIN SAJIB , May 11, 2022
"মুগ্ধতা নিয়ে পড়েছি নব্বইয়ের দশকের কবির কবিতাগুলো"
Dipankar Shil , May 10, 2022
"পাখির চোখে চৈতন্যপাঠ দীপংকর শীল পাখি সমাজে একমাত্র চড়ুই পাখিই মানুষের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে অথচ ময়না-টিয়া-শালিকের মতো এ পাখিটিকে কেউ পোষ মানিয়েছে বলে খবর পাওয়া যায় না। চড়ুইকে ধরা যায় না, সময়মতো ফুরুৎ করে উড়ে যায়। সে হাঁটে কম, লাফায় বেশি। এ চড়ুইকে রূপক রূপে নিয়ে রচিত কবি শ্যামল কান্তি দত্ত’র ‘চেতনা-চড়ুই’ (২০২১) কাব্যগ্রন্থ। বাঙালির চেতনাকে নাড়া দেবার যথেষ্ট উপকরণ এতে আছে। বইটির ফ্ল্যাপ-এ অধ্যাপক মহীবুল আজিজ লিখেছেন, “শ্যামল কান্তি দত্ত’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘চেতনা-চড়ুই’। তাঁর গতায়াত ভাষাবিজ্ঞান, ইতিহাস, সমাজ ইত্যাকার নানান বিষয়েই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু তিনি যে ছাত্রজীবন থেকেই নিরলস কাব্যচর্চার পথিক তা এ কাব্যের সূত্রে জানতে পারা গেল। সময়ের সে পরিধিও বড় কম নয়- বত্রিশ বছর। কাজেই এক দীর্ঘ ধারাবাহিকতার স্বাক্ষর বর্তমান কাব্যগ্রন্থ। সময়গ্রন্থির বিবিধ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া কবির সৃজনান্বেষায় রূপ পেয়েছে দৃশ্যচিত্রের প্রকল্পে, কিংবা ছন্দোবন্ধ ব্যঞ্জনায়।” এ কাব্য-ব্যঞ্জনার স্বরূপ কবি কেমনভাবে কবি তোলে এনেছেন আকাশচারি হয়ে দেখা নানান চিত্রকল্পে- তা-ই আলোচনায় দৃশ্যমান হবে। কবিতাগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করলে দেখতে পাই কবির প্রথম পর্যায়ের কবিতায় আছে রোম্যান্টিক কবিকল্পনা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে আছে বস্তুবাদিতার পরিচয়। প্রায় কবিই জীবনের প্রথম পর্যায়ে মধুর রসাশ্রিত ভাবকল্পনায় নিবিষ্ট থাকেন। ‘সিক্তা’, ‘চেয়েছিলাম, ‘উন্মনা’, ‘বর্ণমালার শয়ন’ ইত্যাদি কবিতায় রোম্যান্টিক ভাবনার প্রকাশ থাকলেও জগৎ ও জীবন সম্পর্কে কবি সচেতন। এসব কবিতায় দেখি নৈরাত্মা যখন আহ্বান করে তখন কবি সাড়া দিতে পারেন না। কেননা সমসাময়িক জীবনে চলছে স্বৈরাচারী শাসন। রাজনীতির হিংস্রতায়, সমাজপতিদের নগ্নতায়, আন্তর্জাতিক কূটচালে জনজীবনে অস্থিরতা, সভ্যতার নামে অসভ্যতা, লুটতরাজ। এই বাড়ন্ত প্রাচীরের আড়ালে কবি প্রতিবাদমুখর ‘ব্যস্ত আমি মৌন মিছিলে’। কল্পনা প্রবণতা বাঙালির জাতীয় মনস্তত্ত্বের একটা বিশেষ লক্ষণ। কল্পনায় আমরা অনেক অসাধ্যকে সাধন করে ফেলি। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বস্তুবাদী কবির দৃষ্টিতে ‘কল্পনার কবুতর’ কবিতায় প্রাঞ্জল ভাষায়, ছন্দে, অলংকারে বিষয়টি এসেছে। এখানে যদি আমরা দেখি স্বাধীনতা পূর্ববর্তী বাঙালি জাতির স্বপ্নের সোনার বাংলা স্বাধীন হলে সর্বত্র শান্তির কবুতর উড়বে- এমন কামনা-বাসনার বাস্তব প্রতিফলন স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও পাওয়া যায়নি। এখনো আমাদের কল্পনার ধবল কবুতর স্বপ্নেই উড়ে বেড়াচ্ছে। কবির আক্ষেপ- ‘হায়! আমাদের কল্পনার নোটন কবুতর রাইফেল টেলিস্কোপে তাকে তাক করা যায়নাকো আর।’ (কল্পনার কবুতর) আবার ‘চেতনা চড়ুই’ কবিতার আকৃতি ছোট হলেও বলবার বিষয় ছোট নয়। সমাজে কত ধরনের ঘটনা ঘটে। ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে সমাজে যে ধরনের ঘটনা ঘটে সচেতন মানুষ তা টের পেলেও অনেক সময় মুখ বুজে সহ্য করেন কিংবা দেখেও না দেখার ভান করেন। সঙ্গত কারণেই কবির কলমে রূপক এবং চিত্রকল্পে উঠে আসে- ‘সচেতনে অচেতন হয়ে থাকতে হচ্ছে আজকাল অহনা আসতে না আসতেই দিনের আলোর ঝিলিক দেখে ঘরের ঘুলঘুলি ছেড়ে উড়ে যায় চেতনা-চড়ুই।’ টিভির টকশোতে সুবিধাবাদী সুশীল কাকের বাকযুদ্ধ দেখে কবি সংক্ষুব্ধ হয়ে ব্যঙ্গ করতেও ছাড়েননি। ‘মনে হয় যেনো এইমাত্র গিলতে হলো খালিপেটে/ তেতো চিরতার রস মেশানো একুশের চেতনা।’ চেতনায় রক্তাক্ত ইতিহাস অথচ কাক্সিক্ষত দৃশ্যের পরিবর্তে দেখা যায়- ‘শকুন-কাক-চিলের উৎসব অব্যাহত ফাঁকি দিতে তাই বৃথাই ফুরুৎ-ফারুৎ স্বদেশেই নীড়হারা মনে হয় বাঙালির চেতনা-চড়ুই।’ কবিতা এখানে শেষ হলেও পাঠকের ভাবনার শেষ হয় না- মনে সৃষ্টি হয় আলোড়ন। বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় হচ্ছে- বাঙালি সংকর জাতি। এ জাতির ‘অস্তিত্বে মিশে আছে অষ্ট্রিক- ভেড্ডিড দাগ/ মজ্জাগত হয়ে আছে মঙ্গোলীয়-কিরাত স্বভাব।’ কিন্তু নানান স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় জাতির অভ্যন্তরে প্রবেশ করে চিরায়ত বাঙালিত্বের গৌরব ¤øান করে দিতে চাচ্ছে। তাই কবি বাঙালির অতীত স্মরণ করিয়ে দেন ‘একুশের পদাবলি’তে। বলেন- ‘বিভেদ বিভক্তি ভুলে আসেন এক সুরে ঐকতানে গাই অমর একুশের পদাবলি।’ হাজার বছরের পুরনো বাংলা তিল তিল করে অগ্রসর হলেও এই ভাষায় মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী ভুসুকুপাগণ আজও স্বাধীনভাবে কলম চালাতে পারেন না। মাঝেমাঝেই সহিংসতার ডামাডোল বাজে তখন শুভবোধসম্পন্ন মানুষ স্মরণ করিয়ে দেন- ‘চণ্ডীদাস আজও ডাকে- শুনহ মানুষ ভাই…’ পরক্ষণে আবারও শঙ্কা জাগে ‘আমরা কি মানুষ আছি?’। সমকালে তাকিয়ে কবি জানান, ‘আমাদের উপর অনেক আকাশ অপ্সরী বোঝাই/ভাত ছেড়ে চা-এ তাই রোজ চাপাতি চোবাই।’ চণ্ডীমঙ্গলের ভাড়ুদত্তরা আজ এতটাই বেপরোয়া যে শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের মনে আজ শান্তি নাই। মনে শঙ্কা, কেবলই শঙ্কা! তদুপরি এই শঙ্কা কাটিয়ে আমরা যখন আমাদের অতীত স্মরণ করি দেখি সুদূর অতীতে বাঙালির শৌর্যবীর্য হারিয়ে দিচ্ছে হানাদার বাহিনীদের, ছুড়ে ফেলে দিয়েছি চাপানো সংস্কৃতিকে। তাই আবারও আত্মবিশ্বাসে জেগে উঠে ‘বিজয়-রবি’ শেষ পংক্তিতে বলি, ‘এবার হারাব ওদের দোসরদের বজ্জাতিও।’ সমকালীন ঘটনাবলিও যে কবির কবিতায় উঠে এসেছে তার উল্লেখযোগ্য একটা কবিতা হচ্ছে ‘মানবিক হ মা’ কবিতাটি। ধর্মভিত্তিক রাজনীতির রোষানলে পড়ে রোহিঙ্গারা যে অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল তখন এদেশের মানুষ মানবতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ওই দৃষ্টিভঙ্গি বৃহৎ বাঙালির অন্তরে আবহমান ধরে বহমান। কিন্তু রাজনীতির কূটচালে কিংবা স্বার্থন্ধদের কুমতলবে সময়ে সময়ে কি হিন্দু, কি বৌদ্ধ, কি মুসলিম সকল দুর্বল সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়। স্বার্থান্বেষী মহল সুকৌশলে পারস্পরিক সহাবস্থানকে নষ্ট করার জন্য গুজব রটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তুলার চেষ্টা করে এবং তা করতে গিয়ে যেসব অমানবিক ঘটনা ঘটে তাতে রাজনৈতিক পাষাণ হৃদয় আসুরিক অট্টহাসিতে মেতে উঠলেও মানবিক হৃদয় কেঁদে উঠে। অবশেষে কবি সুখ-শান্তির আশায় সমতলে নেমে সকলের হাত মিলাতে আহ্বান জানান- ‘বিধাতার স্তবে দু’হাতই লাগে কেন তবে এ ভেদ-/ দুহাত মিলাই এসো, ওকাজে আছে শৌচ-যন্ত্র।’ এভাবেই সংবেদনশীল কবি পাখির মতো আকাশ থেকে অবলোকনের অভিজ্ঞতায় জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়বস্তু নিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন তাঁর ‘চেতনা-চড়ুই’। আকর্ষণীয় প্রচ্ছদ, মানসম্মত বাঁধাই-মুদ্রণ কাব্যগ্রন্থটিকে যেমন আকর্ষণীয় দেখাচ্ছে তেমনি কবির ভাষাশৈলী ও কবিতার বিষয়-বৈচিত্র্যেও পাঠক পরিতৃপ্তি পাবেন। চেতনা-চড়ুই শ্যামল কান্তি দত্ত প্রকাশক : খড়িমাটি প্রচ্ছদ : মনিরুল মনির মূল্য : ১৫০ টাকা, পৃষ্ঠা: ৬৪"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"চেতনা-চড়ুই" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: