১ম প্রকাশ, ২০১৮
আমার ঢাকা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া (বাংলা)
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
শামায়েলে তিরমিযী (আরবি-বাংলা)
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ)
সহজ বাংলা সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
প্রশ্নোত্তরে সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
শামায়েলে তিরমিযি
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ)
মহিলা সাহাবির আদর্শ জীবনকথা
মাওলানা আবু যার আব্দুল্লাহ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আমার ঢাকা |
| Author | শামসুর রাহমান |
| Publisher | প্রথমা প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৮ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 134 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Biographies, Memories & Interviews |
| Weight | 0.2 Kg |
| Editor | পিয়াস মজিদ |
| ISBN | 9789849359531 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
7 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Rehnuma Rubayat Prapty , Dec 26, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ ❛জোৎস্নায় ভাসছে ঢাকা, ঢাকাও ম রাল হতে জানে পূর্ণিমায়, দেখে নিই। যেন দরদালানসমেত যাচ্ছে উড়ে দুলিয়ে বিপুল ডানা মগজের জোৎস্নায় আমার।❜ স্মৃতির শহর ঢাকা, প্রাণের শহর ঢাকা। ধুলোবালি, ইট পাথরে ঘেরা, দূষিত বায়ুর শহর ঢাকা। কোটি মানুষের স্বপ্নের শহর ঢাকাকে ঘিরে আছে বহু মানুষের আজন্ম ভালোবাসা। তাদেরই অন্যতম একজন নাগরিক কবি শামসুর রাহমান। জন্মশহর ঢাকাকে কবি ভালোবেসেছেন প্রিয়ার মতো। হয়তো তার থেকেও বেশি। কবির কথায়, চিত্তে, মননে, কবিতায় সবখানে প্রাধান্য ছিল ঢাকা। বিশেষ করে পুরোনো ঢাকা। বায়ান্ন বাজার তেপ্পান্ন গলির পুরোনো ঢাকা লেখকের আবাসস্থল। সেখানে কাটানো সময়গুলো, বাড়ির উঠোনে দিকে চেয়ে কবিতা রচনার সময়গুলো লেখক সযত্নে লালন করেছেন। ঢাকাকে অলিগলিতে লেখক স্মৃতিচারণ করতে করতে ঘুরে বেড়িয়েছেন শিবনারায়ণ রায়, ড. অমলেন্দু বসু, নরেশ গুহ, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী এবং রশীদ করিমের মতো নামী ব্যাক্তিদের সাথে। ছ'জনের আড্ডায় উঠে এসেছিল কতশত কথা, সাহিত্যের অধ্যায় ভরপুর সেই দুপুরের কথা লেখক ভুলে যাবেন না। বাংলার বিজয় অর্জনের মুহূর্ত, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানোর সময়গুলো আর বাড়ির উঠোনের সেই অবাধ্য বেড়ে ওঠা ঘাসগুলো কবির ঢাকার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ। শ্যাওলা ধরা, পিচ্ছিল ওই আশেক লেনের বাড়িতে লেখকের পায়চারী, উদাস দুপুর কিংবা অশান্ত মনে শুধু আশেক লেনের ওই ছোট্ট ঘরে থেকে কীভাবে জীবনের সবথেকে সুখের সময়গুলো কাটিয়েছেন তার স্মৃতিতে ভরপুর। নিউমার্কেট, বাংলাবাজার কিংবা নীলক্ষেতের ওই পুরোনো শীর্ণ বইগুলোর প্রতি ভালোবাসা কবির অসীম। শীর্ণ হলদে মলাটে যে ভালোবাসা পাওয়া যায় তার জন্য উচ্ছল কিশোর বালকের মতো লাফঝাঁপ দিতে কবির দ্বিধা ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালের স্মৃতি, মধুর ক্যান্টিনে মধুদার সাথে কাটানো সময়গুলো কবির জীবনের সোনালী স্মৃতি। এই মধুর ক্যান্টিনে বসে কত ইতিহাস হয়েছে তা আজকের জমানায় ক’জন-ই জানি! কবির তরুণকালের ঐ ঢাকা তার মধ্যবয়সের ঢাকার মতো না হলেও ভিন্ন নতুন রুপী ঢাকাকেও কবি ভালোবেসেছেন। যখন যে রূপে ঢাকা কবির সামনে এসেছে