১ম প্রকাশ, ২০২০
বিজিতা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বিজিতা |
| Author | ড. তাবারক হোসেন |
| Publisher | অবসর প্রকাশনা সংস্থা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 152 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.31 Kg |
| ISBN | 9789848799529 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Abdur Rahman , Mar 16, 2021
"পড়তেছি। ভালো লাগছে।"
ABU MOHAMMAD YOUSUF BIN AHAMMAD , Sep 29, 2020
"Good"
K Z Shohag , Mar 8, 2020
"‘নামে কী-ই বা আসে যায়, গুণেই তোমার পরিচয়।' অথবা 'বৃক্ষ তোর নাম কী—ফলে পরিচয়।' কথাগুলোতে সত্য অপেক্ষা কৈফিয়াত বেশি মনে হয়! “’তোমার আমার ভালোবাসা’, ‘বাঁচব না তোমায় ছাড়া’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’” ইত্যাদিও নাম; আবার ‘শ্বেতপদ্ম’, ‘নিষ্পত্তি’, ‘বিজিতা’ ইত্যাদিও নাম! প্রথম নামগুলোর সাথে দ্বিতীয় নামগুলো মেলালেই বুঝা যায় সাহিত্যে ‘নামে কী-ই বা আসে যায়’ কথাটি সঠিক নয়। নামে অনেক কিছুই আসে যায়! উইলিয়াম শেক্সপিয়ার একদা বলেছিলেন যে গোলাপকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, সে সুন্দর। এ কথা সুগন্ধী কুসুমের ক্ষেত্রে সুপ্রযুক্ত হলেও সাহিত্যের আঙিনায় এর যথার্থতা সম্বন্ধে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ থেকে যায়। বস্তুত, সাহিত্যে নামকরণ এক পরম গুরুত্ববাহী বিষয়। শিরোনামের দর্পণেই আভাসিত হয়ে ওঠে গল্পের বিষয়বস্তু ও মূর্ছনা। রবীন্দ্রনাথ নামকরণকে পরম গুরুত্ব দিতেন। যতক্ষণ না সেরা শিরোনাম খুঁজে পেতেন ততক্ষণ চলত তাঁর নিরলস গভীরতম অন্বেষণ। নাম দেখে আমরা লেখকের জ্ঞানের গভীরতা আর তার লেখার গুণগত মান সম্পর্কে প্রথমেই একটা ধারণা পেয়ে যাই। কোনো একটি রচনার নামকরণ কী হবে তা নির্ভর করে মূলত রচয়িতা কোন জিনিসটির ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন তার ওপর। কথাটাকে এভাবেও বলা যায়, বিজ্ঞ পাঠকের অন্তরে তিনি যে জিনিসটি নাড়া দিতে চান সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই তিনি নামকরণ নির্ধারণ করে থাকেন। বইটি হাতে নিয়ে “বিজিতা” নামটি পড়তেই ভেতরে কেমন যেন একটা ঢেউ খেলে গেল। পড়ার আগ্রহটাও বেড়ে গেল তখনই। আর যারা বইটির লেখক তবারক স্যারকে চিনেন তারা সবাই একবাক্যে স্বীকার করে নিবেন যে, কতটা বড় মাপের মানুষ তিনি। ওনার সাথে কথা বললে পরিষ্কার বুঝা যায় যে, মানুষ যেহেতু সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব, সেহেতু শুধু ক্ষুধা মিটলেই তার প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় না। বরং বলা যেতে পারে তার প্রয়োজনের শুরু। অন্যান্য প্রাণীর ক্ষুধা মিটলেই তার আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু থাকে না। মানুষের সঙ্গে সকল জীবের এখানেই তফাত। অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের চাহিদা মেটানোর পর মানুষ ভোগ-বিলাসিতা ও শিল্প-সৌন্দর্যের দিকে নজর দেয়া শুরু করে। সে ভালোমন্দের পার্থক্য বুঝতে চেষ্টা করে। তার মধ্যে মানবিকতা ও মূল্যবোধ জাগ্রত হয়। তার অন্তর্চক্ষু উন্মীলিত হয়। বলা হয়ে থাকে, 'পুষ্পের পক্ষে পুষ্পত্ব যতটা সহজ, মানুষের পক্ষে মনুষ্যত্ব অর্জন ততটা সহজ নয়।' মনুষ্যত্ব অর্জনের জন্য সাধনার প্রয়োজন। মৌলিক চাহিদা মেটানোর পর মানুষকে এই সাধনা করে যেতে হয় নিরন্তর। তাহলে দেখা যাচ্ছে, ক্ষুধার প্রয়োজনীয়তা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ হিসেবে সৌন্দর্যবোধের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বও কম নয়। বরং বলা যেতে পারে, অপেক্ষাকৃত বেশি। কারণ মানুষের মধ্যে রুচিবোধ ও মনুষ্যত্ববোধের বিকাশ না ঘটলে তার সঙ্গে অন্য কোনো জীবের পার্থক্য থাকে না। শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে এটা ভাবাটাও লজ্জার। উপন্যাসটির প্রতিটি পাতায় লেখকের মনুষ্যত্ববোধ আর সুরুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। আমাদের চারপাশের প্রাত্যহিক জীবনের জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ আছে উপন্যাসটির প্রতিটি চরিত্রের মধ্যেই। লেখক তাঁর সমকালের সমাজপ্রগতির ছবি আঁকতে গিয়ে ভাবের চেয়ে রূপকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। তাই তো “জীবনে যদি কখনো এমন দিন আসে যে তোমার মায়ের সাথে আমার বিবাদ শুরু হয়, তোমরা শর্তহীনভাবে মায়ের পক্ষ নিবে; এখানে কোন যুক্তি খুঁজতে যাবে না। তিনি তোমাদের মা- এর চেয়ে বড় যুক্তি পৃথিবীতে নাই।“ – এমন লাইন পড়লে মনে হয় যেন আমার কথাটাই বলেছেন। তবে আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এই বিষয়টি যে, চরিত্রগুলোর উপস্থাপনভঙ্গিতে আছে চমৎকার কবিত্ব। বিশেষ করে নারীর রূপের মোহ জাগানিয়া শক্তির প্রকাশে চমৎকার মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন লেখক। নারীর রূপের মহিমার পাশাপাশি এঁকেছেন পুরুষের সৌর্ন্দতৃষ্ণা। নরনারীর প্রেম, নারীর রূপের মোহে আচ্ছন্ন পুরুষের করুণ পরিণতি, বিধবা-প্রসঙ্গ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব-বিবাদ এবং সমকালীন সামাজিকতার বিচার বিশ্লেষণ আছে এই “বিজিতা” উপন্যাসটিতে। হৃদয়-মনের অনুভূতির ভাষাগত রূপায়ণকেই বলা হয় সাহিত্য। আবেগ ও চেতনাকে সুন্দর ও চিত্তাকর্ষক শব্দের বিন্যাসের মাধ্যমে ব্যক্ত করাই সাহিত্য। বয়স আর লেখা লেখিতে যারা নবীন তাদের উদ্দেশ্যে একথা নির্দিধায় বলতে পারি যে, জীবনের সাথে সাহিত্যের সম্পর্ক কতটা ওতপ্রোত, সাহিত্য কিভাবে লালিত-পালিত হয়, উন্নতি ও উৎকর্ষ লাভ করে এবং তখন তা কিরূপ পরিগ্রহ করে, সাহিত্যের সঙ্গে কোন কোন দিক সম্পর্কিত, তার কল্যাণের দিকগুলো থেকে বেশি বেশি ফায়দা লাভ কিভাবে সম্ভব হতে পারে, তার ক্ষতির দিকসমূহ থেকে আত্মরক্ষা করা ইত্যাদি বিষয়ে জানার জন্য তবারক স্যারের উপন্যাসগুলো (বিশেষ করে শ্বেতপদ্ম ও বিজিতা) পড়তে পারেন। নিশ্চিত করে বলতে পারি, আপনার জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে। বিজিতা উপন্যাসটির ঘটনাপ্রবাহ বা বিষয়বস্তু নিয়ে আমি কিছু বলব না, কারণ এই বিষয়ে অনেকেই অনেক কিছু লিখেছেন। তবারক স্যারের লেখায় বরাবরের মতোই আমার কাছে যেটা ভালো লাগে তা হলঃ চরিত্রগুলো যেন জীবন্ত আর জীবনের কথা বলে! এখানেই একজন লেখকের সার্তকতা! উনিশ বা বিশ কিংবা বড় করে বললে একবিংশ শতকের সাহিত্যের ও শিল্পের লেখক ও শিল্পীরা কাহিনীর পরিসমাপ্তি টানতেন করুণ রস দিয়ে; যে-কথা বলতে চাইতেন, তা শেষ পর্যন্ত বলতে পারতেন খুব কমই! কিন্তু ‘বিজিতা’য় লেখক কাহিনীর পরিসমাপ্তি টেনেছেন নিজস্ব ঢঙে, যা আমার খুব ভালো লেগেছে। ‘বিজিতা’ পড়ে সবার ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বিজিতা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: