১ম প্রকাশ, ২০২২
ব্রেবোর্ন রোড
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ব্রেবোর্ন রোড |
| Author | দীপু মাহমুদ |
| Publisher | পার্ল পাবলিকেশন্স |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 179 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.39 Kg |
| ISBN | 9789849642039 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
3 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Dipu Mahmud , Mar 1, 2022
"আধুনিক মনস্কের অসাধারণ গল্প"
alvi ahmed , Feb 25, 2022
"বই নিয়ে আলোচনা করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কেউ না আমি। যে বই পড়ে ভালো লাগে, মাঝে মাঝে সে বইয়ের কথা লিখি। এই লেখাকে কোনোভাবেই 'বুক রিভিউ' ক্যাটাগরিতে ফেলা যাবে না। ব্যক্তিগত অনুভূতি বলা যেতে পারে। 'ব্রেবোর্ন রোড' বইয়ে ফ্ল্যাপের শুরুতেই লেখা আছে, প্রাপ্তমনস্কদের জন্য লেখা বই। প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্তমনস্ক শব্দ দুটোর পার্থক্য আমি বুঝি। বয়স ১৮ হলেই যে কেউ প্রাপ্তমনস্ক হয়ে যাবে, তা নয়। প্রাপ্তমনস্ক ব্যক্তি কনজারভেটিভ নন, প্রগ্রেসিভ। বয়স ১৮ হতে হবে, জরুরি নয়। ১০-ও হতে পারে। সকল যুক্তি মেনেও বইয়ের ফ্ল্যাপের এ লেখাটা মনে হলো অপ্রয়োজনীয়। এবং খানিকটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বইয়ের কাটতি বাড়াবার জন্য লেখা। কিছু অপ্রাপ্তবয়স্ক পাঠক 'প্রাপ্তমনস্ক' শব্দটার অর্থ না বুঝে যেন চুম্বকের টানে ছুটে আসে, সেজন্য এই সতর্কবাণী। লেখক দীপু মাহমুদকে মেসেঞ্জারে জিজ্ঞেস করলাম, ভাই, 'প্রাপ্তমনস্কদের জন্য' আলাদা করে কেন লিখলেন? তার উত্তরটা আমি সরাসরি কোট করলাম এখানে, "আমি আমার লেখালেখির জীবনে বিগত সময়ে দেখেছি যখন বড়োদের জন্য উপন্যাস বা গল্প লিখি তা কিশোর বয়সী পাঠক পড়ছে। আবার কিশোরদের জন্য আমার লেখা বই পড়ে শিশুরা। কীভাবে, কবে, কারা যেন আমাকে শিশুসাহিত্যিক ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছে। সেভাবেই ব্র্যান্ডিং করেছে। আমার আশংকা, এই বইও শিশু কিশোররা পড়ে ফেলতে পারে। এবার তাই ফ্ল্যাপে লিখে দিয়েছি, এটা এডাল্ট ফিকশন। শিশু বা কিশোরদের জন্য নয়। অন্তত বাবা, মা বা শিশু-কিশোরের গার্জিয়ান যেন এটা খেয়াল করেন।" তার উত্তর শুনে নিশ্চিত হলাম, লেখকের উদ্দেশ্য সৎ। এবং আমার ধারণা ভুল। বিশ্ব সাহিত্যের বাস্তবতা দিন দিন বদলে যাচ্ছে। আধুনিক লেখক, যারা এখন পৃথিবী শাসন করছেন, তারা ইচ্ছে করেই পুরনো ক্ল্যাসিক ফ্লেভার থেকে বাইরে বেরিয়ে আসছেন। আগে একটা বইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল আরেকটা বই। লোকে তলস্তয়ের লেখা পছন্দ না করলে দস্তইয়েফস্কির লেখা পড়ত। বা তার পছন্দের অন্য যে কোনো লেখকের বই। তখন মানুষের বিনোদনের উপকরণ ছিল কম। কোনো বই-ই পছন্দ না হলে থিয়েটারে গিয়ে একটা নাটক দেখে আসত, বা মুভি। এখন তা নয়। বইকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হচ্ছে সেলফোনের সাথে। চারপাশের অনেক মানুষ আছে, যারা ১০ বছর আগেও বই পড়ত। এখন শুধু সেলফোন স্ক্রল করে। এত কথা বললাম কারণ, চলমান বাস্তবতার সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্ব সাহিত্যের ধারায় যে পরিবর্তনটা এসেছে সেটার সাথে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা আমাদের এখানে নেই। আমি কেউ না বিচার করার, তবে সেই সেই অর্থে ক্লাসিক বলতে এখনো আমরা বুঝি নদী, জল, মাটি, দেশভাগ, পূর্ব বাংলা, পশ্চিম বাংলা ইত্যাদি। অথচ মানিক বন্দোপাধ্যায় 'চতুষ্কোণ' লিখে গেছেন সেই কবে। বিশ্বে এখন যারা লিখছেন, তাদের ভাবনা আলাদা। মনোজগৎটাও আলাদা। কারণ তারা জানেন, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী এখন আর একজন লেখক কেবল নন। ইউটিউবার বা ফুড ব্লগারের সাথেও তাকে যুদ্ধ করে টিকতে হবে। এ বছর বুকার নমিনেশন পাওয়া বইয়ের পৃষ্ঠাগুলোই না হয় একটু ওল্টানো যাক। দেখবেন, ক্লাসিক বইয়ের সেই পুরনো ধ্যান ধারণা আর নেই। তার মানে কি একশ দেড়শ বছর আগের ক্লাসিক সব বই খারিজ করে দেব আমরা? না। সে প্রশ্নই ওঠে না। সেই বইগুলো থেকে বোধটুকু নেব। সেটুকু সার্বজনীন। কিন্তু সেই বোধ অ্যাডাপ্ট করতে হবে আধুনিক বাস্তবতায়। রোমান্টিসিজম একটা চমৎকার জিনিস। তবে কয়েক যুগ আগের 'ফুলে ফুলে টোকা লেগে বাচ্চা হওয়া' জামানায় এটাকে আটকে রেখে লাভ নেই। আর ঠিক এই জায়গাটাতেই "ব্রেবোর্ন রোড" আলাদা। যৌনতা এখানে এসেছে নিয়তির মতো। এড়ানোর উপায় নেই। যাই হোক, মোট ১০ টা গল্প আছে বইয়ে। গল্পগুলো এমন নয় যে সাইজে ছোটখাট। উপন্যাসের সম্ভাবনা জাগানো গল্প। শিরোনাম গল্প 'ব্রেবোর্ন রোড' কেন উপন্যাস করা হলো না, এ নিয়ে ভাবলাম কয়েকবার। পরে মনে হলো, না ঠিক আছে। এভাবেই অতৃপ্তি নিয়ে শেষ করতে ভালো লাগছে। যে কোনো বিচারে এটা বইয়ের সেরা গল্প। বইয়ের ক্লিভ ক্রিস্টিয়ান গল্পটার কথা আলাদা করে বলতে হবে। অসাধারণ। তিনটা মাত্র চরিত্র পুরো গল্পে। তবে এ গল্পটা আরো ইনটেন্স হতে পারত। দুটো কারণে বলছি। প্রথমত, এটা উত্তম পুরুষে লেখা। ফার্স্ট পারসন ন্যারেটিভে লেখা গল্প সরাসরি ইনভলভ করে ফেলে পাঠককে। তাছাড়া এ গল্পে ক্যারেকটার খুব কম। দুটো বা তিনটা ক্যারেকটারের গল্প, তাও আবার ফার্স্ট পারসন ন্যারেটিভে লেখা—তো আমার এক্সপেকটেশন ছিল আরও ইনটেনস হবে। এক্ষেত্রে সমস্যা হয়েছে একটা। গল্পে একটা মেয়ে এসে ওঠে প্রটাগনিস্টের বাসায়। তার ক্যারেকটার এতই ইন্টারেস্টিং যে বাকি চরিত্রগুলো তার সাথে তাল মিলিয়ে পেরে ওঠেনি। সবগুলো গল্পের কথা আলাদা আলাদাভাবে বলা যাবে না। বলতে শুরু করলে আমি থামতে পারি না। বলতে থাকি, বলতেই থাকি . . . স্পয়লার দিয়ে দেব তখন। তাই এ যাত্রা থেমে যাচ্ছি। শেষ একটা গল্পের কথা বলি। গল্পের নাম, অদেখা নোঙর। আট জন নারীর গল্প, যাদের বয়স ৪২ থেকে ৪৮-এর মধ্যে। এই গল্পটার ন্যারেটিভ যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। একজনের মুখ থেকে কেড়ে নিয়ে আরেকজন গল্প বলে। শেষে সূত্রধরের বয়ানে বাকি গল্পটা বলা হয়। এ ধরনের ন্যারেটিভে আমি নিজে একটা গল্প লেখার কথা ভাবছিলাম অনেক দিন ধরে। আমার আগেই দীপু মাহমুদ লিখে ফেললেন। নায়িকা মেহজাবীন হলে বলত, এত্তগুলা হিংসা।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ব্রেবোর্ন রোড" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: