হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
বিড়ালাক্ষী - মনোয়ারুল ইসলাম এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ. ২০২০

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বিড়ালাক্ষী

37 Ratings | 20 Reviews
TK. 259 TK. 290 -11% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

"বিড়ালাক্ষী" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা: দুইশত বছরের পুরোনো কাঠের পুতুল! বুকের দিকে খোদাই করে লেখা ১২১৭- বঙ্গাব্দ। পুতুলের ডান পা’টা ভাঙ্গা... "বিড়ালাক্ষী" বইয়ের সংক...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

"বিড়ালাক্ষী" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা: দুইশত বছরের পুরোনো কাঠের পুতুল! বুকের দিকে খোদাই করে লেখা ১২১৭- বঙ্গাব্দ। পুতুলের ডান পা’টা ভাঙ্গা... "বিড়ালাক্ষী" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা: দুইশত
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title বিড়ালাক্ষী
Author মনোয়ারুল ইসলাম
Publisher নালন্দা
Edition ১ম প্রকাশ. ২০২০
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 152
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.32 Kg
ISBN 9789849382928
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.24

37 Ratings and 20 Reviews

★★★★★
19
★★★★☆
13
★★★☆☆
2
★★☆☆☆
1
★☆☆☆☆
2

পাঠকদের মন্তব্য

২০টি
Hadia Hossain

Hadia Hossain , May 13, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"Ga shiore othar moto chilo"

Hossain Arman

Hossain Arman , Dec 16, 2023

★ ★ ★ ★ ★

"মনোয়ার ভাই মানে সেরা অতিপ্রাকৃত জনরা। বই এ বানান ভুলের সমস্যাটা বেশি। তয় সব মিলায়া ৫ এ ৪.৮ রেটিং দিলাম"

শুভ হাওলাদার

শুভ হাওলাদার , Sep 9, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"good"

Sabila Alauddin Akhi

Sabila Alauddin Akhi , May 1, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"গভীর রাতের ফোনকল। সময়টা এলোমেলো। ভুতুড়ে কল। সবকিছু মিলিয়ে ক্লান্ত মশাই পড়েছেন আশঙ্কায়। আশঙ্কা তীব্র হলো যখন তৃষ্ণার্ত হৃদয় নোনতা পানির স্বাদ গ্রহণ করছে। পানির স্বাদ তো এমন হবার কথা নয়⁉ আজকাল রাত্রি মশাই বলেই ডাকে, অথচ এই ডাক ছিলো স্মিতার। একদল বুন্য কুকুর রাত্রির দেহটাকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। পরক্ষণেই মনে হলো এটা এক দুঃস্বপ্ন। কিন্তু এই স্বপ্ন কি কোন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। শুধু স্বপ্নই নয়, অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটে যাচ্ছে মশাইয়ের সাথে। বাল্যবন্ধু জহুর যাকে কবর দেয়া হয়েছে, সে কি করে কথা বলবে। নূরা পাগলা যা বলে তাই হয় এরকমটা অনেকের ধারণা। অনেক সময় এসব ভেবেই গায়ের লোমগুলো দাঁড়িয়ে যায় মশাইয়ের। এগুলো কি শুধুই হ্যালুসিনেশন⁉ নীলসাগর স্কুলে চাকরি হয় মশাইয়ের। চাকরির সুবাদে তাকে আগেই যেতে হয় হেডমাস্টারের বাসায়। পথের মধ্যে ট্রেনে দেখা মিলে ময়নার। কে এই ময়না⁉ যার জন্য ছলিমের মন পুড়ে যায়। মশাই হেডমাস্টারের বাসায় থাকবে এতসব জানে কি করে রুক্সিনী⁉ বকুলফুলের নানা ঘটনার জট খুললেও। এখানে এসে মশাই নানা-রকম ঝামেলায় পড়ে। যেখানে স্মিতা তাকে খুব একটা সাহায্য করতে পারেনা, কিন্তু কেন⁉ নীলসাগর যাওয়ার পর হঠাৎ জোড়া খুন। সেই খুনের রহস্য ছাড়িয়ে সবগুলো থানাকে জানিয়ে ছিলো মশাই। কিন্তু মশাই নিজেই আসামী হয়ে থানায় আসে।ইলিয়াসের সাথে অনেক আগে থেকেই মশাইয়ের পরিবারের পরিচয়। ইলিয়াস তাদের বিয়ের দাওয়াত দিতে যায়। এই ইলিয়াসই মশাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যে সাক্ষী দেয়। কেন তার বিরুদ্ধে মিথ্যে সাক্ষী দিয়েছিলো ইলিয়াস⁉ থানায় দেখা হয় রুক্সিনীর মানুষের সাথে। স্মিতা মহলকে যে নতুন করে সাজিয়েছে তার সাথে রুক্সিনীর কি সম্পর্ক⁉ শেষ পর্যন্ত মশাইয়ের কি কোন মামলা-মোকদ্দমা হয়েছিলো নাকি রুক্সিনী ধরা পড়েছিলো⁉ এসবকয়টার উত্তর পেতে পড়তে হবে বিড়ালাক্ষী।"

তৃষা

তৃষা , Apr 22, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বকুল ফুলের চেয়ে এই বইটা একটু স্লো লেগেছে। তবে সুর কাটেনি একটুও। মশাই গুড জব। রেটিং ৪.৫০/৫"

Rahman

Rahman , Apr 9, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বকুল ফুল পড়ার পর থেকে অপেক্ষায় ছিলাম স্মিতার কি হয় জানার জন্য। কিন্তু খুব একটা জানা গেলো না। অপেক্ষা এখন বাঁশির। বাঁশি আজকেই শুরু করব।"

kabir Hossain

kabir Hossain , Apr 7, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বকুল ফুলের মতো জমে নাই। ট্রুলি ৪.৫ পাবে।"

Rezoana Sharmin Asha

Rezoana Sharmin Asha , Apr 7, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বইটি ভালোলেগেছে"

Nafisa Nawal

Nafisa Nawal , Apr 5, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"বকুল ফুল পড়ার পর অনেক আশা করে বিড়ালাক্ষী কেনা। কিন্তু বকুল ফুলের সেই আমেজটা বিড়ালাক্ষী তে এসে কোথায় যেন কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে।"

Anika Tabassum

Anika Tabassum , Mar 12, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"২০০ বছরের পুরোনো এক কুচকুচে কালো মাটির পুতুল,বিড়ালের অবয়বে গড়া সেই পুতুল স্বাভাবিক নয়।কারণ এই পুতুলকে ঘিরেই রয়েছে কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণা সুন্দরীর বাড়ি "স্মিতামহল" এর এক কালো ইতিহাস। "বিড়ালাক্ষী" বইটিতে এক পারিবারিক কোন্দলের প্রাচীন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে যার অভিশাপ ২০০ বছর পরেও কৃষ্ণনগর - হিরণমুখী বয়ে চলেছে। রুক্সিনী চৌধুরীর অবৈধ -নৃশংস ব্যাবসা, জমিদারিত্ব পাওয়ার জন্য প্রবল আক্রোশ,গ্রামের একের পর এক মৃত্যুর খেলা,গল্পকথকের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে পরা, গল্পের প্রতিটা অংশও ছিল অসাধারণ। ভয়ানক দৃশ্যগুলোর বর্ণণা, রুক্সিনীসহ গল্পের অন্য সব চরিত্রগুলোর বর্ণণা এবং লেখাবিন্যাস সব মিলিয়ে বইটা ছিল সম্পূর্ণতা, কোথাও কম বা বেশি মনে হয়নি। প্রাচীন জমিদারিত্বর পটভূমিকায় উপস্থাপিত এই থ্রিলার বইটি পাঠকের মন জয় করে নিতে সক্ষম। তবে আমার বেচারা কথকের জন্য খারাপ লেগেছে,অবশেষে ভালোবাসার মানুষ রাত্রিকে পেয়েও বেচারার আর পাওয়া হলো না।"

Nasrin Anindita

Nasrin Anindita , Feb 28, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"যারপরনাই হতাশ। কাহিনী প্যাঁচ খাইয়ে শেষ পৃষ্ঠায় একটা ক্লিফ হ্যাঙ্গার দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কোনোভাবেই বকুল ফুলের যোগত সিকুয়েল হয়নি।"

Parvez Alam

Parvez Alam , Oct 21, 2020

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"তেমন ভালো লাগেনাই"

Reduana Tabassum Bonhy

Reduana Tabassum Bonhy , Apr 25, 2020

★ ★ ★ ★ ★

""বকুলফুল"-কে মনে আছে তো?সেই যে কৃষ্ণনগরের কৃষ্ণসুন্দরী স্মিতার নামে "স্মিতামহল"।গ্রামবাসীর আক্রোশে পুড়িয়ে দেয়া সেই স্মিতামহল আবার নতুন করে জেগে উঠেছে।রুদ্রমঙ্গল নামে একজন নাকি কিনে নিয়েছেন জমিদার বাড়িটি।স্মিতামহল নাম মুছে দেয়া হয়েছে,নাম মুছে দিলেই কি ইতিহাস মুছে যায়? বকুলফুলের উত্তম পুরুষের কথা মনে আছে তো?তার জীবনে নতুন মানুষ এসেছে।বিড়ালের মতো জ্বলজ্বলে চোখের অসম্ভব মায়াকাড়া সুন্দরী 'রাত্রি'।রাত্রির প্রসঙ্গে পরে কথা বলা যাবেক্ষণ। মাঝরাতে অপ্রত্যাশিত ফোনকলে ঘুম ভেঙে যায় গল্পের উত্তমপুরুষের।কে ফোন দিয়েছিলো,কেন ফোন দিয়েছিলো সবকিছুই অজানা!সেই রাতে রাত্রীকে ফোনের অন্যপাশে রেখে ঘটে গেলো কিছু দূর্ঘটনা।অথচ,সকালের আলোয় সবকিছু একদম স্বাভাবিক!এর মাঝে গ্রামে তুমুল বন্যা হলো।অবশ্য জহুরের কথানুযায়ী এসব নাকি আগে থেকেই জানা।নুরু পাগলা কামেল মানুষ,তিনি যখন বলেছেন এবারের বন্যায় সব ভেসে যাবে তা কিভাবে মিথ্যা হবে?এর মধ্যে একদিন জহুর খুন হলো।খুন নাকি অন্যকিছু?ঘটনার কয়েকদিন পর জহুরের কবরের পাশে গলিত মাংসের স্তুপ পড়ে থাকতে দেখা যায়,হাড়গোড় একদম উধাও!কে করলো এই কাজ?পুরোনো রহস্যের সাথে এর মিল রয়েছে কি? মানুষ যেখান থেকে পালিয়ে যেতে চায়,সেখানেই তাকে বারবার ফিরে যেতে হয়।গল্পের উত্তম পুরুষের আবার তাই যেতে হয় নীলসাগরে।সেখানে গিয়ে দেখা হয় হেডমাষ্টারের মেয়ে হাফিজার সাথে।রুপবতী মেয়েটার দিকে কেন জানি তাকানো যায় না।বকুলফুলের গন্ধ তাড়িয়ে বেড়ায় এখানেও।তবে কি স্মিতা.... কিন্তু তাকে কেন আর দেখা যায় না?নীলসাগরের দিনগুলো ভালো যায় না একদম।ফিরে যাবার ট্রেনে উঠলেও মাঝপথে কিসের সম্মোহনে কৃষ্ণনগরে থেমে যান লেখক।সেখানে গিয়ে দেখা হয় সুফিয়া,হাফসা আর নিশির সাথে।নিশি একটি কালো কুচকুচে বেড়াল,যা লেজের অংশ সাদা।নিশি আর রাত্রি-শুধুই কি সমার্থক শব্দ আর কোন রহস্য নেই তো?মনতলা থানায় যে জোড়া খুন হয়,তাদের সাথে ইলিয়াসের অন্তর্ধানের কি যোগসূত্র?কৃষ্ণনগরে এসে কি স্মিতার সাথে দেখা হবে আবার? রুক্সিনী চৌধুরী কি একেবারে নিখোঁজ হয়ে গেলেন?বরাবরই কি তিনি সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বেঁচে যাবেন?জমিদারীর চিহ্ন সেই আংটি আসলে কার হয়?স্মিতা,রুক্সিনী নাকি অন্য কারো? সবকিছুর উত্তর জানতে হলে পড়তে হবে বিড়ালাক্ষী।যে প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে না তার জন্য অপেক্ষা হয়তো পরবর্তী বইয়ের।বকুলফুল,বিড়ালাক্ষীর পর আরও সিক্যুয়েল আসবে কি না তা লেখকের উপর নির্ভর করছে।তবে বইয়ের একদম শেষাংশে এসে মনে হলো,বেশিদিন হয়তো অপেক্ষা করতে হবে না। এবার আসি,বইয়ের সমালোচনায়।বকুলফুল বইয়ে আমার যতটুকু অতৃপ্তু ছিলো সবটুকু বিড়ালাক্ষী পুষিয়ে দিয়েছে।আগের চেয়ে লেখাবিন্যাস,গল্প বিস্তৃতি,শব্দচয়ন সবকিছু এত সুন্দর!এত পরিপক্ব!পড়াতে অমনোযোগ বা বিরক্তি কিছুই হয়নি।বরং একবসায় একটানা পড়ে যাবার মতো বই বিড়ালাক্ষী।পুরো বইজুড়ে বকুলফুলের মিষ্টি সুবাস আর স্মিতাকে দেখতে পাবার জন্য হাহাকার ঘিরে ছিলো আমাকে। এরবেশি কিছু বললে স্পয়লার হয়ে যাবে।বিড়ালাক্ষী পড়ুন।আশা করি আশাহত হবেন না।বইয়ের হোক পৃথিবী।লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা।বিড়ালাক্ষীর জন্য মুগ্ধতা ও ভালোবাসা।"

Harun-Ar-Rashid

Harun-Ar-Rashid , Apr 23, 2020

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"বই : বিড়ালাক্ষী লেখক : মনোয়ারুল ইসলাম প্রকাশনায় : নালন্দা প্রকাশনী প্রচ্ছদ : মোস্তাফিজ কারিগর পৃষ্টা সংখ্যা : ১৫২ মুদ্রিত মূল্য : ২৯০ টাকা বৃষ্টিস্নাত কোনো এক মধ্য রাতে লেখক প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন ১২১৭ বঙ্গাব্দে গড়ে উঠা কৃষ্ণনগরের প্রাচীন রহস্যঘেরা জমিদার বাড়ি স্মিতামহলের রহস্যময়ী এক নারীকে। নিশ্চয়ই ভুলে যাননি প্রিয় পাঠক? জি, আমি স্মিতা চৌধুরানির কথাই বলছিলাম। বকুল ফুলের অপার্থিক স্মেল নিয়ে আবির্ভুত সেই রহস্যময়ী নারীর রহস্যময়তা থেকে লেখক কোনোভাবেই নিজেকে আড়াল করতে পারেননি। ক্ষমতার লোভে কাতর আরেক রহস্যময়ী নারী রুক্সিনী চৌধুরির ষড়যন্ত্রের জাল থেকেও লেখক পারেননি নিজেকে গুটিয়ে রাখতে। নিস্তার নেই বাড়িতে পা রেখেও। মধ্যরাতে বাড়ি ফিরে ক্লান্ত দেহ ঘুমের রাজ্যে সমর্পণ করে দিতে চাইলেও পরিস্থিতি কোনো ভাবেই স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখতে দিচ্ছে না। এক ভুতুড়ে ফোনকল এলোমেলো করে দিয়ে গেল সব। এমন কী হতে পারে, ফোন আসবে অথচ কললিস্টে রিসিভ নাম্বার থাকবে না? চরম তৃষ্ণায় টেবিলে রাখা জগ থেকে অন্ধকার মারিয়ে পানি পান করতে গিয়েই বিপত্তিটা টের পাওয়া গেল। একি! পানি এতো নোনতা কেন? পদে পদে ওঁৎ পেতে থাকা রহসম্যময়তা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না লেখকের। ভেবেছিলেন রাত্রি নামের মেয়েটির সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিচয়টা বুঝি কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসবে। আদতে হয়েছে তার উল্টোটা। ইদানিং কেন জানি রাত্রিও তাকে মশাই বলে ডাকে। ভয়ানক সব স্বপ্ন লেখকের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় বিষাদময় করে তুলেছে। একদল বন্য কুকুর রাত্রির দেহটাকে ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েছে। আশ্চর্য তো! এমন স্বপ্নও কী কেউ দেখে? শুধু কি তাই? অদ্ভুত সব কান্ডকারখানা ঘটে যাচ্ছে নিরবধি। আচ্ছা, মৃত মানষও কখনও কথা বলে? স্পষ্ট মনে আছে লেখকের। বাল্যবন্ধু জহুর, গতকাল যাকে কবর দেয়া হয়েছে। মধ্যরাতে লেখকের সামনে হাজির! শুধু কী তাই? জহুরের সাথে কথাও বলেছেন তিনি। গায়ে হাত দিয়ে দেখেছেন, হিমশীতল ঠান্ডা দেহ। কী হচ্ছে এসব? পুরোটাই কী হ্যালুসিনেশন? এদিকে আরেক টেনশন তো লেখকের মাথা থেকেই সরছে না। নীলাসাগর স্কুলে চাকরি হয়েছে তাঁর। আবার যেতে হবে ভয়াবহ সব অভিজ্ঞতার কেন্দ্রস্থল নীলাসাগর গ্রামে। ওখানেও থিতু হতে পারেননি তিনি। হেড মাস্টারের মেয়ে হাফিজার সব অদ্ভুত কান্ডকারখানা লেখকের বিষন্ন জীবনকে করে তুলেছে আরও বিষাদময়। নিজেকে কিছুটা স্বস্তি দিতে চাকুরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে এলেন লেখক। কিন্তু এখানেও বিধিবাম। লেখকের ছন্নছাড়া অদ্ভূতুড়ে জীবনে আবারও সেই বিরহের জ্বালা। ঘটে গেল জোড়া খুনের ঘটনা। তিনি কী কোনো কারণে ফেঁসে যাবেন এই বীভৎস্য এই জোড়া খুনের সাথে? এগুলো কী তবে রুক্সিনী চৌধুরির পাতা ফাঁদ? কী চায় এই নারী? শুধুই কী কৃষ্ণনগরের জমিদারী? আমি আসলে অতিপ্রাকৃত জনরার সাথে নিজেকে পুরোপুরিভাবে খাপ খাওয়াতে পারি না। বিষয়টি কেন জানি আমার সাথে যায় না। কিন্তু লেখক মনোয়ারুল ইসলামের অতিপ্রাকৃত উপন্যাস 'বকুল ফুল' অনেকটা দৈবিকভাবে আমাকে এই জনরার সাথে সখ্য তৈরি করে দিয়েছে। বকুল ফুলের অসমাপ্ত বিষয়াদির সমাপ্তি দেখার প্রবলিচ্ছাতেই গত বই মেলা থেকে এর সিক্যুয়েল বিড়ালাক্ষী ক্রয় করা। উত্তম পুরুষে বর্ণিত বকুল ফুলের মত এই বইটিও আমাকে দারুণ আনন্দ দিয়েছে। বিশেষ করে লেখকের গল্প বলার কৌশল আর দৃশ্যপট বর্ণনার পারদর্শিতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। বকুল ফুলের তুলনায় বিড়ালাক্ষীর সাহিত্যমান অনেক উর্ধ্বে। এক্ষেত্রে লেখককে পুরোপুরিভাবেই সফল বলা যায়। সহজেই অনুমেয় বইটিতে তিনি প্রচুর শ্রম দিয়েছেন। বিড়ালাক্ষী হচ্ছে বকুল ফুলের সিক্যুয়েল। তাই বকুল ফুল পড়া না থাকলে এই বইটি পড়ে তেমন মজা পাওয়া যাবে না। বকুল ফুলের বেশ কিছু ঘটনার কিছু সমাপ্তি টানা হয়েছে বিড়ালাক্ষীতে। তবে পুরোপুরি সমাধান পেতে হলে যে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে, তা এই বইটি পড়ে নিশ্চিত হলাম। এ প্রতীক্ষাটা যেমন কিছুটা মিষ্টি যন্ত্রণাময়, আবার খানিকটা রোমাঞ্চকরও বটে। ভেবেছিলাম বিড়ালাক্ষীতে সবকিছুরই যবনিকাপাত ঘটবে। কিন্তু হলো না। আবারও প্রতীক্ষার প্রহর গুনবো, লেখকের শেষ বাঁশির সুর বেজে না উঠা অবধি। বিড়ালাক্ষীতে তেমন বড় ধরণের কোনো অসঙ্গতি আমার দৃষ্টিগোচর না হলেও কিছু ভুল বানান আমার দৃষ্টিকে ফাঁকি দিতে পারেনি। তবে সেটা ছিল যৎসামান্য। একটু খারাপ লেগেছে, আঞ্চলিক ভাষায় বর্ণিত কিছু অশ্রাব্য গালি! যদিও সেটা লেখকের দৃশ্যপট ফুটিয়ে তোলার প্রাণপণ চেষ্টারই প্রতিফলন, তথাপি আমি কেন জানি নিজের সাথে মানিয়ে নিতে পারিনি। বিড়ালাক্ষীতে নতুন কিছু চরিত্রের সন্নিবেশ ঘটেছে, যা নিঃসন্দেহে বইটিকে করে তুলেছে আরও সুখপাঠ্য। গল্পের বিশ্লেষণ আর চরিত্রের বৃত্তময়তা বইটিকে আলাদা সৌন্দর্য দান করেছে। অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃত ঘটনা লেখকের পাকা বর্ণনাশৈলী দৃশ্যগুলোকে করে তুলেছে একেবারে বাস্তব ও জীবন্ত। যা বইটিকে এক বসাতেই পড়ে ফেলার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে একজন লেখকের জন্য বড় সফলতা। বিড়ালাক্ষীতে অপূর্ণতা বা অসঙ্গতি যেটুকু ছিল, তা গল্প বলার কৌশলের কারণে একেবারেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে। একেবারে নিঁখুত পর্যবেক্ষণই কেবল এগুলো তুলে নিয়ে আসা সম্ভব। তবে পাঠক হিসেবে আমি কিছুটা খুতখুতে স্বভাবের। নিজে তেমন লিখতে পারি না, তবে যখন পড়ি; কেন জানি আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়টা বেশ সজাগ দৃষ্টি রাখে। অন্ততঃ সেই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের বরাত দিয়ে বলতে পারি, লেখকের বর্ণনাকৌশল থেকে শুরু করে একেবারে ছোট ছোট চরিত্রায়নেও বড় ধরণের কোনো অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়নি। প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি ছোট এবং পার্শ্ব চরিত্রগুলো লেখকের সুখপাঠ্য ও নিপুণ বর্ণনায় গল্পটিকে দিয়ে আলাদা কাব্যময়তা। প্রিয় পাঠক, বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের এই বন্দি জীবনে এক ঝাপটা রহস্য রোমাঞ্চে নিজেকে সিক্ত করতে চাইলে কিছুটা সময়রের জন্য ঘুরে আসতে পারেন লেখক মনোয়ারুল ইসলামের এই অলৌকিক অতিপ্রাকৃত জনরার রাজ্যে। বিড়ালাক্ষীর অভিযাত্রায় সবাইকে স্বাগতম। ঘরে থাকুন, বই পড়ুন, প্রিয়জনকে সময় দিন। নিজে নিরাপদে থাকুন আর দেশকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করুন। হ্যাপি রিডিং।"

Alamin

Alamin , Mar 26, 2020

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"রিভিউ দেওয়ার ইচ্ছা ছিলো না কিন্তু বইটা পড়ার পর রিভিউটা না দিয়ে পারলাম না। প্রথম কয়েক অধ্যায় ভালোই ছিলো কিন্তু পৃষ্ঠা যতোই উল্টাই বিরক্তি ততোই বাড়ে অহেতুক যতো দৃশ্যপট বিশেষ করে ট্রেনের ভিতরের কথোপকথন কাহিনী একদমই বাজে যার কোন প্রয়োজন ছিলোই না। লেখক সম্ভবত বইয়ের আকার বড় করার জন্য অপ্রয়োজনীয় কাহিনী দৃশ্যপট যুক্ত করেছেন। বকুল ফুল বইটা মোটামুটি ভালোই ছিলো। অহেতুক পড়ে সময় নষ্ট করার মতো কিছু ছিলোনা। ভাবলাম বকুলফুল সিরিজের দ্বিতীয় বই বিড়ালাক্ষী আরও ভালো হবে। কিন্তু আমি হতাশ। ৮০ পৃষ্ঠা পড়ার পরও মূল কাহিনীতে ঢুকতে পারিনি।"

মাসুম আহমেদ আদি

মাসুম আহমেদ আদি , Mar 10, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"- এই যে মশাই। - কে! - ভুলে গেলেন মশাই? - কে ওখানে? - আমি স্মিতা। - স্মিতা! স্মিতা চৌধুরানী! স্মিতার কথা মনে আছে তো? কী ওল্টাপাল্টা বকছি, স্মিতার কথা আবার মনে না থাকে কী করে! বলতে বলতেই বকুল ফুলের ঘ্রাণ পাচ্ছি, অদ্ভুত তো! মশাইয়ের চাকরি হয়েছে, তাও এমন এক জায়গায় যার নাম শুনলেই দুঃস্বপ্নের মত উঁকি দেয় একটা রাতের স্মৃতি। চাকরি হয়েছে নীলাসাগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যাওয়ার কোনো ইচ্ছে না থাকলেও যেতে হচ্ছে। বাবার খুব সখ ছেলেকে সরকারি চাকরিতে দেখবেন। এর মধ্যে রাত্রি নামে তার একজন গার্লফ্রেন্ডও হয়েছে। দেখা হয়েছে একবার, তাও বোরকা পরা অবস্থায়। এরপরেও কীভাবে যেন প্রেমটা হয়েই গেল। যাক সে কথা, রুক্সিনী চৌধুরী দেশের বাইরে, রমা জেলে, কৃষ্ণনগরের জমিদারবাড়ি নিয়ে ভয় নেই। যতটুকু ভয় সেটা নীলাসাগর যাওয়ার কথা উঠলেই মনে উঁকি দেয়। যাইহোক, বকুল ফুল সিরিজের দ্বিতীয় বই বিড়ালাক্ষী। বেশি বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যেতে পারে, তাই সেদিকে আর যাচ্ছি না। তারচে বরং স্মিতা চৌধুরানীর সাথে আরেকটা রহস্যময় ভ্রমণে বের হওয়া যাক। সাধারণত অতিপ্রাকৃত বই আমি রাতের বেলা পড়তেই পছন্দ করি। বিড়ালাক্ষীর বেলায়ও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গল্পের আবহের কারণে গা ছমছমে একটা অনুভূতি নিয়ে বই শেষ করেছি। সিরিজের প্রথম বই 'বকুল ফুল' পড়ে যে এক্সপেকটেশন তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই খর্ব হয়েছে বিড়ালাক্ষী পড়ে। সাধারণত ট্রিলজি সিরিজের প্রথম বইয়ে থাকে গল্পের প্রস্তাবনা, দ্বিতীয়টায় ঘটনার ঘনঘটা এবং শেষটায় পরিণতি। কিন্তু বকুল ফুল সিরিজের বেলায় এই কথাটা খাটাতে পারছি না। বিড়ালাক্ষী পড়তে গিয়ে মনে হলো, বকুল ফুল একটা স্ট্যান্ড এলোন গল্প ছিল, যেটাকে সিরিজ করতে গিয়ে বিড়ালাক্ষীর অবতারণা করা হয়েছে। যারা বকুল ফুল খুঁটিয়ে পড়েছেন তারা আমার সাথে একমত হবেন হয়তো। একটা ট্রিলজি সিরিজের দ্বিতীয় বই হিশেবে বিড়ালাক্ষীকে আমি ফুল মার্কস দিতে পারছি না। বকুল ফুল পড়ার পর মনোয়ারুল ইসলামকে একজন পরিণত লেখক বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু বিড়ালাক্ষীর বেলায় সেটা বলতে পারছি না। গল্পের ধারাবাহিকতা অনেক জায়গাতেই নষ্ট হয়েছে। অনেক জায়গায় ভুল উপমা ব্যবহৃত হয়েছে। কি এবং কী এর ব্যবহারে অসতর্ক দেখা গেছে। একজন পরিণত লেখকের বেলায় এই ভুলগুলো হতে পারে শুধুমাত্র তাড়াহুড়া করলে। যেমনটা আমার বেলায় হয়েছিল শকুনের চোখের ক্ষেত্রে। তবে লেখকের প্রতি আমার আস্থা আছে, আশা করছি বাঁশি বাজিয়ে আমার কথাগুলোকে উনি ভুল প্রমাণ করবেন। নালন্দার বইয়ের মান আগের থেকে উন্নত হয়েছে। কাগজ থেকে শুরু করে বাঁধাই সব কিছুতেই পরিবর্তন এসেছে। সাধুবাদ জানাই নালন্দার প্রকাশককে। চমৎকার প্রচ্ছদের জন্য ধন্যবাদ মোস্তাফিজ কারিগরকে। বইঃ বিড়ালাক্ষী লেখকঃ মনোয়ারুল ইসলাম প্রকাশকঃ নালন্দা প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২০ প্রচ্ছদঃ মোস্তাফিজ কারিগর পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫২ মূল্যঃ ২৯০ টাকা মাত্র।"

Disha jahan

Disha jahan , Mar 5, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"এককথায় দারুণ। বকুল ফুল থেকে উত্তেজনা কম ছিলো লেগেছে। কিন্তু চরিত্র আর লেখার বর্ণনা এত সাবলীল যে আমাকে ছুটিয়ে নিয়ে গেছে। সিরিজের পরের বইটার জন্য অপেক্ষা..."

Abdullah-Al-Wasib

Abdullah-Al-Wasib , Mar 4, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"বই - বিড়ালাক্ষী লেখক - মনোয়ারুল ইসলাম ধরণ - অতিপ্রাকৃত পৃষ্ঠা - ১৫২ দাম - ২৯০ টাকা প্রকাশনী - নালন্দা প্রকাশ কাল - ফ্রেরুয়ারি ২০২০ অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা কেন জানি বার বার মনে পড়ছে। রুক্সিনী চৌধুরী, স্মিতা, সেই জমিদার বাড়ি, বকুল ফুলের সুগন্ধ, নীলসাগর মনের বার বার উঁকি দিচ্ছে । ভয় যেন ভীতুকে আরো ভড়কে দিয়েছে, অস্থিরতা মনকে অশান্ত করে তুলেছে। স্মিতার কথা তেমন মনে আসে না, বকুলের সুগন্ধ নাকে আসে না। তবে রুক্সিনী তার ক্ষমতার জোরে জেল থেকে বেড়িয়ে এসছে। সে যে আমার উপর প্রতিশোধ নিবে তা আন্দজ করা যায়। ক্ষমতার লোভ রুক্সিনীকে পাগল করে তুলেছে। যে করেই হোক তার আংটি চাই! তাই সে পেতেছে জঠিল ফাঁদ। বাবার আশা পূরণ করতে সে নীলসাগর যাবে সেখানকার স্কুলে শিক্ষকতা করতে। কিন্তু তার মনে যেতে চায় না, নীলসাগরের কথা ভাবতেই অতীতের সব ঘটনা গুলো স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবুও সে যাচ্ছে। দুইদিনের বেশি থাকবে না, ফিরার পথে পত্রিকায় জোড়া খুনের খবরে চোখ গেল, ছবি দেখে চমকে গেল সে! কেননা নীলসাগর যাওয়ার সময় ওরাও তার সাথে আর ছিল ইলিয়াস। ইলিয়াসের কথা চিন্তা করে সে কৃষ্ণনগর যাবে বলে ঠিক করল। সেখানে গিয়ে দেখলো জমিদার বাড়ি আগের থেকে সুন্দর হয়েছে, তবে কাজ চলছে এখনো। কে যেন জমিদার বাড়ি কিনে নিয়েছে। আবার সে পরিচিত সেই সুগন্ধ পেতে শুরু করলো, স্মিতার সাথে দেখা হল কথা, প্রেমে ডুবে গেল সে। একবার চায় স্মিতাকে আর একবার চায় রাত্রিকে। ইলিয়াসের খবর নিতে এসে জড়িয়ে যায় আগের ঝামেলায়, রুক্সিনীর ক্ষমতা তাকে ফাঁসিয়ে দেয় মিথ্যা মামলায়। হুমকি দেয় তার ও তার পরিবারের ক্ষতি করার। কিন্তু সে বাধ্য হয়ে আংটির সন্ধান দিতে চাইলে রুক্সিনীর চোখে ভেসে উঠে জমিদারিত্ব। কিন্তু অবশেষে রুক্সিনীর আংটি পাওয়া আর হয় না! অতিপ্রাকৃত আবহ, রহস্য, আঞ্চলিক ভাষা, গ্রামের মানুষের সরলতা, কুসংস্কার এসব দিয়ে গল্পটি এগিয়ে গেছে বহুদূর। এক কথায় চমৎকার! গল্পে ডুবে যেতে সময় লাগে নি, বার বার মনে হচ্ছে গল্পের কাহিনী বাস্তবে ঘটছে। প্রত্যেকটি ঘটনা ঘটার পর, পরে কি হবে সেটার জন্য ছিল প্রবল আগ্রহ। তবে গল্প শেষ হয়েও হইলো না শেষ! বই পড়া শেষ তবে গল্প নয়। গল্পের পরবর্তী অংশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০২১ সাল পর্যন্ত! বইটি পড়তে পারেন আপনিও অবশ্যই ভালো লাগবে। গল্পের যে কোনো চরিত্রে নিজকে কল্পনা করতে পারলে গল্পকে বাস্তব মনে হবে। তবে তার আগে আপনার বকুলফুল পড়া চাই, না হলে গল্পের কিছু বুঝবেন আবার কিছু বুঝবেন না। লেখকের জন্য রইলো ভালোবাসা!♥"

Animal islam Rayhan

Animal islam Rayhan , Mar 2, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"#বুক_রিভিউ বই: বিড়ালাক্ষী লেখক: মনোয়ারুল ইসলাম প্রকাশক: নালন্দা মুদ্রিত মূল্য: ২৯০/= পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৫২ ধরন : অতিপ্রাকৃত উপন্যাস। আজকাল মনের মধ্যে জায়গা করেছে ভয় অস্থিরতা কিছু পিছুটান, সেই স্মিতা, কখনো বা রুক্সিনী চৌধুরীর ভয় অস্থির করে তুলছে। বকুল ফুলের গন্ধটাও তেমন পাওয়া যায় না আজকাল তাই স্মিতা এর চেয়েও রুক্সিনী ভাবাচ্ছে বেশ। এক এর পর দূর্ঘটনা ঘটছে আশেপাশের সবার সাথে এমনকি পশুগুলো বাদ যাচ্ছে না, আগাম কিছু ইশারা করছে কি , আবার কি সেই মুছে ফেলা দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়!! হুট করে এক রাতে শুরু হল নতুন এক আতঙ্ক। বাস্তবে কি এসব ঘটা সম্ভব? না সবই হ্যালুসিনেশন? আবার কখনো সত্য আবার মিথ্যে মনে হয় সবকিছু। সেইসব কিছু থেকে কি আর মুক্তি হবে না তার? রাত্রির সাথে তার পরিচয়পর্বটা বেশ অদ্ভূত। তার চোখের টানেই মনের টান অনুভব করে ধীরে ধীরে। কাজল কালো আঁখি তার অভিমানে ভার- বুকের মাঝে নিত্য বাজে প্রিয়তমা আমার। চারটি লাইনের কবিতায় প্রিয়তমার প্রতি টানটা প্রবল অনুভূত হয়। রাত্রির তার প্রতি ছোট ছোট অনুভূতি গুলো বেশ কাছে টানে। রাত্রিকে সবকিছু বলা হলেও স্মিতার কথা এড়িয়ে যায় তবে কি স্মিতার জন্য তার মনের জায়গাটা অন্য কিছুতে তা ভাবিয়ে তুলে! গ্রামের নূরা মাঝি তার অদ্ভুত সব কথা দিয়ে নিজেকে কামেল বলে প্রকাশ করে । হুট করেই রাজনৈতিক দল চেপে বসে সহজ সরল গ্রামের মধ্যে বীভৎস খুন এর মাঝে আসে সেটিও কাউকে আর নারা দেয় না। শুরু হয় সেই মরা জহুরু কে নিয়ে ব্যবসা। পদ্মদীঘি টা কাছে ডাকে কিসের নেশায়? বাবার ইচ্ছেতে সরকারি চাকুরী হয়,ভাগ্যের পরিহাসে সেটা আবার নীলসাগরে। বিষিয়ে তোলা মন আর যেতে চায় না সেখানে। তবুও যেতে হয় তবে ফিরে আসার জন্য৷ হুট করেই পেপারে চোখে পড়ে জোড়া খুনের আবার তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই আগের জায়গায়। রুক্সিনী চৌধুরি কি আবারও হাজির হবে? ক্ষমতার লোভ কি তাকে এখনো পিছু ছাড়েনি? স্মিতা কি আগের মত পাশে থাকবে? লেখকের প্রথম উপন্যাস 'বকুলফুল'-এর দ্বিতীয় পর্ব বিড়ালাক্ষী। অতিপ্রাকৃত আবহ আর রহস্যের মধ্যে গল্প এগিয়ে গেছে নিজগতিতে। লোকমুখে আঞ্চলিক ভাষা, সাধারণ মানুষের সরলতা , গ্রাম্যরাজনীতি গল্পে সুন্দর একটা আবহ নিয়ে এসেছে। এলোমেলো ভাবে কোন কিছু এগিয়ে নিয়ে যায় নি লেখক। বাস্তব মুহূর্তে মনে হয় অবাস্তব ঘোরের মধ্যে নিয়ে যেতে পেরেছে। অতিপ্রাকৃত গল্পে সবকিছু সম্ভব একথা যেমন ঠিক, তেমনিভাবে অসম্ভব ব্যাপারগুলোকে পাঠকের সামনে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলে ধরতে হয় এটাও ঠিক। লেখক এ ব্যাপারে অনেক সচেতনতার প্রকাশ করেছে। কিছু কিছু শব্দ বুঝতে কিছুটা সময় লেগেছে যেমন দিরাং, জুগেছে আরও কয়েকটি। বইটি নামকরণের সার্থকতা রেখেছে রাত্রি আর স্মিতা মিলে। সবমিলিয়ে বিড়ালাক্ষী আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে তবে বকুল ফুল ভয়ংকরের দিক থেকে বেশি ভালো । অপেক্ষায় আছি পরবর্তী পর্বের। ☺"

Debjyoti Biswas

Debjyoti Biswas , Feb 7, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"বকুল ফুল পড়ার পর যখন বিড়ালাক্ষী পড়তে বসেছি, তখন মনে টান টান উত্তেজনা। বকুল ফুলের মতো একই ভাবে মুগ্ধ করেছে। বইয়ের প্রতি শব্দ বাক্য এতটাই সাবলীল যে বকুল ফুলের মতো এটাও এক বসাতে শেষ করেছি"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"বিড়ালাক্ষী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
বিড়ালাক্ষী পাতা: 1 / 8
পাতা 2
বিড়ালাক্ষী পাতা: 2 / 8
পাতা 3
বিড়ালাক্ষী পাতা: 3 / 8
পাতা 4
বিড়ালাক্ষী পাতা: 4 / 8
পাতা 5
বিড়ালাক্ষী পাতা: 5 / 8
পাতা 6
বিড়ালাক্ষী পাতা: 6 / 8
পাতা 7
বিড়ালাক্ষী পাতা: 7 / 8
পাতা 8
বিড়ালাক্ষী পাতা: 8 / 8
পাতা / 8
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।