সে রূপকেই বিশ্বস্ত প্রেমিকের মতো ভালোবেসেছেন। ঢাকা ছলনাময়ী, কঠোর আবার নিষ্ঠুর হলেও ঢাকা তো ঢাকা। তার প্যাঁচানো, হাই রাইজ বিল্ডিংয়ের ভিড়েও ঢাকা ঐ ষোড়শী রমণীর মতোই স্নিগ্ধ কবির কাছে। তাইতো কবিতায় ঢাকাকে, ঢাকার অলিগলিকে, ঢাকার কোমল কঠোর সব রূপকেই ঠাই দিয়েছেন। তাইতো আসাদ চৌধুরী ভুল বলেননি, ❛যেমন জেমস জয়েসের ডাবলিন, যেমন নাগিব মাহফুজের কায়রো, যেমন ওরহান পামুকের ইস্তাম্বুল, যেমন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও শক্তি চট্টোপধ্যায়ের কলকাতা তেমন শামসুর রাহমানের ঢাকা।❜ পাঠ প্রতিক্রিয়া: আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা ঢাকায়। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সবকিছুই ঢাকায়। ঢাকার সাথে সম্পর্ক আমার তাই একদম গোড়া থেকে। রিক্সা বাসের ভিড়ের ঢাকায় অতীতের ঢাকা হয়তো আমার জন্য বইয়ের পাতায় জানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তবুও দশককে দুই দিয়ে গুণ দিয়ে আমার বয়স আরো কিছুদূর পেরিয়ে যাওয়া ছোট্ট এই জীবনে ঢাকাকে আমি ভালোবেসেছি। আমার মতো করে ভালোবেসেছি। জীবনের তাড়নায় নতুন শহরে আসলেও ঐ যে ঢাকা ময়লা, দুর্গন্ধ, জ্যাম, ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলা বিল্ডিংয়ের সাথে বিল্ডিং ঐ ঢাকাকে খুব অনুভব করি। কবি শামসুর রাহমান নাকি ঢাকা ছেড়ে কোথাও থাকতে পারতেন না। দমবন্ধ লাগতো। তিন চার মাসের বেশি ঢাকার বাতাস না পেলে কেমন করতেন। ঢাকাকে অনন্ত যৌবনা প্রিয়ার মতো ভালোবেসেছেন তিনি। তাকে ছেড়ে তো থাকা কষ্টের হবেই! ❝আমার ঢাকা❞ শামসুর রাহমানের সময় অসময়ে ঢাকাকে ঘিরে লেখা প্রবন্ধ, স্মৃতিচারণমূলক লেখা, কবিতার এক সংকলন। যা সংকলন করেছেন পিয়াস মজিদ। কবিতা, স্মৃতির শহর ঢাকা নিয়ে লেখা ছোটখাটো এই প্রবন্ধের পাশাপাশি ১৩৩ পৃষ্ঠার ক্রাউন সাইজের এই বইতে স্থান পেয়েছে কবির কিছু স্থিরচিত্র। ঢাকা নিয়ে আমার ফ্যাসিনেশন অনেক। নতুন ঢাকায় বেড়ে ওঠা হলেও কবির মতো আমিও পুরোনো ঢাকার প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ অনুভব করি। তাইতো ঢাকা নিয়ে লেখা লেখকের এই বইটির সংকলনের খোঁজ পেয়ে সংগ্রহ করেছিলাম। পড়া হয়নি সাথে সাথেই। সদ্য ঢাকাকে বিদায় জানানো, নতুন পরিবেশে আসা আর ঢাকার ফেলে আসা সময়গুলো ভেবে স্মৃতিকাতর হতে হতে এই বইটা পড়ার মেলবন্ধন আমার কাছে মন্দ মনে হলো না। অতীতের ঢাকার সাথে বর্তমানের প্রযুক্তি নির্ভর ঢাকার মিল খুব একটা নেই বললেই হয়। তবুও ঢাকা তো ঢাকাই। কবির সময়ের ঢাকা আর এই সময়ের ঢাকার মিল না থাকলে আলাদা রূপে দুই সময়ের এই শহর লালন করেছে আমাদের। তাইতো বইটা পড়তে গিয়ে কবির চোখে ষাট-সত্তর দশকের ঢাকা, সদ্য বিজয় পাওয়া ঢাকাকে উপলব্ধি করেছি। ভালো লেগেছে পড়তে। কবিতাগুলোও সুন্দর ছিল। কবিতাগুলোতে কখনো প্রকাশ পেয়েছে এই শহরের প্রতি কবির ভালোবাসা, আবেগ, বারবার ফিরিয়ে দিলেও শহরের প্রতি নিদারুণ টান। আবার কখনো অভিমানী, রাগী হয়ে লিখেছেন কবিতাগুলো। প্রত্যেকটা কবিতাই উপভোগ্য। কিছুটা কঠিন মনে হলেও ঢাকার স্মৃতির সাথে মিলিয়ে পড়তে গেলে বুঝতে বেগ একটু কমই পেতে হয়। ছোট্ট এই বইটা পড়তে গিয়ে লেখকের কথার সাথে আমিও একমত বা এক চিন্তা করছিলাম। বিশেষ করে পুরোনো ঢাকায় যখন যাই, তখন বারবার মনে হয় এই একই পিচঢালা পথে কত অতীত মানুষের ধুলো আছে, আছে যো দ্ধা দের র ক্ত। ব্রিটিশ বাহিনীর বুটের খটখট আওয়াজ আছে, আছে পাক বাহিনীর বেয়নেটের খোঁচা। কতকিছু পেরিয়ে আজকের এই ঢাকা। পুরনো ঢাকার জীর্ণশীর্ণ ওই বাড়িগুলো দেখতে দেখতে মনে হয় এখানে অতীতে কত শান-শৌকত ছিল, ছিল জমিদারি, ছিল রাজা রানীর আবাস। আজ সেই রাজবাড়ি গুলো দর্শনার্থীদের ২০-৩০ টাকার টিকেটের বিনিময়ে ঘুরে যাওয়ার স্থান! আন্টাঘর ময়দানের দিকে গেলে কবির মতো আমারও কি মনে পড়ে এখানে কত সিপাহীকে ঝুলতে হয়েছিল ফাঁ সি তে? ঢাকা জাদুর শহর। জ্যাম, ধুলো, গরম, প্রকৃতির ছোঁয়া কমে যাওয়া শহরটা তারপরেও টানে। টানে শিল্পকলার কোনো প্রদর্শনীতে, টানে টিএসসির রঙিন চায়ের দোকানে, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, বিউটি লাচ্ছি কিংবা আর্মেনিয়ান চার্চে টানে। রাতের ল্যাম্পপোস্টের ঐ হলদে বাতির নিচে হাঁটার জন্যেও টানে। বৈশাখের বটমূল, নীলক্ষেতের সস্তার বই, বাংলাবাজারের আগের মতো পুরোনো বইয়ের দোকানের আধিক্য না থাকলেও বই আছে। নতুন বইয়ের সমাহার আছে। এক ঢাকাকে ভালোবাসতে আর কী লাগে? কবির স্মৃতিকাতরতা পড়তে পড়তে নিজেও কখন স্মৃতিকাতর হয়ে গেলাম কে জানে। ঢাকা নিয়ে আগ্রহ থাকলে, ঢাকার অতীত ইতিহাসের একটু ঝলক পেতে চাইলে বইটি না পড়ার কোনো কারণ নেই। কবির সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে বলে বিদায় নেই, ❛হে শহর, হে প্রিয় শহর, হে অন্তরঙ্গ আমার, তুমি কি সেই ভীষণ দলিলে সই করে ফেলেছ, যার প্রতাপে আমি কাঁদব দীর্ঘ পরবাসে? আমার সঙ্গে কোনো ছলাকলার প্রয়োজন নেই, তুমি অসংকোচে উচ্চারণ করতে পারো নিষ্ঠুরতম ঘোষণা- আমি রৌদ্রমাখা ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে হেঁটে চলে যাব প্রতিবাদহীন, কোনো অভিমানকে প্রশ্রয় না দিয়েই। ........ আমি সন্তের মতো অপেক্ষা করবো উপবাসে দীর্ঘকাল।❜ হে ঢাকা তোমার ধুলোয় কবে আবার মাখবো আমি নিজেকে? বই: আমার ঢাকা লেখক: শামসুর রাহমান প্রকাশনী: প্রথমা"
Md Shazed Ul Hoq Khan Abir , Jul 31, 2020
"দুই রেটিং দিলাম, শামসুর রাহমানের নাম খোদাই করা আছে বইটির ওপর তাই। নতুবা এক দিতাম। বইটি কিনে ঠকেছি। ঢাকার ইতিহাস , ঢাকা শহরের সঙ্গে শামসুর রাহমানের গভীর, ঘনিষ্ঠ , আনুপুঙ্খিত সম্পর্কের বিবরন উঠে আসবে - এই আশায় বইটি কেনা। কোন নির্দিষ্ট জায়গার ব্যাপারে বিষদ বর্ণনা নেই, ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠার , ভেঙ্গে যাওয়ার বর্ণনা নেই, আছে কেবল আওলাদ হোসেন লেনে নিজের বাসস্থান, উঠোন, রুমের ভাঙ্গা ভাঙ্গা বর্ণনা - যা সবমিলিয়ে পাঠকের মনে কোন স্থায়ী ছায়া ফেলে না। বিভিন্ন জাতীয় উপলক্ষ্য, জাতীয় দু একটি জায়গা ঘিরে সামান্য স্মৃতিচারণ আছে বটে, তা বইয়ের মূল্যের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ নয়। বইটি এ ফোর সাইজের নয়। অর্ধেকই ঢাকা সংক্রান্ত কবিতায় ভর্তি। শামসুর রাহমানের কবিতা সমগ্র আগে থেকেই কালেকশনে ছিল বলে এই কবিতাগুলির প্রয়োজন আমার ছিল না। এই প্রথমা প্রকাশনেরই মিজানুর রহমান সাহেবের লেখা ঢাকা পুরাণ নামে একটি বই এই মাসে পড়লাম। কি তথ্যের ঠাসবুনন, কি শব্দের ব্যাঞ্জনা - সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি বই। তার তুলনায় শামসুর রাহমানের এই সংকলন খুবই অকিঞ্চিতকর। আমি মনে করি না শামসুর রাহমান নিজে বেঁচে থাকলে এই বই তিনি প্রকাশের অনুমতি দিতেন। ঢাকার ইতিহাস জানার জন্যে একটি রেফারেন্স হিসেবে যারা এই বই কিনতে চাচ্ছেন, তাঁদের জন্যে আমার পরামর্শ থাকবে - প্রয়োজন নেই। শামসুর রাহমানের ভক্ত হিসেবে তার সব রচনা সংগ্রহে রাখবো বিবেচনায় কেনা যায়।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আমার ঢাকা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: