হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড - এলিফ শাফাক এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০২০

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড

6 Ratings | 6 Reviews
TK. 284 TK. 330 -14% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

শিশি বের হলো। ছিপিটা খুলতেই হিশশ করে একটা আওয়াজ শোনা গেল। ভয় পেয়ে গেল লেইলা। পায়ে সাধের স্লিপার না থাকলে আরও দ্রুত দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে পারত ও। পারল না সে ক...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

শিশি বের হলো। ছিপিটা খুলতেই হিশশ করে একটা আওয়াজ শোনা গেল। ভয় পেয়ে গেল লেইলা। পায়ে সাধের স্লিপার না থাকলে আরও দ্রুত দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে পারত ও। পারল না সে কারণেই। হুমড়ি খেয়ে পড়
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title ১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড
Author এলিফ শাফাক
Publisher আদী প্রকাশন
Edition ১ম প্রকাশ, ২০২০
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 254
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.42 Kg
Translator আহনাফ তাহমিদ
ISBN 978 984 94826 4 2
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

6 Ratings and 6 Reviews

★★★★★
6
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

৬টি
tanaykumar kundu

tanaykumar kundu , Jul 23, 2026

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"উপন্যাসটি খুবই ভালো। একটি মেয়ের জীবনী খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক।"

MD Sajid Bin Absar

MD Sajid Bin Absar , Nov 25, 2025

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"ভালো বই"

taz****com

taz****com , Jun 29, 2024

★ ★ ★ ★ ★

""জীবন এবং মৃ/ত্যুর সন্ধিক্ষণের মাঝামাঝি একটা জায়গা আছে। সেখানে এত দ্রুত ক/বরফলক স্থাপন করা যায় না।" বই: ১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড লেখক: এলিফ শাফাক অনুবাদক: আহনাফ তাহমিদ প্রকাশনী: আদী প্রকাশন মুদ্রিত মূল্য: ৩৩০ কাহিনী সংক্ষেপ— এ গল্পটা মৃ/ত্যুপথযাত্রী লেইলা আফিয়া কামিলের। লেইলা অর্থ রাত। যার নামের অর্থেই রাত তার জীবনে দিনের আলোকছটা কি আর এত সহজে আসে? উচ্ছল, প্রাণবন্ত লেইলার দুনিয়াকে জানার যার ছিল অদম্য কৌতূহল। কিন্তু পরিবারের গোঁড়ামির শিকলে সে বাধা পড়ে যায়। নিজের আপন চাচার হাতে যৌ/ন নি/র্যা/তনের শিকার হয় সে। পরিবারের উপর এক আকাশ অভিমান নিয়ে সে চলে আসে ইস্তানবুল। পেছনে ফেলে আসে পরিবার, প্রথম প্রেম সিনান আর কিছু দুঃ/স্বপ্নময় স্মৃতি। ইস্তানবুল তার কাছে ছিল স্বপ্নের শহর। ভেবেছিল এখানে এসে জীবন পাল্টাবে। কিন্তু হায়! জীবন যে নাটকের চেয়েও বেশি নাটকীয়। ভাগ্যের ফেরে হয়ে গেল যৌ/নকর্মী। লেইলা আফিয়া কামিল থেকে পরবর্তীতে হয়ে গেল টাকিলা লেইলা। টাকিলা লেইলা তার ছোট্ট জীবনের শত উত্থান-পতন নিয়ে ভাগ্যকে মেনে নিয়েছে। এই উত্থান-পতনের মাঝেই সুখ নামক প্রজাপতি সবে মাত্র এসেছে তার ঘরে। আলী নামক একজনের সুখের সাথে ঘরও বাঁধলো। কিন্তু কপালে যার সুখ নেই সে কি চাইলেই সুখ আনতে পারে? অতঃপর সুখের প্রজাপতিও উড়ে গেল। লেইলা মা/রা যাচ্ছে। ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ঘরে ছায়াছবির মতো লেইলা শুনিয়ে যাচ্ছে নানান বর্ণ, ছন্দ, রঙে তার পুরো জীবনের গল্প। পুরো গল্পতো শুনিয়েই দিলাম আর কি কিছু আছে? আছে বৈকি! সে কারণেইতো ডুব দিতে হবে শাফাকের জাদুকরী লেখায়। পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা— কিছু বই শেষ করার পর নিজেকে বলতে ইচ্ছে করে, "এটা কী পড়লাম?" এ বইটা পড়ার পরেও আমার ঠিক একই অনুভূতি। "ভালো লেগেছে" বলে দুই শব্দেও ইতি টানা যায়। কিন্তু কেন ভালো লেগেছে এ নিয়ে হাজার শব্দ ব্যয় করলেও বোধহয় অনুভূতি ঠিকঠাক প্রকাশ হবে না। বইটা কী অবলীলায় পছন্দের কাতারে জায়গা করে নিলো। বইয়ে দুটি ভাগ আছে— মন ও শরীর। প্রথম ভাগে লেখক দেখিয়েছেন লেইলার জীবন। ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে ছায়াছবির মতো যেখানে চোখের সামনে ভেসে ওঠে সব গল্প— তার শৈশব, কৈশোর, যৌবন। তিনটি পর্বেই সে দেখে ফেলেছে পরিবারে সে কেমন ছিল, সমাজ তাকে কীভাবে দেখে, তার বন্ধুদের নিকট সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ আর কীভাবে সে চলে যাচ্ছে। এ গল্প যতটা লেইলার ততটা তার পাঁচ বন্ধু সিনান, নালান, জয়নাব, হুমেইরা, জামিলারও। ইস্তানবুলে সুখ নামক মরিচীকার খোঁজ করতে আসা সবাই যেখানে এক পথের পথিক। ভিন্ন ভিন্ন গল্প সবারই অথচ নিয়তি সবারই যেন এক। লেইলার জীবনে এ পাঁচজনের গুরুত্ব বা তাদের জীবনে লেইলার গুরুত্ব কতখানি একমাত্র তারাই জানে। পরিবার হারিয়ে তারাই এক পরিবার প্রতিটা সুখ-দুঃখের মুহূর্তে যারা একে অপরের পাশে থাকে। লেইলা চলে গিয়েছে এই অমোঘ সত্যিটা মানতে তাদের ভীষণ কষ্ট হয়। লেইলার পেশাটা যেহেতু সম্মানের তাই তার শেষকৃত্যটা যে সম্মানের হবে তার আশা করাটাও বোকামি। কিন্তু তার প্রাণের বন্ধুরা মানতে নারাজ যেভাবেই হোক এর শেষ দেখেই ছাড়বে তারা। বন্ধুত্বের এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে তারা। ধর্ম, লিঙ্গ কিংবা পেশা যেখানে প্রাধান্য পায়নি পেয়েছে কেবলই আত্মিক টান। শাফাকের লেখায় অদ্ভুত এক জাদু আছে। নয়ত সাধারণ কিছু মানুষের গল্প এত অসাধারণ ভাবেও উপস্থাপন করা যায়। প্রতিটা চরিত্রের দুঃখ এত কাছ থেকে অনুভব করানো যায়? প্রতিটা চরিত্র এত জীবন্ত যে লেইলার জন্য যতটা সহানুভূতি আসে তার বন্ধুদের প্রতিও ততটাই আসে। দেখিয়েছেন সমাজের নির্মম এক চিত্র সাবলীলভাবে। মেয়েরা আসলে কোথাও নিরাপদ না। লেইলার মতো হাজারো লেইলা আছে যারা এই যৌ/ন নির্যাতনের শিকার হয়ে লজ্জায় কিছু বলতে পারে না পরিবারের মান-সম্মানের ভয়ে। এ গল্প তাদেরও উড়তে থাকার অদম্য বাসনা থাকা সত্ত্বেও ডানা ছেটে ফেলে দেয়া হয়। কিন্তু সেই ছাটা ডানা নিয়েই কেউ কেউ সুখের খোঁজে পারি জমায় বহুদূর। লেইলা তাদেরই একজন। হাজারো শারিরীক মানসিক অশান্তুি সহ্য করলেও নিজে কখনো তার জীবনের খেই হারায়নি। বরঞ্চ সে আশা জুগিয়েছে আরেকজনকে বাঁচার। তার জীবন খুব একটা সুখকর এমন না কিন্তু তাতেই সে ভালো থাকা খুঁজে নিয়েছে। এক টুকরো ইস্তানবুলের সৌন্দর্য্য যেমন তুলেছেন তেমনই তার কুটিলতাও তুলে ধরেছেন কলমের আঁচড়ে। ইস্তানবুল কোনো স্বপ্নের শহর নয়, এ শহর দগদগে নোংরা ঘায়ের মতো। আর এই পা /পের সাম্রাজ্যের পাপগুলোও তুলে ধরেছেন অবলীলায়। ঐতিহাসিক কিছু সত্য প্রেক্ষাপট, যেমন— ভিয়েতনামের মাই লাই গণহ/ত্যা, শ্রমিক দিবসে গু/লি চালানো গল্পচ্ছলে তিনি বলেছেন। এমনকি যৌ/নপল্লীদের ওই রাস্তার কথাটাও সত্য। তবে কিলিয়োসের সমাধিস্থলের কথাটা যতবারই মনে পড়েছে ততবারই মন খারাপ লাগায় আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছে। অনুবাদের কথা নিয়ে বলব না তা কি হয়? “সমুদ্র পাড়ের দিকে এই এলাকায় পাথর কুঁদে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর। কিছু কিছু বাড়িতে আবার গাছের কাঠ দিয়ে সজ্জা করা হয়েছে। গীর্জা আর সিনাগগের মাঝে পাখির নীড়ের মতো ঝাঁপি মেলে রয়েছে আবাস। সন্ধ্যা নামলেই আলোকিত হয়ে ওঠে পুরো অঞ্চল।”— অনুবাদের মুন্সিয়ানা বোঝানোর জন্য বোধহয় এ কয়েকটা লাইনই যথেষ্ট। শাফাকের লেখা যতটা না জীবন্ত অনুবাদও ততটাই। ঝরঝরে অনুবাদ না হলে পড়তে বেশ বেগ পোহাতে হতো। আহনাফ তাহমিদ তার শব্দভাণ্ডারের মুন্সিয়ানা দ্বারা চমৎকার অনুবাদ করেছেন। আহনাফ তাহমিদ এবং দু'জনই আমার কাছে নতুন। কিন্তু এই একটা বই দিয়েই তাঁরা যেভাবে লেখার জালে আটকে ফেলেছেন সে জাল থেকে মনে হয় না এত সহজে বের হতে পারব। দু'জনের বাকি কাজগুলোই উইশলিস্টে এড হতে থাকবে। আদী প্রকাশনীর প্রোডাকশন কোয়ালিটি চলনসই। প্রচ্ছদটা মূল বইয়ের আদলেই করা। বইয়ে কিছু টাইপো ছিল ওগুলো ছাড় দেয়াই যায়। শেষের দিকে কিছু ছবি যুক্ত আছে যা পাঠকদের জানার আকাঙ্ক্ষার খোরাক মেটাতে পারবে। পরিশেষে— ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড কারো জন্য কারো জন্য কেবলই কিছু খুচরো সময় আর কারো জন্য অন্যরকম এক সময়। যে সময়ে কেউ কেউ দেখে ফেলে গোটা জীবনের আখ্যান এক পলকে। ইয়া বড় পোস্ট লেখার পরেও মনে হচ্ছে অনুভূতি ঠিকঠাক আসেনি। তবুও বলছি, "১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড" অদ্ভুত পৃথিবীতে থাকা লেইলার গল্পই নয়, এ গল্প অনেকজনের। এ গল্প জীবনের, ভালোবাসার, বন্ধুত্বের কিংবা এক টুকরো বিষণ্নতার। পাতায় পাতায় কোনো থ্রিল না থাকা সত্ত্বেও যে গল্প পাঠককে আটকে রাখে। বিষণ্ণতার নীল সমুদ্রে বিচরণ করা কিছু খুচরো সময়ের এ গল্প অনেকদিন মনে থাকবে। পারসোনাল রেটিং— ৪.৮/৫"

Shadab Hasin

Shadab Hasin , Apr 14, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"অসাধারণ"

md giasuddin

md giasuddin , Jun 10, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"বরাবর এর মতো লেখিকার লিখনি খুব ভালো লাগলো কিন্তু কাহিনি টি একটু আডাল্ট টাইপের।তাই বইটি সবার জন্য প্রজজ্জ নয়।"

Ashikur Rahman

Ashikur Rahman , Mar 5, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"এবার মেলা থেকে খুব অল্প সংখ্যক বই কিনেছি, একদম বেছে বেছে। ১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড-এর অনুবাদের ঘোষণার পর থেকে বইটাকে ফলো করা শুরু করি। দুদিন লাগিয়ে শেষ করে ফেললাম ২৫৪ পৃষ্ঠার বইটি। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ কিছু বই আছে, যা শেষ করার পর কিছুক্ষণ হাতে নিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করে। কারণ দু’মলাটে বন্দী চরিত্রগুলো কিছু সময়ের জন্য খুব বেশি আপন হয়ে যায়, আর আপনজনদের মায়া ত্যাগ করতে ইচ্ছে করে না হুট করে। তেমনি কখন যে লেইলার জীবনের সাথে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম, টের পাইনি। শারীরিক-মানসিক নির্যাতন মুখ বুজে সহ্য করে, সমাজের বাঁকা দৃষ্টির শিকার হয়ে, সংস্কৃতি- ধর্ম আর কুসংস্কারের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে বিষিয়ে উঠা লেইলাকে একটা সময় বড্ড পরিচিত কেউ বলে ভ্রম হয়, যার জীবনের গল্পটা ধীরে ধীরে জানতে পারছি পাতার পর পাতা উল্টে। উচ্ছল, প্রাণবন্ত লেইলা; দুনিয়াকে দেখার-জানার-শোনার অদম্য আগ্রহকে পুষে রাখা লেইলাকে জোর করে পরিয়ে দেয়া হয় গোঁড়ামির শেকল। শৈশবেই আপন চাচার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে বড় হওয়া লেইলা পরিবারের উপর এক বুক অভিমান নিয়ে নতুন জীবনের আশায় পাড়ি জমায় ইস্তানবুলে। পেছনে ফেলে আসে কৈশোরের ভালোবাসা সিনানকে, ফেলে আসে চার দেয়ালের বদ্ধ পরিবেশ, ধর্মীয় শাসন নামের অবিচারের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে। কপালে যে সুখ লেখা নেই তা মনে হয় মেয়েটা আন্দাজ করতে পারেনি। অন্ধকার এক সময়ে ইস্তানবুলে এসে হাজির হয় ও। নিজের অজান্তেই বিক্রি হয়ে যায় বেশ্যাপল্লীতে। খদ্দেরদের তৃষ্ণা মেটাবার উপায়গুলো অনিচ্ছাসত্ত্বেও রপ্ত করে নেয়, পরিণত হয় ‘মিষ্টি মা’ ওরফে ‘তেতো মা’ নামক মক্ষীরাণীর প্রিয়পাত্রীতে। লেইলা আফিয়া কামিল থেকে পরিণত হয় মোহনীয় টাকিলা লেইলাতে। একদিন পতিতাবৃত্তির অন্ধকার জগতেও এক টুকরো আলো হয়ে আসে এক বিদ্রোহী রাজপুত্র। সাম্রাজ্যবাদের জন্য লড়াই করে যাওয়া এক যুবক- আলি। জুটে যায় নানা রঙের, ধরণের পাঁচ বন্ধু- জামিলা, জয়নাব, হুমেইরা, নালান আর সিনান। যারা প্রত্যেকেই সমাজের অপছন্দের পাত্র, জীবন নামক যাঁতাকলে পিষ্ট। লিঙ্গ, ধর্ম, রঙ আর জীবনের গল্প ওদের প্রত্যেককেই আলাদা করে তুলেছে যেভাবে, ঠিক সেভাবে একত্রিতও করেছে। ও আচ্ছা, মিস্টার চ্যাপলিনও আছেন গল্পে। তবে এই চ্যাপলিন আপনার-আমার পরিচিত গুঁফো চার্লি চ্যাপলিন নন। এলিফ শাফাক গল্পে দক্ষ শিল্পীর মতো এঁকেছেন তৎকালীন ইস্তানবুলের রাজনৈতিক পটভূমি, সমাজ ব্যবস্থা, মানুষের মন-মানসিকতার এক নিখুঁত চিত্র। বাক্যে উপমার ব্যবহার লক্ষ্যণীয়। গল্পে সময়ের ব্যাপ্তি ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত। এর মাঝে লেখিকা তুলে ধরেছেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু রাজনৈতিক ঘটনাকে- ১৯৬৮ সালে ইস্তানবুল থেকে আমেরিকান সৈন্য হটাবার জন্য আপামর জনতার প্রতিবাদ, ১৯৭৭ সালের পহেলা মে’তে তাকসিম স্কয়ারে বামপন্থীদের উপর গুলিবর্ষণ- প্রতিটি ঘটনাই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে লেইলার জীবনে। যা লেখিকার লেখায় ঠাস বুনটের পরিচয়ই দেয়, কারণ অনর্থক ইতিহাস কপচাননি তিনি, ইতিহাসকে আশ্রয় করে নিজের মতো করে গল্প বলে গেছেন। সুখের ছোঁয়া পেয়েও হারাতে হয় প্রিয়জনকে; ভাগ্যের ফেরে ছেড়ে দিয়েও ফিরে আসতে হয় আদিম পেশায়, আর তারপরই সকরুণ ভাবে যবনিকাপাত ঘটে লেইলার নানান স্বাদ-বর্ণ-গন্ধে পরিপূর্ণ বৈচিত্র্যময় জীবনের। পাঠক, গল্পটা কিন্তু এখানেই শেষ না… ১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড- স্রেফ টাকিলা লেইলার জীবনগাথা নয়; এই গল্প নিখাদ বন্ধুত্বের, উত্তাল সময়ের, সমাজে প্রচলিত ভেদাভেদ তুলে ধরার, অন্যায়কে মেনে নেবার মানসিকতাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবার, উন্নত জীবনের হাতছানি দেয়া ইস্তানবুলের অন্ধকার রূপকে চিনিয়ে দেবার এক বর্ণিল আখ্যান। অনুবাদ প্রসঙ্গেঃ আহনাফ তাহমিদের অষ্টম অনুবাদ গ্রন্থ। অনুবাদক প্রাঞ্জল অনুবাদের কৌশল ভালভাবেই রপ্ত করেছেন বলে প্রশংসা করা বাঞ্ছনীয়। শাফাকের লেখাকে বাংলা ভাষায় তুলে আনার দুরূহ কাজটা চমৎকার ভাবে সম্পন্ন করেছেন তিনি। দেশী বাগধারার ব্যবহার করেছেন প্রয়োজনমাফিক, শব্দ চয়নেও দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। পড়তে গিয়ে এতটুকু আটকাতে হয়নি কোথাও। ভুলভাল কী পেলামঃ দুয়েকটা টাইপো আর উপেক্ষা যোগ্য গুটি কয়েক বানান ভুল চোখে পড়েছে। বইটিতে লেইলার জীবন প্রদীপ নিভে যাবার ঠিক আগের ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডকে একেকটি অধ্যায়ে সাজিয়েছেন লেখিকা, সেখানে শেষ আট সেকেন্ডকে ভুলে আট মিনিট লেখা হয়েছে। এটা ছাড়া আর কোনো চোখে পড়ার মতো ভুল নেই। বাঁধাই, কাগজ ও প্রচ্ছদঃ বইটির বাঁধাই ও কাগজের মান এক কথায় চমৎকার, তবে মূল প্রচ্ছদ অপরিবর্তিত রাখাকে স্বাগত জানালেও ফ্রন্ট কাভারে সাদামাটা ফন্টের ব্যবহার ভাল লাগেনি। এদিক দিয়ে প্রচ্ছদশিল্পী আবুল ফাতাহ’র আরেকটু যত্ন নিয়ে কাজ করা উচিত ছিল। আর শেষের চার পৃষ্ঠায় গল্পের সাথে সম্পৃক্ত কিছু ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে, যা পাঠকের জিজ্ঞাসু মনের খোরাক মেটাতে পারবে। ব্যাপারটা বেশ আকর্ষণীয় লেগেছে আমার।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 1 / 7
পাতা 2
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 2 / 7
পাতা 3
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 3 / 7
পাতা 4
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 4 / 7
পাতা 5
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 5 / 7
পাতা 6
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 6 / 7
পাতা 7
১০ মিনিটস ৩৮ সেকেন্ডস ইন দিস স্ট্রেঞ্জ ওয়ার্ল্ড পাতা: 7 / 7
পাতা / 7
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।