১ম সংস্করণ, ১৯৯১
আত্মচরিত
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
হ্যান্ডবুক অফ ইনস্ট্রুমেন্টাল এন্ড প্র্যাকটিক্যাল প্যাথোলজি
ডাঃ অজিত কুমার ভুঁইয়া
অত্যাধুনিক ফিজিওলজী শিক্ষা (হিউম্যান ফিজিওলজী)
এ. কে. চাকলাদার
All in One English Core Class 12
পারনীত কৌর
Santiago Calatrava: Complete Works, Expanded Edition
অ্যালেক্সান্ডের জোনেস
ভাষা বিচিত্রা
ড. দেবেশ কুমার আচার্য্য
জল-সরবরাহ প্রযুক্তি-বিদ্যা: গ্রামীণ জল-সরবরাহ ব্যবস্থাসহ
নীহার কান্তি সামন্ত
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আত্মচরিত |
| Author | জওহরলাল নেহেরু |
| Publisher | আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত) |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ১৯৯১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 477 |
| Country | ভারত |
| Language | বাংলা |
| Category | পশ্চিমবঙ্গের বই |
| Weight | 0.75 Kg |
| ISBN | 9788170662907 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
13 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Rahman Ferdinand , Aug 25, 2017
"পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর এলাহাবাদে। তাঁর প্রথম শিক্ষার পাঠ বাড়িতেই গৃহ শিক্ষদের কাছে। পনেরো বছর বয়সে তাঁর ইংল্যান্ড যাত্রা। হ্যারো-তে দু’বছর থাকার পর তিনি কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন প্রকৃতি বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনার জন্য। এরপর তিনি ব্যারিস্টারির কাজ শুরু করেন। ১৯১২ সালে দেশে ফিরেই তিনি সরাসরি রাজনীতির সংস্পর্শে চলে আসেন। ছাত্রাবস্থা থেকেই বিদেশী ঔপনিবেশিকতা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম তাঁকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করত। আয়ারল্যান্ডের সিন ফিন আন্দোলনের বিষয়ে জানতে তিনি খুবই উৎসাহী হয়ে ওঠেন। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই ভারতে ফিরে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে তিনি যুক্ত হয়ে পড়েন। ১৯১২ সালে একজন প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বাঁকিপুর কংগ্রেসে উপস্থিত ছিলেন। ১৯১৯ সালে এলাহাবাদের হোম রুল লিগে তিনি সম্পাদক পদে নিযুক্ত হন। মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয় ১৯১৬ সালে। গান্ধীজির আদর্শ তাঁকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। ১৯২০ সালে উত্তর প্রদেশের প্রতাপগড় জেলায় কিষাণ মার্চ সংগঠিত করেন তিনিই। ১৯২০-২২-এর অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলিতে তিনি দু’বার কারাবরণ করেন। পণ্ডিত নেহরু নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন ১৯২৩-এর সেপ্টেম্বরে। পরে, ১৯২৬ সালে তিনি ইতালি, স্যুইজারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম, জার্মানি ও রাশিয়া সফরে যান। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস্-এ কংগ্রেস অফ অপ্রেজড ন্যাশনালিটিজ-এ তিনি উপস্থিত ছিলেন। ১৯২৭ সালে মস্কোয় অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের দশম বার্ষিকীতেও তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এর আগে ১৯২৬ সালে মাদ্রাজ কংগ্রেসে স্বাধীনতাই যে কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য তা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ায় ১৯২৮ সালে লক্ষ্নৌতে তাঁর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ করা হয়। ঐ বছরই ২৯ আগস্ট সর্বদলীয় কংগ্রেসে তিনি অংশগ্রহণ করেন এবং ভারতীয় সংবিধানের সংস্কার সম্পর্কিত নেহরু রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন। এই রিপোর্টটির নামকরণ করা হয় তাঁর পিতা শ্রী মতিলাল নেহরুর নামানুসারে। ঐ বছরই তিনি ‘ইন্ডিপেন্ডেস ফর ইন্ডিয়া লিগ’ প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতের সঙ্গে ব্রিটিশের সমস্তরকম সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়ে এই দলটি আন্দোলন শুরু করে। জওহরলাল ছিলেন লিগের সাধারণ সম্পাদক। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের লাহোর অধিবেশনে পণ্ডিত নেহরু সভাপতি নির্বাচিত হন ১৯২৯ সালে। ঐ অধিবেশনে ভারতের জন্য পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানানো হয়। লবণ সত্যাগ্রহ-সহ কংগ্রেসের অন্যান্য আন্দোলনে যুক্ত থাকার জন্য ১৯৩০-৩৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় তাঁকে কারাবরণ করতে হয়। আলমোড়া জেলে থাকার সময় ১৯৩৫-এর ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি তাঁর আত্মজীবনী লেখার কাজ শেষ করেন। মুক্তি পাওয়ার পরেই তিনি স্যুইজারল্যান্ড যান তাঁর অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে। ১৯৩৬ সালের ফেব্রুয়ারি -মার্চে তিনি সফর করেন লন্ডন। ১৯৩৮-এর জুলাইয়ে গৃহযুদ্ধের সময় তিনি স্পেন সফর করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরতির সময় তিনি চিনেও যান। ১৯৪০ সালের ৩১ অক্টোবর বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণে ভারতকে বাধ্য করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু করার অপরাধে পণ্ডিত নেহরুকে কারারুদ্ধ করা হয়। পরে, ১৯৪১ সালে অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে তাঁকেও মুক্তি দেওয়া হয়। ১৯৪২-এর ৭ আগস্ট বোম্বাইয়ের কংগ্রেস অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভারত ছাড়ো আন্দোলনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন পণ্ডিত নেহরু। পরেরদিনই, অর্থাৎ ৮ আগস্ট অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আহমেদনগর দূর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর এই কারাবাসের সময় ছিল সুদীর্ঘ এবং এটাই ছিল তাঁর শেষবারের মতো কারাবরণ। সারা জীবনে তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল ন’বার। ১৯৪৫ -এর জানুয়ারিতে মুক্তিলাভের পর আজাদ হিন্দ ফৌজের যে সমস্ত অফিসার ও জওয়ান দেশদ্রোহিতার অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছিলেন তাঁদের আইনগত স্বার্থ রক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন পণ্ডিত নেহরু। তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর করেন ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে। চতুর্থবারের জন্য তিনি কংগ্রেস সভাপতি নিযুক্ত হন ১৯৪৬ -এর ৬ জুলাই। পরবর্তীকালে ১৯৫১ -৫৪ সাল পর্যন্ত আরও তিনবার তিনি এই পদে নির্বাচিত হন। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আদর্শবাদী, পন্ডিত এবং কূটনীতিবিদ নেহরু ছিলেন একজন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। লেখক হিসেবেও নেহরু ছিলেন বিশিষ্ট। ইংরেজীতে লেখা তাঁর তিনটি বিখ্যাত বই- 'একটি আত্মজীবনী'(An Autobiography), 'বিশ্ব ইতিহাসের কিছু চিত্র'(Glimpses of World History), এবং 'ভারত আবিষ্কার'(The Discovery of India) চিরায়ত সাহিত্যের মর্যাদা লাভ করেছে। “আত্মচরিত” গ্রন্থটি জওহরলাল নেহেরুর আত্মজীবনী। আত্মচরিতটি লেখা তাঁর দীর্ঘ কারাবাসকালীন সময়ে, যখন চারপাশ থেকে তাকে শূন্যতা , নিঃসঙ্গতা পেয়ে বসেছিল। পুরো আত্মজোবনীটি ৫২ টি অধ্যায়ে ভাগ করা। “কাশ্মীর হইতে অবতরণ” থেকে শুরু করে “স্বাধীনতা ও স্বায়ত্বশাসন” পর্যন্ত। (তথ্য ও লিখা সংগ্রহীত)"
Shawon Shafi , Aug 13, 2017
"“আত্মচরিত” গ্রন্থটি জওহরলাল নেহেরুর আত্মজীবনী। এই গ্রন্থটিকে আমাদের উপমহাদেশের ইতিহাসের সূতিকাগার বললেও ভুল বলা হবে না। জওহরলাল নেহরুর জন্ম এমন এক সময়ে , এমন এক পরিবারে – যে সময়ে নেহেরু পরিবার ক্রমশ রাজনীতির দিকে ঝুঁকছে। রাজনৈতিক আন্দোলনের সাথে জড়িয়ে পড়ছে, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন দিন কে দিন উত্তাল হয়ে উঠছে। ইতিহাসের এই অগ্নিঝরা সময়ে আত্মপ্রকাশ ঘটল উপমহাদেশের ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে থাকা এক রাজনৈতিক প্রজ্ঞা জওহরলাল নেহেরু, যা সময়ের দাবি ছিল। এই আত্মজীবনী শুধু জওহরলাল নেহেরুরু ব্যক্তিগত আত্মজীবনী না বলতে গেলে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস। জওহরলাল নেহেরুরু এই আত্মচরিত নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুব উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন এবং তিনি নেহেরুজ্বীকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। আত্মচরিতটি লেখা তাঁর দীর্ঘ কারাবাসকালীন সময়ে, যখন চারপাশ থেকে তাকে শূন্যতা , নিঃসঙ্গতা পেয়ে বসেছিল। পুরো আত্মজোবনীটি ৫২ টি অধ্যায়ে ভাগ করা। “কাশ্মীর হইতে অবতরণ” থেকে শুরু করে “স্বাধীনতা ও স্বায়ত্বশাসন” পর্যন্ত। নেহেরু পরিবার ছিলেন, কাশ্মীরের ব্রাহ্মণ পরিবার। ১৭’শ শতকের প্রথমদিকে আরও অর্থ, প্রতিপত্তি লাভের জন্য পর্বতের উপত্যকা থেকে সমতলে অর্থাৎ দিল্লীতে চলে আসেন। ফারুকসিয়ার দিল্লীর সিংহাসনে, পতনন্মোখ মুঘল সাম্রাজ্য। সম্রাটের অনুরোধের তাঁর পূর্বপুরুষগন থাকার জায়গা পান। একই খালের (নহর) থেকেই তাঁর পূর্বপুরুষ কাউল দের নামের সাথে উপাধি হিসেবে নেহেরু যোগ হয়। পরবর্তীতে শুধু নেহেরু উপাধিটাই থেকে যায়। এভাবে একদম নেহেরু পরিবারের গোড়াপত্তন থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে তাঁর শৈশব তৎকালীন সময়, সমাজ ব্যবস্থা, অধ্যয়নকাল, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশগমন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, বিবাহ, গান্ধীজীর অভ্যুদয়, অসহযোগ, কারাবাস, সাম্প্রদায়িকতা, স্বাধীনতা, স্বাধীনতা উত্তর পরিস্থিতি সব কিছু তাঁর গভীর অনুধাবনের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করেছেন। জওহরলাল নেহেরুর এই আত্মচরিত হচ্ছে আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসের সূতিকাগার। বাংলাসহ পৃথিবীর নানা ভাষায় এই আত্মচরিত অনূদিত হয়েছে। মাস্টরিড বইগুলোর একটি।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আত্মচরিত" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: