১ম প্রকাশ, ২০১৮
আরণ্যক
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আরণ্যক |
| Author | বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | শাহবাজপুর প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৮ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 192 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.34 Kg |
| ISBN | 5855115545 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
22 Ratings and 12 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১২টিAntu Chakraborty , Oct 2, 2026
"best ekta boi"
880****539 , Jul 1, 2026
"বইটি সত্যিই অনেক অসাধারণ। বইটি যখন পড়ছিলাম মনে হচ্ছিল প্রতিটা মুহূর্তেই যেন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম প্রতিটি মুহূর্তের ভেতর দিয়ে আমিও মনে হয় যাচ্ছি। আর প্রতিটি অনুভূতি সেগুলো যেন একান্ত আমারই।"
Sejan Mahmud Mahi , Jun 6, 2026
"উপরের হার্ড কভারটি উন্নত করলে ভালো হয়"
Mohammed Abu Sakib , Jul 9, 2024
"বই: আরণ্যক লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় আরণ্যক নাম শুনেই ধারণা করা যায় যে এটি অরণ্য-সম্বন্ধিত কোনো উপন্যাস। জঙ্গলের মহালের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন তার বর্ণনা রয়েছে এতে। কলকাতার গিঞ্জিতে বাস করা একজন মানুষকে জঙ্গলে চাকুরি করতে হচ্ছে বলে প্রথমদিকে খুবই হতাশ হয়েছিলেন। পরে নিজেই জঙ্গলের প্রেমে পড়ে যান। জঙ্গলের সৌন্দর্য, নানা জাতের ফুল, ফল, জ্যোৎস্নারাত্রি ও পশু-পাখিতে ঠাসা সেই বন দেখে সত্যিই তিনি অভিভূত হন। সবচেয়ে আশ্চর্য হন, সেখানকার মানুষের জীবন-যাপন ও খাদ্যাভ্যাস দেখে। দারিদ্রতা কি জিনিস সেটা আরও একবার অনুভব করলাম। ভাত জিনিসটা তাদের জন্য এক দুর্লভ বস্তু। কলাইয়ের ছাতু, মকাইয়ের ছাতু, খেড়ীর দানা ও বিভিন্ন জাতের শাক সিদ্ধ করে খায়। তাছাড়া কিভাবে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যমন্ডিত একটি বন মানুষের লোভের কারণে ধ্বংস হয় তার বর্ণনাও পাওয়া যায় আরণ্যক উপন্যাসে। লেখক হাজার চেষ্টা করেও এ জঙ্গল রক্ষা করতে না পেরে এক জায়গায় আফসোসের সহিত বলেছেনঃ "এখন কোথাও আর সে রহস্যময় দুরবিসর্পি প্রান্তর নাই, জ্যোৎস্নালোকিত রাত্রিতে যেখানে মায়াপরীরা নামিত, মহিষের দেবতা দয়ালু টাঁড়বারো হাত তুলিয়া দাঁড়াইয়া বন্য মহিষদলকে ধ্বংস হইতে রক্ষা করিত।" ধন্যবাদ।"
Firoz Ahmed , Jan 26, 2023
"সবাই বইয়ের গল্প নিয়ে আলোচনা করে রিভিউয়ে । অধিকাংশ ব্যক্তি বইয়ের মান নিয়ে কথা বলে না কিন্তু আমার মনে হয় রিভিউ দেওয়ার সময় বৌয়ের মান নিয়েও কথা বলা উচিত । তাহলে পরের বারে অন্য কেউ কিনতে লাগলে বুঝে কিনতে পারবে । দাম অনুযায়ী এই বইটার মান অনেক বেশি ভালো ছিল না তবে মোটামুটি ছিল ।"
Alomgir Hosen , Aug 27, 2022
"এক কথায় অসাধারণ"
Bijounpal Paul , Nov 7, 2021
"ভালো লেগেছে আমার কাছে৷"
Nader Nihal , Jun 11, 2021
"nice"
শিমীন রাহমান , Jun 5, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition রিভিউ লেখকঃ শিমীন রহমান বইয়ের নামঃ আরণ্যক লেখকঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যাটাগরিঃ চিরায়ত উপন্যাস ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৮.৫/১০ আকাশে হেলান দিয়ে,পাহাড় ঘুমায় ওই ঐ পাহাড়ের ঝর্ণা আমি ঘরে নাহি রই গো, উধাও হয়ে বই……… জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত এই গানটি যেন 'আরণ্যক' উপন্যাসের সার্থক প্রতিচ্ছবি।'আরণ্যক' যে অরণ্য সম্পর্কিত বই তা সহজেই অনুমেয়। বাংলার কালজয়ী ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর 'আরণ্যক' উপন্যাসে রহস্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মানবজীবনের যে মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন তা এককথায় অপূর্ব। এটি একটি স্মৃতিচারণ মূলক উপন্যাস যেখানে উপন্যাসের কথক সত্যচরণের বর্ণনায় তৎকালীন ভারতবর্ষের পূর্ণিয়া জেলার অংশবিশেষের সৌন্দর্য ও জনজীবনের কথা ফুটে উঠেছে। লেখক ভাগলপুরে অবস্থানকালে সেখানকার অরণ্য,প্রাকৃতিক শোভা ও বনবাসীরা লেখকের মনে যে গভীর ও স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করেছিল এ উপন্যাস তারই ফলশ্রুতি। বিষয়বস্তুর দিক থেকে বিচার করলে আরণ্যক' সরল ও স্বকীয়। উপন্যাসের কাহিনীতে দেখা যায়, বন্ধু মারফত সদ্য চাকরিপ্রাপ্ত তরুণ সত্যচরণ। জমিদারের ম্যানেজার হিসেবে সেই চাকরির খাতিরে তাকে বিস্তৃত এক জঙ্গল ঘেরা জায়গায় প্রায় ছয় বছর অবস্থান করতে হয়।সেখানে সে বনোয়ারী তিওয়ারি, কুন্তা, লাখপতি দিলদরিয়া মহাজন ধাওতাল সাহু, চাষি নকছেদী ভকৎ ও তার পরিবার, বালক নর্তক ধাতুরিয়া, মটুকনাথ, রাজু পাঁড়ে প্রমুখ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মিশেছেন। তাদের জীবনধারণের বৈচিত্র্য সম্পর্কে জেনে বিস্মিত হয়েছে। প্রকৃতির অপার লীলাভূমিতে বাস করেও এর সৌন্দর্য উপভোগের মত চোখ ও মনের অভাব এসব প্রান্তিক লোকেদের মাঝে দেখেছিল সত্যচরণ।তাইতো প্রকৃতি ও বৃক্ষপ্রেমী যুগলপ্রসাদকে তার ভালো লেগেছিল।সরস্বতী কুন্ডীর অরণ্যে তাদের দুজনের একত্রে রোপণ করা নানা ধরনের বৃক্ষ 'আরণ্যক' লেখকের সৃজনশীলতাকে প্রস্ফুটিত করে। জোছনা রাতের অপার্থিব শোভা, সবুজের সমারোহে অবগাহন, বর্ষাসজল আকাশের নিচে ছুটোছুটির আনন্দ,দিগন্ত বিস্তৃত সরিষাক্ষেত,তারা ভরা রাতের রহস্যময়তা, সুউচ্চ পর্বতশ্রেণীর বিশালতা,সুর্যাস্তের লালিমাপূর্ণ আকাশ, বুনো ফুলের মনমাতানো সুঘ্রাণ- এই সবকিছুর প্রতি সত্যচরণের আকর্ষণই লেখক বিভূতিভূষণের নিসর্গপ্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ। কাহিনীর অল্প কিছু অংশে বিদ্যমান ভৌতিক ঘটনাবলী,পরীদের কথা উপন্যাসটিকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। আছে বুনো মহিষের দেবতা টাঁড়বারোর কথাও।পাহাড়ি রাজপরিবারে সত্যচরণের আতিথ্য গ্রহণ পাঠকদেরকে তৎকালীন আদিম রাজা,রাজকুমার,রাজকন্যাদের সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। এছাড়াও ঘাটো,চীনা ঘাস,কলাই ও মকাইয়ের ছাতু প্রভৃতি স্থানীয় গরীব জনগোষ্ঠীর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ধারণা দেয়। ভাষাগত সাবলীলতা ও শব্দ চয়নের দিক দিয়ে 'আরণ্যক' রীতিমতো প্রশংসার দাবিদার। ব্যক্তিগতভাবে আমি প্রকৃতির সৌন্দর্যপিয়াসী মানুষদের একজন। তাই উপন্যাসে বর্ণিত প্রাকৃতিক বর্ণনা আমাকে অভিভূত করেছে। নিজেকে সত্যচরণের জায়গায় কল্পনা করে নিসর্গ ও মানবমনের গূঢ় সম্বন্ধ অনুসন্ধানে তৎপর করেছে। বইটি পড়তে পড়তে আমি যেন বর্ণিত সেই জঙ্গলমহলের রূপ-মাধুর্যের মাঝে হারিয়ে গিয়েছিলাম আর ভাবছিলাম জীবন যেখানে যেমন, তা উপভোগও করতে হয় ঠিক তেমন করেই।আশেপাশের পরিবেশকে, আশেপাশের মানুষদেরকে ভালো না বাসতে পারলে একাকীত্ব কখনোই ঘোচে না। উপন্যাসে বন্যপ্রাণীদের প্রতি লেখকের দয়া ও উদার মনোভাব প্রকাশ পেলেও মানুষের নিরাপত্তার চেয়ে তা বড় হয়ে ওঠে নি। স্থানীয় দোল উৎসব,পাহাড়ি ঝুলনোৎসবে ছেলেমেয়েদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ,ফসল কাটার মেলায় বিভিন্ন স্থান থেকে আগত লোকেদের কর্মসংস্থান নিভৃত অরণ্যের কাছাকাছি থাকা মানুষের সরলতার সুন্দর বহিঃপ্রকাশ। এভাবেই বইপ্রেমী ধৈর্য্যশীল পাঠকদের কাছে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আরণ্যক' হয়ে উঠেছে অনন্য ও চিত্তাকর্ষক। সত্যচরণের মাধ্যমে লেখকের মানবিক মূল্যবোধের উন্নত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অভাবী রাজু পাঁড়ে,মটুকনাথ,গিরিধারীলাল,অসহায় কুন্তা,নকছেদী ভকত প্রমুখ সহায়হীন মানুষের সাথে সত্যচরণের দয়ার্দ্র আচরণ, তাদেরকে জমি ইজারা দিয়ে সহায়তা করা,বিপদে তাদের পাশে থাকার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রতি লেখকের সম্মানবোধ ও দায়িত্বশীলতা ফুটে উঠেছে। তাইতো কলকাতার চিরপরিচিত কোলাহলমুখর পরিবেশ ছেড়ে নাঢ়া,ফুলকিয়ার নির্জন বন্য পরিবেশে এসে লেখক নিজেই স্বীকার করেছেন যে,"যদি সত্য কথা বলিতে হয়,জীবনে ভাবিয়া দেখিবার শিক্ষা এইখানে আসিয়াই পাইয়াছি।(আরণ্যক,তৃতীয় পরিচ্ছেদ-২)" চরিত্র বিশ্লেষণ করে 'আরণ্যক' লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখনী শক্তি বিচার করার মত শ্রেষ্ঠত্ব আমার নেই। তাই উপন্যাসের চরিত্র বিশ্লেষণে আমি যাচ্ছি না। শুধু এতটুকুই বলতে চাই, ঠিক যেখানে যেভাবে যে চরিত্রকে উপস্থাপন করলে উপন্যাসের চিত্ররূপ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফূটে উঠে উপন্যাসটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে,ঠিক সেভাবেই প্রতিটি চরিত্র উপস্থাপন করে লেখক স্বীয় পরিমিতিবোধের স্বাক্ষর রেখেছেন। ভূগোল ও ভূবিদ্যা সংক্রান্ত জ্ঞানের আভাস মিলবে 'আরণ্যক' উপন্যাসের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে। এছাড়াও রয়েছে ১৮৬২ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহের কথা; প্রাচীন ইতিহাস,জ্যোতির্বিজ্ঞান,উদ্ভিদবিজ্ঞান সম্পর্কে লেখকের অনুসন্ধিৎসার জ্বাজ্জল্যমান পরিচয়। ব্রাহ্মণ,ছত্রী,গাঙ্গোতা,দোষাদ প্রভৃতি বিভিন্ন জাতের মানুষের সাথে সত্যচরণ তথা লেখকের অবাধ মেলামেশা তাদের জীবনাচরণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে লেখকের জানার ইচ্ছাকে ব্যক্ত করে। জীবনে যা কিছুর প্রাপ্তিকে সচরাচর লোকে কোনো প্রাপ্তির মধ্যেই গণ্য করে না সেসবও এখানকার ব্রাত্য মানুষদের কাছে মহার্ঘ্য।উদাহরণস্বরূপ- "একখানা লোহার কড়াই যে এত গুণের,তাহার জন্য যে এখানে লোক রাত্রে স্বপ্ন দেখে,এ ধরনের কথা আমি প্রথম শুনিলাম।এত গরীব লোক পৃথিবীতে আছে যে ছ-আনা দামের একখানা লোহার কড়াই জুটিলে স্বর্গ হাতে পায়?" পাহাড়ি রাজকন্যা ভানুমতীর প্রতি সত্যচরণের অনুরাগ জন্মালেও বিবেচনাবোধের কারণে তাকে সে বিয়ে করেনি। এমনকি দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধানো উচ্চবিত্ত মহাজন রাসবিহারী সিং,ছটু সিং,নন্দলাল ওঝার সাথে বোঝাপড়া করে চলার মনোভাবও লেখকের বিবেচনাবোধেরই প্রকাশ। 'আরণ্যক' প্রকৃতির নন্দনকাননের সৌন্দর্যমণ্ডিত কোনো সার্থক চিত্রশিল্পীর নিখুঁত চিত্রকর্মের প্রতিচ্ছবি। অনুপম নৈসর্গিক,মায়াবী বিন্যাস ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর 'আরণ্যক' এর শেষাংশে প্রকৃতিদেবী স্বয়ং ট্রাজেডিক পরিণতির স্বীকার হয়েছে। কারণ শেষপর্যন্ত অরণ্যপ্রেমিক সত্যচরণ নিজেই জমিদারের জমি প্রজা বিলি করে এই অপূর্ব বনবীথির শোভা বিনষ্ট করতে বাধ্য হয়েছিল। আর তার সেই অনুতাপ,দুঃখবোধের স্বতঃস্ফূর্ত স্বীকারক্তির মাধ্যমেই শুরু হয় লেখকের 'আরণ্যক' উপন্যাসের প্রস্তাবনা অংশ। রুদ্র,কদাচিৎ নির্মম প্রকৃতির সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে থাকা সাহসী মানুষদের অর্থপূর্ণ আখ্যান 'আরণ্যক'। নিজেদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থেকে স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর উপন্যাস 'আরণ্যক'। এই উপন্যাসে লেখক প্রকৃতিকে মানুষের চেয়ে বড় করে দেখিয়েছেন। উপন্যাসটি পড়ার পর পাঠকের মনে কেবল নিভৃত-শীতল বনরাজির মুগ্ধতার আবেশই উজ্জ্বল হয়ে থাকে না বরং লেখকের সংস্পর্শে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বেদনাবিধুর জীবনচিত্রও পাঠক মনে জাগায় গভীর সমবেদনা। প্রিয় পাঠক,যারা এতক্ষণ কষ্ট করে রিভিউটি পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি উপন্যাসটি পড়ার আন্তরিক অনুরোধ থাকবে। কেননা এখন করোনায় গৃহবন্দী আমাদের অনেকের জীবন। এমন পরিস্থিতিতে প্রকৃতির অপার সান্নিধ্যে হারিয়ে যেতে 'আরণ্যক' বইটি চমৎকার ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। -শিমীন রহমান ৩য় বর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়"
Md. Abir Hossan , May 8, 2021
"দারুণ"
Prothom dey , May 4, 2021
"অসাধারণ একটি বই"
Syed Ridwan Ahmed , Mar 15, 2021
"আরণ্যক শব্দের অর্থ অরণ্য সম্পর্কীয়। পুরো বইটি সর্বত্র ঘিরে ছিল প্রকৃতি। গহীণ অরণ্যে জীবণযাপন , বিভিন্ন ধরনের মানুষ , হরেক রকম গাছপালা , পশু-পাখি। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি তার রচনায় ফুটিয়ে তুলতেন সমাজের অতি সাধারণ মানুষের চিত্র, সাধারণ মানুষের দারিদ্রতার প্রতিচ্ছবি। আরণ্যক বইটিও তার ব্যাতিক্রম নয়। শুধু পার্থক্য হচ্ছে আরণ্যকের পটভূমি গড়ে ওঠেছে আমাদের গ্রাম – শহর হতে দূরে । সুদূর এক অরণ্যের গহীনে। ফুটে ওঠেছে পাহাড়ীদের জীবণ। সেখানের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই । সেই লড়াই কখনো পাহাড়ী জন্তু জানোয়ারের সাথে, কখনোবা তীব্র ক্ষুধা মেটাতে দারিদ্রতার সাথে। “সত্যচরণ” নামক চরিত্র দিয়ে উপন্যাসের শুরু । কলকাতার আট-দশজন সাধারণ মানুষের মতো গ্রাজুয়েশন শেষ করে চাকরী খুজেছিল সে। টাকা পয়সার সঙ্কট ছিল অনেক। ঠিক এমনই এক সময় তার এক বন্ধু এক চাকরী দিল কিন্তু সে চাকরী করতে হলে তাকে থাকতে হবে শহর হতে দূরে এক অরণ্যে। আর্থিক সঙ্কটের জন্য সে রাজি হয়েছিল। তার পর সত্যচরণের চোখের মাধমে ফুটে ওঠেছে সেখানের মানুষদের দারিদ্রতা। আমরা ভাবি কলকাতার মানুষ দারিদ্র। কিন্তু সেখানে তিনি দেখিয়েছেন যে একটি কড়াই পেলে মানুষ কত খুশি হতে পারে। সাঁওতাল রাজকন্যা ভানুমতীকে সঙ্গী বানানোর মনোবাসনাও ছিল তার। এভাবেই নানা প্রকার মায়ায় জড়িয়ে যায় সে , যেতে মন চায় না আর জনমানবপূর্ণ কলকাতায়।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
4 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটা কি সম্পূর্ণ??
এটা কি শুধু বইয়ের উপরের cover নাকি বই সহ?
How many pages??
ata ki hard cover
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আরণ্যক" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: