১ম সংস্করণ ২০২৩
বারোটা বেজে বাইশ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | বারোটা বেজে বাইশ |
| Author | নাবিহা নুপুর |
| Publisher | চিলেকোঠা পাবলিকেশন |
| Edition | ১ম সংস্করণ ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.28 Kg |
| ISBN | 9789849708124 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
11 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
880****596 , Sep 12, 2023
"ধরুন, মাঝরাতে ফোন বেজে উঠলো আপনার, ফোনটা ধরতেই ওপাশ থেকে এক অপরিচিত মেয়ে কণ্ঠ বলে উঠলো, ‘ব্লেড দিয়ে কব্জিতে পোঁচ দিলে ভালো হবে নাকি গলায়?’ এই প্রশ্নের উত্তরে কী বলবেন আপনি? তাকে সহজ মৃত্যুর উপায় বাতলে দেবেন নাকি কেটে দেবেন ফোনটা? নাকি আরও কৌতূহলী হবেন? উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র রুপমের কাছে একদিন মাঝরাতে অপরিচিত নম্বর থেকে এমনই এক ফোন আসে। গল্পের শুরু সেখান থেকেই। বলা যায়, ওই এক ফোনেই তার পুরো জীবনটা উল্টে-পাল্টে যায়। একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মুখোমুখি হতে থাকে সে। তার জন্মের আগেকার এক অতীত থেকে উদ্ভূত রহস্যের জট তাকে জড়িয়ে ফেলে। রহস্যের এ জাল থেকে মুক্তি নেই যেন তার। রহস্যের পিছনে থাকা নিদারুণ সত্যের মুখোমুখি হয়ে জট খুলতে গেলে তাকে একের পর এক বাধা পেরিয়ে নিজ অতীতের মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু রহস্যের সমাধান করতে গেলেই তার পথ আগলে বারবার দাঁড়ায় প্রকাণ্ড এক কুৎসিত ছায়া– এক ভয়ংকর জিন। একসময় রুপম চমকে গিয়ে আবিষ্কার করে, জিনটা হুকুম তামিল করছে কেবল। তাহলে পিছনে কলকাঠি নাড়ছে কে? রুপম কী আদৌ পিছনের ওই ছায়াকে পরাস্ত করে রহস্যের অন্তে পৌঁছাতে পারে? না হেরে যায় সে? জানতে হলে আপনাদের যেতে হবে রুপমের সঙ্গে, যাবেন তো? Review :অসাধারণ লেখনী! মনে হচ্ছিল কোন হরর সিনেমার কাহিনি পড়ছিলাম। লেখিকার( Nabiha Nupur) জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ❤️!"
তারেক সাকিব , Aug 3, 2023
"বারোটা বেজে বাইশ বইটা হরর থ্রিলার জনরার। সত্যি কথা বলতে এ ধরনের জনরায় সাধারণত ভায়োলেন্স এবং সাসপেন্স বেশি থাকে, যার ফলে আমার দুর্বল নার্ভ তা সহ্য করতে পারে না বিধায় আমি এই জনরা এড়িয়ে চলি। কিন্তু লেখিকার অনলাইনে প্রকাশিত আগের অনেক লেখা পড়ার কারণে সাহস পেয়েছিলাম বইটা কেনার, এবং এ ক্ষেত্রে একদম লেটার মার্কস পাবে নূপুর। যারা আমার মতো কম ভায়োলেন্সের থ্রিলার পড়তে পছন্দ করেন তারা এই বইটা মাস্ট রিডিং তালিকায় রাখতে পারেন। বইটার প্রচ্ছদ, কাভার সবকিছু বেশ ভালো ছিল। অন্যান্য থ্রিলার উপন্যাসের ন্যায় এই গল্পটাও প্রথমে স্লো ভাবে আগাতে থাকে, কিন্তু খুব বেশি অহেতুক বর্ণনা দিয়ে গল্পকে ভারী করেননি লেখিকা, শুরু থেকেই একটা প্রাণ ছিল গল্পে। যার কারণে একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য তিনি। প্রথম বইয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত যেমনটা আমরা দেখি অন্যান্য লেখকগণ কিছু কিছু অপরিপক্কতা দেখান গল্প বলার ঢংয়ে বা গল্প তৈরিতে, এ বইয়ে সে জিনিসটাও একেবারে অনুপস্থিত ছিল। লেখিকা এ ক্ষেত্রেও লেটার মার্কস পাবে। সবকিছু মিলিয়ে একটা ভালো গল্পের দুর্দান্ত উপস্থাপনা ছিল। থ্রিলার প্রেমী ছাড়াও যেকেউ বইটা পড়তে পারবেন, হতাশ হবেন না। আমার মতো খুঁতখুঁতে স্বভাবের বইপড়ুয়া যেহেতু লেটার মার্কস দিচ্ছে, চোখ বন্ধ করেই একটা ভালো বই হিসেবে ধরে নিতে পারেন " বারোটা বেজে বাইশ"কে।"
Salman Sadique , Apr 6, 2023
"বইঃ বারোটা বেজে বাইশ লেখকঃ Nabiha Nupur পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২ প্রকাশনীঃ চিলেকোঠা পাবলিকেশন বইটা পড়ছিলাম ঠিক এমনই সময়ে। তখন ছিলো রাত আর বাসা ছিলো ফাকা। রাস্তায় কুকুরের অনবরত ডাক আর মশার তাণ্ডবে অস্থির ছিলাম। কিন্তু বইটা বেশ ভালোভাবে ধরে রাখছিল। সে জন্য বইটা শেষ না করে উঠতে পারিনি। বইটা একটা হরর থ্রিলার টাইপ উপন্যাস। কলেবরে ছোট হলেও বেশ জমজমাট একটা ভাব আছে। থ্রিলারের এই ব্যাপারটা না থাকলে থ্রিলারের সার্থকতা থাকে না, উপভোগ আর ধরে রাখার শক্তি এই দুইটা জিনিস খুবই দরকার হয়। এই উপন্যাসে এই দুইটার উপস্থিতি বেশ ছিলো। নুপুরের এইটা প্রথম উপন্যাস এবং প্রথম বই। সে হিসেবে সে যথেষ্ট ভালো একটা কাজ করতে পেরেছে বলেই মনে হয়েছে। তা ছাড়া তার এই হরর জনরায় কিছু ছোট গল্প পড়া হয়েছে। গল্পগুলাতেও এই ব্যাপারটা দেখেছি, যে পাঠককে ধরে রাখার ক্ষমতা আর হররের যেসব উপকরণ থাকা উচিত সেগুলা ভালোভাবে বিদ্যমান থাকা। এই উপন্যাসে ভাষা এবং কাহিনি সবকিছুতে সাবলীল আর সরলভাবে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা ছাড়া এডাল্ট কিছু না থাকায় উপন্যাসটা ছোট বড় সকলেরই পড়ার উপযোগী হয়ে উঠেছে। কাহিনি নিয়ে বললে এখানে মেইন ক্যারেক্টার রুপমের ফোনে এক রাতে হুট করে কল আসে। ওপাশের নারী কণ্ঠ রুপমের কাছে জানতে চায়, হাতের শিরা কাটলে বেশি ভাল হবে না কি গলায় পোচ দিলে ভালো হবে। রুপম তো থতমত খেয়ে যায় এমন প্রশ্নে। প্রাংক কল মনে করলেও মেয়েটা এমন কিছু তথ্য রুপমকে দেয় যে তথ্যগুলা রুপমকে সিরিয়াস হতে বাধ্য করে। তো এইখানে কি রুপমের কাছে শুধুই এই ব্যাপারটা জানতে চাওয়া হলো না কি কাহিনি আরো কিছু আছে? কাহিনি আগাতে থাকলে আমরা দেখি এই কলটা মূলত সূচনা, এর পেছনে একটা ভয়ানক কাহিনি আছে, এর সাথে রুপমের অতীত জড়িত। রুপমের অতীত যে এর সাথে জড়িত সেটা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় হিন্টস দিয়ে দিয়ে পরে খোলাসা করা হয়। যাইহোক এই মেয়ে যার নাম জয়িতা তার কাহিনিটা মূলত কী? তার কাহিনি হলো, সে ছিল এক আর্টিস্ট, কিন্তু তথ্য সংগ্রহ এবং এই তথ্য দিয়ে অন্যকে চমকে দেওয়ার এক চপল তারুণ্য তাকে বিপদে ফেলে দেয়। সে খোঁজ পায় এমন এক বইয়ের যেখানে জ্বীন ডেকে তার মাধ্যমে অনেক ক্ষমতা অর্জনের ব্যাপার বলা আছে। তো জয়িতা এর পেছনে পড়ে ভুলভাল মন্ত্র-তন্ত্র করতে গিয়ে ডেকে আনে এক পিশাচকে। যার পৈশাচিক কারবারে বলি হতে থাকে একের পর এক মানুষের প্রাণ। কিন্তু এই যে মানুষ মারা এর তো একটা উদ্দেশ্য থাকতে হবে। কিন্তু সেই উদ্দেশ্যটা কী সেটা বুঝা যায় না। এইখানেই মূলত লুকিয়ে আছে রহস্যটা। এই রহস্যের সাথে রুপমেরই বা কী সম্পর্ক সেটা আরেক প্রশ্ন। তো এইভাবে রহস্য আর পিশাচ আর তন্ত্রসাধনা ইত্যাদি মিলিয়ে বারোটা বেজে বাইশ এর কাহিনি এগিয়ে যাবে। খুব বাড়তি আলাপ না থাকায় গতিটা ধীর হবে না, যার ফলে বিরক্তি আসার উপায় নাই। সবমিলায়ে কাহিনির ব্যাপারে বললে, বেশ ভালো শক্তপোক্ত ভিত্তির উপর কাহিনিটারে দাঁড় করাতে পেরেছে নুপুর। বইটার যে ব্যাপারগুলা ভালো লাগছে তার মধ্যে অন্যতম ব্যাপার এই, যে কিছু জায়গায় কাহিনির প্রয়োজনে কিছু শ্লোক বানাতে হয়েছে। কাজটা খুব সুন্দর হয়েছে। কাহিনির সাথে মিল রেখে শ্লোক বানানো আবার সেই শ্লোকের ছন্দ মর্ম ঠিক রাখা বেশ কঠিন ব্যাপারই। আমি কবিতার মানুষ না তারপরেও এইভাবে কাহিনির ভিতরে মাঝে মধ্যে শ্লোকের উপস্থিতি বা এর উদ্বৃতি যে কাহিনির মান বাড়ায় এইটা বুঝি আর এই ক্ষেত্রে ছোট্ট উপন্যাসটা আরো বেশি উপভোগ্য হয়ে ওঠে৷ পড়ার সময় যদিও একটা কলকাতার ভাইব কাজ করতে থাকে বর্ণনার মধ্যে, মানে ওপার বাংলার একটা আমেজ। কিন্তু কাহিনি আগাতে থাকলে আস্তে আস্তে এই ভাইবের উপর দিয়ে দেশীয় দৃশ্যকল্প যোগ হয়ে সেই ভাইবটাকে আস্তে আস্তে মিলিয়ে দিয়েছে। এই ব্যাপারে আমার কথা হলো এই এক ভাইবে রেখে কাহিনি আগাতে হবে। দৃশ্যপট রচনার ক্ষেত্রে এই কনফিউশন কতটা উপভোগ্য সেইটা অবশ্য একেকজনের ব্যক্তিগত রুচির ব্যাপার৷ চিলেকোঠার বই যে কয়টা পড়েছি তাতে এইটা বুঝতে পারছি, যে বানান এবং বিন্যাসের ব্যাপারে তারা বেশ সতর্ক থাকে। এই বইতেও বানান ভুল বা বিন্যাসগত সমস্যা তেমন চোখে পড়েনি। শেষ দিকে যদিও দু এক জায়গায় কিছু অসুবিধা চোখে পড়ছে। কিন্তু ওইটা ব্যাপার না। আর জ্বীন আনার জন্য অনলাইনে ইলুমিনাটি সাধক এই প্রসঙ্গ আনাটা আমার কাছে একটু খারাপ মনে হয়েছিল প্রথমে। কিন্তু তারপর কাহিনি যখন এগিয়ে যায় আর আসল কালপ্রিট দৃশ্যপটে উপস্থিত হয় তখন এসব ব্যাপার খোলাসা হয়ে গেলে ওই খাপছাড়া ভাবটাও বুঝে আসে। আসলে পুরো ব্যাপারটাই একটা ধোকার উপর দাঁড়িয়ে আছে, পাঠক যখন এটা বুঝতে পারবে তখন সবকিছু মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে সবকিছু জায়গা মতোই ফিট করা হয়েছে। সবমিলিয়ে উপন্যাসটা হরর প্রিয় পাঠকদের সমাদর পাবার দাবী রাখতেই পারে। আমিও এইটা চাই নতুন লেখকদের বইগুলা, যেগুলা আসলেই ভালো হচ্ছে তারা যেন পাঠকপ্রিয়তা পায়, সমালোচনা এবং সমাদরে এগুলা প্রচার পাক। যাইহোক হরর জনরার পাঠক হলে বইটা পড়ে দেখার নিমন্ত্রণ জানিয়ে এই রচনা শেষ করছি।"
মোঃ সামসুদ্দোহা রিফাত , Mar 31, 2023
"বারোটা বেজে বাইশ লেখক: নাবিহা নুপুর জনরা: হরর থ্রিলার প্রকাশনী : চিলেকোঠা পাবলিকেশন পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২ রেটিংঃ ৪/৫ পাঠ-প্রতিক্রিয়া: রাত বাজে ১২ টা। আপনাকে অজ্ঞাত কেউ ফোন দিয়ে বলল ব্লে ড দিয়ে হাতে পোঁ চ দিবো নাকি গলায়? তখন উত্তর টা কি হতে পারে আপনার? সহ্য করতে পারবেন অজ্ঞাত ব্যাক্তির অতীতের বীভৎস কাহিনী? পড়ে ফেললাম চিলেকোঠা প্রকাশনীর নতুন বই ' বারোটা বেজে বাইশ' হরর জনরার এই উপন্যাসিকাটি ভয়ের আবহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। প্রথম পাতা থেকেই রহস্যটা শুরু হয়েছে। যেটা একদম শেষ পাতায় ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এক জায়গায় একটা ক্লু হিসেবে শ্লোক দেওয়া হয়েছে সেটার রহস্য বেধ করাও ভালো ছিলো। বেশি চরিত্র নেই বইয়ে তার পরেও প্রতিটি চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। শেষের দিকে একটা টুইস্ট আছে সেটা অনুমান করা গেলেও সবার ক্ষেত্রে তা অনুমান করা কঠিন হবে। লোভ যে মানুষকে ভালো মানুষের মুখোশের আড়ালে তাকে পিশাচে পরিণত করে তা বইটায় তুলে ধরা হয়েছে। কিছু জায়গায় বর্ণনাটা অনেক কম ছিলো। সেখানে যদি আরেকটু বর্ণনা করা হতো তাহলে অনেক উপভোগ্য হতো। আর দুই এক জায়গায় ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন- ইনোসেন্স চেহারা। লেখিকার প্রথম বই হিসেবে অনেক ভালো লিখেছেন। দ্রতগামী হররটি পড়ে একটা প্রবাদই মাথায় আসবে, " ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।" বইটি কাদের জন্য: যারা হরর জনরা বই পড়া শুরু করতে চান তাদের জন্য সুখপাঠ্য হবে বইটা। যাদের হরর জনরা প্রথম প্রাধান্য তারাও পড়ে দেখতে পারেন বইটা।"
Mohammad A. Bari-Ibn Robiul , Mar 31, 2023
""বারোটা বেজে বাইশ" এটি মূলত একটি রোমাঞ্চকর ভৌতিক কাহিনী; ১১২ পৃষ্ঠার এই বইটির লেখক Nabiha Nupur গল্পের শুরুতেই ফোন বেজে উঠলো রুপমের,ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে এক নারী কন্ঠ বলে উঠল,"আচ্ছা বলুন তো ব্লেড দিয়ে হাতের কব্জির শিরায় পোঁচ দিলে ভালো হবে নাকি গলায়?" রুপম বেশ খানিকটা চমকে ওঠে এই প্রশ্নে।অদ্ভূত এই প্রশ্নে সে যথেষ্টই বিরক্ত হয়,তাই কেউ মজা করছে ভেবে পাত্তা না দিয়ে ফোন কেটে দিতেই যাচ্ছিল;ওপাশের নারী কন্ঠটা বলল,"ফোন কাটবেন না দয়া করে,আমি খুব বিপদে আছি,আপনার সাহায্য আমার দরকার।" মেয়েটির নাম জয়িতা;জয়িতা ভট্টাচার্য।কোনো এক দুঃসহ ভৌতিক কারণে তার জীবন বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে,যার থেকে মুক্তির একমাত্র পথ মৃত্যু,তাই সে আত্মহত্যা করতেই যাচ্ছে। মেয়েটির জীবনের ভয়ানক অংশের সবটুকু বিবরণ শুনে শেষ পর্যন্ত রুপম বলল,"হাতে পোঁচ দিলেই ভালো হবে,একটু কম কষ্ট পাবেন।" কিছুদিন পর মেয়েটির দেওয়া ঠিকানায় পৌঁছে রুপম জানতে পারে যে,মেয়েটি মারা গিয়েছে তার সাথে কথা বলার অনেক আগেই। গল্পের সূচনা এভাবে হলেও এর সূত্রপাত অনেক আগের; রুপমের জন্ম তখনো হয়নি।রুপমের মা জীবিতকালে এক ভয়ানক অভ্যেসে জড়িয়ে যায়,যার সম্পর্ক পারিপার্শ্বিক পরিবেশের বাইরে; রুপমের মায়ের অভ্যেস ছিল মানুষ বলি দেওয়া,কিন্তু কিভাবে এই অভ্যেস হলো,এর পেছনেও রয়েছে লালসার অদ্ভূত গল্প। অমরত্ব এবং আধিপত্যের নেশায় একেরপর এক ভৌতিক বলির শিকার হয় অনেক মানুষ যার অধিকার বহন করে আসছে ছোট বেলা থেকে রুপমের ছোট ভাই রুশান;সে কথাও রুপম জানতে পারে অনেক পরে। এবং এই সকল রমহর্ষক সত্যের উদঘাটন,এই অপশক্তির বিনাশ করতে যেয়ে রুপমের সামনে আসে আরো নতুন মানুষ,পুরোনো ইতিহাস;উপস্থিত হতে থাকে বিপদ,বিপত্তি। কিন্তু এই সকল বিঘ্ন জয়ের মূলে রয়েছে রুপমের আগন্তক সু-চিন্তাশৈলি যার ফলে সে অন্তিমে পৌঁছায় যে অন্তিমে সে খুব ভয়াবহতা যাপনের মধ্য দিয়ে এই রমহর্ষক ভয়ের সমাপ্ত করে। বই প্রসঙ্গ কথা:এই বইয়ের শেষটা এমন ছিল,বইটি যখন পড়া শুরু করি,শেষে এসে ভাবিওনি এমনটা হবে কারণ শুরুটা ছিল একদমই বিপরীত ধরনের;শুরুতে কেউ বুঝতেই পারবে না শেষে এমনটা হতে পারে।পৃষ্ঠা সংখ্যা কম হলেও এই বইয়ের মধ্যকার কাহিনীতে সামঞ্জস্যতা রেখে লেখক যে আবির্ভাব ঘটিয়েছেন তা শেষ করতে ইচ্ছে কিছুটা ব্যাকুল হবে যা কাহিনীর গভীরতার পরিচয় বহন করে। একজন নতুন লেখক হিসেবে এমন সুন্দর শব্দশৈলি,শব্দনৈপূ্ণ্যতা ঘটিয়েছেন তা চমৎকার বটে। পরিশেষে বইটি সুন্দর এই মন্তব্য করে পর্যালোচনা শেষ করছি সেই সাথে লেখিকার জন্য শুভকামনা এবং দোয়া!"
Raju Ahammed , Jan 31, 2023
"ধরুন, মধ্যরাত। আপনার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। পরীক্ষার কারণে হাসপাতালে যেতে পারেন নি। টেনশনে ঘুম আসছে না। হঠাৎ আপনার ফোন বেজে উঠলো। ফোন রিসিভ করতেই ফোনের ওপাশ থেকে মেয়ে কন্ঠে ভেসে এলো, "আচ্ছা বলুন তো, ব্লেড দিয়ে কব্জির শিরায় পোঁচ দিলে ভালো হবে নাকি গলায় পোঁচ দিলে ভালো হবে?'' বিষয়টা কি নেহাত'ই কারো ফাজলামি হিসেবে ছেড়ে দেবেন নাকি সিরিয়াসলি নিবেন? সাধারণত প্রাঙ্ক কল মনে করতে পারেন তবে আপনার একান্ত ব্যক্তিগত খবরাখবর যদি হড়হড় করে বলে দেয় তবে একটু নড়েচড়ে বসতেই হবে আপনাকে। "বারোটা বেজে বাইশ" উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র রুপম। তার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা এরকমই ঘটেছে। মাঝরাতে তার ফোনে কল আসে। কল রিসিভ করতেই ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে আসে, আচ্ছা বলুন তো, ব্লেড দিয়ে কব্জির শিরায় পোঁচ দিলে ভালো হবে নাকি গলায় পোঁচ দিলে ভালো হবে? রুপম প্রাঙ্ক ভেবে কল কাটতে গেলে মেয়েটি যা বলে তাতে সে রীতিমত ভড়কে যায়। ফোনের ওপাশের মেয়ে কন্ঠ'টির নাম জয়িতা। মেয়েটার প্রতি কৌতূহল জাগে রুপমের। কৌতূহল থেকে বাড়ে যোগাযোগ। তার স্বাভাবিক জীবন অস্বাভাবিক হতে শুরু করে। সম্মুখীন হতে হয় একের পর এক অস্বাভাবিক ঘটনার। গল্পের রহস্যজাল সেখান থেকেই শুরু। রুপম ক্রমশ রহস্যের গভীরে জড়াতে থাকে এবং শেষান্তে ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। তার সামনে উঠে আসে ভয়ংকর অতীত। তার সাথে ঘটে যাওয়া ব্যাপারগুলোর জন্য জয়িতা নয় বরং তার অতীত দায়ী। জয়িতা কেবল সূচনা মাত্র। কি সেই রহস্য? রুপম কি শেষটাই রহস্যের জাল উন্মুক্ত করতে পারে কিনা সেটা জানতে আপনাকেও পড়তে হবে "বারোটা বেজে বাইশ" উপন্যাস'টি। পুরো উপন্যাস জুড়েই নেশায় বুঁদ হয়ে ছিলাম। লেখিকা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রহস্যের আঁচ রেখে রেখে উপন্যাসের ইতি টেনেছেন। প্রেক্ষাপটের অমিল তেমন চোখে পড়েনি। নবীন লেখিকা হিসেবে লেখিকার এ'গুণ প্রশংসনীয়। ভুতুড়ে গল্প হলেও শেষটাই দারুণ শিক্ষণীয় ব্যাপার উঠে এসেছে। বিস্তারিত বলছি না, এক শব্দে বলি সেটা হচ্ছে "লোভ"। লোভের কারণে কত গুলো জীবন ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে, খুব বাজে ভাবে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে তাই বর্ণনা করে হয়েছে উপন্যাসজুড়ে। উপন্যাসঃ বারোটা বেজে বাইশ লেখিকাঃ Nabiha Nupur প্রকাশনীঃ চিলেকোঠা মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৩০ টাকা বুক রিভিউ || রাজু আহাম্মেদ (১২ মার্চ, ২০২৩)"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"বারোটা বেজে বাইশ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: