১ম প্রকাশ, ২০২১
চাঁদের উল্টোপিঠ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | চাঁদের উল্টোপিঠ |
| Author | তৃধা আনিকা |
| Publisher | ছাপাখানা প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 176 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.36 Kg |
| ISBN | 9789843508072 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
17 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
Humaira Afia Tisha , Jan 10, 2022
"সুন্দর সময় কাটানোর মতো একটা বই🥰 এক কথায় বলতে গেলে "A sweet love story""
Md jihadul islam , Sep 9, 2021
"বইটা পড়ে আপনার কতখানি লাভ হবে সেটা আমি জানিনা তবে, এতটুকু বলতে পারি এই বইটি পড়ে বৈবাহিক সম্পর্কের কতটুকু মূল্য তা আপনি বুঝতে পারবেন। আর বইটা যতক্ষণ ধরে পড়বেন ততক্ষণ আপনার স্পন্দন বাড়তে থাকবে।"
Novera Ahmed , Aug 24, 2021
"চাঁদের উল্টোপিঠ যেদিন হাতে পাই, সেদিন জ্বরে মোটামুটি কাবু। তবুও জেদ ছিল বইটা পড়বার। তাই পড়ে ফেললাম। কিন্তু শেষ করে মনে হলো, এটা আবারো পড়া উচিত। যদিও আপুর প্রতিটা বই বেশ কয়েকবার করে পড়া হয়, কিন্তু এবার সিদ্ধান্ত নিলাম সবার বই পাবার ঝড় একটু কমে আসলেই এ বই দিয়েই আবার পড়া শুরু করব। অবশেষে আবারো পড়ে শেষ করলাম। এবং পড়ে তৃপ্ত হলাম। সবসময় শুনে/দেখে এসেছি, কাউকে মনেপ্রাণে চাইলে একবার অন্তত তাকে জানানো উচিত। তাহলে মনে অন্তত আফসোস থাকে না যে এই ভেবে যে একবার অন্তত চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এ বইটি আমার চিন্তার সমীকরণটা সম্পূর্ণ পাল্টে দিলো। সাথে এটাও বুঝালো যে সব অনুভূতির কথা জানাতে হবে এমন কোনো কথা নেই। বরং নিজের একান্ত অনুভূতিকে একপাশে রেখে বাকি সবার সাথে সুন্দরভাবে জীবন কাটানোটাকেও ভালোবাসা বলে। আর ইকবালের কথা কি বলব। বলে না নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কখনো বৃথা যায় না, ঠিক তেমনি ইকবাল তার আশেপাশের লোকজনদের যে ভালোবাসা দিয়েছে, তা বরাবরই দ্বিগুণ করে ফিরে পেয়েছে। সে নিপাট ভালোমানুষ দেখেই তার জীবনটাও সুন্দরভাবে গুছিয়ে নিতে পেরেছে। গল্পের মেইন লিড বাদে অন্যান্য চরিত্রগুলোও তাদের ছাপ ফেলে গেছে দারুণভাবে। সায়েম, জিহান সাহেব, রেণুকা ফুফু, আফাসারা ম্যাম, ইশানা, শাহীন, তপা, আয়েশা, ড্রাইভার মোসাদ্দেক সবাই তাদের নিজ চরিত্র খুব সুন্দর ফুটিয়ে তুলেছে। এছাড়াও অনিমিতার ছোট্ট উপস্থিতিটাও বেশ মিষ্টি। এত সুন্দর একটা উপন্যাসে কিন্তু কিছু নেগেটিভ এবং কুটিল চরিত্রও ছিল যাদের কথা এখানে উল্লেখ করছি না। এ উপন্যাস নিয়ে নিজের মতবাদ যদি দিতে যাই তাহলে একটা কথা অবশ্যই বলবো এটা খুবই গুছানো এবং সুন্দর বাক্যচয়নের একটি উপন্যাস। আপুর যে লেখাই পড়ি আমার মনে হয় এটাই খুব ভালো। কিন্তু প্রতিবার একেকটা নতুন বই সেই ব্যারিয়ারটাকে ভেঙ্গে দেয়। একটা মানুষ যে প্রতিটা স্টেপে নিজের লিমিটটাকে আরো বড় করে আপু হলো তার উদাহরণ। এ কারণেই আপুর প্রতি আমার ব্যক্তিগত ভালোলাগাটা সম্পূর্ণ আলাদা। যে স্থানে আর কেউ কখনো জায়গা নিতে পারবে না। ভালোবাসি আপু। আমি খুব লোভী পাঠক। তাই অনেক অনেক লিখা পড়তে চাই তোমার। ©️নভেরা আহমেদ"
Sarina Rahman , Aug 4, 2021
"ঠিক কতদিন পর এরকম একটা গল্প পড়লাম সেটা ভাষা দিয়ে প্রকাশ করতে পারবো না। কত সুন্দর! কত সুন্দর!"
Sakib , Jul 17, 2021
"#চাঁদের_উল্টোপিঠ #রিভিউ ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ চাঁদের উল্টোপিঠ •লেখকঃ তৃধা আনিকা •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ খালেদ সাইফুদ্দিন •মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৬০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৭৬ •প্রকাশকালঃ জুলাই ২০২১ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ আমি জীবনে যতগুলো পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখেছি, যতগুলো পাঠ প্রতিক্রিয়ার ভূমিকা লিখতে বসেছি । আমার সারাটা সময়ে মনে হয় লেখক তৃধা আনিকা আপুর পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে বসলেই আমি আনন্দ করতে থাকবো । আমি হয়তোবা তার বইয়ের জন্য একনাগাড়ে শুধু অপেক্ষা করে থাকি কখন তার বইটার পড়া শেষ করে অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছোট ছোট অনুভূতি নিয়ে বসে থাকবো পাঠ প্রতিক্রিয়া লেখার আগ মুহূর্তে । এই যে পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে বসেছি, এখন মনে হচ্ছে উপন্যাস পড়া শেষ হয়ে গেল । লিখা শেষ হয়ে গেলে তো পাঠ প্রতিক্রিয়াও শেষ হয়ে যাবে তারপরে আমি আবার প্রিয় পাঠ প্রতিক্রিয়ার বিশেষ প্রকারের পাঠ প্রতিক্রিয়া কবে আবার শুরু করবো । তাই এই পাঠ প্রতিক্রিয়া হলো আমার কাছে বর্তমানে ঘটমান আপাতত পাঠ প্রতিক্রিয়া যেটার জন্য আমি অপেক্ষা করছি । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ আমি আজকে সারাটা দিন অপেক্ষা করে ছিলাম রাতে চাঁদের উল্টোপিঠ পড়বো । কেনো জানি মনে হয় আমার পড়তে হতোই । তৃধা আপুর উপন্যাস পড়ে পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখে একটু ফুটাতে গেলেও আমার রাতেই পড়তে হতো । যাহোক চাঁদের উল্টোপিঠ । পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৭৬ । ঠিক রাত ১টায় বইটা পড়া শুরু করেছিলাম আমি । শেষ করেছি ঠিক ভোর ৪টা ২৮ মিনিটে । এই যে লিখছি, পাশেই মসজিদে আজান হচ্ছে । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ আমার মনে হয় সবথেকে কঠিন একটা বিভাগ আজকের পাঠ প্রতিক্রিয়া এর । কারণ চরিত্রগুলোর মধ্যেই যে একটু হালকা টুইস্ট আছে । কেনো জানি না, মনে হচ্ছে এই যে যদি আমি একটু আমি লিখতে শুরু করি স্পয়লার হয়ে যাবে । তাও যাদের দেয়া যায় তাদের দিবো একটু । •লিয়ানাঃ লিয়ানা এমন একজন চরিত্র যার প্রথম বর্ণনা শুনেই যে কেউ তার ভক্ত হয়ে যাবে । বাবাকে ভালোবাসে । নিজের একটা স্বপ্ন আছে । স্বপ্নটাকে সত্যি করবার জন্য খুবই তৎপর । প্রচণ্ড ভালোবাসতে পারে । •ইকবালঃ কিছু কিছু মানুষ থাকে না! যাদের মনে হয় প্রথম নজরেই যেন একটা নীরব, নিরবচ্ছিন্ন গাছ দাঁড়িয়ে আছে । তার কাউকে কিছু বলার নেই । ইকবাল ঠিক সেরকমই একজন । কর্ম জ্ঞানসম্পন্ন একজন মানুষ । যিনি তার দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কে জানেন । •রেনুকাঃ আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এরকম কিছু কিছু চরিত্র পৃথিবীতেও থাকে বলেই পৃথিবীটা এখনও এত সুন্দর! এখনও এত অনুভূতি নিয়ে বেঁচে আছে । নিজেকে নিয়ে গড়া প্রতিটি বস্তু যখন উৎসর্গ করে দেয় কারো জন্য, এই মানুষটিকে আসলে দেখলেই মাথা নুইয়ে দিতে ইচ্ছে করে । বলতে ইচ্ছে করে, আপনি খুবই ভালোবাসার মানুষ একজন । •শাহীনঃ মারাত্মক আনন্দময় একটা চরিত্র । জীবনে পরপর দুইবার খুবই কষ্টের মুহূর্ত এসেছে । তাও ফুটিয়ে বলতে পারেনি । এই যে তার কষ্টটা পাওয়ার পরেও সবাইকে হাসিমুখে দেখাতে হচ্ছে এটাই তো তাকে প্রশংসা বাড়িয়ে দিলো । বন্ধুকে ভালোবাসে । বন্ধুর জন্য সব করতে পারে, সব । •আফসারা, ইশানাঃ পৃথিবীটা কি অদ্ভুত তাই না! যে সম্পর্কের রসায়নে এই চরিত্র দুইটি আমার পাঠক মনের কল্পনায় চলে এসেছিল । তাতে এদের যা মনে হয়েছিল এরা আদতেও সেরকম ছিল না । কিরকম ছিল সেটা বলবো না কারণ মনে হচ্ছে বললেই কিছু কিছু স্পয়লার হয়ে যেতে পারে । পরিশেষে, •সায়েমঃ একটা মানুষ । যিনি একটা নির্দিষ্ট সম্পর্কের একটা নাম পাওয়ার পরে সেই সম্পর্কটাকে বিশ্বাস করে যে সুন্দর ভাবে অপেক্ষা করেছেন । ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত থেকে কেঁদে উঠেছেন এই মানুষটার জন্য তাই ভালোবাসার কামনা করাই মূখ্য । ♦প্রিয় চরিত্রঃ খুবই অদ্ভুত সমস্যা । আসলে অদ্ভুত নয় অন্যরকম সমস্যা । এই যে আমি লিখতে লিখতে লিখছি তাও ভেবে চলেছি চরিত্র বিশ্লেষণ কিভাবে করবো । পুরো উপন্যাসে আমার বেশ কয়েকটা চরিত্র ভালো লেগে গিয়েছে । তাই এই বিভাগটা আপাতত আমার মনেই থাকুক । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √আমার এতদিনকার পাঠ প্রতিক্রিয়া এর মতো লেখকের প্রথম কোন গল্প পড়েছিলাম, কোন উপন্যাস পড়েছিলাম সেটা নিয়ে আগের মতো বিস্তারিত বলবো না । কেনো জানি মনে হচ্ছে, বিস্তারিত লিখতে গেলেই চাঁদের উল্টোপিঠ সাজিয়ে লিখতে আমার কষ্ট হবে । তাও বলি, ফেসবুক গল্প অলীন্দ্রিয়া দিয়ে শুরু লেখকের সাথে আমার ফেসবুক পাঠক জীবন । এবং বই হিসেবে শুরু ওই চাঁদ তোমার আমার থেকে । ভালো লাগার উপন্যাস হিসেবে লেখা ভালো লেগেছে বেশি প্রণয়নামচা থেকে । √এবার আসি চাঁদের উল্টোপিঠ এর পাঠ প্রতিক্রিয়া এর ব্যাপারে, তবে আগেই বলবো, কোনো একটা চরিত্রের যদি উপন্যাসে চিঠি লিখতে হয় আরেকটা চরিত্রকে আমি সেখানে সেই অবস্থাতেই প্রতিটা সময়ে স্তব্ধ হয়ে যাই । আমি পরপর দুইবার পড়ে ফেলি চিঠিটা । মনে হয়, এই যে চিঠিতে এত অনুভূতিময় সম্পর্কের রসায়ন সুন্দর করে নিংড়ে দিয়ে একেবারে মনে গিয়ে লেগেছে এটা আমি পাঠ প্রতিক্রিয়াতে বুঝিয়ে লিখতে পারবো তো! জানি নাও হতে পারে তাও এই বিষয়টাই খুব করে ভালো লেগেছে । √দ্বিতীয় যে ব্যাপারটা বলবো, সেটা হলো লেখক বাবা মেয়ের সম্পর্কের রসায়ন এত সুন্দর করে দেখান আমি জানি না কেনো আমার ভালো লেগে উঠে খুব । আমার কুন্দনিকার বাবা মেয়ের সম্পর্কের রসায়নটা দেখার সময়েও একটু করে কাঁদতে ইচ্ছে করছিল । কিন্তু কেনো জানি না আমি কাঁদতে পারি না । বাবা মেয়ে! এই সম্পর্কটা মাঝে মাঝে আমার কাছে খুবই প্রগাঢ় মনে হয় । আমার বাবার কোনো মেয়ে নেই, অর্থাৎ আমার কোনো বোন নেই । কিন্তু যখনই আব্বু ভাবীকে ফোনে আম্মু বলে টান দেয়, এরকমই মনে হয় যে সম্পর্কগুলো বড় অদ্ভুত, বড্ড প্রশান্তির । তাই লেখকের চাঁদের উল্টোপিঠ এও বাবা মেয়ের যে বিষয়টা দেখানো হয়েছে এত ভালো লেগেছে তা আসলে বলতে পারছি না । যখনই লিয়ার বাবা, লিয়াকে মাগো বলে ডেকেছিল আমার মনে হয়েছিল এই মুহূর্তে এত সুন্দর মুহূর্ত আর পৃথিবীতে নেই । √কুন্দনিকা, মাহবুবের নিতু পরপর দুইটা অন্যরকম উপন্যাস লেখার পরে লেখক হিসেবে তৃধা আনিকা আপুর একটু দরকার ছিল পুরো অন্যরকম একটা প্লট দেখানোর । সেই কাজটি এত সুন্দর করে করেছেন যে আমার মনে হয়েছে এটাই যেন যথার্থ । পুরো প্লটটাই যেন এরকম দরকার ছিল । অন্তত লেখকের পাঠ প্রতিক্রিয়া হিসেবে কুন্দনিকা আমার শেষ হিসেবে দেওয়ার পরে পুরো চিত্রপটটাই পরিবর্তন করে অন্যরকম এই প্লটটা আনানোর জন্য আপুকে খুবই ধন্যবাদ । √জীবনধারা এবং টুইস্টের ব্যাপারে যা বলবো তা হলো, সর্বপ্রথম যে টুইস্টটা দেয়া হলো তা ঘটার দুয়েক পৃষ্ঠা আগে আন্দাজ করতে পারলেও আমার কেনো জানি না মনে হচ্ছিল টুইস্টটা না ঘটুক । এরকম অদ্ভুত টুইস্ট ঘটার জন্য শেষটার প্লটটা আরো অদ্ভুত ভাবে শুরু করে শেষ করতে হয় । যা খুবই সুন্দর করে করেছেন । পরিশিষ্ট কিংবা তার আগের প্যারাটা খুবই প্রিয় কিছু মুহূর্ত দিয়ে রেখেছে আমার কাছে । √চরিত্র নিয়েই যখন টুইস্ট এবং স্পয়লারের ভয়টা দেখানো হয়, তখন তার জন্য চরিত্রগুলোকে আরো বিশদে দেখাতে হয়, দুজনের একটু হলেও পার্থক্য বোঝাতে হয় যেটা লেখক হিসেবে আপু খুবই অসাধারণ ভাবে করেছেন । √আমার একটা ছোট্ট অ্যালবাম আছে প্রোফাইলে, প্রিয় উপন্যাসাংশ নামে । এটা বলার একটাই কারণে । যদি কখনো অনেকদিন হয়ে যায়, অনেকদিন কেটে যায়, তখন মাঝে মাঝে মনে পড়ে অ্যালবামে তো বেশ অনেকদিন তৃধা আনিকা আপুর উপন্যাস এর কোনো অংশ লিখলাম না । এইটা বলার একটাই কারণ সেটা হলো, তৃধা আপুর উপন্যাসের কিছু কিছু অংশ এত প্রিয় থাকে মনে হয়, এই যে এই অংশটা উপন্যাসে দিলো এটা বোধহয় উপন্যাসকে আরো আকর্ষণীয় করে ফেললো । √সংক্ষিপ্তভাবে যদি বলতে চাই তাহলে মনে হচ্ছে চাঁদের উল্টোপিঠ অবশ্যই অসাধারণ একটা উপন্যাস । পুরো অন্যরকম একটা প্লটের ওপরে লিখেছেন । যাদের মনে হবে নাম কেনো চাঁদের উল্টোপিঠ, তাদের বুঝতে সমস্যা হবে না যে চরিত্রগুলো নিয়ে একটা বিষয় আছে যা হয়তো বলতে পারছি না । হয়তো লিখতেও পারছি না । তারপরও মনে হয়, লেখকের উচিত অন্তত বছরে একটা পৃষ্ঠাসমৃদ্ধ বড়সড় বই আনা । যেটা পড়লেই মনে হবে এই যে পড়লাম, শরীর মন জুড়িয়ে গেলো । √বইয়ের প্রোডাকশন বলতে গেলে এবার ছাপাখানা খুবই অসাধারণ কাজ করেছে । টাইপিং মিস্টেক বলতে গেলে তেমন একটা চোখেই পড়েনি । এবং যা অবশ্যই রাতে এত তাড়াতাড়ি বইটা শেষ করতে খুবই সাহায্য করেছে । √এবং সবথেকে যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো প্রচ্ছদটা । ছাপাখানা বোধহয় তাদের অন্যতম একটা সেরা প্রচ্ছদটা ইতিমধ্যে দেখিয়ে ফেলেছে । আমার মনে হয়েছে এই প্রচ্ছদটা এত সুন্দর যে দিন-রাতের প্রতিটি ক্ষণে এর সৌন্দর্য মুগ্ধ করবেই । √এত সুন্দর একটা উপন্যাস, বিশেষ করে তৃধা আনিকা আপুর উপন্যাস গিফট দেয়ার জন্য গিফটদাতাকে জানাই খুবই ভালোবাসা । ♦উপসংহারঃ এই যে লিখতে লিখতে পাঠ প্রতিক্রিয়া এর উপসংহারে চলে এলাম, সময় ভোর ৫টা ১৭ মিনিট । তাও আমার মনে হয় প্রতিটা বার, প্রতিটি মুহূর্ত যে আমি হয়তো আমার মন থেকে পুরোটা দিতে পারছি না । অনেকখানিই থেকে যাচ্ছে । এই মুহূর্তটা আমার প্রতিটা বার তৃধা আপুর পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখে শেষ করে বের হয়ে যাওয়ার শেষ মুহূর্তটাতেই হয় । মনে হয় আমি যে লিখলাম হয়তো সুন্দর হয়নি, হয়তো কেমন জানি না কিন্তু লিখতে বসে যে আঙ্গুল নাড়াচাড়া করে লিখে ফেললাম এটাই তো বিশেষ হয়ে রইলো । এই ভালোবাসার বিশেষটাই বা কতজনে পায়!"
Sidna Chowdhury , Jul 12, 2021
"মন ভালো করা গল্প। যে গল্পের প্রতি পাতায় পাতায় টুইস্টে ভরপুর। এই বইয়ের এন্ডিং আমার সবচেয়ে পছন্দের এন্ডিং। অনেকদিন মনে থাকবে। লেখকের জন্য ভালোবাসা ও শুভকামনা ♥"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"চাঁদের উল্টোপিঠ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: