১ম প্রকাশ, ২০১৭
আরণ্যক
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আরণ্যক |
| Author | বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | বিশ্বসাহিত্য ভবন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 188 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.29 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
23 Ratings and 16 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৬টি
Keshob paul korno , Oct 16, 2022
"good"
Shohag Tanoy , Aug 23, 2022
"ভাল।"
Surmila Babli , Jan 30, 2022
"চমৎকার একটা বই এটা। এই বইটা পড়ার সময় অনুভব করেছিলাম এমন কোন অরণ্যে যেতে পারতাম!"
Digonta rajbongshi , Dec 14, 2021
"অসাধারণ বই, বিভূতিভূষণ মানেই চমৎকার।"
Abid Hassan Niloy , Aug 7, 2021
"One of the best book of my collection 🥰..thank you Progoty.. Quality was so fine"
Syed Ridwan Ahmed , Mar 15, 2021
"আরণ্যক শব্দের অর্থ অরণ্য সম্পর্কীয়। পুরো বইটি সর্বত্র ঘিরে ছিল প্রকৃতি। গহীণ অরণ্যে জীবণযাপন , বিভিন্ন ধরনের মানুষ , হরেক রকম গাছপালা , পশু-পাখি। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি তার রচনায় ফুটিয়ে তুলতেন সমাজের অতি সাধারণ মানুষের চিত্র, সাধারণ মানুষের দারিদ্রতার প্রতিচ্ছবি। আরণ্যক বইটিও তার ব্যাতিক্রম নয়। শুধু পার্থক্য হচ্ছে আরণ্যকের পটভূমি গড়ে ওঠেছে আমাদের গ্রাম – শহর হতে দূরে । সুদূর এক অরণ্যের গহীনে। ফুটে ওঠেছে পাহাড়ীদের জীবণ। সেখানের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই । সেই লড়াই কখনো পাহাড়ী জন্তু জানোয়ারের সাথে, কখনোবা তীব্র ক্ষুধা মেটাতে দারিদ্রতার সাথে। “সত্যচরণ” নামক চরিত্র দিয়ে উপন্যাসের শুরু । কলকাতার আট-দশজন সাধারণ মানুষের মতো গ্রাজুয়েশন শেষ করে চাকরী খুজেছিল সে। টাকা পয়সার সঙ্কট ছিল অনেক। ঠিক এমনই এক সময় তার এক বন্ধু এক চাকরী দিল কিন্তু সে চাকরী করতে হলে তাকে থাকতে হবে শহর হতে দূরে এক অরণ্যে। আর্থিক সঙ্কটের জন্য সে রাজি হয়েছিল। তার পর সত্যচরণের চোখের মাধমে ফুটে ওঠেছে সেখানের মানুষদের দারিদ্রতা। আমরা ভাবি কলকাতার মানুষ দারিদ্র। কিন্তু সেখানে তিনি দেখিয়েছেন যে একটি কড়াই পেলে মানুষ কত খুশি হতে পারে। সাঁওতাল রাজকন্যা ভানুমতীকে সঙ্গী বানানোর মনোবাসনাও ছিল তার। এভাবেই নানা প্রকার মায়ায় জড়িয়ে যায় সে , যেতে মন চায় না আর জনমানবপূর্ণ কলকাতায়।"
Segufta Mahi Mollick , Jul 31, 2020
"This book was mesmerising ."
Galiba Yesmin , Apr 29, 2020
"বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালী কথাসাহিত্যিক। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। "আরণ্যক" উপন্যাসের নামই উপন্যাসের মূল কথা বলে দিচ্ছে। 'সত্যচরণ' চরিত্র দিয়ে উপন্যাসের শুরু যে পড়া লিখা শেষ করে আজকালকার সাধারণ যুবকদের মতোই চাকরীর খোঁজ করছিল বিভিন্ন জায়গায়, এমন সময় হুট করেই তার এক বন্ধু তাকে জঙ্গলে চাকরী দেয়। প্রথমে সে অনেক ভাবছিল কি করে শহরের মানুষ হয়ে জঙ্গলে থাকবে বা কীভাবে তার সময় পার করবে কিন্তু যতই দিন যেতে লাগলো জঙ্গলের প্রতি তার ভালো লাগা গভীর হতে থাকলো। তার সামনে একের পর এক চরিত্র গুলো আসতে থাকে, বন-জঙ্গল এর রহস্য তাকে ঘিরে ধরতে থাকে। কখনো বাঘের ভয়, কখনো বন্যমহিষের সব ভয় এক হয়ে তার এক একটা দিন এক একটা বছর খুব রোমাঞ্চক ভাবে তার কাটতে থাকে। তার ভাগ করে দেয়া জঙ্গলের জমিতে মানুষ গুলো ফসল চাষ করতে থাকে। পাহাড় - নানান রকম গাছ - পশু- পাখি -ঝর্না - পাহাড়ি মানুষ- সেসব মানুষদের কথা- সংস্কৃতি সব কিছুর একার দর্শক হয়ে থাকে সত্যচরণ সে সব মুগ্ধ হয়ে চোখ ভরিয়ে দেখে নিতে থাকে কিন্তু কখনো তাদের সাথে গভীর আরণ্যে ডুবে যেতে পারে না কারণ তার চাকরী শহুরে লোক সামান্য চাকুরীর জন্য সেখানে গিয়েছে, জঙ্গলে তার কোন স্থান নেই। শেষ সময়ে যখন তিনি পেছন ফিরে তাকিয়ে ছিল তখন নিজের অজান্তেই চোখের কোণে অশ্রু এসেছিল কারণ তিনি না চাইতেও প্রকৃতি মাকে খণ্ডে খণ্ডে ভাগ করে এক বীভৎস রূপে সাজিয়ে ফেলেছিল কারণ সেটাই তার চাকুরীর কাজ ছিল। যদিওবা তারও ইচ্ছে হয়েছিল সাঁওতাল রাজকন্যা ভানুমতীকে জীবনসঙ্গী বানিয়ে তাদের সাথেই আরণ্যের গর্ভে ডুব দিতে কিন্তু তিনি পারেনি নিজের গণ্ডী পার হতে, পারেনি অজানা একটা শৃঙ্খল ভাঙতে। উপন্যাসটি পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমি নিজেই সত্যচরণ হয়ে গেছি , আমি বনে-জঙ্গলে ঘোড়ায় চড়ে বেড়াচ্ছি -পাহাড়ি মানুষদের সাথে কথা বলছি-অবাক চোখে সব দেখছি; বইটা পড়া মুহূর্তের সময় গুলো আমার মুগ্ধতায় কেটেছে, বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় খুব সূক্ষ্ম - সুনিপুণ ভাবে উপন্যাসটি রচনা করেছেন কারণ প্রকৃতির সৌন্দর্য কাগজে কলমে বর্ণনা করা বেশ কঠিন কাজ। 'আরণ্যক' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর রচিত চতুর্থ উপন্যাস। ১৯৩৯ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিহারে তার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে উপন্যাসটি রচনা করেন। উপন্যাস পড়া শেষ করে ভেবেছিলাম-অনেক সুন্দর করে অনেক কথায় অনেক গুছিয়ে একটা প্রতিক্রিয়া লিখবো কিন্তু এখন লিখতে বসে সেসব কিছুই লিখতে ইচ্ছে করছে না কারণ আমি চাচ্ছি যারা এখনো বইটি পড়েনি তারা যেন আমার প্রতিক্রিয়া পড়ে কিছুটা বিরক্ত নিয়ে বা আমি যা বলেছি সেসবের সত্যতা খোঁজার জন্য হলেও বইটি পড়ে দেখে, আমি চাই সবাই বইটি পড়ুক আমার মতো মুগ্ধ না হোক অন্ততঃ জানুক আরণ্যক নামক উপন্যাসে আরণ্যের ছোঁয়া আছে। শুভ হোক আপনার পাঠ্য কার্যক্রম।"
Md Sharafat kabir , Mar 16, 2020
"কি রহস্যময়তা! কি প্রাণোচ্ছল সজীবতা, কি অপূর্ব বৈচিত্র্যময় অরণ্যভূমি ধরা পড়েছে এই উপন্যাসে ...... উপন্যাস পড়ার শেষ এ কত শত বার যেন সেই " লবটুলিয়ার জঙ্গল", "ভিমদাস টোলা", "ফুলকীয়া বইহার", "পিরিপৈতি পাহাড়", "মিছি নদী", "আজমাবাদ ও নাড়া বইহারের সেই জনহীন বনপ্রান্তরে ঘুরে ঘুরে বেড়িয়েছি.... "কোনো অবসর দিনের শেষে সন্ধ্যায় ঘুমের ঘোরে এক সৌন্দর্যভরা জগতের স্বপ্ন দেখিয়াছিলাম , পৃথিবীতে তেমন দেশ যেনো কোথাও নেই""
farhad ahmed , Jan 9, 2020
"অ্যান্থনী মাসকারেনহাস একাত্তরের এপ্রিলে পূর্ব পাকিস্তানের অবস্থা দেখতে এসেছিলেন স্বচক্ষে। ঢাকা এবং এর আশপাশে ঘুরে শিউরে উঠেছিলেন পাকিস্তানি বর্বরতায়। পেশাগত দায়বদ্ধতা থেকেই হোক বা বিবেকের দায়ে, নিপীড়িত বাঙালির পক্ষে কলম ধরেছিলেন সাহসী এই সাংবাদিক। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে 'দি সানডে টাইমস' পত্রিকার মাধ্যমে বহির্বিশ্বে এই নির্মম গণহত্যার খবর ছড়িয়ে দেন। পরবর্তীতে "দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ"এ মুক্তিযুদ্ধ সূচনার পটভূমি, শাসকগোষ্ঠীর হটকারিতা এবং যুদ্ধে পাকিস্তানি নির্মমতার চিত্র তুলে ধরেন। সেই সাথে বাঙালির মুক্তির আশাবাদ ব্যক্ত করে শেষ করেন বইটি। "দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ" বইটিতে লেখক তার সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতায় ৪৭ হতে ৭১ সালের পাকিস্তানি নেতাদের অভিসন্ধি- দূরভিসন্ধি বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। ছয়দফা, ৭০ সালের নির্বাচন, ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার কূটকৌশল, ভুট্টোর ক্ষমতার লোভ, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, জনগণের অপরিহার্য স্বাধীনতার দাবী, সর্বাত্মক হরতাল পালন, কিছু বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নমনীয়তা এবং সেই সুযোগে পাক বাহিনীর বাঙালিদের উপর ঝাপিয়ে পড়ার নির্মম কাহিনী লিখেছেন অ্যান্থনী। ৪৭ সালের ধর্মভিত্তিক দেশভাগ মেনে নিয়ে স্বাধীন দেশে সুখে থাকার যে স্বপ্ন দেখেছিল সাধারণ মানুষ, সেই স্বপ্ন পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। এমনকি শুধু পূর্ব বাংলায় নয়, পাকিস্তানের অন্যান্য প্রদেশেও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছিল একাধিকবার। দেশের আমলাতান্ত্রিক দূর্নীতি, দুই পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য, নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা দেখে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বুঝে গিয়েছিল স্বাধীনতার বিকল্প নাই। অ্যান্থনীর উপস্থাপন ভঙ্গি নির্মোহ। সত্যের পক্ষে কলম তুলে নিয়েছেন। দেশের দুই অংশের নেতাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে মিশবার সুযোগ হয়েছিল তার। সেই আলোকে তাদের গুণ, দোষ, দূর্বলতা তুলে ধরেছেন। দেখিয়েছেন ধর্মের নাম করে বাঙালিদের প্রতি অবজ্ঞা দেখালেও ব্যক্তিজীবনে ধর্মের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানিদের ছিল সীমাহীন উদাসীনতা। ক্ষমতার লোভে ভুট্টো - ইয়াহিয়ার বিভিন্ন কূটকৌশল নিয়ে সাংবাদিকসূলভ আলোচনা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতি প্রগাড় শ্রদ্ধা যেমন দেখিয়েছেন তেমনি সব বিষয়ে তার নমনীয়তা দেখানোর প্রবণতার সমালোচনাও করেছেন। বহির্বিশ্বের কাছে গণহত্যার চিত্র ধামাচাপা দিতে যে গোয়েবলসীয় প্রপাগণ্ডার আশ্রয় নিয়েছিল পাকিস্তানি সরকার তাও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছেন এই বইটিতে। "দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ" বইটিতে তৎকালিন বাংলাদেশের অবস্থাকে 'রেইপ' বলে অভিহিত করেছেন লেখক। শাসনের নামে বাংলাদেশের মানুষের উপর যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ব্যভিচার চালিয়েছিল পাকিস্তানিরা তাকে রেইপ শব্দ দিয়েই যথাযথভাবে উপস্থাপন সম্ভব। মূলত পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের ভৌগোলিক, ভাষাগত, চিন্তা, চেতনা, সংস্কৃতিতে যে ব্যবধান ছিল পশ্চিমাদের শোষণনীতি সেই ব্যবধানকে আকাশচুম্বী করে তুলেছিল। যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের জীবন কেড়ে নেয়া হয়েছিল, উদ্বাস্তু হয়েছিল প্রায় কোটি মানুষ। এই ধ্বংস স্তুপের মাঝে দাঁড়াতে চেষ্টা করা একটা জাতির কিছু কথা নিয়ে লেখা "দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ""
MD. Shoriful Islam , Jan 3, 2020
"বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন কালজয়ী উপন্যাসিক এবং গল্পকার। তার অমর সৃষ্টি পথের পাঁচালী। প্রকৃতি বর্ণনায় তিনি ছিলেন অনবদ্য। প্রকৃতি বর্ণনার অসাধারণ ক্ষমতা পরিলক্ষিত হয় তার আরণ্যক উপন্যাসে। ভাদ্রের এই মিষ্টি দিনে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক উপন্যাস পাঠককে এক অন্যরকম ভালো লাগা প্রদান করতে সমর্থ হবে।"
Dr. Asif Shufian Arnab , Dec 27, 2019
"আরণ্যক উপন্যাস শেষ করলাম। এখনো মনের ভেতর থেকে শেষ হয়নি!বইটির এক পৃষ্ঠা কয়েকবার করে আমার পড়তে হয়েছে। লেখা বুঝতে কষ্ট হয়েছে তা নয়, প্রতিটি শব্দের ব্যবহার, বাক্যের গঠন আমাকে মুগ্ধ করে ছেড়েছে। একবার পড়লে যেন তৃপ্তি মেটেই না। বারবার পড়তে মন চায়। উচ্চারণ করে নিজের কানে সে শব্দের ধ্বনি শুনতে ভালো লাগে।"
Salman Mahadi , Dec 11, 2019
"বইঃ আরন্যক লেখকঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘গভীর রাত্রে ঘরের বাহিরে একা আসিয়া দাঁড়াইয়া দেখিয়াছি, অন্ধকার প্রান্তরের অথবা ছায়াহীন ধূ-ধূ জ্যোছনা ভরা রাত্রির রুপ। তার সৌন্দর্যে পাগল হতে হয় – একটুও বাড়াইয়া বলিতেছিনা। আমার মনে হয় দুর্বলচিত্তের মানুষ যাহারা তাহাদের পক্ষে সে রুপ না দেখাই ভাল, সর্বনাশী রুপ সে, সকলের পক্ষে তার টাল সামলানো বড় কঠিন’। ঠিক বই এর রিভিও না। বলতে গেলে আমার বই পড়ার অনুভূতি ব্যক্ত করলাম। আপনি যদি প্রকৃতি ভালবেসে থাকেন তাহলে বইটি আপনার জন্যই। আর যদি এতটাও ইন্টারেস্টেড না হন তাহলেও বইটা আপনাকে মুগ্ধ করবে। সত্যচরণকে উপন্যাসের শুরুতে গোষ্ঠচরণবাবু বলেছিলেন ‘জঙ্গল আপনাকে পেয়ে বসবে’। আর লেখকের ক্ষেত্রে যেমন কথাটা সত্য হয়েছিলো তেমনি পাঠক হিসেবেও সত্যিই বইটা আমাকে পেয়ে বসেছিলো। উপন্যাসের শুরুতে বেকার সত্যচরণকে তার বন্ধু অবিনাশ এর বাবা জমিদার কাছারিতে একটা চাকুরি দেন পূর্ণিয়া জেলায়।আর এতে সত্যচরণ রাজিও হয়ে যায়।কিন্তু নতুন জায়গায় এমন নির্জন পরিবেশে লেখকের মন দমে যায়। কিছতেই নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেনা। কিন্তু আস্তে আস্তে যেন প্রকৃতির মোহে নিজেকে হারাতে দেখে সত্যচরণ। এভাবেই এগোতে থাকে লেখকের লুবটলিয়ার দিনগুলো। উপন্যাসে প্রকৃতিই আসল চরিত্র যে অন্য চরিত্রগলোকে তার মাঝে বেড়ে উঠতে দিয়েছে। মটুকনাথ এর পাঠশালা, যুগলপ্রসাদের ফুল গাছ লাগানোর পাগলামি, বড় নকছেদি, মঞ্চি, রাজু পাড়ে, দরিদ্র কুন্তা এই সবগুলা চরিত্র লেখক যেন জীবন্ত করে তুলেছেন। এই বইটা পড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম বলতে গেলে। সত্যচরণের মতো যদি প্রতিদিন ঘোড়ায় চড়ে প্রকৃতিতে ঘুরে বেড়াতে পারতাম। কিংবা যুগলপ্রসাদের মতো নানান জায়গা থেকে ফুল এনে নিজের মতো প্রকৃতিতে বাগান করতে পারতাম। ‘সরস্বতী কুণ্ডে’ মন কাড়া ফুলের গন্ধে নিজেকে হারিয়ে ফেলতাম যদি। হয়তবা নীল গায়ের দেবতার সাথে সাক্ষাত করতে পারতাম। পাহাড়ের রাজকন্যা ভানুমতির সাথে গড়তে পারতাম ভালবাসার বন্ধন।রাত জেগে বন্য প্রাণীর ডাক শুনা, হয়ত বাঘ কিংবা হিংস্র নেকড়ের আওয়াজ শোনা এসবের মাঝে নিজেকে কল্পনা করতে ভালই লেগেছে। প্রকৃত্রি বাইরে উপন্যাসে লুবটলিয়ার মানুষের দারিদ্র্যতার দিকটিও ফুটে উঠেছে। যে মানুষগুলো একবেলা ভাত খেতে পারেনা, ছাতু, কলাই সিদ্ধ যাদের প্রতিদিনকার খাবার, প্রচন্ড শীতে শুধু একটা চাদর গায়ে থাকে তাদের কথা ভাবলে মনের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠে। উপন্যাসের পরিসমাপ্তিটা বেদনাদায়ক। আর সেটা জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে বইটি। (‘আরণ্যক’ উপন্যাস বিভূতিবাবুর এক অনবদ্য সৃষ্টি। যেটা পড়ে উনার লিখনির প্রতি নতুন করে ভালবাসা জেগেছিল। ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত এটি তার চতুর্থ উপন্যাস। বইটি লেখকের কর্মজীবনের এক অংশের অভিজ্ঞতার আলোকে লিখা।)"
Sagar Mallick , Oct 28, 2019
"" আরণ্যক - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের " উপন্যাস মানে বানানো গল্প আর কল্পনালোকের বিবরণ কিন্তু আরণ্যক নিছকি কাল্পনিক কোন পটভূমি নয়। অশিক্ষিত-দরিদ্র-অসহায় মানুষের অদ্ভুত-অজ্ঞাত জীবনধারা আর প্রকৃতির ভিন্নতর এক মুগ্ধতার আবেশ এই কাহিনীর ক্যানভাস। কংক্রিট এর শহরে বসে কল্পনাশক্তিকে জাগ্রত করে গভীর অরণ্যে অবগাহন করতে এই উপন্যাসের জুড়ি নেই। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৯২৮ সালের স্মৃতি কথা থেকে জানা যায় ঐ সময়ে ভাগলপুরে থাকাকালীন 'আরণ্যক' লেখার পরিকল্পনা শুরু করেন। সেই থেকে শুরু করে ৩৯ সাল অবধি চলে এই কাহিনী বইয়ে রূপদানের কাজ। বিভূতিভূষণের রচিত চতুর্থ উপন্যাস এটি যা ১৯৩৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। লেখক বিহারে তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে উপন্যাসটি রচনা করেন। উপন্যাসের নায়ক সত্যচরণ হলেও প্রধান চরিত্র যেন জঙ্গল।কলকাতার রাস্তায় চাকরির জন্য ঘুরে ভেড়ানো এক যুবক যে চাকুরির জন্য চলে আসে সভ্যতা বর্জিত জঙ্গলে। জঙ্গলের রহস্যভরা মঞ্চে প্রতিদিন মঞ্চায়িত হওয়া নাটকের সে শুধুমাত্র একজন দর্শক। যে শুধুমাত্র বাইরে থেকে কেবল এই নাট্যাভিনয় দেখেছে আর তার জ্ঞানে ও অনুধাবন শক্তির প্রয়োগে এই উপন্যাসের কাহিনী বর্ণনা করে গেছে। উপন্যাসের প্রতি পদে পদে রয়েছে জঙ্গলের রম্যরহস্য সব বর্ণনা। প্রকৃতির অসীম সব সৌন্দর্যের আর বর্বরতার বর্ণনা। কাহিনীতে আছে খাদ্যাভাবের কথা, আছে মহামারীর কথা। কী নির্মমভাবে মহামারীতে গ্রামের অগণিত মানুষ অকালে ঝরে পড়ছে। চিকিৎসার অভাব, খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের অভাব, জঙ্গলের বিভিন্ন জনপদে কী ভয়াবহ ইতিহাস গড়ে উঠেছে, তারই বিশ্বস্ত ভাষ্য নির্মাণ করেছেন বিভূতি পরম মমতায় আর অভিজ্ঞতার নির্যাসে। এ যেন এক মহাকাব্যিক কাহিনী! যা বংলা সাহিত্যের সেরা দশ উপন্যাসের একটি। যাপিত জীবনে আমরা অনন্তকাল থেকে পার করে আসছি সমূহ সব প্রতিকূলতা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ-মহামারী- এমনসব নানান সমস্যার কাল দেখতে দেখতে আর মোকাবিলা করতে করতে বনের পর বনের স্থানে নির্মিত হয়েছে মানব-সভ্যতা। "আরণ্যক, হে অরণ্যানীর আদিম দেবতারা,ক্ষমা করিও আমাদের " পর্যটন কিংবা সভ্যতার পথে অগ্রসরতা এ সব কি প্রকৃতির ধ্বংস যোগ্য নাকি সভ্যতা? আরণ্যক-এর ক্যানভাস এরই চিরন্তন সাক্ষ্য বহন করছে।"
Mayesha Chowdhury , Oct 28, 2019
"এটি বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের একটি চিরায়ত উপন্যাস| শিক্ষিত হলেও লেখক প্রথম জীবনে প্রাইভেট পড়িয়ে যৎসামান্য আয় করলেও তা তার যোগ্যতার তুলনায় অতি নগন্য| লেখকের বন্ধুর সহায়তায় লেখক এক জনশূন্য পরিবেশে চাকরি করতে যায় | কিন্তু এতে লেখকের মধ্যে একদিকে যেমন কাজ করে চাকরি পাওয়ার আনন্দ অন্যদিকে নির্জন জনশূন্য প্রকৃতি তাকে ভাবিয়ে তোলে| আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি এই নির্জন প্রকৃতির অভাবনীয় সোন্দর্য্য তাকে ভীষণভাবে আকর্ষণ করে| পরবর্তীতে এই মায়াজাল ছিন্ন করে তার পক্ষে যাওয়া দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে| গ্রামীণ প্রকৃতির অসম্ভব সৌন্দর্য , নানা দুঃখ কষ্টের মধ্যেও সামান্য আকাঙ্ক্ষা পূরণের যে পরিতৃপ্তি তা সত্যি অভাবনীয়|"
Nikhil Chandra Das , Oct 10, 2019
"This book is very much interesting. I liked very much. Thanks for giving us a chance to read this valuable book. I recommend all to read this ."
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটা কি এখন পাওয়া যাবে?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আরণ্যক" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: